ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, সংসদে এসআরবি বিল পাস

বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, সংসদে এসআরবি বিল পাস

সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটের মাধ্যমে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ সংশোধিত আকারে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি সংশোধিত আকারে পাসের জন্য উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ।বিরোধী দলের আপত্তির মধ্যেই আলোচনা শেষে বিলটি সংসদে পাস হয়।বিলটির বিভিন্ন ধারায় আপত্তি তুলে তা অনুমোদন না করার আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।তবে তাঁর আপত্তি এবং বিরোধী দলের বক্তব্য উপেক্ষা করেই বিলটি পাস করা হয়।

৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানকে

হাইকোর্টের রায় ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানকে

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে আদালত এ রায় দেন।আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন, ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ৪ অক্টোবর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা দেওয়ার রায় স্বপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নেন হাইকোর্ট।বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রত্যাহার করেন। একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতির কাছে এ মামলার নথি পাঠানো হয়। পরে নতুন বেঞ্চে মামলাটি পাঠানো হয়। পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭—এই করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রদেয় কর দাবি ঘিরে গ্রামীণ কল্যাণ ২০১৭ সালে পৃথক দুটি রিট করে। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রায় রুল দেন। আজ রুল খারিজ করলেন হাইকোর্টের নতুন এ বেঞ্চ। রিট খারিজ হওয়ায় আয়কর বাবদ গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ওই অর্থ আদায় করতে পারবে এনবিআর।পরে এনবিআরের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুস সামাদ আজাদ বলেন,২০১৭ সালে দুটি রিট পিটিশন ফাইল করা হয়।।​বিষয়টা হচ্ছে এরকম যে, গ্রামীণ কল্যাণ, গ্রামীণ টেলিকমের সঙ্গে একটি এগ্রিমেন্টে পৌঁছায় যে—গ্রামীণ কল্যাণকে গ্রামীণ টেলিকম কিছু আর্থিক সহায়তা দেবে। সেই আর্থিক সহায়তার প্রতিদান হিসেবে গ্রামীণ টেলিকম তার অর্জিত ডিভিডেন্ড থেকে, গ্রামীণ কল্যাণের শেয়ার থেকে অর্জিত ডিভিডেন্ড থেকে ৪২.৫০% প্রফিট গ্রামীণ কল্যাণকে প্রদান করবে। পরবর্তী সময়ে এটা যখন ইনকাম ট্যাক্স অথরিটি তাদের ফাইলটা আন্ডার সেকশন ১২০-তে রিওপেন করে এবং দেখে যে, গ্রামীণ টেলিকম থেকে গ্রামীণ কল্যাণ যে প্রফিটটা আর্ন করেছে, সেটার ওপর তারা অ্যাট সোর্সে উৎসে কর কর্তন করেনি। যে কারণে এই রিওপেন। পরবর্তী সময়ে এটা রিভিশন ফাইল করে বিফোর দ্য কমিশনার অব ট্যাক্সেস। তার এগেইনস্টে হাইকোর্টে রিট পিটিশন ফাইল করা হয়।আইনজীবী আরও বলেন, ​দীর্ঘ শুনানির পর আজকে এই মামলাটি হাইকোর্ট ডিভিশনের একটি দ্বৈত বেঞ্চ বিচারপতি মোহাম্মদ মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি রেজাউল করিম মহোদয়ের বেঞ্চে রায় প্রদান করেন এবং রুলটি ডিসচার্জ করা হয়। যার ফলে এই রায়টি ট্যাক্সেস ডিপার্টমেন্টের পক্ষে, তথা সরকারের পক্ষে আসে। এবং এতে জড়িত রাজস্বের পরিমাণ ৬৬৬ কোটি টাকা। যা এখন ট্যাক্সেস ডিপার্টমেন্ট এই প্রতিষ্ঠান থেকে আইন অনুযায়ী আদায় করতে পারবে এবং ডিমান্ড নোটিশ যথাযথভাবে ইস্যু করবে।

হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৯৪

হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৯৪

সংক্রামক রোগ হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা) সারাদেশে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ১১৯৪ জন।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০৯ জনে। এরমধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গে ৯০৯ জন।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন মৃত্যু শিশুদের মধ্যে তিনজনই ঢাকা বিভাগের। এরমধ্যে দুজন ঢাকা জেলার। এছাড়া সিলেট, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা বিভাগে একজন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।হালনাগাদ প্রতিবেদন আরও বলছে, নতুন আক্রান্ত নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৪৫ জনে। আর নিশ্চিত হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯৩৩ জনে।এছাড়া এই সময়ে হাম ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০৫ জন। তবে ১ লাখ ৪২ হাজার ৮৮৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

  • ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৯২

    ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৯২

  • ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • সুপ্রিম কোর্টকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতিকে আল্টিমেটাম মাহবুব উদ্দিন খোকনের

    সুপ্রিম কোর্টকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতিকে আল্টিমেটাম মাহবুব উদ্দিন খোকনের

  • যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

    যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

  • রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়লো

    বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়লো

সব খবর

মহাখালীতে বাস ডাম্পিংয়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

মহাখালীতে বাস ডাম্পিংয়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় পুলিশ কর্তৃক বাস ডাম্পিংয়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। এতে মহাখালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগ জানিয়েছে, মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় সড়কে যান চলাচল সুষ্ঠু, স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে পুলিশ বাস ডাম্পিং করলে এর প্রতিবাদে পরিবহন শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন।পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করছেন।এদিকে, সড়ক অবরোধের কারণে মহাখালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় নগরবাসীকে ওই সড়ক এড়িয়ে বিকল্প পথ ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগ।পুলিশের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

