ওয়ানএআই চালু করল দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। এখন থেকে মাইজিপি অ্যাপে একটিমাত্র ইন্টারফেস এবং সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে একাধিক এআই মডেল ও টুল। বাংলাদেশে এআই ব্যবহার আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে গ্রামীণফোনের পথযাত্রায় এই উদ্যোগ এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য অত্যাধুনিক এআই টুল-গুলোকে আরও সহজ, সুলভ ও সাশ্রয়ী করে তোলার লক্ষ্যে চালু হওয়া ওয়ানএআই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা যাবে চ্যাটজিপিটি, ক্লড, গ্রক, ডিপসিক, জেমিনাইসহ আরও অনেক শীর্ষস্থানীয় এআই মডেল। একাধিক এআই প্ল্যাটফর্ম ও সাবস্ক্রিপশন আলাদাভাবে ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা দূর করে ওয়ানএআই গ্রাহককে দেবে দৈনন্দিন বিভিন্ন প্রয়োজনে নির্বিঘ্নে এআই ব্যবহারের সুযোগ; যার মধ্যে রয়েছে শেখা ও গবেষণা, কনটেন্ট লেখা, কোডিং ও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, সৃজনশীল কাজ, এআই দিয়ে ছবি তৈরি, ডকুমেন্ট বিশ্লেষণ ও সারসংক্ষেপ তৈরিসহ অন্যান্য এআইনির্ভর কাজ।গ্রামীণফোনের ‘এআই অ্যান্ড আই ডে’ উপলক্ষ্যে জিপিহাউসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ওয়ানএআই সেবার উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান, গ্রামীণফোন ম্যানেজমেন্ট টিম ও কর্মীদের উপস্থিতিতে সেবাটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ানএআই লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাবিরুল হক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন,” আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার যে লক্ষ্য আমাদের রয়েছে, তা অর্জনে এআই-এর ভূমিকা এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি, শিল্প খাত ও সমাজব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। তাই এআই-এর এই সম্ভাবনাকে গ্রহণ ও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সক্ষমতা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানএআই-এর মতো বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে এআই-কে সহজলভ্য করে তুলতে গ্রামীণফোনের এমন অগ্রণী ভূমিকা দেখে আমি অত্যন্ত আশাবাদী। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য এটি সাশ্রয়ী উপায়ে এআই টুল ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে, যা তাদের পড়াশোনা, গবেষণা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশে এআই-এর প্রসার ত্বরান্বিত করবে এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের গতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাবে, তা দেখার প্রত্যাশায় রয়েছি।“গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বড় পরিসরে গ্রামীনফোনের 'এআই অ্যান্ড আই' যাত্রার পরবর্তী ধাপের সূচনা হল। এখন আমাদের জন্য এআই আর কোনো পরীক্ষামূলক বিষয় নয়। স্বয়ংক্রিয় নেটওয়ার্ক এবং হাইপার-পারসোনালাইজড সেবা থেকে শুরু করে এআই-ভিত্তিক গ্রাহকসেবা পর্যন্ত, আমাদের কর্মী, সার্বিক কার্যক্রম ও গ্রাহক অভিজ্ঞতার সর্বস্তরে এআই-এর প্রয়োগ প্রতিনিয়ত আরও বিস্তৃত ও সুদৃঢ় হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যৎ কেবল এআই-এর একার নয়; বরং ভবিষ্যৎ সেই মানুষদের, যারা দায়িত্বশীলতার সাথে ও ইতিবাচক উদ্দেশ্যে এআই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাবে। গ্রামীণফোনের ভেতরে আমরা যেমন ভবিষ্যৎ-উপযোগী সক্ষমতা তৈরি করছি, তেমনি এই