দেশের দ্রুত বিকাশমান এফোর্টেবল রিটেইল ক্লথিং ব্র্যান্ড লাইভ শপিং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের আইএসও ৯০০১: কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (কিউএমএস) সনদ অর্জন করেছে। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম, গ্রাহকসেবা এবং পরিচালন ব্যবস্থাপনাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা আশিক খান এ অর্জনের বিষয়ে বলেন, “আমরা এখন একটি আইএসও সার্টিফাইড কোম্পানি। যখন অনেকেই শুধু ব্যবসা পরিচালনা করে, তখন আমরা ব্যবসাকে একটি সুসংগঠিত সিস্টেমে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করি। আমাদের বিশ্বাস, দীর্ঘমেয়াদি সফলতার জন্য মানসম্পন্ন প্রক্রিয়া, জবাবদিহিতা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টির কোনো বিকল্প নেই।”আইএসও ৯০০১ হলো বিশ্বের সবচেয়ে স্বীকৃত কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (কিউএমএস) মানদণ্ড, যা কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রাহককেন্দ্রিক করে তুলতে সহায়তা করে। এই সনদ অর্জনের জন্য প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুযায়ী পরিচালন কাঠামো, নীতিমালা, প্রক্রিয়া ব্যবস্থাপনা এবং ক্রমাগত উন্নয়নের সক্ষমতা প্রমাণ করতে হয়।লাইভ শপিং কর্তৃপক্ষ জানায়, আইএসও ৯০০১ সনদ অর্জনের ফলে প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে এবং গ্রাহকদের জন্য সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি অংশীদার, বিনিয়োগকারী এবং গ্রাহকদের কাছে প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে।প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। সেই প্রেক্ষাপটে লাইভ শপিংয়ের এই অর্জন প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ, নতুন বাজারে প্রবেশ এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও গ্রাহক সন্তুষ্টি, সেবার উৎকর্ষতা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ব্যবসায়িক চর্চা নিশ্চিত করতে তারা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাবে।
১২ ঘন্টা আগে
এআই-নির্ভর গ্লোবাল প্রিমিয়াম স্মার্টফোন ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য তিন মাসের অতিরিক্ত কোনো খরচ ছাড়াই নিয়ে আসছে গুগল এআই প্লাস। এর মাধ্যমে টেকনোর ব্যবহারকারীরা গুগলের কিছু সর্বাধুনিক এআই-নির্ভর টুলস এবং প্রিমিয়াম সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন, যা দৈনন্দিন কর্মক্ষমতা, সৃজনশীলতা এবং যোগাযোগকে আরও সাবলীল করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।এই অফারের মাধ্যমে নির্বাচিত ব্যবহারকারীরা গুগলের প্রিমিয়াম এআই ফিচারগুলো উপভোগ করতে পারবেন, যার মধ্যে রয়েছে ২ টেরাবাইট ক্লাউড স্টোরেজ, জিমেইলে জেমিনি এআই ইন্টিগ্রেশন, ন্যানো ব্যানানা ২-এর সাহায্যে উন্নত এআই-পাওয়ারড ইমেজ তৈরি ও এডিটিং এবং নিজের পছন্দ অনুযায়ী স্মার্ট পড়াশোনার ক্ষেত্রে জেমিনি ও নোটবুকএলএম ব্যবহারের সুযোগ। এই উদ্যোগটি দেখাচ্ছে যে টেকনো হার্ডওয়্যারের বাইরে গিয়ে ব্যবহারকারীদের প্রতিদিনের জীবনে কার্যকর সুবিধা দেয়। এই অফারটির মধ্যে রয়েছে টেকনোর ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলো, যার মধ্যে আছে ক্যামন ৫০ আলট্রা ৫জি, ক্যামন ৫০, পোভা কার্ভ ২ ৫জি, স্পার্ক ৫০ ৫জি, স্পার্ক ৫০ এবং স্পার্ক গো ৩, যেগুলো বাংলাদেশের গ্রাহকদের মধ্যে ইতিমধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ১৪ই মে ২০২৬ থেকে, যোগ্য গ্রাহকরা একটি সাধারণ ওটিএ আপডেটের মাধ্যমে এই অফারটি কাজে লাগাতে পারবেন এবং তাদের ফ্রি ট্রায়াল দাবি করার জন্য জেমিনি অ্যাপ বা গুগল ওয়ান অ্যাপ অ্যাক্সেস করতে পারবেন।বিশ্বব্যাপী টেকনো এআই নিজেকে উদ্ভাবনে, এমডব্লিউসি ২০২৬ সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত অংশীদারিত্ব এবং ইকোসিস্টেমের উন্নয়নের একটি অন্যতম প্রধান পক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে চলছে। বাংলাদেশে এই গুগল এআই প্লাস অফারটি নিয়ে আসার মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবহারকারীরা যাতে বিশ্বসেরা প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন, কোম্পানিটি মূলত সেই প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরেছে।এই অফারটি বাংলাদেশে নির্দিষ্ট টেকনো ব্যবহারকারীদের জন্য সময়ের জন্য এই অফারটি অ্যাক্টিভ করতে পারবেন। ব্যবহারকারীরা টেকনো বাংলাদেশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট এর মাধ্যমে অথবা টেকনো বাংলাদেশের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন।