টুঙ্গিপাড়ায় ১০ কিলোমিটার সড়ক অপরাধ কর্মকাণ্ডের আশ্রয়স্থল

টুঙ্গিপাড়ায় ১০ কিলোমিটার সড়ক অপরাধ কর্মকাণ্ডের আশ্রয়স্থল

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পাটগাতী মধুমতী সেতু থেকে খালেক বাজার পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে আগাছা ও ঘন জঙ্গলে ঢেকে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে গজিয়ে ওঠা ঝোপঝাড় ও জঙ্গলের কারণে একদিকে যেমন স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে সড়কটি হয়ে উঠেছে মাদকসেবন, ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। ফলে পথচারী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর নারী ও শিশুদের চলাচল নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।স্থানীয়রা জানান, দিনের বেলাতেও সড়কের বিভিন্ন নির্জন স্থানে অসামাজিক ও অপ্রতিকর কর্মকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ঘন জঙ্গলের আড়ালে অপরাধীরা সহজেই আত্মগোপন করতে পারে বলেন তারা।স্থানীয় বাসিন্দা মো. নাজিরুল ইসলাম বলেন, “এই রাস্তাটি দিয়ে এখন সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে চলাচল করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবকের কারণে এখানকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। জঙ্গলের কারণে তারা নানা ধরনের অপকর্ম করার সুযোগ পাচ্ছে।”মধুমতী ভাসমান রেস্টুরেন্টের ওনার মাইনুল ইসলাম বলেন, “এখানে একটি ভালো মানের রেস্টুরেন্ট রয়েছে। সন্ধ্যার পর রেস্টুরেন্টে আসা অতিথিদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের অনেক সময় পাহারা দিতে হয়, যাতে কোনো অঘটন না ঘটে। এরপরও অনেক সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। আমরা সেখানে গেলে অভিযুক্তরা ঘন জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে পড়ে, পরে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না।”স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সড়কের দুই পাশের জঙ্গল ও আগাছা পরিষ্কার করার পাশাপাশি নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হলে অপরাধপ্রবণতা অনেকটাই কমে আসবে।টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দিদারুল আলম বলেন, “আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। রাস্তাটি যেহেতু এলজিইডির আওতাধীন, তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শুধু আশ্বাস নয়- দ্রুত সড়কের দুই পাশের জঙ্গল পরিষ্কার করে নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তরের মো. জামাল হোসেন (জামাল মিয়া)। এ ঘটনায় তার দোকানের এক কর্মচারীও গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতের বাবা মো. ছিডু মিয়া বেপারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামাল মিয়া উপজেলার ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের সিপাই কান্দি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় চার-পাঁচ বছর আগে জীবন-জীবিকার তাগিদে সাউথ আফ্রিকায় পাড়ি জমান জামাল হোসেন। সেখানে দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে একটি ভ্যারাইটি সুপারশপ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। নিজেই দোকানটি পরিচালনার পাশাপাশি একজন কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।গত ৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে সাউথ আফ্রিকার স্থানীয় সময় একদল সন্ত্রাসী তার দোকানে হামলা চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই জামাল হোসেন নিহত হন। একই ঘটনায় দোকানে থাকা এক কর্মচারীও গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।জামাল হোসেনের মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তিনি বাবা মো. ছিডু মিয়া বেপারী, মা খুকুমণি, স্ত্রী মাজেদা বেগম এবং তিন সন্তান রেখে গেছেন। তার সন্তানদের মধ্যে ছেলে বায়েজিদের বয়স ৮ বছর, মেয়ে সিনথিয়ার ৩ বছর এবং সামিরা আক্তারের বয়স ২ বছর। এছাড়া তিনি তিন ভাই ও এক বোনসহ অসংখ্য স্বজন রেখে গেছেন।নিহতের বাবা মো. ছিডু মিয়া বেপারী বলেন, পরিবারের স্বচ্ছলতার জন্য তাঁর ছেলে বিদেশে গিয়ে নিজের কষ্টার্জিত অর্থে ব্যবসা গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু সন্ত্রাসীদের গুলিতে তাঁকে হারিয়ে পুরো পরিবার এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।তিনি দ্রুত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তার ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ গ্রামের বাড়ি সিপাই কান্দিতে দাফনের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, নিহতের পরিবার যেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দাফনসহ প্রাপ্য আর্থিক সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ পায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। একই সঙ্গে সাউথ আফ্রিকার প্রচলিত আইনে তাঁর ছেলেকে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে সিপাই কান্দি গ্রামের বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের মাতম। ছোট্ট তিন সন্তান বাবাকে হারিয়ে নির্বাক। স্বজনদের প্রশ্ন—যে বাবা সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়তে হাজার হাজার মাইল দূরে পাড়ি জমিয়েছিলেন, সেই বাবাই এখন আর কোনোদিন সন্তানদের কাছে ফিরে আসবেন না।এদিকে নিহত জামাল হোসেনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং তার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রবাসী কল্যাণ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, “বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করছি। নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে আগুন, সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে আগুন, সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে অগ্নিনিরাপত্তার দুর্বলতা আগেই চিহ্নিত করেছিল আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)। সেই ঘাটতি পূরণ না হওয়ায় চলতি বছরের এপ্রিলে প্রথম ইউনিটে নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি ভরা বা ফুয়েল লোডিং শুরু করা যায়নি। পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া ও পূর্ণাঙ্গ অগ্নিনির্বাপণ মহড়া হয়েছে বলে জানায় প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। এর কয়েক মাসের মধ্যেই প্রকল্পের একটি অস্থায়ী কার্যালয়ে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অভ্যন্তরীণ সার্ভার, তথ্যপ্রযুক্তি এবং যোগাযোগ সরঞ্জাম ও নথিপত্র।এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, আগে চিহ্নিত দুর্বলতাগুলো বাস্তবে কতটা দূর করা হয়েছে? গত সোমবার রাত ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে রূপপুর প্রকল্পের পাইওনিয়ার বেসের একটি অস্থায়ী ভবনে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কেউ হতাহত হননি। তবে দুটি কক্ষের আসবাব, নথি ও প্রযুক্তি সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ সার্ভারও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাহত হয়েছে। কাস্টমস ভবন ও ক্যান্টিনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমিকরা।প্রাথমিকভাবে একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ভেতরের অংশের ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। কারণ, নিশ্চিত করতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত পরীক্ষা করছে।

দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

১২ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে পারস্পরিক অংশীদারিত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে "উত্থিত সংহতি: অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্ভাবনী উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক জোট"। বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে কৃষকদের খাপ খাইয়ে নেওয়া, সবুজ শক্তির সহজলভ্যতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবা কর্মী কর্তৃক মহামারীর দ্রুত মোকাবেলার ক্ষেত্রে দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে।মহাসচিব বলেন, 'গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর সাউথ-সাউথ অ্যান্ড ট্রায়াঙ্গুলার কোঅপারেশন'-এর যাত্রা একটি নতুন ও সম্ভাবনাময় অধ্যায়ের সূচনা করেছে। সরকার, উন্নয়ন ব্যাংক, একাডেমিয়া এবং বেসরকারি খাতকে এক ছাতার নিচে এনে এই উদ্যোগ জাতীয় অগ্রাধিকারের সাথে অর্থায়ন ও দক্ষতার সংযোগ ঘটাবে, যা ধারণাকে বিনিয়োগে এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করবে।তবে গ্লোবাল সাউথের এই অগ্রগতি উন্নত দেশগুলোর উত্তর-দক্ষিণ সহযোগিতা বাড়ানো এবং বৈষম্য কমানোর দায়বদ্ধতাকে কোনোভাবেই হ্রাস করে না বলে তিনি সতর্ক করেন। বৈশ্বিক বিভাজন ও সংঘাতের এই সংকটময় সময়ে দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা বিশ্ব সংহতি পুনরুজ্জীবিত করার অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে উল্লেখ করে মহাসচিব সীমান্তে সব বাধা পেরিয়ে সমতা, সমৃদ্ধি ও শান্তির লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

ইয়েমেনে মুহুর্মুহু বিমান হামলা সৌদি আরবের

ইয়েমেনে মুহুর্মুহু বিমান হামলা সৌদি আরবের

ইয়েমেনের তাইজ, আল-হুদায়দাহ, আল-জাওফ এবং মারিব গভর্নরেটের বিভিন্ন এলাকা লক্ষ্য করে সৌদি আরব ৪০টি বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দেশটির গণমাধ্যম দাবি করেছে।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) হুথিদের দ্বারা পরিচালিত সাবা নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের আল-সালিফ ও আল-তুহায়তা জেলা ছাড়াও কামারান দ্বীপে এই বোমাবর্ষণ চালানো হয়েছে।ইয়েমেনের আরেকটি সংবাদ মাধ্যম আল মাসিরা জানিয়েছে, আল-হাজম, আল-ঘায়েল এবং আল-জুবা জেলায় অন্তত ১৮টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে।তবে ইয়েমেনে নিয়োজিত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের পক্ষ থেকে এই হামলাগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি।সূত্র: আল জাজিরা

সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ারের উদ্বেগ

সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ারের উদ্বেগ

সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের ভারসাম্য পরিবর্তন করে ভাইভার নম্বর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির সরকারি উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে চরম দলীয়করণ শুরু করেছে। তারা ইতোমধ্যেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসনসহ সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দলীয় বিবেচনায় মেধাহীন, অযোগ্য এবং বিতর্কিত লোকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে অন্ধ দলীয় লোকদের নিয়োগ দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা। অথচ সরকারি চাকরির নিয়োগব্যবস্থায় এমন একটি বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা মেধার মূল্যায়নকে দুর্বল করে নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতির পথ ন্যক্কারজনকভাবে উন্মুক্ত করবে। সরকারি চাকরির নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বিএনপি সরকারের নির্লজ্জ দলীয়করণের অশুভ ইঙ্গিত।’তিনি বলেন, ‘১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দেশবাসী মনে করে, সরকারের বড় আকারে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রশাসনকে দলীয়করণের সুদূরপ্রসারী ষড়যন্তের নগ্ন হাতিয়ার। লিখিত পরীক্ষা একজন প্রার্থীর জ্ঞান, মেধা, বিশ্লেষণী সক্ষমতা ও প্রস্তুতিকে তুলনামূলকভাবে বস্তুনিষ্ঠভাবে যাচাই করার সুযোগ দেয়। লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র সংরক্ষণ, পুনর্মূল্যায়ন ও অডিট করা সম্ভব। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার মূল্যায়ন অনেকাংশেই বোর্ডের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ ও বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। ফলে ভাইভার নম্বরের ওজন অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হলে মেধার ব্যবধান কৃত্রিমভাবে পরিবর্তন করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে লিখিত পরীক্ষায় অর্জিত মেধা ও যোগ্যতার অবমূল্যায়ন ঘটবে এবং যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের পদগুলোতে দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী প্রতিযোগিতা করেন। তাদের অনেকেই দীর্ঘদিন প্রস্তুতি নিয়ে, সীমিত আর্থিক সামর্থ্যের মথ্যে কঠোর পরিশ্রম করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তাদের মেধা ও পরিশ্রমের মূল্যায়নকে এমন কোনো অনিশ্চিত ব্যবস্থার ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়, যেখানে মৌখিক পরীক্ষার অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল সহজেই উল্টে দেওয়া সম্ভব।’তিনি বলেন, ‘প্রক্সি, জালিয়াতি ও পরীক্ষায় অনিয়ম প্রতিরোধ করা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু জালিয়াতি বন্ধের অজুহাতে ভাইভার নম্বর বাড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য সমাধান হতে পারে না। প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষাব্যবস্থা, বায়োমেট্রিক যাচাই, পরীক্ষাকেন্দ্রে কঠোর নজরদারি, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, ডিজিটাল মনিটরিং এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অনিয়ম প্রতিরোধ করা সম্ভব।’জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘অতীতে সরকারি চাকরি ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের যে ভয়াবহ সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ তার অবসান চেয়েছে। একটি সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সেই গণআকাঙ্ক্ষা ধারণ করা; নতুন কোনো পদ্ধতিতে পুরোনো দলীয়করণের সুযোগ তৈরি করা নয়। তাই নিয়োগব্যবস্থার এমন কোনো পরিবর্তন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যা ভবিষ্যতে প্রশাসনে দলীয় আনুগত্যশীল ও অনুগত জনবল প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।’তিনি বলেন, আমরা এমন একটি প্রশাসন চাই, ‘যেখানে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিচয় হবে তার মেধা, যোগ্যতা, সততা ও কর্মদক্ষতা; কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নয়। রাষ্ট্রের প্রশাসনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে হলে নিয়োগ প্রক্রিয়াকেই সর্বপ্রথম স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয় পরিচয়, রাজনৈতিক আনুগত্য, আত্মীয়তা, ব্যক্তিগত সুপারিশ কিংবা অর্থের প্রভাবের কোনো স্থান থাকতে পারে না। রাষ্ট্রের প্রতিটি নিয়োগ হতে হবে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে।’তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি, অর্থের লেনদেন ও সুপারিশের সংস্কৃতি বন্ধ করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শতভাগ স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে পুরোনো বৈষম্য, দলীয়করণ ও অনিয়মের পুনরাবৃত্তি জনগণ মেনে নেবে না। তরুণ সমাজের মেধা, শ্রম ও ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সরকারকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার দেশের চাকরিপ্রার্থী, শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলেন, ‘মেধার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যের অবসান এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই হতে হবে নতুন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।’

পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি

পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি

অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার সাত কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়।বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে-এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিয়া আফরোজকে পুলিশ সদর দপ্তরে (টিআর পদে), পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বর্তমানে মাগুরা সদর সার্কেলে বদলির আদেশপ্রাপ্ত) এ এন এম সাইফুল আলম খাঁনকে এসবিতে, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেনকে রাজবাড়ী সদর সার্কেলে এবং খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার শারমিন সুলতানা রাখীকে বরিশাল মহানগর পুলিশে (বিএমপি) বদলি করা হয়েছে।এছাড়া র‍্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. নুরুল ইসলাম সিদ্দিককে সিআইডিতে এবং বিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার রতন চন্দ্র কর্মকারকে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) বদলি করা হয়েছে।

মহাখালীতে বাস ডাম্পিংয়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

মহাখালীতে বাস ডাম্পিংয়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় পুলিশ কর্তৃক বাস ডাম্পিংয়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। এতে মহাখালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগ জানিয়েছে, মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় সড়কে যান চলাচল সুষ্ঠু, স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে পুলিশ বাস ডাম্পিং করলে এর প্রতিবাদে পরিবহন শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন।পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করছেন।এদিকে, সড়ক অবরোধের কারণে মহাখালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় নগরবাসীকে ওই সড়ক এড়িয়ে বিকল্প পথ ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগ।পুলিশের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানকে

৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানকে

বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, সংসদে এসআরবি বিল পাস

বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, সংসদে এসআরবি বিল পাস

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে আগুন, সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে আগুন, সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত

আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা ও সহমর্মিতার ওপর গুরুত্বারোপ

আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা ও সহমর্মিতার ওপর গুরুত্বারোপ

পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি

পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি

যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

ইয়েমেনে মুহুর্মুহু বিমান হামলা সৌদি আরবের

ইয়েমেনে মুহুর্মুহু বিমান হামলা সৌদি আরবের

বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়লো

বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়লো

চীনে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস: ১৬ জনের মৃত্যু

চীনে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস: ১৬ জনের মৃত্যু

হরমুজে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ ১০টি জাহাজে ইরানের হামলা

হরমুজে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ ১০টি জাহাজে ইরানের হামলা

সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ারের উদ্বেগ

সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ারের উদ্বেগ

সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের ভারসাম্য পরিবর্তন করে ভাইভার নম্বর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির সরকারি উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে চরম দলীয়করণ শুরু করেছে। তারা ইতোমধ্যেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসনসহ সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দলীয় বিবেচনায় মেধাহীন, অযোগ্য এবং বিতর্কিত লোকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে অন্ধ দলীয় লোকদের নিয়োগ দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা। অথচ সরকারি চাকরির নিয়োগব্যবস্থায় এমন একটি বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা মেধার মূল্যায়নকে দুর্বল করে নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতির পথ ন্যক্কারজনকভাবে উন্মুক্ত করবে। সরকারি চাকরির নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বিএনপি সরকারের নির্লজ্জ দলীয়করণের অশুভ ইঙ্গিত।’তিনি বলেন, ‘১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দেশবাসী মনে করে, সরকারের বড় আকারে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রশাসনকে দলীয়করণের সুদূরপ্রসারী ষড়যন্তের নগ্ন হাতিয়ার। লিখিত পরীক্ষা একজন প্রার্থীর জ্ঞান, মেধা, বিশ্লেষণী সক্ষমতা ও প্রস্তুতিকে তুলনামূলকভাবে বস্তুনিষ্ঠভাবে যাচাই করার সুযোগ দেয়। লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র সংরক্ষণ, পুনর্মূল্যায়ন ও অডিট করা সম্ভব। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার মূল্যায়ন অনেকাংশেই বোর্ডের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ ও বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। ফলে ভাইভার নম্বরের ওজন অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হলে মেধার ব্যবধান কৃত্রিমভাবে পরিবর্তন করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে লিখিত পরীক্ষায় অর্জিত মেধা ও যোগ্যতার অবমূল্যায়ন ঘটবে এবং যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের পদগুলোতে দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী প্রতিযোগিতা করেন। তাদের অনেকেই দীর্ঘদিন প্রস্তুতি নিয়ে, সীমিত আর্থিক সামর্থ্যের মথ্যে কঠোর পরিশ্রম করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তাদের মেধা ও পরিশ্রমের মূল্যায়নকে এমন কোনো অনিশ্চিত ব্যবস্থার ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়, যেখানে মৌখিক পরীক্ষার অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল সহজেই উল্টে দেওয়া সম্ভব।’তিনি বলেন, ‘প্রক্সি, জালিয়াতি ও পরীক্ষায় অনিয়ম প্রতিরোধ করা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু জালিয়াতি বন্ধের অজুহাতে ভাইভার নম্বর বাড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য সমাধান হতে পারে না। প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষাব্যবস্থা, বায়োমেট্রিক যাচাই, পরীক্ষাকেন্দ্রে কঠোর নজরদারি, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, ডিজিটাল মনিটরিং এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অনিয়ম প্রতিরোধ করা সম্ভব।’জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘অতীতে সরকারি চাকরি ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের যে ভয়াবহ সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ তার অবসান চেয়েছে। একটি সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সেই গণআকাঙ্ক্ষা ধারণ করা; নতুন কোনো পদ্ধতিতে পুরোনো দলীয়করণের সুযোগ তৈরি করা নয়। তাই নিয়োগব্যবস্থার এমন কোনো পরিবর্তন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যা ভবিষ্যতে প্রশাসনে দলীয় আনুগত্যশীল ও অনুগত জনবল প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।’তিনি বলেন, আমরা এমন একটি প্রশাসন চাই, ‘যেখানে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিচয় হবে তার মেধা, যোগ্যতা, সততা ও কর্মদক্ষতা; কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নয়। রাষ্ট্রের প্রশাসনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে হলে নিয়োগ প্রক্রিয়াকেই সর্বপ্রথম স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয় পরিচয়, রাজনৈতিক আনুগত্য, আত্মীয়তা, ব্যক্তিগত সুপারিশ কিংবা অর্থের প্রভাবের কোনো স্থান থাকতে পারে না। রাষ্ট্রের প্রতিটি নিয়োগ হতে হবে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে।’তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি, অর্থের লেনদেন ও সুপারিশের সংস্কৃতি বন্ধ করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শতভাগ স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে পুরোনো বৈষম্য, দলীয়করণ ও অনিয়মের পুনরাবৃত্তি জনগণ মেনে নেবে না। তরুণ সমাজের মেধা, শ্রম ও ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সরকারকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার দেশের চাকরিপ্রার্থী, শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলেন, ‘মেধার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যের অবসান এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই হতে হবে নতুন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।’

