স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি, বাংলাদেশি টেক স্টার্টআপ ও ফাস্টেস্ট-গ্রোয়িং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম কার্টআপের সাথে অংশীদারিত্ব করেছে। বাংলাদেশে অনলাইন সেল ও ডিস্ট্রিবিউশন আরও শক্তিশালী করা এই অংশীদারিত্বের উদ্দেশ্য। এই অংশীদারিত্বের ফলে এখন থেকে কার্টআপ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রিয়েলমির স্মার্টফোন ও এক্সেসরিজ পণ্য কিনতে পারবেন গ্রাহকরা। সম্প্রতি ঢাকার গুলশানে অবস্থিত রিয়েলমি বাংলাদেশের হেড অফিসে এই অংশীদারিত্বের চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করা হয়।এই চুক্তিপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কার্টআপের সিইও ফুয়াদ আরেফিন তন্ময়, রিয়েলমির সেলস ম্যানেজার মারভিন ও অনলাইন অপারেশনস ম্যানেজার আবুল হাসান।কার্টআপ বাংলাদেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম, যারা স্থানীয় ক্রেতাদের প্রতিদিনের ই-কমার্সের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি, উন্নতমানের পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে স্মার্ট শপিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করছে। একইসাথে কোয়ালিটি, অথেন্টিসিটি ও ফাস্ট ডেলিভারি নিশ্চিতে কাজ করছে।এই অংশীদারিত্ব রিয়েলমি বাংলাদেশের ডিজিটাল রিটেইল উপস্থিতি আরও বাড়াবে। এবং একইসাথে, অনলাইন শপিং চ্যানেলে ক্রেতাদের স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য কেনাকাটা আরও সহজলভ্য করবে। কার্টআপের সাথে রিয়েলমি বাংলাদেশ একযোগে অনলাইনে পণ্য কেনাকাটা আরও সহজ করার পাশাপাশি, দেশজুড়ে ক্রেতাদের শপিং অভিজ্ঞতা আরও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করবে।উদ্ভাবন, সহজলভ্যতা ও ক্রেতাদের চাহিদা পূরণের উপযোগী পণ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে রিয়েলমির প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে, এবার এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশজুড়ে ক্রেতাদের আরও কাছে পণ্য নিয়ে যেতে চায় তারা।
২ দিন আগে
অবৈধ মোবাইল ফোন আমদানি, উৎপাদন ও বিক্রির মাধ্যমে বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন ব্যবস্থা (এনইআইআর) পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অবৈধ ও ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্ত করার পাশাপাশি মোবাইল আর্থিক সেবায় (এমএফএস) জালিয়াতি প্রতিরোধের লক্ষ্য রয়েছে।জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মূল্যায়নে বলা হয়েছে, অবৈধ মোবাইল ফোনের কারণে সরকার বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। বিটিআরসির কমিশন সভায় উপস্থাপিত কার্যপত্রেও এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে এনইআইআরের মৌলিক কার্যক্রম চালু করা হবে। তবে এ পর্যায়ে কোনো হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিল করা হবে না। বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে সচল থাকা সব হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। একই সঙ্গে অনুমোদিত আমদানিকারক ও দেশীয় উৎপাদকদের কাছে অবিক্রীত ফোনের আইএমইআই নম্বরের তথ্যও ব্যবস্থাটিতে যুক্ত করা হবে।এ ধাপে বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা, চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করা এবং শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে বাজারজাত করা হ্যান্ডসেট শনাক্ত ও বন্ধ করার ব্যবস্থাও থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে উপযুক্ত সময়ে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের কার্যক্রম চালু করা হবে। এর মাধ্যমে ফোনের মালিকানা যাচাই, ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্ত এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট (এসএম) বিভাগের মহাপরিচালক কমিশন সভায় এনইআইআর পুনরায় চালুর বিষয়ে বিস্তারিত কার্যপত্র উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, ২০২১ সালের ১ জুলাই পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবস্থাটি চালু করা হলেও তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তে অবৈধভাবে আমদানি করা ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা এবং ক্লোন হ্যান্ডসেট প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম চালু করা হয়নি। ফলে এনইআইআর প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে বিটিআরসির এসএম বিভাগ। দুই ধাপে এনইআইআর চালুর বিষয়ে সরকারের পূর্বানুমোদন পেতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।অবৈধ হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ, টেলিযোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘদিন ধরে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়ে আসছে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা। ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর অবৈধ হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে বিটিআরসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায় এনবিআর। পরে ২০২৫ সালের ২৮ জুন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এ ব্যবস্থা পুনরায় চালুর পরিকল্পনায় প্রাথমিক অনুমোদন দেয়।২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আন্তমন্ত্রণালয় সভায় দেশের সব মোবাইল নেটওয়ার্কে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি থাকলেও জনভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে হ্যান্ডসেট বন্ধ করার গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমগুলো কার্যকর করা হয়নি।এরপর ২০২৬ সালের ৯ জুন নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আনুষ্ঠানিক চিঠিতে অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয় তুলে ধরে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর প্রয়োজনীয়তা জানায়। একই বছরের ২ জুলাই আইএমইআই, সিম নিবন্ধন এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির ঝুঁকি নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায়ও ব্যবস্থাটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর সুপারিশ করা হয়।