১ দিন আগে
খামার ব্যবসা বা গবাদিপশু পালন বিশ্বজুড়ে একটি পুরাতন পেশা। বাংলাদেশে জীবিকা নির্বাহের জন্য এখনো এটি অন্যতম প্রধান উপায়। বর্তমানে তরুণরাও কৃষিকাজ এবং খামারি পেশায় এগিয়ে আসছে, যা অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও উঠে আসছে। অনেক উদ্যোক্তা এখন তাদের কৃষিকাজ ও পশুপালন নিয়ে বিভিন্ন কনটেন্ট তুলে ধরছেন সামাজিক মাধ্যমে। দেওয়ান মো. সবুজ তেমনই একজন খামারি, যিনি নিয়মিত তার খামার পরিচালনার নানা অভিজ্ঞতা অনলাইনে তুলে ধরেন।২০১৯ সালে দেওয়ান তার খামার ব্যবসা শুরু করেন। শুরুতে ২ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে তিনি একটি গাভী কিনেন এবং পরে আরও একটি গাভী কিনেন। প্রায় তিন বছর ধরে তিনি গাভী দুটি লালন-পালন করেন এবং এখন তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী। গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানায় তার এই খামার এবং তিনি নিজেই তার খামারটি দেখাশোনা করেন। এর পাশাপাশি গরু লালন-পালন, মোটাতাজাকরণসহ তার খামারি জীবনের প্রতিদিনের গল্প তিনি তুলে ধরছেন সামাজিক মাধমগুলোতে।বাংলাদেশের আর দশটা ক্ষুদ্র খামারির মতোই দেওয়ানের যাত্রাও সহজ ছিল না। খামার পরিচালনার ক্ষেত্রে গবাদি পশুর রোগবালাই, খাবারের ব্যবস্থাপনা এবং বায়োসিকিউরিটির মতো চ্যালেঞ্জগুলো ছিল। মূলত এমন বিষয়গুলো নিয়ে সচেতন করার জন্য দেওয়ান খামার নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করা শুরু করেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে দেওয়ান বলেন, “শুরুর দিকে আমার একটি গাভীসহ সেটির বাছুর মারা যায়। তখন আমি আর্থিকভাবে এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি। ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক খামারিদের জন্য এই ধরনের ক্ষতি অনেক বড় একটি বিষয়। তাই নতুনরা যেন ভবিষ্যতে এমন সমস্যায় না পড়ে, এবং বুঝে শুনে এগিয়ে যেতে পারে তার জন্য আমি আমার কনটেন্টের মাধ্যমে কিছু মেসেজ দেয়ার চেষ্টা করি।”দেওয়ান মো. সবুজ এখন তার ভিডিওগুলোর মাধ্যমে ষাঁড়-গরুর যত্ন, খাবার তালিকা এবং রোগ-বালাই প্রতিরোধের মতো ব্যবহারিক ও প্রয়োজনীয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। টিকটক প্ল্যাটফর্মে তিনি 'দেওয়ান অ্যাগ্রো বাংলাদেশ' (@sabuzdewan7) নামে পরিচিত। কনটেন্ট তৈরির বিষয়ে দেওয়ান আরও বলেন, “আমার মনে হয় টিকটকে ভিডিওগুলো সবচেয়ে বেশি মানুষের নজরে আসে। বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বেই অসংখ্য মানুষ প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করছে। ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকের তুলনায় এই প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে দ্রুত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়। তাই আমি টিকটক থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি। এছাড়া, আমার মনে হয় মানুষ আমার কনটেন্টের ধরন পছন্দ করে বলেই তারা আমার কনটেন্টের প্রতি আগ্রহী।”এবারের ঈদুল আজহায় গরুর ব্যবসা নিয়ে দেওয়ান বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, এবারের ঈদে আমি বেশ ভালো লাভ করেছি। আমার যতটুক লাভ হয়েছে, তার জন্য আমি মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ।” নতুন খামারিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “শুরু করার আগে অবশ্যই গবাদিপশু লালন-পালন ও খামার সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে। শুরুতেই বড় অংকের টাকা বিনিয়োগ করলে লোকসানের ঝুঁকি বেড়ে যায়, তাই স্বল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করা উচিত। খামারিদের নিজেদের মূল্যায়ন করাও জরুরি, তারা ব্যক্তিগতভাবে এখানে কতটা সময় ও শ্রম দিতে পারবেন সেটাও ভাবতে হবে।”দেওয়ানের মতো আরও অনেক ক্রিয়েটর এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তাদের ও আগ্রহীদের কাছে নানান তথ্য ও পরামর্শ পৌঁছে দিচ্ছেন। একইসাথে গ্রামীণ জীবন, কৃষি-খামারের বাস্তব চিত্র সম্পর্কে সাধারণ দর্শকরাও জানতে পারছেন।
১ দিন আগে