সরকার একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে: মঞ্জু

সরকার একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে: মঞ্জু

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের মায়ের মৃত্যুতে জাতীয় কৃষক শক্তির শোক

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের মায়ের মৃত্যুতে জাতীয় কৃষক শক্তির শোক

ভেনিসে বাঁধনের ওপর হামলা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সন্ত্রাসের আন্তর্জাতিক বহিঃপ্রকাশ: এবি পার্টি

ভেনিসে বাঁধনের ওপর হামলা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সন্ত্রাসের আন্তর্জাতিক বহিঃপ্রকাশ: এবি পার্টি

ভোটার এলাকা পাল্টালেন আসিফ ও পাটওয়ারী

ভোটার এলাকা পাল্টালেন আসিফ ও পাটওয়ারী

অভিযুক্ত বাহিনীর হাতে নয়, গুমের তদন্ত স্বাধীন প্রতিষ্ঠানকে দিতে হবে: এবি পার্টি

অভিযুক্ত বাহিনীর হাতে নয়, গুমের তদন্ত স্বাধীন প্রতিষ্ঠানকে দিতে হবে: এবি পার্টি

বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে : রিজভী

বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে : রিজভী

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

টুঙ্গিপাড়ায় ব্রেক ফেল করে টোল প্লাজায় দোলা পরিবহনের ধাক্কা, আহত ১

টুঙ্গিপাড়ায় ব্রেক ফেল করে টোল প্লাজায় দোলা পরিবহনের ধাক্কা, আহত ১

রাঙ্গাবালীতে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ  আটক ১

রাঙ্গাবালীতে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত নানা ভাই বাহিনীর প্রধানসহ ১২ সক্রিয় সদস্যের আত্মসমর্পণ

সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত নানা ভাই বাহিনীর প্রধানসহ ১২ সক্রিয় সদস্যের আত্মসমর্পণ

সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত নানা ভাই বাহিনীর প্রধান'সহ ১২'জন সক্রিয় সদস্য বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করেছেন।বৃহস্পতিবার (১০সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।তিনি জানান, বর্তমান সরকারের দিকনির্দেশনায় সুন্দরবনের সক্রিয় সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামের দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ'সহ অদ্যাবধি ২৯ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়। এসময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা মোট ৪২ জনকে জীবিত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা প্রদান শেষে নিরাপদে তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক ও সফল অভিযানের ফলে সুন্দরবনে সক্রিয় বিভিন্ন দস্যু বাহিনী বর্তমানে ব্যাপকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে এবং দস্যুরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনী, বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ জন সক্রিয় সদস্য এবং ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী'সহ মোট ৩৭ জন সক্রিয় ডাকাত সদস্য ইতোমধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ'সহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে। এরই প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৬ টায় বাগেরহাটের মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের ধানসিদ্ধির চর এলাকায় নানা ভাই বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়ল'সহ ১২ জন সক্রিয় ডাকাত সদস্য বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে। এসময় তাদের কাছে থাকা ১'টি এইট শুটার, ১'টি সিক্স শুটার, ১'টি ফোর শুটার, ১টি সাইড হেমার, ১'টি বোল্ট অ্যাকশন পিস্তল, ২'টি এমথ্রী গ্যাস গান, ২'টি ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল, ২'টি ওয়ান শুটার, ২'টি এয়ার গান, ২১২'রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৯'রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ২০'রাউন্ড ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল বল, ০৫'রাউন্ড ৮ মি.মি. তাজা গোলা, ৪১৩'রাউন্ড এয়ারগান গোলা, ৪'টি পিস্তল ম্যাগাজিন, ২'টি এয়ারগান ম্যাগাজিন ও চার্জার'সহ ৬'টি ওয়াকিটকি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিকট জমা প্রদান করে।আত্মসমর্পণকারীরা হলেন- জাহাঙ্গীর মোড়ল ওরফে রহমত (৩৬), সাইফুল্লাহ মোড়ল (৩৯), এখলাছুর রহমান (৩৮), রবিউল ইসলাম (৩৫), মফিজুল ইসলাম (৩৫), আজিম উদ্দিন গাজী (৩৭) ও আব্দুর রহমান শেখ (৩৬) খুলনা জেলার পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া থানার বাসিন্দা এবং শফিকুল ইসলাম (৫৩), মিন্টু গাজি (৩৯), আজিজুল গাজী (৩৫) ও শাহজাহান মালী (৩৫) সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার বাসিন্দা এবং আজিজুর রহমান (৪৫) বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার বাসিন্দা। নানা ভাই বাহিনীর সদস্য হিসেবে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সুন্দরবনে ডাকাতি'সহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল।জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আত্মসমর্পণকারী ডাকাতদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাসহ পরবর্তী আইনানুগ কার্যব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।সুন্দরবনের সকল সক্রিয় বনদস্যুকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। আত্মসমর্পণকারীদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে। অন্যদিকে, যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতির আলোকে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।সরকারের নির্দেশনা, আপনাদের সকলের সহযোগিতা এবং অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করা সম্ভব হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

পুলিশ বক্স নির্মাণের কথা বলে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে আটক ১

পুলিশ বক্স নির্মাণের কথা বলে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে আটক ১

টুঙ্গিপাড়ায় ১০ কিলোমিটার সড়ক অপরাধ কর্মকাণ্ডের আশ্রয়স্থল

টুঙ্গিপাড়ায় ১০ কিলোমিটার সড়ক অপরাধ কর্মকাণ্ডের আশ্রয়স্থল

আখাউড়ায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

আখাউড়ায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

টেকনাফ এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ ইয়াবার চালান জব্ধ, আটক ২

টেকনাফ এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ ইয়াবার চালান জব্ধ, আটক ২

চ্যানেল এসের সংবাদে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তার ভাঙন রোধে কাজ শুরু

চ্যানেল এসের সংবাদে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তার ভাঙন রোধে কাজ শুরু

