গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে মহানগরীর কাশিমপুর লোহাকৈর মাজার ও সারদাগঞ্জ পূর্বপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত জানায়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ওজন ও পরিমাপ দণ্ড আইনে নাটোরের কাঁচা গোল্লা তৈরির কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা, আল মদিনা ফুডকে ৩০ হাজার টাকা ও এবি এন্টারপ্রাইজে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সালেহুর রহমান। অভিযানের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মেট্রোলজি পরিদর্শক ইঞ্জিনিয়ার চিন্ময় মণ্ডল শিশির, ফিল্ড অফিসার (সিএম) রিয়াজ হোসেন মোল্লা, এনএসআই সদস্য ও ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা।অভিযানের বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সালেহুর রহমান বলেন, ভোক্তাদের অধিকার ক্ষুন্ন করা এবং বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট করা এবং নকল মোড়কে পণ্যসামগ্রী উৎপাদন করার অপরাধে তাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
১ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার উপজেলার আলোচিত উত্তরা ব্যাংক পিএলসির, গোপীনাথপুর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার আরিফুল ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ আলী (৪৮)-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ টার দিকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চট্টগ্রাম রোড এলাকায় স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে কসবা থানা পুলিশ। জানা গেছে, গত ৬ জুলাই সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর বাজারে গ্রিন হেলথ হাসপাতালের সামনে পূর্ব বিরোধের জেরে উত্তরা ব্যাংক পিএলসির গোপীনাথপুর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার আরিফুল ইসলাম (৪৫)-এর ওপর ধারালো দা দিয়ে হামলা চালানো হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ জুলাই দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীর একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী তাসলিমা শারমীন মলি বাদী হয়ে মোহাম্মদ আলী, তার স্ত্রী হেনা বেগমসহ ৫-৬ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে কসবা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি কসবা থানার এফআইআর নং-১৬ (তারিখ: ৮ জুলাই ২০২৬) হিসেবে দণ্ডবিধির ৩০২-৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়।ঘটনার পর কসবা উপজেলার বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের গ্রামবাসী প্রধান আসামির গ্রেফতাররে দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।কসবা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে দীর্ঘদিন পলাতক থাকা প্রধান আসামি মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করেন।কসবা থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার আসামি বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন।
১ দিন আগে
সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার থাকা সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনার পর হাজতখানায় রাখা হয়। দুপুর ১২টার দিকে তাকে আদালতে তোলা হবে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।প্রসিকিউশন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার মধ্যে মোজাফফর হোসেনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন।প্রসিকিউশন জানায়, মোজাফফরের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে বৃহস্পতিবার হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোসহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করবে প্রসিকিউশন।এর আগে, গত ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন। উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৪৫ বছর পর গত ১৫ জুলাই রাতে ঢাকার বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মোজাফফরকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে পরদিন বৃহস্পতিবার। ওইদিন সন্ধ্যায় তাকে সেনা হেফাজতে দেওয়া হয়।এদিকে, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গত ২১ জুলাই দিন ধার্য ছিল। ওই দিন আরও দুই মাস সময় চেয়েছে প্রসিকিউশন। কিন্তু মোজাফফরের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগ থাকায় নতুন তারিখ দেননি আদালত। এজন্য তাকেও বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।প্রসঙ্গত, ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে। পরে ওই ঘটনায় সামরিক আদালতে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করা হয়। মোজাফফর ছিলেন তাদের অন্যতম।
১ দিন আগে
গাজীপুর জেলা আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়ে গেছেন ডাকাতি মামলার এক আসামি। সোমবার (২০ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে আদালতে নেওয়ার সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যায় এই আসামি। জানা গেছে, ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি সম্রাট হোসেন (২৭) জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার তাত্তাপাড়া গ্রামের দুলাল মণ্ডলের ছেলে। তবে তিনি গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার তারগাছ বড়বাড়ী এলাকায় বসবাস করতেন।সোমবার (২০ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম।এর আগে রোববার রাতে সম্রাটকে গ্রেপ্তারের পর সোমবার দুপুরে তাকে গাজীপুর আদালতের গারদখানায় পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ধাওয়া করলেও আটক করতে পারেননি।পুলিশ জানায়, সোমবার দুপুরে আসামিকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে তাকে বুঝিয়ে দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কার্যক্রম চলছিল ।এ সময় হঠাৎ তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি আদালতকেও অবহিত করা হয়েছে।গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার বলেন,‘ডাকাতি মামলার এক আসামি কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আশা করছি, খুব দ্রুত তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।’কীভাবে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।
৩ দিন আগে