ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

ফাঁদে পা দেবেন না, কাজে ফিরে যান: শ্রমিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফাঁদে পা দেবেন না, কাজে ফিরে যান: শ্রমিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে চলমান আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে গেছে বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একটি স্বার্থান্বেষী মহল এই আন্দোলনে ঢুকে গেছে জানিয়ে এই ফাঁদে পা না দিতে পোশাক শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী। শ্রমিকদের মূল দাবি অনুযায়ী ইতোমধ্যে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক ও মালিকপক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় দেশের শিল্পকারখানা গড়ে ওঠে, অর্থনীতি সমৃদ্ধ হয় এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে নিয়মিত ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়। আইন অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।তিনি জানান, শ্রমিকদের মূল দাবি ছিল দ্রুত মজুরি বোর্ড গঠন এবং ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ। গত পরশু রাতে এবং গতকাল সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এ বোর্ডে শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের নামও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।রাজপথে চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমানে যারা রাস্তায় আন্দোলন ও সহিংসতা করছে, তাদের সঙ্গে মূলধারার শ্রমিক বা শ্রমিক নেতাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। গত কয়েক দিনের ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কিছু মুখোশধারী ও স্বার্থান্বেষী মহল আন্দোলনে অনুপ্রবেশ করেছে। শ্রমিকদের ক্ষতি ও স্বার্থহানির উদ্দেশ্যে তারা পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। মজুরি বোর্ড গঠন ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তাই শিল্পকারখানার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা ও সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। শ্রমিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তৃণমূল গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মির্জা আল শামীম, জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা, বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি অরবিন্দু বেপারী বিন্দু, বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আকাশ আহম্মেদ বাবুল (মো. আকাশ আহমেদ), স্বাধীন গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাকিল হোসেন মোবারক (মোঃ শাকিল), জাতীয় তৃণমূল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আমীর হামজা খান, বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুর রহমান, শ্রমিক দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, রেডিমেড গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি লাভলী ইয়াসমীন,বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।

গাজীপুরে পুলিশের গাড়ীতে আগুন দিলো বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা

গাজীপুরে পুলিশের গাড়ীতে আগুন দিলো বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নাওজোড় ফ্লাইওভারের উপরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এছাড়াও গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকদের ছোড়া ইটপাটকেলের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে যেতে পারছে না ফায়ার সার্ভিস। ভোগড়া মর্ডান ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোঃ রাজীব হোসেন জানান,রাস্তায় শ্রমিকদের প্রতিবন্ধীকতার কারণে পুলিশের গাড়িতে লাগা আগুন নিভাতে পারিনি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায় সোমবার সকাল থেকে কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, মৌচাক, পল্লী বিদ্যুৎ, চন্দ্রা, ভোগড়া, নাওজোড়, সাইবোর্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। এক পর্যায়ে তারা ঢাকা টাঙ্গাইল ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। দুপুরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা নাউজর ফ্লাইওভারের উপর পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয় এ সময় বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এদিকে চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবির সদস্যরা কাজ করছেন। শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রায় ১৮ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন শতশত পথচারী ও গাড়ির যাত্রীরা। গাজীপুর শিল্প অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, সকাল থেকে গাজীপুরে বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। এর মধ্যে ভোগড়া এলাকা থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্য এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা চেষ্টা করছেন। তিনি আরও বলেন, গাজীপুরে প্রায় দেড় শতাধিক কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

  • ডেঙ্গু প্রাণ নিল আরও ৬ জনের

    ডেঙ্গু প্রাণ নিল আরও ৬ জনের

  • সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পোশাক শ্রমিক নেতাদের বৈঠক

    সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পোশাক শ্রমিক নেতাদের বৈঠক

  • পোশাকশিল্প ধ্বংসে ষড়যন্ত্রকারীরা উসকানি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

    পোশাকশিল্প ধ্বংসে ষড়যন্ত্রকারীরা উসকানি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

  • হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

  • জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

    জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামানের শপথ মঙ্গলবার

    মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামানের শপথ মঙ্গলবার

সব খবর

সব খবর

"সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে"

দলের সম্পাদকীয় কমিটির বিশেষ সভায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু "সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে"

সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগের অভাব এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি,সব মিলিয়ে সরকার দেশকে কঠিন অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।সোমবার (২ নভেম্বর) দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় সম্পাদকীয় কমিটির বিশেষ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ব্যাংকিং খাত ও শেয়ারবাজারে এখনো দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি। তৈরি পোশাকশিল্প ও শ্রমিক রপ্তানি খাতেও নতুন করে সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যার নেতিবাচক প্রভাব সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়বে। একটি বেতন কাঠামোকে কেন্দ্র করে গার্মেন্টসে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, তা পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পেশার মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।তিনি আরও বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে। অন্যদিকে, অভিজ্ঞতার অভাবে বিরোধী দলও প্রত্যাশিত ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারছে না। অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধের প্রশ্নে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিরোধী দল যেন সংসদ ও রাজনৈতিক পরিসরে কার্যকর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পারে, সেই কার্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া,এবিএম খালিদ হাসান, আমিনুল ইসলাম, মোঃ আলতাফ হোসাইন, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান,সাংগঠনিক সম্পাদক ( ময়মনসিংহ), প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রব্বানী রাজা,ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কেফায়েত হোসাইন তানভীর, ছাত্রপক্ষের সভাপতি মোহাম্মদ প্রিন্স, যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক( রাজশাহী) অ্যাডভোকেট সাঈদ নোমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ( বরিশাল) গাজী নাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক ( খুলনা) অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমান, গণপরিবহন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক মিয়া মো. তৌফিক ,সড়ক ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী ড. শাহেদুল ইসলাম, ত্রাণ ও পূনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা,শিক্ষা সম্পাদক ওমর ফারুক, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার,সমাজকল্যাণ সম্পাদক অধ্যাপক আবু হেলাল,ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ ও স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসাইন রমিজ।

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে দেশে নানা ষড়যন্ত্র ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে উসকানি দেওয়া হচ্ছে। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলা করে দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে।সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে সিলেট নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।রিজভী বলেন, শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে রাস্তায় নামানোর চেষ্টা করছে পরাজিত শক্তি। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ততার প্রমাণও পাওয়া গেছে।তিনি বলেন, গতকাল ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১১ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক সাংগঠনিক সম্পাদক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করে পোস্ট দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, দেশে সামাজিক অস্থিরতা তৈরির নানা ষড়যন্ত্র চলছে। তবে ১৭ বছর গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করা বিএনপি সহনশীলতার নীতিতে বিশ্বাসী। সমাজে চাঁদাবাজি, মাস্তানি, জমি দখল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে সরকার শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করছে।রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১৯৯৪, ১৯৯৫ ও ১৯৯৬ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জামায়াত ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের আন্দোলনের কথা মানুষ জানে। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে কীভাবে বিভিন্ন নেতাকে ফাঁসির মুখোমুখি করেছে, সেটিও সবার জানা। তাই রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটে করে বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা সফল হবে না।তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রকামী। তারা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার নির্বাচন করতে চায়। ১২ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও তার জোট নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। চোরাইপথে কিংবা পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা জনগণ গ্রহণ করবে না।আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে রিজভী বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা আলোচনার মাধ্যমে উপযুক্ত প্রার্থী বাছাই করবেন। যার জনপ্রিয়তা ও নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা বেশি, তাকেই প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন কার্যক্রম আরও জোরদার হবে। ভোটগ্রহণ ও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার তারিখ ঘোষণার পর দলীয় কার্যক্রমও সেই অনুযায়ী এগোবে।মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতা সিদ্দিকী, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও আব্দুল মালিক চৌধুরী প্রমুখ।

২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ

২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ

আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠেয় ওই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে।সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এইচএসসি পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশ আগামী ২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।এর আগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী।তবে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ শিক্ষার্থী এক বিষয়ে এবং ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে ফলাফল ঘোষণার দিনে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষা নেয়ার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এরই ধারাবাহিকতায় এইচএসসিতে অকৃতকার্য মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জনের পুনঃপরীক্ষা নেয়া হবে।

একটি চিহ্নিত মহল গার্মেন্টস শিল্পকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত

একটি চিহ্নিত মহল গার্মেন্টস শিল্পকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত

যথাসময়ে মজুরি নির্ধারণের ইতিবাচক উদ্যোগের পরও একটি চিহ্নিত মহল গার্মেন্টস শিল্পকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।মাহদী আমিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এর মাধ্যমে দেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের এক ঐতিহাসিক দিগন্ত উন্মোচিত হয়। পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ও এই শিল্প বিকাশের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হয়। সেই ধারাবাহিকতায়, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রমবান্ধব সরকার শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করা হয়েছে, যেন তারা উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারেন।তিনি বলেন, গার্মেন্টস শিল্পের সঙ্গে লাখ-লাখ শ্রমিক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সাপ্লাই চেইন, এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি জড়িত। তাই শ্রমিকদের ন্যায্য ও প্রাপ্য মজুরি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি শিল্পের সক্ষমতা, উৎপাদন ব্যয়, অন্যান্য সেক্টরের বাস্তবতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার বিষয়গুলোও বিবেচনায় নিতে হবে। সেই লক্ষ্যে মালিকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষ ও নিরপেক্ষ প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। আমরা বিশ্বাস করি, গঠনমূলক ও বহুমাত্রিক আলোচনার মাধ্যমে শ্রমিকদের একটি ন্যায়সঙ্গত, যৌক্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ ন্যূনতম মজুরি নির্ধারিত হবে। তবে উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, যথাসময়ে মজুরি নির্ধারণের ইতিবাচক উদ্যোগের পরও একটি চিহ্নিত মহল গার্মেন্টস শিল্পকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, ‘পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের উসকানি ও নাশকতার মাধ্যমে শ্রমিকদের বেতনের দাবিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারখানায় আক্রমণ ও আগুন দেওয়া, পুলিশের গাড়ি ও বক্সে ভাঙচুর, কিংবা যানবাহন ও স্থাপনায় হামলার মতো স্পর্শকাতর কর্মকাণ্ড শ্রমিকদের স্বার্থের পরিপন্থী। শ্রমিক আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে ও তাদের মাঝে অনুপ্রবেশ করে, পলাতক অপশক্তির অস্থিরতা সৃষ্টির তথ্য-প্রমাণ ইতোমধ্যে উঠে এসেছে। মনে রাখতে হবে, কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত বা বন্ধ হয়ে গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিকরাই। বাড়বে বেকারত্ব, কমবে রপ্তানি আয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের অর্থনীতি। তাই একদিকে যেমন শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি কোনোভাবেই সন্ত্রাস, ভাঙচুর ও শিল্প ধ্বংসের সুযোগ দেওয়া যাবে না।তিনি বলেন শ্রমিক আন্দোলনকে পুঁজি করে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের অস্থিতিশীলতা তৈরির পরিকল্পনা সফল হবে না। সহিংসতা, ভাঙচুর ও নাশকতায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানানোর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্বশীল ভূমিকা অব্যাহত রাখবে, ইনশাআল্লাহ ।মাহদী আমিন বলেন, ‘সাধারণ শ্রমিক ভাই-বোনদের প্রতি আমাদের আহ্বান, কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, গুজব বা উসকানিতে পা দেবেন না। গার্মেন্টস খাত ও পারিপার্শ্বিক বাস্তবতা বিবেচনায় যেকোনো যৌক্তিক ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় শ্রমবান্ধব সরকার সবসময় পাশে থাকবে। কারণ এই শিল্পের অগ্রযাত্রার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে গণমানুষের জীবন, জীবিকা, কর্মসংস্থান এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।’