লক্ষ্যকে প্রতিষ্ঠানের বাইরেও ছড়িয়ে দিচ্ছি। মাইজিপি অ্যাপে ওয়ানএআই যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা কোটি কোটি গ্রাহকের—বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের—হাতে এআই-এর সম্ভাবনা সরাসরি পৌঁছে দিচ্ছি, যা শেখা, কাজ, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের পথকে আরও সহজ করে তুলবে। পাশাপাশি, গ্রামীণফোন একাডেমি ও ফিউচারমেকার্সের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থী ও তরুণদের এআই দক্ষতা তৈরি করতে এবং তাদের উদ্ভাবনী ভাবনাকে অর্থপূর্ণ সমাধানে রূপান্তর করতে সহায়তা করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো আরও বেশি মানুষকে দায়িত্বশীলভাবে এআই ব্যবহারে সক্ষম করে তোলা, যা বাংলাদেশের জন্য একটি নিরাপদ ও স্মার্ট আগামী গড়তে সাহায্য করবে।” গ্রামীণফোন গ্রাহকরা মাইজিপি অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি 'ওয়ানএআই' ব্যবহার করতে পারবেন এবং তাঁদের মোবাইল ব্যালেন্সের মাধ্যমে পছন্দসই বিভিন্ন প্যাকেজ কিনতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের জন্য প্যাকেজ শুরু হচ্ছে প্রতি মাসে মাত্র ৭১ টাকা থেকে; যার মাধ্যমে আনলিমিটেড এআই চ্যাটের পাশাপাশি গবেষণা, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন এবং কোডিং সহায়তার সুবিধা পাওয়া যাবে।
২ ঘন্টা আগে
২৩ হাজারের বেশি ছবির মধ্য থেকে ‘অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’-এর সেরা ছবি বাছাই করেছেন দেশের চারজন স্বনামধন্য ফটোগ্রাফার ও ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার। সারা দেশ থেকে জমা পড়া এসব ছবির চূড়ান্ত মূল্যায়নে কম্পোজিশন, আবেগ, ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি এবং গল্প বলার সক্ষমতাকে গুরুত্ব দিয়েছেন বিচারকেরা। তবে চূড়ান্ত বাছাইয়ে শুধু ছবির নান্দনিকতা নয়, কম্পোজিশন, আবেগ, ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি এবং ছবির মাধ্যমে গল্প বলার সক্ষমতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে অপোর ‘এভরি ফটো টেলস এ স্টোরি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় তরুণ ফটোপ্রেমীদের স্মার্টফোনের ক্যামেরায় চারপাশের পৃথিবীকে নিজের দৃষ্টিতে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়। পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সাথে যৌথভাবে আয়োজিত অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস ‘অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’ মোট পাঁচটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়- পোর্ট্রেট, নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ, স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার, লো লাইট ও হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার।বিপুলসংখ্যক ছবির মধ্য থেকে সেরাটি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিচারকরা কেবল কারিগরি নৈপুণ্যের দিকেই নজর দেননি। একটি ছবি কতোটা আবেগ তৈরি করতে পারে, তার মৌলিকত্ব, ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, বিষয়বস্তুর উপস্থাপন ও গল্প বলার সক্ষমতাও মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হয়ে উঠেছিল।পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রধান খন্দকার তানভীর মুরাদের মতে, সেরা ছবি বাছাইয়ের মূল বিষয়টি কেবল দৃষ্টিনন্দন কোনো দৃশ্য বন্দি করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি বলেন, “সাধারণ মুহূর্তের মাঝে অসাধারণ কিছু আবিষ্কার করার নামই ফটোগ্রাফি, আর অপো সেই দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তব রূপ দিতে সহায়তা করে।” অ্যাসিড সহিংসতার শিকার ভুক্তভোগীদের নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত কাজসহ ২৫ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার শফিকুল আলম কিরণ মনে করেন, সবচেয়ে প্রভাবশালী ফটোগ্রাফি সেটাই, যা গভীর কোনো বার্তা বহন করে। অ্যাওয়ার্ড-উইনিং ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার ও ফটোজার্নালিস্ট কে এম আসাদ মনে করেন, কনটেস্টে জমা পড়া বিপুল পরিমাণ ছবি থেকে সেরাদের বাছাই করা ছিলো অন্যতম কঠিন কাজ। কেননা, সবগুলো ছবিই মানসম্মত ছিল। তিনি মানবিক, পরিবেশগত ও সামাজিক সমস্যাগুলো ডকুমেন্ট করার অভিজ্ঞতা থেকে ছবিগুলো মূল্যায়ন করেন।”পাঁচ ক্যাটাগরিতে জমা পড়া এই আকর্ষণীয় ছবিগুলোর মধ্যে টেকনিকাল দিক থেকে নিখুঁত ছবি খুঁজে বের করাটা মূল চ্যালেঞ্জ ছিল না। বরং, চ্যালেঞ্জ ছিল এমন ছবি খুঁজে বের করা, যা দর্শককে এক মুহূর্ত থমকে দাঁড়াতে বাধ্য করবে, ছবিটি দেখতে ও ছবির গল্পের সাথে তাদের কানেক্ট করতে বাধ্য করবে। রাজোয়ানা চৌধুরী জিনিয়া মনে করেন, পৃথিবীকে আমরা কীভাবে দেখি তা তুলে ধরার মাধ্যমে ফটোগ্রাফির সৌন্দর্য প্রকাশ পায়। আর এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে অপো আমাদের প্রয়োজনীয় টুল দেয়। বিচারকদের সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে বলা যায়, একটি ‘পারফেক্ট’ ছবি তোলার কোনো আদর্শ ফর্মুলা নেই। একটি ছবি আবেগের কারণে জয়ী হতে পারে, কোনোটি এর নতুনত্বের কারণে; আবার কোনো ছবি দর্শকের কাছে কোনো একটি সাধারণ মুহূর্তকে ভিন্নভাবে তুলে ধরার সক্ষমতার কারণেও জয়ী হতে পারে।আর এখানেই চূড়ান্ত নির্বাচন তার সার্থকতা অর্জন করে। যখন ২৩,০০০ ফটোগ্রাফারের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে আমাদের চারজন বিচারকের উদ্দেশ্য মিলে যায়, সেখান থেকে সবার মনে থাকবে এমন ছবিই বাছাই করা হয়।
৫ ঘন্টা আগে
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের ১ নম্বর হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড শাওমি আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের বাজারে উন্মোচন করেছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ। ক্রেতাদের জন্য এই সিরিজে থাকছে ২ বছরের ওয়ারেন্টি এবং ১ বছরের স্ক্রিন প্রোটেকশন, যা নিশ্চিত করবে আরও নিশ্চিন্ত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ব্যবহার অভিজ্ঞতা। রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ফাইভজি, রেডমি নোট ১৭ প্রো ফাইভজি ও রেডমি নোট ১৭, শক্তিশালী এই তিনটি স্মার্টফোনের লাইনআপ প্রতিদিনের স্মার্টফোন অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এই সিরিজের লাইনআপের শীর্ষ মডেল রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ৫জি-তে রয়েছে বিশাল ১০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি, সঙ্গে ১০০ ওয়াট হাইপারচার্জ এবং ২৭ ওয়াট রিভার্স চার্জিং। এছাড়াও, এতে রয়েছে ১.৫কে ক্রিস্টালরেজ অ্যামোলেড ডিসপ্লে, শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৬ জেন ৫ প্রসেসর, কর্নিং গরিলা গ্লাস ভিক্টাস ২ এবং আইপি৬৬, আইপি৬৮, আইপি৬৯ ও আইপি৬৯কে রেটিংসহ উন্নত ধুলো ও পানি প্রতিরোধ ক্ষমতা।