নবীনগরে ছাত্রকে পেটানোয় শিক্ষক থানায়

নবীনগরে ছাত্রকে পেটানোয় শিক্ষক থানায়

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন মৌসুমে নিজেদের প্রথম ম্যাচডেতে মাঠে নামছে ইউরোপের চার বড় নাম—বার্সেলোনা, লিভারপুল, পিএসজি ও আর্সেনাল। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী চার ম্যাচের মধ্যে বার্সেলোনার ম্যাচটি শুরু হবে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে, আর বাকি তিনটি ম্যাচের পর্দা উঠবে বুধবার দিবাগত রাত (বৃহস্পতিবার) রাত ১টায়।বার্সেলোনা বনাম ফেইনুর্ড — ম্যাচটি হবে বার্সেলোনার স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যুতে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এবারের আসর ঘরের মাঠে শুরু করবে বার্সা। লিভারপুল বনাম আতলেতিকো মাদ্রিদ — ম্যাচটি হবে লিভারপুলের অ্যানফিল্ডে। সমর্থনের বিচারে এগিয়ে থাকলেও শক্তিমত্তায় সমানে সমান লড়বে আতলেতিকো। পিএসজি বনাম স্লোভান ব্রাতিস্লাভা — পিএসজি নিজেদের মাঠ পার্ক দে প্রিন্সেসে খেলবে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু হচ্ছে এই ম্যাচ দিয়ে।নাপোলি বনাম আর্সেনাল — ম্যাচের ভেন্যু নাপোলির স্টাদিও দিয়েগো আরমান্দো মারাদোনা। সফরকারী হিসেবে গেলেও বেশ শক্তিশালী দল নিয়েই মাঠে নামছ গানার্সরা। বার্সেলোনা ও পিএসজি ঘরের মাঠে ফেভারিট হিসেবেই শুরু করছে। দল ও শক্তিমত্তার বিচারে বিনা হোঁচটেই তাদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি। তারপরও বড় মঞ্চে বেশ সতর্ক এই দুই জায়ান্ট। অন্যদিকে লিভারপুল-আতলেতিকো এবং নাপোলি-আর্সেনালের লড়াই দুটোই হতে পারে এই রাতের সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ।তবে এই চারটি ম্যাচ বাদেও আরও দুইটি ম্যাচ এই রাতেই মাঠে গড়াচ্ছে। সেগুলো হলো: স্টুটগার্ড-ভাইকিং (রাত ১০.৪৫টায়) ও স্পোর্টিং-গালাতেসারে (রাত ১টায়)।

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

বাংলাদেশের বিশ্বজয়ের মাঠে হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি

বাংলাদেশের বিশ্বজয়ের মাঠে হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি

অবসরের চিঠিতে মেসির ম্যাজিক হ্যারি পটার!

অবসরের চিঠিতে মেসির ম্যাজিক হ্যারি পটার!

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারত

জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারত

কিলিয়ান এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে জয়ের ধারাবাহিকতায় রিয়াল মাদ্রিদ

কিলিয়ান এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে জয়ের ধারাবাহিকতায় রিয়াল মাদ্রিদ

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের বিরুদ্ধে মিলছে প্রমাণ: সিআইডি

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের বিরুদ্ধে মিলছে প্রমাণ: সিআইডি

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের আচরণ ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্তকারীদের দাবি, ডনের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই করা হচ্ছে।সিআইডির পক্ষ থেকে আদালতে দেওয়া রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে ডনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তদন্তকারীরা মনে করছেন, তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও ডন কী কারণে এবং কার সহযোগিতা বা ইন্ধনে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে সিআইডি।সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে সিআইডি। তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মজিবুর রহমানের করা ওই আবেদনে মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের স্বার্থে ডনকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ২০২৫ সালে আদালতের নির্দেশের পর ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তের অংশ হিসেবে ডনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

সালমান শাহ চলে যাওয়ার ৩০ বছর: ভক্তের হৃদয়েএখনও অমলিন

সালমান শাহ চলে যাওয়ার ৩০ বছর: ভক্তের হৃদয়েএখনও অমলিন

ঢালিউডের রাজপুত্র বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র সালমান শাহ। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তিনি যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তা আজও অমলিন। সকলের প্রিয় এই নায়কের চলে যাওয়ার ৩০ বছর পূর্ণ হলো আজ।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন সালমান শাহ। সেই হিসেবে আজ তাঁকে ছাড়া আরও একটি বছর পার হলো। তিন দশক পেরিয়ে গেলেও তাঁর অভিনয়, স্টাইল ও পর্দার উপস্থিতি এখনো দর্শকের মনে সমানভাবে জায়গা করে আছে।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তাঁর পারিবারিক নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে ছিলেন তিনি। চলচ্চিত্রে পা রাখার পর ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ নামেই পরিচিতি পান তিনি।চলচ্চিত্রে আসার আগে টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন সালমান শাহ। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর অভিনয়যাত্রা শুরু হয়। এরপর ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’সহ বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেন তিনি।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের মন জয় করে নেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে হয়ে ওঠেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক।শাবনূরের সঙ্গে তাঁর জুটি ছিল দর্শকের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়। এই জুটিকে দেখা গেছে ১৪টি সিনেমায়। পাশাপাশি মৌসুমী, শাবনূর, শাহনাজ, সোনিয়া ও অন্যান্য নায়িকার সঙ্গেও জুটি বেঁধে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা।তবে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থাতেই ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ। ওই দিন রাজধানীর ইস্কাটনে নিজ বাসভবনের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর মৃত্যু নিয়ে তখন থেকেই নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়। ময়নাতদন্তে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও মৃত্যুর রহস্য নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল এখনো শেষ হয়নি।সালমান শাহ চলে গেছেন তিন দশক আগে। কিন্তু তাঁর সিনেমা, অভিনয় আর অনন্য ফ্যাশন এখনো নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান আকর্ষণের। ‘স্বপ্নের নায়ক’ বাস্তবের পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও ভক্তদের হৃদয়ে তিনি আজও ‘অন্তরে অন্তরে’।৩০ বছর পরও তাই সালমান শাহ যেন বাংলা চলচ্চিত্রের সেই ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, যেখানে সময় থেমে আছে—কিন্তু ভালোবাসা ফুরায়নি।

এবারের বিশ্বসুন্দরী জোহেইরি

এবারের বিশ্বসুন্দরী জোহেইরি

মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ মুকুট জিতেছেন ডোমিনিকান রিপাবলিকের জোহেইরি মোলা দোমিঙ্গেস। স্থানীয় সময় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভিয়েতনামের নিয়া ট্রাং শহরে ১১১ জন প্রতিযোগীকে টপকে বিশ্বসুন্দরীর এই খেতাব জেতেন তিনি।এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। জোহেইরি মোলা মিস ওয়ার্ল্ড ডোমিনিকান রিপাবলিক ২০২৫ খেতাব জেতেন। সেই প্রতিযোগিতায় জয়ী হবার সুবাদে এবার বিশ্ব আসরে আসার সুযোগ পান।ফ্যাশন ও মডেলিং জগতে সফল জোহাইরি একাধারে শিক্ষক, সাংবাদকর্মী, সমাজকর্মী। শনিবার তার মাথায় নীল মুকুট পরিয়ে দেন গতবারের মিস ওয়ার্ল্ড থাইল্যান্ডের ওপাল সুচাতা চুয়াংস্রি।এখন থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মিস ওয়ার্ল্ড সংস্থার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ এবং বিশ্বজুড়ে ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’ প্রচার অভিযানের প্রতিনিধিত্ব করবেন এই ডোমিনিকান সুন্দরী। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্পেনের এলিসাবেথ রেইনেস এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন মিস মালয়েশিয়া তানুসিয়া চেট্টি।

কক্সবাজারে নতুন লুকে ধরা দিলো দীঘি

কক্সবাজারে নতুন লুকে ধরা দিলো দীঘি

কক্সবাজারের সমুদ্রে সৈকতে মোহনীয় লুকে দেখা মিলল অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির। তিনি নিজেই সমুদ্র সৈকত থেকে নিজের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। এরপর থেকেই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। তবেতিনি জানিয়েছেন অন্য কোনো কারণে নয় শুটিংয়ের কাজেই কক্সবাজারে অবস্থান করছেন চিত্রনায়িকা দীঘি। নিজের ফেসবুক পেজে এ নিয়ে দুটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি।ছবিতে সমুদ্রের পাড়ে স্বাভাবিক ও ছিমছাম সাজে দেখা গেছে তাকে। সাগরের নীল জল আর বালুচরের আবহে অভিনেত্রীর নতুন লুকও নজর কেড়েছে নেটিজেনদের।ছবির ক্যাপশনে দীঘি লিখেছেন, ‘আমি এসেছি সাগর পাড়ে ‘গো প্লান’-এর সাথে।’ এরপর থেকেই তার কক্সবাজার সফরের কারণ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে। মন্তব্যের ঘরে অনেকেই অভিনেত্রীর প্রশংসা করার পাশাপাশি জানতে চেয়েছেন, সেখানে নতুন কোনো কাজের শুটিং করছেন কি না।দীঘি অবশ্য বিষয়টি এখনই খোলাসা করতে চাইছেন না। জানা গেছে, শুটিংয়ের কাজে বর্তমানে কক্সবাজারে রয়েছেন তিনি। তবে ঠিক কোন প্রজেক্টের জন্য সেখানে গেছেন, সেটি আপাতত গোপনই রাখছেন অভিনেত্রী।নতুন কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে দীঘি বলেন, ‘অপেক্ষা করুন, সময় হলে জানতে পারবেন।’ ফলে তার নতুন কাজটি সিনেমা, ওয়েব কনটেন্ট নাকি অন্য কোনো ধরনের প্রজেক্ট এ বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য জানা যায়নি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতই নিজের কাজ ও ব্যক্তিজীবনের নানা মুহূর্তের ছবি-ভিডিও শেয়ার করেন দীঘি। এবার কক্সবাজারের সমুদ্রপাড় থেকে প্রকাশ করা ছবিগুলোও মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ভক্তদের মধ্যে। ছবির পাশাপাশি নতুন কাজের রহস্যই যেন বাড়িয়ে দিয়েছে তাদের আগ্রহ।শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর থেকেই দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন দীঘি। ছোটবেলায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর বড় পর্দায় নায়িকা হিসেবেও নিজের জায়গা তৈরি করেছেন তিনি। এখন নতুন এই কাজ দিয়ে দর্শকদের সামনে কী চমক নিয়ে হাজির হন, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