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে বাধা নেই

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে বাধা নেই

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।সোমবার (২ নভেম্বর) হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন।আদালতে আখতারুজ্জামানের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আদেশের পর তিনি বলেন, হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। ফলে আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে কোনো বাধা নেই।এর আগে রোববার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে সোমবার সকালে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।হাইকোর্টে শুনানির সময় আখতারুজ্জামানের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, মামলায় যেসব ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে, তার মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সবই জামিনযোগ্য অপরাধ। আখতারুজ্জামানের বয়স ৭৩ বছর। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য। এ ছাড়া তিনি ইতিমধ্যে প্রায় এক মাস কারাভোগ করেছেন।আইনজীবী আরও বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ এজাহারে মারধরের অভিযোগ আনলেও সিসিটিভি ফুটেজে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ছাড়া গুরুতর কোনো ঘটনা দেখা যায়নি। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন।মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর সকালে মদিনা থেকে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। লাগেজ সংগ্রহের সময় ট্রলির সংকট ও জমজমের পানি পেতে দেরি হওয়া নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের বাক্‌বিতণ্ডা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব।পরদিন ২ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর সেনানিবাস এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রিমান্ড শেষে ৪ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে দায়রা আদালতেও জামিন আবেদন নাকচ হলে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

সংরক্ষিত আসনে এলিজা জামানকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ

সংরক্ষিত আসনে এলিজা জামানকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩ এর শূন্য পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জোটের মনোনীত প্রার্থী এলিজা জামানকে ‘সংসদ সদস্য’ হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।আজ সোমবার (২ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ গেজেট প্রকাশ করেন।জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী কমিশন এই গেজেট প্রকাশ করে।উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য হয়। পরে ১২ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন এ আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ নভেম্বর ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও একক প্রার্থী থাকায় আর ভোটের প্রয়োজন হয়নি।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য নির্ধারিত সময় রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৪টার মধ্যে। তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১২ এর উপধারা (১) অনুসারে চূড়ান্ত তালিকায় এলিজা জামানের নাম প্রকাশ করা হলো।

শ্রমিক আন্দোলনের নামে পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র চলছে: রাশেদ খাঁন

শ্রমিক আন্দোলনের নামে পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র চলছে: রাশেদ খাঁন

শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তিরা সম্মিলিতভাবে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে পিরোজপুরে মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, আশুলিয়া ও মিরপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসীরা ঢুকে পড়ছে। শ্রমিকদের দাবির প্রতি সরকার আন্তরিক। ন্যায্যতার ভিত্তিতে তাদের দাবি পূরণ করা হবে। কিন্তু এ সুযোগকে ব্যবহার করে পতিত শক্তি গাড়িতে আগুন দিচ্ছে, সন্ত্রাস চালাচ্ছে। ডিসেম্বরকে সামনে রেখে ’৭১-এর পতিত শক্তি আর ’২৪-এর পতিত শক্তি একত্রে দেশের অগ্রগতিকে ব্যাহত করতে চক্রান্ত চালাচ্ছে।রাশেদ খাঁন বলেন, আশুলিয়া ও মিরপুরে ঘটে যাওয়া অগ্নিসন্ত্রাসের দায় জামায়াতের আমির এড়াতে পারেন না। তারা বলেছেন, সব তছনছ করে দেওয়া হবে। এরই অংশ এটা। এসময় পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা।তিনি বলেন, পিরোজপুরের এ ঘটনা আমাদের জন্য কলঙ্কের। ৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি এখনও রাজনৈতিক কারণে টিকে আছে। তাদের ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়নি।পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনের বাধা সৃষ্টি করেছে জামায়াত শিবির। এ নিয়ে তারা বিবৃতি দিয়েছে, তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু এখনও সেই তদন্তের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। সাম্য ও মানবিক মর্যাদা পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

বাণিজ্য মেলার প্রধান ফটক ভেঙে ক্যাম্পাসে ফিরলেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

বাণিজ্য মেলার প্রধান ফটক ভেঙে ক্যাম্পাসে ফিরলেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে নির্মিত বাণিজ্য মেলার প্রধান অস্থায়ী ফটক ভেঙে কর্মসূচি শেষ করেছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে ফটক ভাঙার কাজ শেষ করে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ফিরে যান।এর আগে দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী মাঠে প্রবেশ করে মেলার বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর শুরু করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিয়ে আসা দুটি ট্র্যাক্টর ব্যবহার করে স্থাপনাগুলো ভাঙা হয়। এক পর্যায়ে মেলার প্রধান অস্থায়ী ফটকটিও ভেঙে ফেলেন তারা।বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ নিজেদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব মাঠে বাণিজ্য মেলা বা অন্য কোনো বাণিজ্যিক আয়োজন করা যাবে না। মাঠটি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, শিক্ষা ও গবেষণার কাজে ব্যবহারের জন্য ফিরিয়ে দিতে হবে।শিক্ষার্থীরা বলেন, মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা বাতিল করতে হবে। পাশাপাশি কৃষি গবেষণার জন্য মাঠটি ব্যবহার উপযোগী করতে হবে এবং সেখানে কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।এর আগে গত ২৭ অক্টোবর মাঠে মাটি পরীক্ষার কাজ শুরু হলে শিক্ষার্থীরা বাধা দেন। এ সময় পরীক্ষার কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও দুটি গাড়ি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে যান তারা। পরদিন ২৮ অক্টোবর বাণিজ্য মেলার প্রধান প্রবেশ গেটসহ বিভিন্ন অস্থায়ী স্থাপনা ভাঙচুর করেন শিক্ষার্থীরা।এ ছাড়া মাঠ উদ্ধারের দাবিতে কয়েক দফায় সড়ক অবরোধ করেন তারা। সর্বশেষ গত ১ নভেম্বর চীন মৈত্রী সিগন্যাল এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এতে আশপাশের সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

২২৩ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম ২০৬০

২২৩ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম ২০৬০

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৮৩৭ টাকা থেকে ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২০৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।বিইআরসি জানিয়েছে, আজ রাত ৮টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে এবং পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে।এর আগে, গত ২৯ অক্টোবর ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৮৩৭ থেকে বাড়িয়ে ১৯৭৬ টাকা করার প্রস্তাব করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি।

ফাঁদে পা দেবেন না, কাজে ফিরে যান: শ্রমিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফাঁদে পা দেবেন না, কাজে ফিরে যান: শ্রমিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে পেশাদার চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করল বিআরটিএ

নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে পেশাদার চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করল বিআরটিএ

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী

একটি চিহ্নিত মহল গার্মেন্টস শিল্পকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত

একটি চিহ্নিত মহল গার্মেন্টস শিল্পকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত

মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামানের শপথ মঙ্গলবার

মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামানের শপথ মঙ্গলবার

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পোশাক শ্রমিক নেতাদের বৈঠক

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পোশাক শ্রমিক নেতাদের বৈঠক

গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলায় ৫ পুলিশসহ নিহত ৮

গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলায় ৫ পুলিশসহ নিহত ৮

দেশে সোনার দাম বেড়েছে

দেশে সোনার দাম বেড়েছে

হরমুজে পুঁতে রাখা মাইনের আঘাতে দুই তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ

হরমুজে পুঁতে রাখা মাইনের আঘাতে দুই তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ

যুদ্ধ শুরু হলে তা হবে দীর্ঘস্থায়ী ও ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণের বাইরে: ইরান

যুদ্ধ শুরু হলে তা হবে দীর্ঘস্থায়ী ও ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণের বাইরে: ইরান

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ২৬ মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ২৬ মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস

"সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে"

দলের সম্পাদকীয় কমিটির বিশেষ সভায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু "সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে"

সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগের অভাব এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি,সব মিলিয়ে সরকার দেশকে কঠিন অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।সোমবার (২ নভেম্বর) দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় সম্পাদকীয় কমিটির বিশেষ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ব্যাংকিং খাত ও শেয়ারবাজারে এখনো দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি। তৈরি পোশাকশিল্প ও শ্রমিক রপ্তানি খাতেও নতুন করে সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যার নেতিবাচক প্রভাব সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়বে। একটি বেতন কাঠামোকে কেন্দ্র করে গার্মেন্টসে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, তা পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পেশার মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।তিনি আরও বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে। অন্যদিকে, অভিজ্ঞতার অভাবে বিরোধী দলও প্রত্যাশিত ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারছে না। অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধের প্রশ্নে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিরোধী দল যেন সংসদ ও রাজনৈতিক পরিসরে কার্যকর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পারে, সেই কার্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া,এবিএম খালিদ হাসান, আমিনুল ইসলাম, মোঃ আলতাফ হোসাইন, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান,সাংগঠনিক সম্পাদক ( ময়মনসিংহ), প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রব্বানী রাজা,ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কেফায়েত হোসাইন তানভীর, ছাত্রপক্ষের সভাপতি মোহাম্মদ প্রিন্স, যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক( রাজশাহী) অ্যাডভোকেট সাঈদ নোমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ( বরিশাল) গাজী নাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক ( খুলনা) অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমান, গণপরিবহন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক মিয়া মো. তৌফিক ,সড়ক ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী ড. শাহেদুল ইসলাম, ত্রাণ ও পূনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা,শিক্ষা সম্পাদক ওমর ফারুক, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার,সমাজকল্যাণ সম্পাদক অধ্যাপক আবু হেলাল,ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ ও স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসাইন রমিজ।

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে বাধা নেই

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে বাধা নেই

পোশাকশিল্প ধ্বংসে ষড়যন্ত্রকারীরা উসকানি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

পোশাকশিল্প ধ্বংসে ষড়যন্ত্রকারীরা উসকানি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

এনসিপির নতুন উইংয়ের আত্মপ্রকাশ আজ, যোগ দিচ্ছেন দুই নাজমুল

এনসিপির নতুন উইংয়ের আত্মপ্রকাশ আজ, যোগ দিচ্ছেন দুই নাজমুল

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর

গার্মেন্টস শিল্পে চলমান অস্থিরতা উদ্বেগজনক: জামায়াত আমির

গার্মেন্টস শিল্পে চলমান অস্থিরতা উদ্বেগজনক: জামায়াত আমির

দেশকে অস্থিতিশীল করতে আন্দোলনের নামে নাশকতার অপচেষ্টা: রিজভী

দেশকে অস্থিতিশীল করতে আন্দোলনের নামে নাশকতার অপচেষ্টা: রিজভী

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ

ধামরাইয়ের অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে প্রশাসন ও জেলা পরিষদ

ধামরাইয়ের অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে প্রশাসন ও জেলা পরিষদ

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. মারুফ

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. মারুফ

সরকার আগামী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠান করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হলে গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হবে। আর এই জন্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের প্রথম পাঠশালা হচ্ছে- স্থানীয় সরকার নির্বাচন। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি দূর্বল হলে, অঙ্কুরেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফলে তৃণমূল পর্যায়ে দেশ ও জনগণের উন্নয়ন অগ্রগতি মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। সোমবার (২ নভেম্বর) দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুরে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি)নির্বাচনে বিএনপির সমর্থন পেতে আগ্রহী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের দুইদিন ব্যাপী সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষে সমবেত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধান সমন্বয়কারী ড.খন্দকার মারুফ এইসব কথা বলেন। রোববার দাউদকান্দি উপজেলা সদরে মারুফ ভিলা এবং আজ সোমবার গৌরীপুরে ১২ টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়।দুই দিনের এই প্রার্থী বাছাই কর্মসূচিতে বিশেষ সমন্বকারী ছিলেন,কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাশেম।ড.খন্দকার মারুফ বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকারসহ কোনো নির্বাচনই অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। আ'লীগ সরকার ২০১৪-তে এক দলীয়, ২০১৮-তে দিনের ভোট আগের রাতে এবং ২০২৪-এ আমি-ড্যামি পাতানো নির্বাচন করেছে। এইভাবে তারা গায়ের জোরে ১৭ বছর ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রেখেছিল। ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশের অর্থনীতি এবং সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে পালিয়েছে।তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের কেন্দ্রে বসে সরকারের পক্ষে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের আলাদা সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। স্থানীয় সরকার নিজ এলাকার সমস্যা স্থানীয়ভাবে দ্রুত সমাধান করে থাকে। ড.খন্দকার মারুফ বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক কাজগুলো স্থানীয় পর্যায়ে সুচারুভাবে সম্পন্ন করে থাকে। তিনি বলেন,স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ তৈরি করে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, ভবিষ্যৎ জাতীয় নেতৃত্ব তৈরীর প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট। এই স্থানীয় পর্যায় থেকে রাজনৈতিক সচেতনতা, ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক দক্ষতা গড়ে ওঠে। ড.খন্দকার মারুফ আসন্ন ইউপি নির্বাচনে দেশের উন্নয়ন,সমৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অধিক শক্তিশালী করতে চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদে সৎ, মেধাবী এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী প্রার্থীদের ভোটে নির্বাচিত করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান। এই সময় বিএনপি নেতা ভিপি জাহাঙ্গীর আলম ও যুবদল নেতা রোমান খন্দকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতাল নেই, চিকিৎসার পথে মৃত্যুর মিছিল নিঝুম দ্বীপে

হাসপাতাল নেই, চিকিৎসার পথে মৃত্যুর মিছিল নিঝুম দ্বীপে

মতলবে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের দুই সদস্য গ্রেফতার

মতলবে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের দুই সদস্য গ্রেফতার

হাতিয়ায় স্কুলশিক্ষিকার বসতঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

হাতিয়ায় স্কুলশিক্ষিকার বসতঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

ধামরাইয়ে নান্নার ও বাইশাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ধামরাইয়ে নান্নার ও বাইশাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ধামরাইয়ে ডিবির বিশেষ অভিযান, ৪৫ পুরিয়া হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

ধামরাইয়ে ডিবির বিশেষ অভিযান, ৪৫ পুরিয়া হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

গাজীপুরে পুলিশের গাড়ীতে আগুন দিলো বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা

গাজীপুরে পুলিশের গাড়ীতে আগুন দিলো বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা

মিরপুর টেস্ট: বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজের

মিরপুর টেস্ট: বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজের

ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে বাংলাদেশ ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার হয়েছিল। তারই খেসারত দিতে হলো চার দিনেই বড় ব্যবধানে হেরে। ঢাকার মিরপুরে ৮ উইকেটে জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই টেস্টের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল। মাত্র ১৭০ রানের টার্গেট দিয়ে বড় কোনো ধাক্কা দিতে পারেনি বাংলাদেশ। শুরুতেই চার-পাঁচটি উইকেট নেওয়ার বিকল্প ছিল না তাদের সামনে। কিন্তু প্রথম উইকেটের দেখা পেয়েছে ক্যারিবিয়ানরা একশ পার করার পর।২১তম ওভারে শরিফুল ইসলামের বল জন ক্যাম্পবেলের লেগ স্টাম্প ভেঙে দেয়। তারপর সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপন করলেন বাংলাদেশি পেসার। ততক্ষণে শক্ত ভিত গড়ে ফেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, তাদের ওপেনিং জুটি ভাঙে ১১২ রানে।ম্যাচে বাংলাদেশকে যখন হার চোখ রাঙাচ্ছে, এই সময়ে ক্যাম্পবেলকে হাফ সেঞ্চুরি করতে না দেওয়ার সাফল্যই যেন বাংলাদেশের গ্যালারিতে আনন্দের ঢেউ তুলেছিল। ক্যাম্পবেল ৫৫ বলে ৬ চার ও ১ ছয়ে ৪৯ রানে আউট হয়েছেন। ততক্ষণে ব্র্যান্ডন কিং তার পঞ্চম ফিফটির দেখা পেয়েছেন। অথচ তারও পঞ্চাশের আগেই বিদায় নেওয়ার কথা ছিল। ৪৪ রানে দ্বিতীয় স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাত ফসকে জীবন পান এই ডানহাতি ব্যাটার। বলও সীমানা অতিক্রম করে। আর পরের বলে আরেকটি চার মেরে ৬৮ বলে ফিফটির দেখা পান কিং।শান্ত আঙুলের চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন। কিছুক্ষণের জন্য ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্ব দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৮ রানের ব্যবধানে বাংলাদেশ দ্বিতীয় উইকেট পায়। তেজনারায়ণ চন্দরপলকে ১ রানে তাইজুল ইসলামের ক্যাচ বানান হাসান মাহমুদ। তারপর কাভেম হজ নেমে আগ্রাসী ব্যাটিং করে দলকে জয়ের বন্দরে নেন। ৩৬তম ওভারের প্রথম বলে জয়সূচক রান করেন কিং। ১১৫ বলে ৮১ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। হজ ২৭ বলে ৩১ রানে খেলছিলেন। ৩৫.১ ওভারে ২ উইকেটে ১৭০ রান করে ক্যারিবিয়ানরা। এর আগে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে। ১৮ রানে অপরাজিত নেমে নাঈম হাসান ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের স্কোর টেনেটুনে ১৪২ রানে নেন।

নাঈমের ক্যারিয়ারসেরা ব্যাটিংয়ে দেড়শ পেরোল বাংলাদেশের লিড

নাঈমের ক্যারিয়ারসেরা ব্যাটিংয়ে দেড়শ পেরোল বাংলাদেশের লিড

আরচারিতে তিন স্বর্ণ জিতে এশিয়ার সেরা বাংলাদেশ

আরচারিতে তিন স্বর্ণ জিতে এশিয়ার সেরা বাংলাদেশ

ফিফা বিশ্বকাপে পারফরম্যান্সের পর এবার টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চ মাতাবেন সঞ্জয়

ফিফা বিশ্বকাপে পারফরম্যান্সের পর এবার টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চ মাতাবেন সঞ্জয়

প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানে অলআউট বাংলাদেশ

প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানে অলআউট বাংলাদেশ

সাদমানকে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় রেখে দিন শেষ করলো বাংলাদেশ

সাদমানকে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় রেখে দিন শেষ করলো বাংলাদেশ

ইয়ামাল-এমবাপ্পের স্বপ্ন ভেঙে ব্যালন ডি'অর জিতলেন হ্যারি কেইন

ইয়ামাল-এমবাপ্পের স্বপ্ন ভেঙে ব্যালন ডি'অর জিতলেন হ্যারি কেইন

তানিয়া বৃষ্টির আয়ু আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর, জানান চিকিৎসক