অন্যদিকে রেডমি নোট ১৭ প্রো ৫জি-তে রয়েছে ৮,৩৪০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি এবং ৬৭ ওয়াট হাইপারচার্জ এবং রেডমি নোট ১৭ ৪জি-তে রয়েছে ৭,৭০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি এবং ৪৫ ওয়াট টার্বো চার্জিং। রেডমি নোট ১৭ প্রো ৫জি এবং রেডমি নোট ১৭ উভয় মডেলেই রয়েছে ইমার্সিভ অ্যামোলেড ডিসপ্লে, কর্নিং গরিলা গ্লাস সুরক্ষা এবং সার্টিফায়েড ৩ মিটার ড্রপ রেজিস্ট্যান্স।এই শক্তিশালী ফিচারগুলোর পাশাপাশি, রেডমি নোট ১৭ সিরিজ ক্রেতাদের জন্য নিয়ে এসেছে আকর্ষণীয় সব অফার। কার্ডলেস ইএমআই-এর মাধ্যমে কেনাকাটায় ক্রেতারা পেতে পারেন সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। আরেকটি দারুণ সুবিধা হলো, ৩৬টি ব্যাংকের কার্ডহোল্ডাররা তাদের ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ কিনতে পারবেন সর্বোচ্চ ১২ মাসের ০% ইএমআই সুবিধায়।নগদ টাকায় ক্রেতারা রেডমি নোট ১৭ সিরিজ কিনলে উপভোগ করতে পারবেন আকর্ষণীয় সব উপহার। এর মধ্যে রয়েছে সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা মূল্যের বাটা গিফট ভাউচার, রেডমি হেডফোনস নিও, রেডমি বাডস ৮ লাইট এবং ট্রাভেল ব্যাগ ও থার্মাল ফ্লাস্ক সমন্বিত এক্সক্লুসিভ ব্যাগ বান্ডেল, পাশাপাশি থাকছে বিশেষ ইন্টারনেট বান্ডেল। আর চমক এখানেই শেষ নয়! রেডমি নোট ১৭ সিরিজের প্রতিটি ক্রেতার জন্য থাকছে নোট ক্লাব প্রিভিলেজ কার্ড। এই বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত স্টোরে শাওমি টিভি ও ওয়াশার ড্রায়ারে উপভোগ করা যাবে ২০% পর্যন্ত বিশেষ ছাড়। অর্থাৎ, রেডমি নোট ১৭ সিরিজের সঙ্গে থাকছে আরও বেশি সুবিধা এবং আরও বেশি সাশ্রয়। এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “শাওমি ফ্যানদের কাছে রেডমি নোট সিরিজের জনপ্রিয়তা ও আস্থা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমরা নিয়ে এসেছি ১০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারির রেডমি নোট ১৭ সিরিজ, এবং সেই সাথে প্রথমবারের মত যুক্ত করেছি ২ বছরের ওয়ারেন্টি সুবিধা যা ক্রেতাদের আরও নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। আমরা বিশ্বাস করি, আগের প্রজন্মগুলোর মতো এই সিরিজও ক্রেতাদের প্রত্যাশা পূরণ করবে এবং বাংলাদেশে রেডমি নোট ১৭ সিরিজের সাফল্যের ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।” ক্লাউড ব্লাশ, গ্রিন ও ব্ল্যাক, এই তিনটি রঙে ও দুইটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ফাইভজি। এর ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৬৪,৯৯৯ টাকা মাত্র ও ১২ জিবি + ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৬৯,৯৯৯ টাকা মাত্র। স্কাই ব্লু, সাটিন অরেঞ্জ ও ব্ল্যাক এই তিনটি অনন্য রঙে এবং ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে রেডমি নোট ১৭ প্রো ফাইভজি, যার দাম ৫৪,৯৯৯ টাকা মাত্র। সেলেসটিয়াল পার্পল, স্কাই টিল ও ব্ল্যাক, এই তিনটি অনন্য রঙে ও দুইটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে রেডমি নোট ১৭ ফোরজি পাওয়া যাচ্ছে। এর ৬ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৩২,৯৯৯ টাকা মাত্র ও ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৩৬,৯৯৯ টাকা মাত্র।সুবিশাল ব্যাটারি সক্ষমতা, শক্তিশালী পারফরম্যান্স ও ডিউরেবলিটির সমন্বয়ে তৈরি রেডমি নোট ১৭ সিরিজ এখন দেশজুড়ে সকল শাওমি অথোরাইজড স্টোর ও রিটেইল পার্টনারদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে।
১ দিন আগে