গ্রামীণফোনের চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন অফিসার (সিএসটিও) হিসেবে আন্দ্রেয়াস হগবার্গকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ১ জুন, ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়া এই ভূমিকায় আন্দ্রেয়াস কোম্পানির কৌশলগত রূপান্তরে নেতৃত্ব দেবেন এবং পাঁচ বছর মেয়াদী কৌশল বাস্তবায়নের তত্ত্বাবধানে থাকবেন । মূলত উদ্ভাবন পরিচালনা, কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি ও ভবিষ্যতের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর পরিচালনায় নজর দেবেন তিনি।সিএসটিও হিসেবে আন্দ্রেয়াস কোম্পানির প্রতিযোগিতার সক্ষমতা আরো জোরদার করতে, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি করতে এবং একটি ডিজিটালভাবে আরও সক্ষম টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণফোনের রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।ফিন্যান্স, প্রযুক্তি ও শেয়ার্ড সার্ভিসেস বিভাগে নরডিকস, দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে টেলিনরে আন্দ্রেয়াসের ২১ বছরেরও বেশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। সর্বশেষ তিনি জুন ২০২৩ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত টেলিনর পাকিস্তানের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া টেলিনর প্রকিউরমেন্ট কোম্পানির বোর্ড সদস্য হিসেবেও কাজ করছেন তিনি।বিগত বছরগুলোতে তিনি বেশ কয়েকটি নেতৃত্বস্থানীয় পদে থেকে গ্রামীণফোন, টেলিনর পাকিস্তান এবং টেলিনর মিয়ানমারকে সহায়তা করেছেন। এছাড়াও তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, যেখানে তিনি গ্রুপজুড়ে বৈশ্বিক বিনিয়োগের অগ্রাধিকার সংক্রান্ত উদ্যোগগুলো পরিচালনা করেছেন।প্রতিষ্ঠানের লিডারশিপ টিমে আন্দ্রেয়াসকে স্বাগত জানিয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, "পরিবর্তনশীল নিয়ন্ত্রক পরিবেশ থেকে শুরু করে ডেটা, ডিজিটাল, আইওটি, বিটুবি এবং নিরাপত্তা সেবার সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধি- সব মিলিয়ে বাংলাদেশের টেলিকম বাজার একই সাথে জটিল ও সম্ভাবনার ক্ষেত্র। টেলিকম ইন্ডাস্ট্রিতে যখন পরিবর্তনগুলো ঘটছে, তখন আমাদের কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও উন্নত করার এক সন্ধিক্ষণে রয়েছি আমরা। একদিকে যেমন ভয়েস থেকে ডেটাতে স্থানান্তরের বিষয়টি রয়েছে, অন্যদিকে আমাদের ডিজিটাল গ্রাহকরা আরও নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অফার এবং নিরাপত্তা ও ক্লাউডের মতো সেবাগুলো প্রত্যাশা করছেন। এআইয়ের যুগে রূপান্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের সুনির্দিষ্ট অগ্রাধিকার নির্ধারণের প্রয়োজন। আমার আস্থা আছে যে, আন্দ্রেয়াসের দূরদর্শী কৌশলগত নেতৃত্ব আমাদের এই রূপান্তরটিকে ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্যদের চেয়ে বেশ আগেই পরিচালনা করতে এবং একটি তীব্র প্রতিযোগিতামূলক বাজারে আমাদের নেতৃত্বকে আরও সংহত করতে সহায়তা করবে।"এই পদে যোগদানের ব্যাপারে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আন্দ্রেয়াস হগবার্গ বলেন, "গ্রামীণফোন টিমে যোগ দিতে পেরে এবং আগামী দিনের এই রোমাঞ্চকর পথচলার অংশ হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। গতিশীল বাংলাদেশী বাজারে একটি শক্তিশালী ভিত্তি এবং শীর্ষস্থানীয় অবস্থানের পাশাপাশি টেকসই প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য একটি ভালো অবস্থানে রয়েছে গ্রামীণফোন। আমার মূল লক্ষ্য থাকবে সুশৃঙ্খল বাস্তবায়নের সাথে কৌশলগত সমন্বয় ঘটানো; গ্রাহকদের প্রতি আরও গভীর মনোযোগ দেয়া এবং এমন সমাধান তৈরি করা যা প্রকৃত অর্থেই তাদের ডিজিটাল জীবনকে সমৃদ্ধ করবে, পাশাপাশি আমাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ধারাবাহিক ও দীর্ঘমেয়াদী প্রাপ্তি নিশ্চিত করা। আমি বোর্ড, লিডারশিপ টিম এবং সকল সহকর্মীদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি, যাতে দুর্দান্ত ফলপ্রসূ এবং ভবিষ্যত-উপযোগী একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ধারা অব্যাহত রাখা যায়, যা আমাদের সকল অংশীজনদের জন্য কার্যকর প্রভাব তৈরি করবে।"আন্দ্রেয়াস নরওয়েজিয়ান স্কুল অব ইকোনমিকসে পড়াশোনা করেছেন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আইএমডি, ইনসিয়াড (আইএনএসইএডি) এবং স্টকহোম স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে এক্সিকিউটিভ এডুকেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছেন।
১ সপ্তাহ আগে