তানিয়া বৃষ্টির আয়ু আর মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর, জানান চিকিৎসক

মামলা প্রত্যাহারে হুমকি, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

মামলা প্রত্যাহারে হুমকি, তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

৭৫ হাজার টাকার শাড়িকাণ্ডের জেরে করা মামলা প্রত্যাহারে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায় তাকে আদালতে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মু. মাহবুব-উল-আলমের আদালতে মামলাটি করেন ফ্যাশন ডিজাইনার ও ভেলমেট-ইয়ুথ ম্যাগাজিনের সম্পাদক সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী। বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদালত আগামী ২৩ নভেম্বর তানজিন তিশাকে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী। দণ্ডবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় করা ওই মামলার পর বিভিন্ন সময়ে তানজিন তিশা তাকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দেন এবং ক্ষতি করার ভয় দেখান বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।অভিযোগে আরো বলা হয়, ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর মুঠোফোনে বাদীকে হুমকি দিয়ে তানজিন তিশা বলেন, ‘আমি যদি তোমার পেছনে লাগি, তুমি কিন্তু বাঁচবা না।’ এছাড়া ডিবি পুলিশ নিয়ে বসার কথাও তিনি বলেছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।বাদীর দাবি, আগের মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেওয়া হলে তদন্ত কর্মকর্তা পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন তিনি।আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন।মামলার অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, তদন্ত প্রতিবেদন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তানজিন তিশা ক্ষিপ্ত হন। এরপর অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে বাদীকে মামলা প্রত্যাহারের হুমকি দেওয়া হয়। মামলা তুলে না নিলে তাকে বাংলাদেশে থাকতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বাদী।এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে নিকটস্থ থানায় মামলা করতে গেলে তাকে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিচ্ছেদের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ফারুকী

বিচ্ছেদের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ফারুকী

শোবিজ অঙ্গনে বেশ কয়েক দিন ধরেই গুঞ্জন, ভাঙনের মুখে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সংসার। সত্যিই আলাদা হয়ে যাচ্ছেন এই তারকা দম্পতি?মোস্তফা সরয়ার ফারুকী দেশের একটি গণমাধ্যমকে বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে উড়ো খবর বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চান না তিনি বা তিশা।ফারুকী বলেন, ‘আমাকে নিয়ে তো নানা প্রোপাগান্ডা, মিথ্যা নিউজ প্রচার শুরু হয়েছে আরও আগে থেকে। এখন চলছে ব্যক্তিগত আক্রমণ। আসলে মিথ্যা নিউজে তো ঘটনা সত্য হয় না। আর এসব নিয়ে কথা বলা মানে আরও প্রশ্রয় দেওয়া। তাই এ বিষয়ে আমি বা তিশা কেউই কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’এদিকে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনার মধ্যেই নতুন আন্তর্জাতিক সিনেমায় অভিনয়ের বিষয়ে মিটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন তিশা। সিনেমাটি নিয়ে এখনই বিস্তারিত জানাতে চাননি ফারুকী। সবকিছু চূড়ান্ত হলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ‘ফুলস্ক্রিন’ নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছেন তিশা। অন্যদিকে, ফারুকী বর্তমানে তিনটি বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণের কাজে ব্যস্ত। পাশাপাশি লিখছেন নতুন সিনেমার চিত্রনাট্য। এর মধ্যে একটি সিনেমার নাম আপাতত রেখেছেন ‘টু হেল, উইথ লাভ’। আরেকটি সিনেমার গল্প সমসাময়িক রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে, যার নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

অস্কারের জন্য বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ

অস্কারের জন্য বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একাডেমি (অস্কার) অ্যাওয়ার্ডসের ৯৯ তম আসরে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সিনেমা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠীর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে।বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএসএফ) কর্তৃক বাংলাদেশ অস্কার কমিটি দীর্ঘদিন নিজেদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যা ইচ্ছা তাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রত্যেক বছর বাংলাদেশ থেকে অস্কারের জন্য একটি সিনেমা সিলেকশন করে প্রেরণ করে।সম্প্রতি রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ থেকে অস্কারে চলচ্চিত্র পাঠানো উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ফেডারেশন এর সদস্য ফিল্ম সোসাইটি, চলচ্চিত্র সংসদ ও ফিল্ম ক্লাব গুলোকে এই বিষয়ে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। অস্কার চলচ্চিত্র নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ ও মতামত কেন গ্রহণ করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশের অস্কার চলচ্চিত্র নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ফেডারেশনের একাংশ বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের (বিএফএসএফ) সভাপতি বড়ুয়া মনোজিত ধীমন বলেন, 'চলচ্চিত্র নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা কিংবা অস্বচ্ছতা গ্রহণযোগ্য নয়। অস্কারের মতো আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী চলচ্চিত্র নির্বাচনে স্বচ্ছতা, যোগ্যতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। চলচ্চিত্র সমতা উপেক্ষা করে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ থাকা উচিত নয়।'তিনি আরও বলেন, 'আমরা চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনে গণতান্ত্রিক চর্চা, সাংগঠনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। চলচ্চিত্রের মর্যাদা ও স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান সুস্পষ্ট ও আপসহীন। ফেডারেশনের একাংশ যদি দেশের সুনামহানি করে, নিজেদের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করে, সেটি বন্ধ করা সরকারের দায়িত্ব। আমি মনে করি এটি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।'বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের (বিএফএসফফ) সাধারণ সম্পাদক সায়মন তারিক বলেন, বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএসএফ) প্রায় দুই দশক ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনটির নেতৃত্ব ও কার্যক্রমে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী দখলে ছিল। নিজেদের দলীয় ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন, চলচ্চিত্র নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং আর্থিক অনিয়মের বিষয় বার বার ফুটে ‍উঠেছে। সরকারিভাবে অস্কারে সিনেমা পাঠাতে হবে, আমরা এই অনিয়মের বিষয়টি অস্কার কমিটিকে অভিযোগ করবো।চলচ্চিত্র সংসদ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ (বিএফএফএস) এর সদস্যদের না জানিয়ে গোপনে হোটেল সোনারগাঁয়ে সংবাদ সম্মেলন করে প্রত্যেক বছর অর্থ হাতিয়ে নেয়। সদস্য সংগঠনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়, কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিবর্তে অভিযুক্ত ফেডারেশনের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে। বছরে একবার সদস্যদের সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোই যদি ফেডারেশনের প্র্রধান কার্যক্রম হয়ে থাকে, তাহলে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের বিকাশ, সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং অস্কার বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তাঁদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কীভাবে পালিত হচ্ছে এমন প্রশ্নও তুলেছেন চলচ্চিত্র সংসদ কর্মীরা।চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, অস্কারের মতো আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী চলচ্চিত্র নির্বাচন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একক সিদ্ধান্তের বিষয় হতে পারে না। এ প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত নীতিমালা, স্বচ্ছ নির্বাচন পদ্ধতি, যোগ্যতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কমিটির গঠন, সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব, চলচ্চিত্র নির্বাচনের মানদন্ড এবং অর্থায়নের উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন।এ অবস্থায় চলচ্চিত্র সংসদ ও ফিল্ম ক্লাব-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলাদেশ অস্কার কমিটির গঠন ও কার্যক্রম, চলচ্চিত্র নির্বাচনের প্রক্রিয়া, সদস্য সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত হওয়া উচিত।চলচ্চিত্র অঙ্গনের স্বার্থে অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনে গণতান্ত্রিক চর্চা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব সংগঠন ও চলচ্চিত্রকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা।

আজ যমুনা ফিউচার পার্কে জেমসের কনসার্ট

আজ যমুনা ফিউচার পার্কে জেমসের কনসার্ট

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিং কমপ্লেক্স রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে আজ শুক্রবার গান শোনাবেন দেশের ব্যান্ড সংগীতের জনপ্রিয় তারকা মাহফুজ আনাম জেমস। এই শপিং কমপ্লেক্সের কার্নিভাল অ্যারেনায় বসছে ‘রক এন রিদম ৫.০ : নো লিমিটস ইন দ্য জোন’ শীর্ষক কনসার্ট। এতে নিজ দল নগরবাউল নিয়ে পারফর্ম করবেন জেমস। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দেশে অনেকদিন পর টিকিট কনসার্ট করছি। আশা করি শ্রোতা-দর্শক নতুন কিছু শুনতে ও দেখতে পাবেন।’আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাডভেন্টর কমিউনিকেশন’ এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে, বিশেষ এই আয়োজনে নগরবাউল ও আর্ক ছাড়াও দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ, অর্থহীন ও শূন্য পারফর্ম করবে। পাশাপাশি, গিটারিস্ট ওনি হাসান ওয়ারফেজের সঙ্গে বিশেষ পরিবেশনায় অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। সঙ্গে একক পরিবেশনাতেও থাকবেন তিনি। একে রাহুলও ওই কনসার্টে পারফর্ম করবেন বলে জানা গেছে।