সর্বশেষ গত ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ওই সভায় ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এনইআইআর চালুর সুপারিশ করা হয়।সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, অনিবন্ধিত, চোরাই ও ক্লোন হ্যান্ডসেট সংঘবদ্ধ অপরাধ, মোবাইল ফোন চুরি এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি যন্ত্রের পরিচয় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা প্রয়োজন বলে মনে করছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।এদিকে, ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের (২জি) নেটওয়ার্ক-সমর্থিত মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধের পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাও অনুমোদন করেছে বিটিআরসি। এ পরিকল্পনার আওতায় এ ধরনের ফোনের অনুমোদন, উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতকরণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।
৩ দিন আগে
দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পাঁচ বছরের মধ্যে প্রযুক্তিপণ্য ও সেবার রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে ১০৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম (এনআইসিটিএফ)।বুধবার (২১ অক্টোবর) সংগঠনটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন প্রকৌশলী রাফায়েল কবির এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন প্রকৌশলী মো. মামুন অর রশিদ।ফোরামের আট সদস্যের উপদেষ্টা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানকে। উপদেষ্টা কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মারুফ মাল্লিক এবং সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।ফোরামের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ড. মারুফ মাল্লিক বলেন, দেশের আইসিটি খাতকে ফ্যাসিবাদী প্রভাবমুক্ত করে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার উপযোগী করে তুলতে কাজ করবে সংগঠনটি। আগামী পাঁচ বছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের প্রযুক্তিপণ্য ও সেবার রপ্তানি শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকতে প্রযুক্তি খাতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি জরুরি।ফোরামটি সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়াতে কাজ করতে চায়। এ জন্য সেবার মান উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের সুযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।নবনিযুক্ত সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. মামুন অর রশিদ বলেন, আইসিটি খাতের রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে রপ্তানিমুখী প্রযুক্তি ব্যবসার প্রবৃদ্ধি, গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়ন প্রয়োজন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে হবে।তিনি আরও বলেন, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে সহায়ক নীতিগত পরিবেশ তৈরি এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনবল গড়ে তোলা জরুরি।ফোরাম জানিয়েছে, ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার নির্ধারণ, পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা হবে।তবে পাঁচ বছরে রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ ও ধারাবাহিক অগ্রগতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
৩ দিন আগে
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্গাপূজা উপলক্ষে তাদের নতুন ক্যাম্পেইন ‘মেক ইওর পূজা মোমেন্ট উইথ অপো’ উন্মোচন করেছে। স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দুর্গাপূজার বর্ণিল সাজসজ্জা, প্রাণবন্ত আলোকসজ্জা, ঐতিহ্য ও আনন্দ তুলে ধরাই এই ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে অপো দুর্গাপূজার উৎসবমুখর পরিবেশ, সজ্জিত প্যান্ডেল, প্রাণবন্ত আয়োজন, পরিবারের সাথে কাটানো আনন্দঘন মুহূর্ত ও ব্যবহারকারীদের অনন্য গল্পগুলো তুলে ধরতে আহ্বান করেছে। সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যর সাথে ব্যবহারকারীদের মেলবন্ধন উদযাপন করতে অপো নির্বাচিত কিছু ছবি তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শন করবে। পূজা নাইট, পূজা কালার ও ফ্যামিলি মোমেন্ট, ক্যাম্পেইনে এই তিনটি থিম রয়েছে। সন্ধ্যা নামার পর আলোকিত পূজা মণ্ডপ, উৎসবের প্রাণবন্ত রঙ বা প্রিয়জনদের সাথে কাটানো স্মরণীয় মুহূর্ত, প্রতিটি থিমে ব্যবহারকারীরা উৎসবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এই ক্যাটাগরিগুলোর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাদের ফটোগ্রাফি দক্ষতার পাশাপাশি, দুর্গাপূজার উৎসব ও ঐতিহ্যকে স্মরণীয় করে তোলে এমন মুহূর্তগুলো প্রকাশ করার সুযোগ পাবেন। অংশগ্রহণকারীরা ক্যাম্পেইনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের https://opposhot.com/puja_moment/ মাধ্যমে ছবি জমা দিতে পারবেন। প্রতিটি ছবি অপো স্মার্টফোনের মাধ্যমে তুলতে হবে ও ক্যাম্পেইনের যেকোনো একটি থিমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। ছবিগুলো জেপিজি, পিএনজি বা ওয়েবপি ফরম্যাটে জমা দিতে হবে ও প্রতিটি ছবি ১০ এমবির মধ্যে থাকতে হবে। ছবি জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩০ অক্টোবর এবং বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে ১০ নভেম্বর। ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে, অংশগ্রহণকারীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ রয়েছে। প্রথম বিজয়ী পাবেন ও’লাইক স্মার্ট ওয়াচ এফএম০৩, দ্বিতীয় বিজয়ী পাবেন ও’লাইক স্মার্ট ওয়াচ এফডব্লিউ৩ ও তৃতীয় বিজয়ী পাবেন অপো এনকো বাডস৩ প্রো। পুরস্কারের পাশাপাশি, নির্বাচিত ছবিগুলো অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল পেজ ও অপো কমিউনিটি পেজে দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাদের সৃজনশীলতা আরও বেশি মানুষের কাছে তুলে ধরার সু্যোগ পাবেন।
৬ দিন আগে