খালেদা জিয়ার সাজ নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন অভিনেত্রী চমক

খালেদা জিয়ার সাজ নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন অভিনেত্রী চমক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজ ধারণ করে সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রুকাইয়া জাহান চমক। নিজের ভ্লগ সিরিজ ‘ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক’-এর একটি পর্বে বেগম জিয়ার আইকনিক লুকে ক্যামেরার সামনে আসেন তিনি। হঠাৎ কেন এই সাজ, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হলে সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এর স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেন অভিনেত্রী। ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্যে এই সাজ কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে চমক বলেন, “আপনারা কি আমার ‘ডিসকাভারিং বাংলাদেশ’ ব্লগ আগে দেখেন নাই? এর আগে আমি যখন মনিপুরী বা গারোদের নিয়ে ভিডিও করছি, তখন তাদের কস্টিউম পরেছি। আমি যখন তাঁতশিল্প নিয়ে ভিডিও করছি, তখন তাঁতের শাড়িটা পরছি। আমি যখন যে ভিডিওটা করি, তখন সেটার লুক নিই। ভাইরাল হওয়ার জন্য এটা করিনি, আপনারা খেয়াল করলে বুঝতে পারবেন এটা আমার ভিডিও বানানোর প্যাটার্ন।”নিজের সাজ ও পোশাক দিয়ে দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি ফ্যাশন, আমাদের ট্র্যাডিশন ও কালচার নিয়ে স্টাডি করি। বাংলাদেশের পোশাক এমন একটা জিনিস যার মাধ্যমে আমরা আমাদের আইডেন্টিটি, দেশের পরিচয় ও কালচার রিপ্রেজেন্ট করতে পারি।’চলতি বছর বিএনপির হয়ে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম কিনে আলোচনায় এসেছিলেন চমক। রাজনীতি প্রসঙ্গে তার বক্তব্য, ‘আমি দেশনীতিবিদ হতে চাই। আমার জন্য রাজনীতি শব্দটা একটু আলাদা। দেশের জন্য কিছু করার একটা প্ল্যাটফর্ম দরকার। এরকম কিছু বড় প্ল্যাটফর্ম যদি পাই, সেখান থেকে আমার জন্য দেশের পলিসি মেকিং, দেশের অনেক পরিবর্তন আনার জায়গাটা পাওয়া সহজ হবে। এটাই আমার রাজনীতিতে জড়ানোর কারণ ছিল।’বর্তমান সরকারের মূল্যায়ন প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি এই মূল্যায়নটা কোনো আলাদা জায়গা দিয়ে করতে পারব না। কোনো জায়গায় তারা ১০ এ ১০, কোনো জায়গায় তারা ১০ এ ০। এক কথায় তো উতর দেওয়া যাবে না। এটা নিয়ে গবেষণা করতে হবে।’২০১৭ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার মধ্য দিয়ে শোবিজে পা রাখেন রুকাইয়া জাহান চমক। এরপর ‘হায়দার’, ‘মহানগর’, ‘হাউস নম্বর-৯৬’ ও ‘ভাইরাল হ্যাজব্যান্ড’-এর মতো জনপ্রিয় কাজ দিয়ে অল্প দিনেই দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি ভ্লগিং নিয়েও বেশ সরব এই অভিনেত্রী।

‘ফুলের বিয়ে’ নাটকে রশনি

‘ফুলের বিয়ে’ নাটকে রশনি

এ প্রজন্মের ফ্যাশন, লাইফস্টাইল ও ফিটনেস কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং মডেল তাসরিন ইসলাম রশনি। এবার নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে নতুন পরিচয়ে হাজির হচ্ছেন। প্রথমবারের মতো নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। নাটকটির নাম ‘ফুলের বিয়ে’। এটি নির্মাণ করেছেন রুবেল আনুশ।তিনি ‘মিস এভারগ্রিন বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন। এরপর ফ্যাশন মডেলিংয়ের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেছেন। বর্তমানে ফটোশুট ও মিউজিক ভিডিওতেও নিয়মিত কাজ করছেন এই মডেল।‘ফুলের বিয়ে’ নাটকে রশনি গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নাটকটিতে তার সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন অনিন্দিতা মিমি ও জুনায়েদ বোগদাদী। এসকে মিডিয়া পিআর প্রযোজিত নাটকটির শুটিং এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে সম্পন্ন হয়েছে।নাটকে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তাসরিন ইসলাম রশনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো নাটকে অভিনয় করেছি। কাজের অভিজ্ঞতা খুবই ভালো ছিল। কাজটি খুব সুন্দর হয়েছে। আমার ইচ্ছা মডেলিং ও অভিনয়ে নিয়মিত কাজ করা। এছাড়াও নতুন কিছু কাজ নিয়ে কথা চলছে। মডেলিং ও অভিনয়ের সব মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাশন মডেলিং নিয়ে আমার লক্ষ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের পরিচিতি বাড়ানো। আমি চাই বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিকে বিশ্বমানের মঞ্চে তুলে ধরতে। ভালো গল্প ও চরিত্র পেলে সব মাধ্যমে কাজ করতে প্রস্তুত আছি।’নাটকে অভিষেকের মধ্য দিয়ে মডেলিংয়ের পাশাপাশি অভিনয়েও নিজের অবস্থান তৈরি করতে চান তাসরিন। সামনে ভালো গল্প ও চরিত্রে নিয়মিত কাজ করতে চান তিনি।

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ভিপি সাদিক কায়েমের

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ভিপি সাদিক কায়েমের

শিক্ষকদের জন্য আলাদা পে-স্কেলের চিন্তা আছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষকদের জন্য আলাদা পে-স্কেলের চিন্তা আছে: শিক্ষামন্ত্রী

পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির আইন বিভাগের নাজমুজ্জামান ভুইয়া

পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির আইন বিভাগের নাজমুজ্জামান ভুইয়া

এসএসসি ও সমমানে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি ও সমমানে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