কেমন কাটছে তারকাদের পূজা

কেমন কাটছে তারকাদের পূজা

শেষ হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পাঁচ দিনের উৎসব ঘিরে সাধারণ মানুষের মতো আনন্দে মেতেছেন শোবিজ তারকারাও। কেউ পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ঘুরেছেন মণ্ডপে মণ্ডপে, কেউ ব্যস্ত ছিলেন গানের অনুষ্ঠান ও শুটিংয়ে। আবার কারও উৎসব কেটেছে প্রিয়জনকে স্মরণ করে।অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসেন। দুর্গাপূজাতেও পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে সময় কাটিয়েছেন তিনি। শারদীয় সাজে তোলা নিজের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।একসময় দুর্গাপূজায় মায়ের সঙ্গে মণ্ডপে যেতেন অভিনেত্রী পূজা চেরী। মা মারা যাওয়ার পর থেকে একাই পূজামণ্ডপে যান তিনি। এবারও পূজার প্রথম দিন থেকেই নিয়ম করে মণ্ডপে ঘুরেছেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতেও তাকে একা দেখা গেছে।মা দুর্গার কাছে পূজা চেরীর প্রার্থনা, সবার দুঃখের অবসান হোক, অন্ধকার দূর হয়ে আলো ছড়িয়ে পড়ুক এবং প্রতিটি হৃদয়ে জেগে উঠুক নতুন আশার আলো। ব্যস্ততায় কেটেছে বাঁধন সরকার পূজার উৎসবসংগীতশিল্পী বাঁধন সরকার পূজার এবারের দুর্গোৎসব কেটেছে ব্যস্ততায়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পূজামণ্ডপেও গেছেন তিনি।বিয়ের পর এটিই তার প্রথম দুর্গাপূজা। পূজার ইচ্ছা ছিল উৎসবের অন্তত এক দিন শ্বশুরবাড়ির এলাকা মুন্সিগঞ্জে যাওয়ার। তবে শাশুড়ির অসুস্থতার কারণে পুরো পূজার সময় তাকে ঢাকাতেই কাটাতে হয়েছে।চিত্রনায়ক বাপ্পী চৌধুরীর কাছে দুর্গাপূজা মানেই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। উৎসবের প্রথম দিকে ঢাকায় থাকলেও শেষ দুই দিন নিজের শহর নারায়ণগঞ্জে কাটিয়েছেন তিনি। তার বিশ্বাস, দুর্গাপূজার নবমী ও দশমীর সেরা আয়োজন হয় নারায়ণগঞ্জে।তবে এবারের পূজায় মাকে খুব মনে পড়ছে বাপ্পীর। দুই বছর আগে তার মা মারা যান। গত বছর পূজার সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকায় মায়ের অভাব তেমন অনুভব করেননি। কিন্তু এবার নিজ শহরে, নিজের বাড়িতে প্রতিটি মুহূর্তেই মায়ের কথা মনে পড়েছে তার।সারা বছর নাচ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও দুর্গোৎসবের সময় পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ছুটি কাটিয়েছেন নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত। তার মতে, শৈশব হোক কিংবা বড়বেলা—উৎসবের আনন্দ কখনো ফিকে হয়ে যায় না।দুর্গাপূজার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে বিসর্জনই তার বেশি পছন্দ। পূজা সেনগুপ্ত মনে করেন, কোনো কিছুর সমাপ্তি মানেই সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়; বরং সেখান থেকেই নতুন কিছু শুরু হওয়ার বা নতুনভাবে কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।গত বছর দুর্গাপূজার সময় দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে ছিলেন অভিনেতা মনোজ প্রামাণিক। এবার তার ইচ্ছা ছিল গ্রামের বাড়িতে গিয়ে উৎসব কাটানোর। তবে একটি বাস্তবধর্মী অনুষ্ঠানমালার শুটিং থাকায় ঢাকাতেই থাকতে হয়েছে তাকে। দিনের বেলা শুটিং করেছেন, আর সন্ধ্যায় সময় বের করে গেছেন পূজামণ্ডপে।শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও সন্ধ্যার পর নিয়মিত পূজামণ্ডপে গেছেন অভিনেত্রী সুষমা সরকার। সন্ধ্যা ও রাতে মণ্ডপে অনুষ্ঠিত আরতি তার বিশেষ পছন্দের। আর বিজয়া দশমীর সিঁদুর খেলাও উপভোগ করেন তিনি।দুর্গাপূজার আনন্দে মানুষের মধ্যে যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি হয়, তা মুগ্ধ করে সুষমাকে।সব মিলিয়ে এবারের দুর্গোৎসব তারকাদের জীবনে বয়ে এনেছে নানা রকম অভিজ্ঞতা। কারও উৎসব কেটেছে ঘোরাঘুরি ও আনন্দে, কারও ব্যস্ততায়, আবার কারও মনে ছিল প্রিয়জন হারানোর বেদনা। আনন্দ, স্মৃতি আর আবেগের মধ্য দিয়েই বিদায় নিচ্ছে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।

পূজা মণ্ডপ, খাবার আর সাজগোজ নিয়ে তিন কনটেন্ট ক্রিয়েটর

পূজা মণ্ডপ, খাবার আর সাজগোজ নিয়ে তিন কনটেন্ট ক্রিয়েটর

দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাঙালির ঐতিহ্য, ও সংস্কৃতিরও অন্তর্গত। পূজার সময় মণ্ডপ, প্রতিমা, সাজসজ্জা, অঞ্জলি, প্রসাদ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন; এই সবকিছুতেই থাকে আলাদা আবেগ। এখন সেই উৎসবের আনন্দ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে। তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটররা দুর্গাপূজার বিভিন্ন দিক নতুনভাবে তুলে ধরছেন।দুর্গাপূজাকে ঘিরে তৈরি ভিডিওগুলোতে দেখা যায় সাজসজ্জা, ফ্যাশন, এবং পূজার আনন্দ। #Durgapuja হ্যাশট্যাগে ইতোমধ্যে ৫ লাখেরও বেশি ভিডিও টিকটকে পোস্ট করেছেন ইউজাররা। ইজা, প্রত্যাশা এবং শার্লি রহমানের মতো কনটেন্ট ক্রিয়েটররা এখন তুলে পূজার ফ্যাশন নিয়ে তুলে ধরছেন বিশেষ কনটেন্ট।ইজা (@itss.eza) মূলত মেকআপ, ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করেন। টিকটকে তিনি বিভিন্ন উৎসব ও মৌসুমকে কেন্দ্র করে টিউটোরিয়াল দেন। কোন পোশাকের সঙ্গে কেমন গয়না মানাবে, কিংবা কেমন মেকআপ কখন করতে হবে, সেটি তার ভিডিওতে উঠে আসছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিনি নানা ধরনের ফ্যাশন ও মেকআপ লুকের ভিডিও বানিয়েছেন। শাড়ি পরার ধরন, নানান স্টাইলে চুলে ফুল গোঁজা, আর নতুন চুড়িতে পূজার সাজপোশাক তুলে ধরছেন ইজা। এছাড়া, পূজার ছুটিতে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে কোথায় ঘুরতে যাওয়া যায়, কিংবা বন্ধুদের সাথে কোথায় সময় কাটানো যায়, এসবও তিনি তুলে ধরছেন।প্রত্যাশার (@protyasha_zh) কনটেন্টে সাজগোজ ও ফ্যাশনের বিষয়বস্তু বেশি দেখা যায়। বেশ কিছু ভিডিও তিনি স্কিনকেয়ার নিয়ে বানিয়েছেন। এবারের দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ লুক, ফ্যাশন ও ট্রেন্ড নিয়ে তিনি ভিডিও দিয়েছেন। সেসব ভিডিওতে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, পূজার প্রাণকেন্দ্র পুরান ঢাকা আর বিভিন্ন ধাঁচের ফ্যাশনও উঠে এসেছে। গয়না, সাজ আর পোশাকের ফিউশন তাঁর ভিডিওগুলোকে সবার থেকে আলাদা করে তোলে। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী লাল-সাদা শাড়ি, কপালের টিপের সাথে শাঁখা-পলা, ফুলের গয়না ও চুলের সাজ দেখা যায় তার ফ্যাশন কনটেন্টে। পাশাপাশি আবহাওয়া অনুযায়ী আরামদায়ক ও মানানসই সাজের পরামর্শও মিলবে তার কনটেন্টে।শার্লি রহমান (@iamthedemig0d) একজন মেক আপ এবং ফ্যাশন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। কেনাকাটার ভিডিওসহ প্রতিদিনের জন্য "গেট রেডি উইথ মি", কিংবা কম খরচে বেস্ট লুকের জন্য "অ্যাফোর্ডেবল গ্ল্যাম" এর মতো কনটেন্ট তুলে ধরেন শার্লি। দূর্গাপুজাকে মাথায় রেখেও তিনি বেশ কিছু ফ্যাশন এবং মেক আপ কনটেন্ট বানিয়েছেন। শাড়ি কিংবা সালোয়ার-কামিজ দুই ধরনের পোশাকের সাথে কেমন সাজ, হেয়ারস্টাইল, গয়না এবং অন্যান্য এক্সেসরিজ পরতে হবে সেটিও তিনি তুলে ধরেন। ইজা, প্রত্যাশা এবং শার্লি রহমান-এর মতো বর্তমানের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা উৎসবের গল্প বলার ধরন বদলে দিয়েছেন। তাদের কনটেন্টের মাঝে ধর্মীয় উৎসব ঘিরে সৃজনশীলতা ও অংশগ্রহণের বিষয়টি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পূজার রঙ ও আনন্দ নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।

২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ

২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ

তারেক রহমানের ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনের রিপোর্ট করাই কি কাল হলো চবি শিক্ষক শাহ আলমের?

তারেক রহমানের ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনের রিপোর্ট করাই কি কাল হলো চবি শিক্ষক শাহ আলমের?