দেশের এক শহর থেকে অন্য শহরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর গাড়ি ভাড়ার সেবা নতুন মাত্রা যোগ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় অনলাইনে সহজে ইন্টারসিটি কার রেন্টালের সুযোগ দিতে দেশজুড়ে অ্যাপভিত্তিক সেবা চালু করেছে ‘কারবুক’। ২০২৬ সালের আগস্টে চালু হওয়া এ প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে যাত্রীরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের গাড়ি নির্বাচন ও বুকিং করতে পারছেন।কারবুক কর্তৃপক্ষের দাবি, ইন্টারসিটি কার রেন্টালের ক্ষেত্রে কমিশনমুক্ত সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের ব্যবসায়িক মডেলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ‘জিরো কমিশন’ ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় চালকদের কাছ থেকে ট্রিপের ভাড়ার ওপর কোনো কমিশন নেওয়া হয় না বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।কারবুকের মাধ্যমে সেডান, হাইয়েস, নোহা, কোস্টার ভ্যান ও ট্যুরিস্ট বাসসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ভাড়া নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। শুধু এক শহর থেকে অন্য শহরে যাতায়াত নয়, ইনসাইড সিটি, ওয়ান ওয়ে, রাউন্ড ওয়ে, বিমানবন্দর পিকআপ-ড্রপঅফ এবং ঘণ্টাভিত্তিক গাড়ি বুকিংয়ের সুবিধাও রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।সেবাটির মাধ্যমে যাত্রীরা ভ্রমণের আগে অনলাইনে গাড়ি নির্বাচন করে বুকিং সম্পন্ন করতে পারেন। এতে যাত্রার সময় গাড়ি খোঁজা, ভাড়া নিয়ে দরদাম করা কিংবা তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ির ব্যবস্থা করার মতো কিছু প্রচলিত ভোগান্তি কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে কারবুক কর্তৃপক্ষ।সাধারণ পরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও বিলাসবহুল ভ্রমণের জন্যও বিভিন্ন মডেলের গাড়ি রাখার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ, টয়োটা হ্যারিয়ারসহ বিভিন্ন মডেলের গাড়ি বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।কারবুকের তথ্য অনুযায়ী, সেবাটি বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী গাড়ির পাশাপাশি চালক নির্বাচন করার সুযোগও পান বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ‘জিরো কমিশন’ ব্যবস্থার কারণে চালকরা একটি ট্রিপ থেকে অর্জিত ভাড়ার পুরোটা পাওয়ার সুযোগ পান। এতে চালকদের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের কাজের ক্ষেত্রে আর্থিক চাপ কমতে পারে বলে মনে করছে কারবুক।কারবুকের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ সাগর বলেন, দেশের ইন্টারসিটি ভ্রমণব্যবস্থাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যেই এই প্ল্যাটফরম চালু করা হয়েছে। যাত্রী ও চালকের মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরি করে উভয়ের জন্য একটি কার্যকর পরিবহনসেবা গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে গাড়ি ভাড়া নেওয়ার প্রক্রিয়াকে সহজ করার পাশাপাশি চালকদের জন্যও আয়ের একটি কার্যকর সুযোগ তৈরি করতে চান তারা।কারবুক কর্তৃপক্ষের মতে, চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ থাকলে দীর্ঘপথে গাড়ি চালানোর সময় ক্লান্তি কমতে পারে। এর ফলে চালক ও যাত্রী—উভয়ের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ভ্রমণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।প্রযুক্তিনির্ভর পরিবহনসেবার বিস্তারের মাধ্যমে দেশের ইন্টারসিটি যাতায়াতে একটি বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কারবুক। প্রতিষ্ঠানটির ভাষায়, ‘বাংলাদেশের ইন্টারসিটি ভ্রমণে স্বাধীনতার নতুন পথচলা’ তৈরি করাই তাদের উদ্দেশ্য।
১ দিন আগে