এনটিআরসিএর মাধ্যমেই হবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ

এনটিআরসিএর মাধ্যমেই হবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ

অনশনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী

অনশনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ঢাকার আবহাওয়ার মেজাজ বুঝে চলতে গিয়ে প্রতিদিনই আমাদের সবাইকে ভীষণ বেগ পোহাতে হয়। সকালে খটখটে রোদে বের হলেন, অথচ দিন শেষে বাসায় ফেরার সময় পড়তে হলো হঠাৎ ঝুম বৃষ্টিতে। আপাতদৃষ্টিতে ধকলটা শুধু আমাদেরই মনে হলেও, প্রতিদিনের এই আবহাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে আমাদের ত্বককেও কম ধকল পোহাতে হয় না। গরম, ধুলাবালি আর স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া থেকে হঠাৎ ঠান্ডা এসি রুমে ঢোকা, আবার বেরিয়ে আসা, সব মিলিয়ে প্রতিদিনই নানা পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় আমাদের ত্বককে।কোনো দিন ত্বক থাকে সতেজ ও প্রাণবন্ত, আবার কোনো দিন মুখ ধোয়ার পরই টানটান লাগে, দেখতে মলিন মনে হয়, কিংবা দুপুর হওয়ার আগেই হয়ে যায় অতিরিক্ত তেলতেলে। বছরের পর বছর ধরে এর সমাধান হিসেবে পরামর্শটা ছিল খুবই সহজ, ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন, আর ভালোভাবে ব্যবহার করুন।কিন্তু এমন এক শহরে, যেখানে বাতাসের আর্দ্রতা প্রায়ই ৭০ শতাংশের ওপরে থাকে, সেখানে বারবার মুখে ঘন ক্রিম লাগানো সবসময় ভালো সমাধান নাও হতে পারে। কারণ বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলেই যে ত্বক ঠিকভাবে হাইড্রেটেড থাকবে, এমনটা নয়। ত্বকের আসল প্রয়োজন হলো ভারসাম্য। ইউরোপের মতো ঠান্ডা আবহাওয়ায় যে ক্রিম বেশ আরামদায়ক মনে হয়, ঢাকার গরমে সেটিই হয়তো ততটা স্বস্তিদায়ক নয়। বরং ঘাম আর তেলের সঙ্গে মিশে গিয়ে বাড়িয়ে দিতে পারে অস্বস্তি।তবুও আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যে ত্বকের যত্নের জন্য আমদানি করা পণ্য অবশ্যই ভালো হবে। বিশেষ করে কোরিয়ান, জাপানি বা ইউরোপিয়ান পণ্য অবশ্যই ভালো হবে। কিন্তু স্কিনকেয়ার সবার জন্য এক রকম নয়। এক দেশের আবহাওয়ায় যে পণ্য দারুণ কাজ করে, অন্য দেশের আবহাওয়ায় সেটি হয়তো ততটা আরামদায়ক নাও হতে পারে।আর এখানেই বাড়ছে লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজারের চাহিদা। এখন ভালো ময়েশ্চারাইজার মানেই শুধু ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করা নয়, বরং আরও কিছু প্রশ্ন সামনে আসে। এটি কি দ্রুত ত্বকে মিশে যাবে? মুখে কি আঠালো ভাব থাকবে? এর ওপর সানস্ক্রিন বা মেকআপ দিলে কি মুখ তেলতেলে লাগবে?কাস্টমারদের এই প্রশ্নগুলো মাথায় রেখে দেশের আবহাওয়ায় আসলে কোন ধরনের ফর্মুলা ও উপাদান ভালো কাজ করবে, সেদিকেও এখন নজর দিচ্ছে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো। আর এর ফলে দেশীয় স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডগুলোর জন্যও তৈরি হচ্ছে নতুন সুযোগ।যেমন ধরুন, রাজকন্যার লাইট ময়েশ্চারাইজার। নামের মতোই এর টেক্সচারও হালকা, অনেকটা জেলের মতো। কোনো চিটচিটে অনুভূতি ছাড়াই আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি ত্বকে এনে দেয় সতেজ ও প্রাণবন্ত একটি গ্লো। এতে রয়েছে এশিয়ান স্কিনকেয়ারে পরিচিত কিছু উপাদান, যেমন রাইস ওয়াটার ও লিকোরিস এক্সট্র্যাক্ট। রাইস ওয়াটার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে ও ত্বক নরম রাখতে ব্যবহৃত হয়, আর লিকোরিস সাধারণত ত্বককে উজ্জ্বল করতে ব্যবহার করা হয়।হালকা, আবহাওয়ার সঙ্গে মানানসই এবং মাত্র ২৯৫ টাকা দামের কারণে বাজেট-ফ্রেন্ডলি হওয়ায়, তরুণদের মধ্যে এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের প্রবণতাও বাড়ছে। কারণ, ভালো ময়েশ্চারাইজার হলো সেটিই, যা ত্বককে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা দিয়ে সতেজ রাখে এবং সারাদিন ব্যবহারের পরও চিটচিটে অনুভূতি দেবে না।

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্টের সফটওয়্যার উদ্বোধন, কর্পোরেট মিলনমেলা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা শুক্রবার

বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্টের সফটওয়্যার উদ্বোধন, কর্পোরেট মিলনমেলা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা শুক্রবার

বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি.-এর উদ্যোগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সফটওয়্যার উদ্বোধন, কর্পোরেট মিলনমেলা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর পল্টনস্থ হোটেল ৭১-এ বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।অনুষ্ঠানে বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি.-এর পরিচালকবৃন্দ, ক্লাউড শেয়ারহোল্ডার, শেয়ারহোল্ডার, কর্মকর্তা, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন পর্যায়ের আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করবেন।অনুষ্ঠানে কোম্পানি ও প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে। এছাড়াও অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে কোম্পানির নতুন সফটওয়্যার উদ্বোধন করা হবে।এ সময় সম্মাননা প্রদান, বিভিন্ন চুক্তিপত্র হস্তান্তর এবং অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে কর্পোরেট মতবিনিময়ের আয়োজন থাকবে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অতিথিদের জন্য একটি মনোজ্ঞ ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি. কক্সবাজারের কলাতলীতে পরিকল্পিত একটি শরিয়াহসম্মত ও শেয়ারভিত্তিক হোটেল ও রিসোর্ট প্রকল্প।

আওয়ামী সরকারের রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধে বিএনপি সরকারের রেকর্ড

আওয়ামী সরকারের রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধে বিএনপি সরকারের রেকর্ড

কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৬১৩ জন শ্রমিক ছাঁটাই

কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৬১৩ জন শ্রমিক ছাঁটাই

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘এলফ ডিলার মিট’ সেরা ডিলার ও বিক্রয়কর্মীদের পুরস্কার

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘এলফ ডিলার মিট’ সেরা ডিলার ও বিক্রয়কর্মীদের পুরস্কার

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তরের মো. জামাল হোসেন (জামাল মিয়া)। এ ঘটনায় তার দোকানের এক কর্মচারীও গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতের বাবা মো. ছিডু মিয়া বেপারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামাল মিয়া উপজেলার ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের সিপাই কান্দি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় চার-পাঁচ বছর আগে জীবন-জীবিকার তাগিদে সাউথ আফ্রিকায় পাড়ি জমান জামাল হোসেন। সেখানে দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে একটি ভ্যারাইটি সুপারশপ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। নিজেই দোকানটি পরিচালনার পাশাপাশি একজন কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।গত ৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে সাউথ আফ্রিকার স্থানীয় সময় একদল সন্ত্রাসী তার দোকানে হামলা চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই জামাল হোসেন নিহত হন। একই ঘটনায় দোকানে থাকা এক কর্মচারীও গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।জামাল হোসেনের মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তিনি বাবা মো. ছিডু মিয়া বেপারী, মা খুকুমণি, স্ত্রী মাজেদা বেগম এবং তিন সন্তান রেখে গেছেন। তার সন্তানদের মধ্যে ছেলে বায়েজিদের বয়স ৮ বছর, মেয়ে সিনথিয়ার ৩ বছর এবং সামিরা আক্তারের বয়স ২ বছর। এছাড়া তিনি তিন ভাই ও এক বোনসহ অসংখ্য স্বজন রেখে গেছেন।নিহতের বাবা মো. ছিডু মিয়া বেপারী বলেন, পরিবারের স্বচ্ছলতার জন্য তাঁর ছেলে বিদেশে গিয়ে নিজের কষ্টার্জিত অর্থে ব্যবসা গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু সন্ত্রাসীদের গুলিতে তাঁকে হারিয়ে পুরো পরিবার এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।তিনি দ্রুত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তার ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ গ্রামের বাড়ি সিপাই কান্দিতে দাফনের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, নিহতের পরিবার যেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দাফনসহ প্রাপ্য আর্থিক সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ পায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। একই সঙ্গে সাউথ আফ্রিকার প্রচলিত আইনে তাঁর ছেলেকে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে সিপাই কান্দি গ্রামের বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের মাতম। ছোট্ট তিন সন্তান বাবাকে হারিয়ে নির্বাক। স্বজনদের প্রশ্ন—যে বাবা সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়তে হাজার হাজার মাইল দূরে পাড়ি জমিয়েছিলেন, সেই বাবাই এখন আর কোনোদিন সন্তানদের কাছে ফিরে আসবেন না।এদিকে নিহত জামাল হোসেনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং তার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রবাসী কল্যাণ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, “বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করছি। নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