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আসন প্রায় ১১ লাখ, মূল ক্যাম্পাসে মাত্র ৬৪ হাজার

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আসন প্রায় ১১ লাখ, মূল ক্যাম্পাসে মাত্র ৬৪ হাজার

শূন্যপাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

শূন্যপাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কবে, যা জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান

এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ কবে, যা জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান

দেশসেরা ফলাফলের ধারাবাহিকতায় কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

দেশসেরা ফলাফলের ধারাবাহিকতায় কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী

পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, সর্বনিম্ন বরিশাল

পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা বোর্ড, সর্বনিম্ন বরিশাল

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

চোখের নিচে কালি, দূর করবেন যেভাবে

চোখের নিচে কালি, দূর করবেন যেভাবে

টানা কাজ করা, শারীরিক ও মানসিক চাপ, ঘুমের সমস্যা, শুষ্ক ত্বক, বয়স বাড়া ইত্যাদি কারণে চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। আর এটি সৌন্দর্য কমিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো চোখের নিচের কালো দাগ কমাতে উপকারী। চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার দুই উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।১. শশাশশার মধ্যে রয়েছে ত্বক উজ্জ্বলকারী উপাদান এবং হালকা অ্যাসট্রিসজেন্ট উপাদান। এগুলো চোখের নিচের কালো দাগ দ্রুত দূর করতে কাজ করে।একটি শশাকে গোল করে কেটে ফ্রিজে ৩০ মিনিট রেখে দিন। আক্রান্ত ত্বকে ১০ মিনিট এটি রাখুন। এবার জায়গাটি ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে দুই বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।এ ছাড়া সমপরিমাণ শশা ও লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে মাখুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে অন্তত একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।২. কাঁচা আলুআলুর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং অ্যাজেন্ট। এটি চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে উপকারী। পাশাপাশি এটি ত্বকের ফোলাভাব কমায়।একটা বা দুইটা আলুর খোসা ছিলে, কুচি করে এর রস বের করুন। একটি তুলার বলের মধ্যে ভেজান এবং বলটি চোখের ওপর দিন। এভাবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখের পাতা ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহের জন্য দিনে এক থেকে দুই বার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

সানস্ক্রিনে এসপিএফ শুধু একটি সংখ্যা নয়

সানস্ক্রিনে এসপিএফ শুধু একটি সংখ্যা নয়

দেশজুড়ে সকল পণ্যে ২৬% ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

দেশজুড়ে সকল পণ্যে ২৬% ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

সৌন্দর্যচর্চার পণ্যে “মেড ইন বাংলাদেশ” লেবেল যেভাবে পালটে গেল

সৌন্দর্যচর্চার পণ্যে “মেড ইন বাংলাদেশ” লেবেল যেভাবে পালটে গেল

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

বিশৃঙ্খলা বন্ধ না হলে কারখানা চালাতে চান না মালিকরা

বিশৃঙ্খলা বন্ধ না হলে কারখানা চালাতে চান না মালিকরা

পোশাকশিল্পে চলমান শ্রম অসন্তোষ, বিশৃঙ্খলা ও কারখানা ভাঙচুর বন্ধ না হলে মালিকেরা আর কারখানা চালু রাখতে চান না বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। তিনি বলেছেন, কারখানা পরিচালনার উপযুক্ত পরিবেশ না থাকলে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘আমাদের প্রতিটি সদস্য প্রতিদিন কারখানা পরিচালনা করতে চান। কারণ, উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কারখানা চালু রাখার জন্যই। কিন্তু কারখানা পরিচালনার মতো পরিবেশ না থাকলে তা চালানো সম্ভব নয়। ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে এবং এ বার্তা আগেই শ্রমিকদের দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারপরও এই প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা ও কারখানা ভাঙচুর করা হয়েছে, কাজ করতে দেওয়া হয়নি।’মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, ‘আমাদের উদ্যোক্তারা এ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। অধিকাংশ শ্রমিক কাজ করতে চান এবং মালিকেরাও কারখানা চালু রাখতে চান। কিন্তু গুটিকয়েক শ্রমিক নামধারী ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এরই মধ্যে বিষয়টি চিহ্নিত করেছে। আমরা আশা করব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ভূমিকা নেবে এবং যারা আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন, তাঁদের আইনের আওতায় আনবে।’বিজিএমইএ সভাপতি জানান, বিশৃঙ্খলা বন্ধ না হলে মালিকেরা আর কারখানা চালাতে চান না—এমন বার্তা তারা দিয়েছেন। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে শিগগিরই সরকারের সঙ্গে বসে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।এদিকে ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে রোববার সকাল থেকে রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর ও সাভারের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন পোশাক শ্রমিকেরা। তাদের বিক্ষোভ, কর্মবিরতি ও সড়ক অবরোধের কারণে শিল্পাঞ্চলগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।বিজিএমইএ’র তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে মোট ২ হাজার ১৩৪টি পোশাক কারখানার মধ্যে ৩১৮টি বন্ধ রয়েছে। এসব কারখানা থেকে কাজ না করে বেরিয়ে এসেছেন ৭ লাখ ২ হাজার ২৫৫ জন শ্রমিক। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এলাকায় ৩২০টি কারখানার মধ্যে মিরপুরে বন্ধ রয়েছে ৬৮টি। এসব কারখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ৫১ হাজার ৬২৫ জন শ্রমিক।গাজীপুর ও ময়মনসিংহ শিল্পাঞ্চলে ৮৩৬টি কারখানার মধ্যে ২২৫টি বন্ধ রয়েছে। এ দুই এলাকায় কর্মবিরতিতে অংশ নিয়ে কারখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ৫ লাখ ২৫ হাজার ৩৬০ জন শ্রমিক। অন্যদিকে সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী শিল্পাঞ্চলের ৪৪১টি কারখানার মধ্যে ২৫টি বন্ধ রয়েছে। এসব কারখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৭০ জন শ্রমিক।আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া চাকরির ক্ষেত্রে নারী শ্রমিকদের প্রাধান্য দেওয়ায় পুরুষ শ্রমিকেরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি তাদের। এসব সমস্যা সমাধানে ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

টানা চার মাস তিন বিলিয়ন ডলারের নিচে প্রবাসী আয়

টানা চার মাস তিন বিলিয়ন ডলারের নিচে প্রবাসী আয়

বাংলাদেশকে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশকে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

নয় মাসে ২ লাখের বেশি বিমা দাবি পরিশোধ করেছে গার্ডিয়ান

নয় মাসে ২ লাখের বেশি বিমা দাবি পরিশোধ করেছে গার্ডিয়ান

যুক্তরাষ্ট্রের ফেলোশিপে নির্বাচিত বাংলাদেশের ফিয়েরোর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ ইয়াসির আলম

যুক্তরাষ্ট্রের ফেলোশিপে নির্বাচিত বাংলাদেশের ফিয়েরোর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ ইয়াসির আলম

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়া প্রফেশনাল ফেলোস প্রোগ্রাম (পিএফপি) অন ইকোনমিক এমপাওয়ারমেন্টে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পোশাক ব্র্যান্ড ফিয়েরোর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ ইয়াসির আলম।বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা থেকে চার হাজারের বেশি আবেদনকারীর মধ্য থেকে ২২ জনকে এ কর্মসূচির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশের ছয়জন রয়েছেন। একাধিক ধাপের মূল্যায়ন ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের নির্বাচন করা হয়।কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ওকলাহোমার গেইলর্ড কলেজ অব জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন। বাংলাদেশে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ডেভেলপমেন্ট (সিইডি)।এ কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি ও ওকলাহোমায় পেশাগত প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব বিকাশ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগ পাবেন নির্বাচিত ফেলোরা। এর মাধ্যমে দেশটির ব্যবসায়িক পরিবেশ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পেশাগত যোগাযোগ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সৈয়দ ইয়াসির আলম বলেন, এ কর্মসূচিতে নির্বাচিত হওয়া তাঁর জন্য সম্মানের। তিনি এটিকে শুধু ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবে দেখছেন না; বরং বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক পরিবেশ থেকে শেখা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য।২০১৭ সালে হোম সার্ভিস টেইলারিংয়ের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ফিয়েরো। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বেসপোক, মেড-টু-মেজার ও কাস্টম পোশাক তৈরি করছে। দেশীয় গ্রাহকদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গ্রাহকদেরও সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং বৈশ্বিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে ফিয়েরোর।এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অতিথি বক্তা হিসেবেও আমন্ত্রণ পেয়েছেন ইয়াসির। সেখানে ‘বিয়ন্ড ম্যানুফ্যাকচারিং: ডিজাইন, ইনোভেশন অ্যান্ড গ্লোবাল পারস্পেকটিভস ফ্রম বাংলাদেশ’ শীর্ষক বক্তৃতায় বাংলাদেশের ফ্যাশনশিল্প, ডিজাইন, উদ্ভাবন এবং নিজস্ব ব্র্যান্ড গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলবেন তিনি। পাশাপাশি ফ্যাশন উদ্যোক্তা বিষয়ক একটি আলোচনা অধিবেশনেও অংশ নেবেন।ফেলোশিপ শেষে যুক্তরাষ্ট্রে অর্জিত অভিজ্ঞতা ফিয়েরোর ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কাজে লাগানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিষ্ঠানটির সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

লস অ্যাঞ্জেলেস ফ্যাশন উইক ২০২৬-এর রানওয়েতে বাংলাদেশের রাকিব হাসান

লস অ্যাঞ্জেলেস ফ্যাশন উইক ২০২৬-এর রানওয়েতে বাংলাদেশের রাকিব হাসান

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

মক্কায় ২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ

মক্কায় ২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্বব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএন ট্যুরিজম) তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বজুড়ে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে দিবসটি পালন করা হয়।এ বছরের বিশ্ব পর্যটন দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য বা থিম নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। বর্তমান বিশ্বে পর্যটকদের অভিজ্ঞতা সহজ করতে এবং এই খাতের টেকসই উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরাই এর মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর উদ্যোগে দিবসটি ঘিরে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিল শোভাযাত্রা, সাইকেল র‍্যালি এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ ‘সিটি ট্যুর’-এর আয়োজন করা হয়েছে।আজ সকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হবে। পরে সকাল ৯টায় আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবন থেকে উদ্বোধনী র‌্যালি শুরু হবে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী র‌্যালিটি উদ্বোধন করবেন। র‌্যালিতে পর্যটন খাতের অংশীজনরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরবেন। পরে সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠিত হবে সাইকেল শোভাযাত্রা। এরপর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (বিপিসি) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি গাইডেড সিটি ট্যুরের আয়োজন করবে। এর মাধ্যমে শিশুরা রাজধানীর বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ ঘুরে দেখার সুযোগ পাবে।২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবে। পর্যটক-উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর পৃথক একটি বৈঠক হবে। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আরো বেশি পর্যটককে বাংলাদেশে ভ্রমণে উৎসাহিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।মূল অনুষ্ঠানটি হবে আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। সেখানে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে বাংলাদেশের খাবার, ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলে ধরা হবে। স্টলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হবে।

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের সমন্বয়ের বার্তায় ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম ৬.০

মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের সমন্বয়ের বার্তায় ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম ৬.০

মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার নিয়ে দুই দিনব্যাপী আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজধানীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে (সম্প্রতি) অনুষ্ঠিত হলো ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম ৬.০। ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সৌজন্যে এবং এসিআই মটরস লিমিটেডের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই ফোরামের আহ্বায়ক ছিল ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের অংশীদারত্বে ফোরামটির কো-হোস্ট ছিল বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম।আন্তর্জাতিক এই আয়োজনের ৬ষ্ঠ আসর এবার বসেছে বাংলাদেশে। এবারের ফোরামের প্রতিপাদ্য ছিল “আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইন মার্কেটিং: হিউম্যান + টেক”। এতে অংশ নেন দেশি-বিদেশি শীর্ষ মার্কেটিং পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, সরকারি প্রতিনিধি ও খাতসংশ্লিষ্টরা। মানুষের অন্তর্দৃষ্টি, নৈতিকতা ও ভোক্তার আস্থা অটুট রেখে কীভাবে মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়, সেটিই ছিল দুই দিনের আলোচনার মূল বিষয়। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন আধুনিক মার্কেটিংয়ের জনক হিসেবে পরিচিত প্রফেসর ফিলিপ কটলার।আয়োজনটিতে স্বাগত বক্তব্য দেন সাজিদ মাহবুব, সেক্রেটারি জেনারেল, ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল (ডব্লিউএমসি) ও মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এমএসবি), এবং গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার অ্যান্ড এক্সিকিউটিভ এডিটর, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম। তিনি বলেন, “সারা বিশ্ব থেকে আসা মার্কেটার, শিক্ষাবিদ ও ইন্ডাস্ট্রি লিডারদের ঢাকায় স্বাগত জানাতে পেরে আমরা সম্মানিত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রাহককে সেবা দেওয়ার ধরন বদলে দিচ্ছে, তবে মার্কেটিংয়ের উদ্দেশ্য ঠিক করে মানুষই। ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম এমন একটি মঞ্চ, যেখানে আমরা একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারি এবং এমন ভবিষ্যৎ গড়তে পারি, যেখানে প্রযুক্তি ও মানবিক মূল্যবোধ একসঙ্গে এগিয়ে যাবে।”এরপর উদ্বোধনী বক্তব্য দেন প্রফেসর মোহাম্মদ মুজিবুল হক, পিএইচডি, ডিন, ব্র্যাক বিজনেস স্কুল, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। বক্তব্যে তিনি আন্তর্জাতিক অতিথিদের স্বাগত জানান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ভবিষ্যতের জন্য মার্কেটারদের প্রস্তুত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।২ দিনের এই আসরে ১০টি কিনোট সেশন, ২টি কেইস স্টাডি ও ২টি প্যানেল ডিসকাশন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও, ফোরামের পক্ষ থেকে ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিলের ‘দ্য ঢাকা ডিক্লারেশন’ শীর্ষক একটি ঐতিহাসিক ঘোষণা উপস্থাপন করা হয়, যার প্রতিপাদ্য ছিল “মার্কেটিং ফর গ্লোবাল গুড: ওয়াই ২০৩০ অ্যান্ড বিয়ন্ড”। ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিলের উদ্যোগে এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন, আফ্রিকান মার্কেটিং কনফেডারেশন এবং ইউরোপিয়ান মার্কেটিং কনফেডারেশনের যৌথ অংশগ্রহণে ঘোষণাটি গৃহীত হয়। এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের ৫৪টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বৈশ্বিক কল্যাণে বিপণনচর্চার প্রসার, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং ২০৩০ সাল ও পরবর্তী সময়ের জন্য একটি অভিন্ন লক্ষ্য ও অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে।প্রথম দিনের কিনোট পর্বের সূচনা করেন প্রফেসর ফিলিপ কটলার, আমেরিকান মার্কেটিং অথর, কনসালট্যান্ট, অ্যান্ড প্রফেসর, এমেরিটাস; ফর্মার এস. সি. জনসন অ্যান্ড সন ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর, ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং, কেলগ স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট, নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি। মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের বিচারবুদ্ধি কীভাবে পাশাপাশি কাজ করবে, সেই আলোচনার মধ্য দিয়েই তিনি ফোরামের সুর বেঁধে দেন। পরের সেশনে বক্তব্য রাখেন হারমাওয়ান কারতাজায়া, কো-ফাউন্ডার, ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম (ডব্লিউএমএফ); ফাউন্ডার, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); ফাউন্ডার অ্যান্ড চেয়ার, এমকর্প (মার্কপ্লাস, ইনক.)। প্রযুক্তির সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধের মেলবন্ধনে ২০৩০ সাল ও তার পরেও মার্কেটিং কীভাবে বৈশ্বিক কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে, তা তুলে ধরেন তিনি। এরপর তারা ইউন, হেড অব পার্টনার পারফরম্যান্স, চ্যানেল সেলস – এসইএ, গুগল; ফর্মার গ্রুপ ম্যানেজার, পারফরমিক্স; আলোচনা করেন মানুষের কৌতূহল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতাকে একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে কীভাবে আরও কার্যকর মার্কেটিং সম্ভব। দিনের শেষ কিনোটে এরিক কু, ফাউন্ডার, আইট্রেইন এশিয়া, মালয়েশিয়া, দেখান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে সাধারণ ভোক্তাদের ক্রিয়েটরে পরিণত করছে। এর ফলে গ্লোবাল সাউথে মার্কেটিং উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজ হচ্ছে এবং আয়ের নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই কিনোট বক্তব্য রাখেন প্রফেসর সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার, পিএইচডি, প্রেসিডেন্ট, ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল; ভাইস-চ্যান্সেলর, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মার্কেটিংয়ের অনিবার্য বাস্তবতা হিসেবে তুলে ধরে ব্র্যান্ড ও ভোক্তার ওপর এর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। এরপর ড. ড্যান ভিসিতচাইচান, ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড চিফ অব লার্নিং আর্কিটেক্ট অ্যান্ড মার্কেটিং ইনোভেশন, মার্কেটিং অ্যাসোসিয়েশন অব থাইল্যান্ড; সেকেন্ড ভাইস প্রেসিডেন্ট, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); মানুষের চিন্তাশক্তি ও বুদ্ধিমান যন্ত্রের অংশীদারত্বকে মার্কেটিংয়ের ভবিষ্যৎ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। গ্লোকাল মার্কেটিংয়ের সাম্প্রতিক ধারা নিয়ে আলোচনা করেন হেলেন ম্যাকইনটি-কার্লাইল, প্রেসিডেন্ট, আফ্রিকান মার্কেটিং কনফেডারেশন; ফর্মার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড একাডেমিক ডিরেক্টর, আইএমএম গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব মার্কেটিং। বদলে যাওয়া বিশ্বে গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলো কীভাবে স্থানীয়ভাবে প্রাসঙ্গিক থাকে এবং এই কৌশল এখনও কতটা কার্যকর, সেটিই ছিল তাঁর আলোচনার মূল বিষয়। অন্যদিকে ড. এ. কে. এনামুল হক, ডিরেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস), বিশ্লেষণ করেন মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যে উৎপাদনশীলতা বাড়াচ্ছে, তার সুফল শেষ পর্যন্ত কারা পাচ্ছে। নাফিস ফয়সাল, কো-ফাউন্ডার, ভসু.এআই, একজন উদ্যোক্তার দৃষ্টিকোণ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ গতিপথ তুলে ধরেন। সবশেষে রালফ স্ট্রাউস, প্রেসিডেন্ট, ইউরোপিয়ান মার্কেটিং কনফেডারেশন, মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিয়ে আলোচনার মধ্য দিয়ে কিনোট পর্বের ইতি টানেন।ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেওয়া বক্তব্যে প্রফেসর ফিলিপ কটলার বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবসার দক্ষতা বাড়াতে, গ্রাহকের চাহিদা বুঝতে, বাজারের নতুন সুযোগ চিহ্নিত করতে এবং বিক্রি ও মুনাফার পূর্বাভাস দিতে সহায়ক হতে পারে। তবে প্রযুক্তির ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল না হয়ে ধাপে ধাপে ও দায়িত্বশীলভাবে এটি গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি। তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের সক্ষমতাকে সহায়তা করবে, প্রতিস্থাপন নয়; তাই মার্কেটিংয়ে মানুষের সৃজনশীলতা, তদারকি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভূমিকা অপরিহার্য। এ ছাড়া গ্রাহক বৃদ্ধি, ব্র্যান্ড বিল্ডিং, বাজেট ও আর্থিক পারফরম্যান্সের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মার্কেটিং ও ফাইন্যান্স বিভাগকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় করা বিনিয়োগ উৎপাদনশীলতা, খরচ ও মুনাফার ক্ষেত্রে কতটা সুফল দিচ্ছে, তা নিয়মিত মূল্যায়নের ওপরও জোর দেন।অন্যদিকে হারমাওয়ান কারতাজায়া তাঁর বক্তব্যে বলেন, সফল মার্কেটিংয়ের জন্য প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা, আস্থা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয় জরুরি। বাজারে নিজেদের আলাদা করে তুলতে হলে ব্যবসাগুলোকে গ্রাহকের পরিবর্তিত চাহিদা, সামাজিক প্রত্যাশা ও সাংস্কৃতিক ধারা বুঝতে হবে। তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ ও উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতা তৈরি করবে, তবে তা পরিচালিত হতে হবে মানুষের দায়িত্ববোধ দিয়ে। এ জন্য প্রচলিত প্রতিযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে নতুন পণ্য, অভিজ্ঞতা ও বাজার সৃষ্টির মাধ্যমে জেনারেটিভ অ্যাডভান্টেজ অর্জনের আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে মার্কেটিংকে কেবল মুনাফার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নৈতিক ব্যবসা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে সমাজ ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।কিনোট সেশনের পাশাপাশি ২টি প্যানেল ডিসকাশনে উঠে আসে মাঠপর্যায়ের বাস্তব প্রশ্ন। প্রথম দিনের প্যানেলে আলোচনা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের জন্য প্রতিযোগিতার মাঠ সমান করতে পারে কি না। সাশ্রয়ী প্রযুক্তি কীভাবে ছোট ব্যবসাকে বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে পারে এবং তা কার্যকরভাবে ব্যবহারে কী প্রয়োজন, সে বিষয়েও মত দেন আলোচকরা। দ্বিতীয় দিনের প্যানেলে আলোচনার বিষয় ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা, যাতে একাডেমিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব কাজে লাগে। এর বাইরে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এবং কোরিয়ার কে-কালচারে কৃত্রিম ও অ্যানালগ বুদ্ধিমত্তার মেলবন্ধন নিয়ে ২টি কেইস স্টাডি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পেশাল রিমার্কস আলোচনায় যোগ করে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি। সব সেশনেই ঘুরেফিরে উঠে আসে একটি বার্তা: মানুষের বিচারবুদ্ধি, নৈতিকতা ও আস্থার ওপর ভর করেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দীর্ঘমেয়াদি মূল্য তৈরি করতে পারে। ফোরামের শেষ ভাগে এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ), আফ্রিকান মার্কেটিং কনফেডারেশন (এএমসি), ইউরোপিয়ান মার্কেটিং কনফেডারেশন (ইএমসি) এবং ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল (ডব্লিউএমসি) যৌথভাবে ঘোষণা করে ঢাকা ডিক্লারেশন: মার্কেটিং ফর গুড। এরপর সমাপনী সেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দুই দিনের এই আয়োজন।ফোরামের বিভিন্ন সেশনে আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জ্যাক ইয়াও, পার্টনার অ্যান্ড প্রেসিডেন্ট, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, পিএইচডি, প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি; প্রফেসর বুজং কিম, চিফ ইমাজিনেশন অফিসার, ড্রিম কোম্পানি; ফর্মার প্রেসিডেন্ট, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); সের্গেই স্পিভাকভস্কি, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, বিজনেস ডিপার্টমেন্ট, হায়ার কলেজেস অব টেকনোলজি, ইউএই; আশরাফ বিন তাজ, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউশনস কোম্পানি বাংলাদেশ পিএলসি.; বোর্ড ডিরেক্টর, এসিআই পিএলসি.; অ্যাডভাইজার, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন; বোর্ড মেম্বার, মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ; রোহান সোমাওয়ানসা, ডিরেক্টর, ডিএসআই গ্রুপ; ফর্মার প্রেসিডেন্ট, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন; ড. নুসরাত হাফিজ, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর অ্যান্ড ডিরেক্টর, উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট সেল, ব্র্যাক বিজনেস স্কুল (বিবিএস), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি; ড. শরিফুল ইসলাম দুলু, সেক্রেটারি জেনারেল, মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ; ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও, মার্কটেল বাংলাদেশ লিমিটেড; প্রফেসর মোসাদ্দেক আহমেদ চৌধুরী, পিএইচডি, ডিপার্টমেন্ট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, শাহজালাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (সাস্ট); খায়রুল বাশার, ডিরেক্টর অব কমিউনিকেশনস, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি; এনোক পেরেরা, প্রেসিডেন্ট, শ্রীলঙ্কা ইনস্টিটিউট অব মার্কেটিং-স্লিম; তৌফিক, গ্রুপ সিইও অ্যান্ড ডেপুটি চেয়ারম্যান, এমকর্প; ড. জাহিদ হালিম, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, ব্র্যাক বিজনেস স্কুল (বিবিএস), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি; সৈয়দ ইকবাল মাহমুদ হোসেন, সেলস ডিরেক্টর, নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি.; এবং আফসানা আক্তার, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, ব্র্যাক বিজনেস স্কুল, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি।ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সৌজন্যে, এসিআই মটরস লিমিটেডের সঞ্চালনায় এবং প্রাণের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম ৬.০। আয়োজনে ছিল বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম। ইন কোলাবোরেশন উইথ - এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); ইউরোপিয়ান মার্কেটিং কনফেডারেশন; আফ্রিকান মার্কেটিং কনফেডারেশন; ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি; ব্র্যাক বিজনেস স্কুল; মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এমএসবি); মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ (এমআইবি); ব্যাকপেজ পি আর; এবং ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল (ডব্লিউএমসি)।

ই-বর্জ্য দূষণ রোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান

ই-বর্জ্য দূষণ রোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান

টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত হলো উপায়

টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত হলো উপায়

দেশের বৃহত্তম ডেটা সেন্টার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু  করল গ্রামীণফোন

দেশের বৃহত্তম ডেটা সেন্টার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করল গ্রামীণফোন

মাদ্রাসায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা বাস্তবায়ন জরুরি : মিজানুর রহমান আজহারী

মাদ্রাসায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা বাস্তবায়ন জরুরি : মিজানুর রহমান আজহারী

মাদ্রাসা শিক্ষাকে আরও আধুনিক, শক্তিশালী, নিরাপদ ও আস্থাশীল করার লক্ষ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দ্রুত ‘শিশু সুরক্ষা নীতিমালা’ বা চাইল্ড সেফটি পলিসি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জোর দাবি জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী। এ ছাড়া শাসনের নামে অতিরিক্ত শারীরিক শাস্তি ও অনুপযুক্ত স্পর্শের কঠোর সমালোচনা করে শিক্ষকদের নিয়মিত মনস্তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ এবং অপরাধে জড়িতদের ব্ল্যাকলিস্টিংয়ের আহ্বান জানান তিনি।আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এসব কথা বলেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী।ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী উল্লেখ করেন, এ দেশে দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে হাজারো আলিম, আলিমা ও দ্বীনদার প্রজন্ম গড়ে তোলার নেপথ্যে মাদ্রাসাগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মাদ্রাসাকেন্দ্রিক কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা জনমনে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এমন বাস্তবতায় প্রভাবশালী আলিম, দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এবং মাদ্রাসা পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সকলের উচিত খোলামেলা ও আত্মসমালোচনামূলক আলোচনা করা। ভুলগুলো নিজেরা সংশোধন না করলে দ্বিতীয় বা তৃতীয় পক্ষ সেই সুযোগ নেবে, যার ফলে পুরো মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাই অযাচিত চাপ ও সংকটের মুখে পড়তে পারে।মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশের নানা প্রান্তে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গড়ে ওঠা অসংখ্য সিসি ক্যামেরাহীন, অনিবন্ধিত ও তদারকিহীন প্রতিষ্ঠানের অপ্রীতিকর ঘটনার চিত্র উঠে আসার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ধর্মীয় শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠান হওয়ার অর্থ এই নয় যে তা জবাবদিহিতা, সুশাসন ও মানোন্নয়নের ঊর্ধ্বে থাকবে। যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য অনুমোদন, মানসম্মত পাঠ্যক্রম, দক্ষ শিক্ষক, নিরাপদ অবকাঠামো, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, স্বচ্ছ নিয়োগ ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি।শিক্ষকদের আচরণ ও পাঠদান পদ্ধতির বিষয়ে আজহারী বলেন, শিশুদের বয়স, মানসিক বিকাশ ও আবেগের ধরণ বুঝে শিক্ষকদের বয়সোপযোগী ও মানবিক আচরণ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। শাসনের নামে অতিরিক্ত শারীরিক শাস্তি, বেত্রাঘাত বা ভয় দেখানোর ঘটনা শিশুর মনে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ট্রমা সৃষ্টি করে, যা শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। জোর করে বিদ্যা চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষা নয়, শিক্ষা হলো সন্তানের স্বতঃস্ফূর্ত আত্মবিকাশ।বিশেষ করে আবাসিক মাদ্রাসাগুলোর সুরক্ষায় কার্যকর নীতিমালার তাগিদ দিয়ে মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, প্রতিটি মাদ্রাসায় চাইল্ড সেফটি পলিসি প্রণয়ন করতে হবে, যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আচরণের সুস্পষ্ট সীমারেখা, অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির নিরাপদ ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীর গোপনীয়তা রক্ষার স্পষ্ট নির্দেশ থাকতে হবে। শারীরিক শাস্তি বা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গুরুতর নির্যাতনের ঘটনা অভ্যন্তরীণভাবে ধামাচাপা না দিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নিশ্চিত করা জরুরি।গুরুতর অপরাধে জড়িত শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকলিস্ট করার ওপর গুরুত্বারোপ করে আজহারী জানান, তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে এবং শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিরা যাতে পুনরায় অন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ না পান, সে ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে অভিযোগ ও প্রমাণিত অপরাধের পার্থক্য বজায় রেখে ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার ওপরও তিনি জোর দেন।পরিশেষে মিজানুর রহমান আজহারী স্পষ্ট করেন, এই পর্যালোচনা মাদ্রাসার বিরুদ্ধে নয়; বরং ঐতিহ্য ও সুনাম ধরে রেখে দ্বীনি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও মর্যাদা রক্ষার স্বার্থেই। আলেম-ওলামা, পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে সংস্কার বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

শিরোনাম
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. মারুফ টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ "সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে" ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম ২০৬০ ফাঁদে পা দেবেন না, কাজে ফিরে যান: শ্রমিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে পেশাদার চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করল বিআরটিএ ধামরাইয়ের অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে প্রশাসন ও জেলা পরিষদ হাসপাতাল নেই, চিকিৎসার পথে মৃত্যুর মিছিল নিঝুম দ্বীপে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে বাধা নেই সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী ডেঙ্গু প্রাণ নিল আরও ৬ জনের একটি চিহ্নিত মহল গার্মেন্টস শিল্পকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু পোশাকশিল্প ধ্বংসে ষড়যন্ত্রকারীরা উসকানি দিচ্ছে: জামায়াত আমির ২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. মারুফ টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ "সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে" ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম ২০৬০ ফাঁদে পা দেবেন না, কাজে ফিরে যান: শ্রমিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে পেশাদার চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করল বিআরটিএ ধামরাইয়ের অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে প্রশাসন ও জেলা পরিষদ হাসপাতাল নেই, চিকিৎসার পথে মৃত্যুর মিছিল নিঝুম দ্বীপে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে বাধা নেই সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী ডেঙ্গু প্রাণ নিল আরও ৬ জনের একটি চিহ্নিত মহল গার্মেন্টস শিল্পকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু পোশাকশিল্প ধ্বংসে ষড়যন্ত্রকারীরা উসকানি দিচ্ছে: জামায়াত আমির ২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