বিবিসিসিআই’র নতুন ডিরেক্টর জহিরুল ইসলাম সিআইপি

লন্ডনে বাংলাদেশি নেতৃত্বের চমক বিবিসিসিআই’র নতুন ডিরেক্টর জহিরুল ইসলাম সিআইপি

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশীর মৃত্যু

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশীর মৃত্যু

নিউ ইয়র্কে চেতনায় ৭১ হৃদয়ে বাংলাদেশ স্লোগানে ৪০তম ফোবানা সম্মেলন উদযাপিত

নিউ ইয়র্কে চেতনায় ৭১ হৃদয়ে বাংলাদেশ স্লোগানে ৪০তম ফোবানা সম্মেলন উদযাপিত

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়ানএআই’

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়ানএআই’

ওয়ানএআই চালু করল দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। এখন থেকে মাইজিপি অ্যাপে একটিমাত্র ইন্টারফেস এবং সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে একাধিক এআই মডেল ও টুল। বাংলাদেশে এআই ব্যবহার আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে গ্রামীণফোনের পথযাত্রায় এই উদ্যোগ এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য অত্যাধুনিক এআই টুল-গুলোকে আরও সহজ, সুলভ ও সাশ্রয়ী করে তোলার লক্ষ্যে চালু হওয়া ওয়ানএআই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা যাবে চ্যাটজিপিটি, ক্লড, গ্রক, ডিপসিক, জেমিনাইসহ আরও অনেক শীর্ষস্থানীয় এআই মডেল। একাধিক এআই প্ল্যাটফর্ম ও সাবস্ক্রিপশন আলাদাভাবে ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা দূর করে ওয়ানএআই গ্রাহককে দেবে দৈনন্দিন বিভিন্ন প্রয়োজনে নির্বিঘ্নে এআই ব্যবহারের সুযোগ; যার মধ্যে রয়েছে শেখা ও গবেষণা, কনটেন্ট লেখা, কোডিং ও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, সৃজনশীল কাজ, এআই দিয়ে ছবি তৈরি, ডকুমেন্ট বিশ্লেষণ ও সারসংক্ষেপ তৈরিসহ অন্যান্য এআইনির্ভর কাজ।গ্রামীণফোনের ‘এআই অ্যান্ড আই ডে’ উপলক্ষ্যে জিপিহাউসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ওয়ানএআই সেবার উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান, গ্রামীণফোন ম্যানেজমেন্ট টিম ও কর্মীদের উপস্থিতিতে সেবাটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ানএআই লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাবিরুল হক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন,” আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার যে লক্ষ্য আমাদের রয়েছে, তা অর্জনে এআই-এর ভূমিকা এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি, শিল্প খাত ও সমাজব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। তাই এআই-এর এই সম্ভাবনাকে গ্রহণ ও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সক্ষমতা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানএআই-এর মতো বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে এআই-কে সহজলভ্য করে তুলতে গ্রামীণফোনের এমন অগ্রণী ভূমিকা দেখে আমি অত্যন্ত আশাবাদী। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য এটি সাশ্রয়ী উপায়ে এআই টুল ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে, যা তাদের পড়াশোনা, গবেষণা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশে এআই-এর প্রসার ত্বরান্বিত করবে এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের গতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাবে, তা দেখার প্রত্যাশায় রয়েছি।“গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বড় পরিসরে গ্রামীনফোনের 'এআই অ্যান্ড আই' যাত্রার পরবর্তী ধাপের সূচনা হল। এখন আমাদের জন্য এআই আর কোনো পরীক্ষামূলক বিষয় নয়। স্বয়ংক্রিয় নেটওয়ার্ক এবং হাইপার-পারসোনালাইজড সেবা থেকে শুরু করে এআই-ভিত্তিক গ্রাহকসেবা পর্যন্ত, আমাদের কর্মী, সার্বিক কার্যক্রম ও গ্রাহক অভিজ্ঞতার সর্বস্তরে এআই-এর প্রয়োগ প্রতিনিয়ত আরও বিস্তৃত ও সুদৃঢ় হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যৎ কেবল এআই-এর একার নয়; বরং ভবিষ্যৎ সেই মানুষদের, যারা দায়িত্বশীলতার সাথে ও ইতিবাচক উদ্দেশ্যে এআই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাবে। গ্রামীণফোনের ভেতরে আমরা যেমন ভবিষ্যৎ-উপযোগী সক্ষমতা তৈরি করছি, তেমনি এই লক্ষ্যকে প্রতিষ্ঠানের বাইরেও ছড়িয়ে দিচ্ছি। মাইজিপি অ্যাপে ওয়ানএআই যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা কোটি কোটি গ্রাহকের—বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের—হাতে এআই-এর সম্ভাবনা সরাসরি পৌঁছে দিচ্ছি, যা শেখা, কাজ, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের পথকে আরও সহজ করে তুলবে। পাশাপাশি, গ্রামীণফোন একাডেমি ও ফিউচারমেকার্সের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থী ও তরুণদের এআই দক্ষতা তৈরি করতে এবং তাদের উদ্ভাবনী ভাবনাকে অর্থপূর্ণ সমাধানে রূপান্তর করতে সহায়তা করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো আরও বেশি মানুষকে দায়িত্বশীলভাবে এআই ব্যবহারে সক্ষম করে তোলা, যা বাংলাদেশের জন্য একটি নিরাপদ ও স্মার্ট আগামী গড়তে সাহায্য করবে।” গ্রামীণফোন গ্রাহকরা মাইজিপি অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি 'ওয়ানএআই' ব্যবহার করতে পারবেন এবং তাঁদের মোবাইল ব্যালেন্সের মাধ্যমে পছন্দসই বিভিন্ন প্যাকেজ কিনতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের জন্য প্যাকেজ শুরু হচ্ছে প্রতি মাসে মাত্র ৭১ টাকা থেকে; যার মাধ্যমে আনলিমিটেড এআই চ্যাটের পাশাপাশি গবেষণা, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন এবং কোডিং সহায়তার সুবিধা পাওয়া যাবে।

২৩ হাজার ছবি থেকে সেরা ছবি বাছাইয়ের অভিজ্ঞতা জানালেন চার বিচারক

২৩ হাজার ছবি থেকে সেরা ছবি বাছাইয়ের অভিজ্ঞতা জানালেন চার বিচারক

২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ

২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলাচ্ছে ইন্টারসিটি ভ্রমণ, সেবা নিয়ে 'কারবুক'

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলাচ্ছে ইন্টারসিটি ভ্রমণ, সেবা নিয়ে 'কারবুক'

ডিসেম্বরের হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ: আসিফ মাহমুদ

ডিসেম্বরের হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ: আসিফ মাহমুদ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া ‘হাইপ আর ‘ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ’ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ৩১ মিনিটে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ এসব কথা বলেন।ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘আপা (শেখ হাসিনা) না কি ডিসেম্বরে লীগের (আওয়ামী লীগ) পলাতকদের দেশে ফিরতে বলবে না। মূলত, তাদেরকে বললেও কেউ আসতো না।’তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট কীভাবে পরিবারের সবার পালানো নিশ্চিত করে বাকিদের ফেলে দিয়ে তিনি হেলিকপ্টারে চড়েছিলেন এটা কোনোমতে জান বাঁচিয়ে পালানো নিষিদ্ধ লীগের নেতাদের ভালো মতোই মনে আছে।’এনসিপির এ নেতার মতে, ‘ডিসেম্বরের (শেখ হাসিনার দেশে ফেরা) হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ!’ উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অবস্থান করা শেখ হাসিনা সম্প্রতি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন।সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দেশে ফেরা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমি কোনো নির্দেশনা কাউকে দিচ্ছি না। তবে দেশে-বিদেশে আমাদের সমর্থক-নেতাকর্মী যারা যেখানেই আছেন তারা তাদের ইচ্ছা পোষণ করছে। তারাও প্রস্তুতি নিচ্ছে তারাও আমার সঙ্গে যেতে চায়। আমি নির্দেশনা দিয়ে কাউকে তো বিপদে ফেলতে পারি না, কিন্তু যারা মনে করবেন যেতে চায়, তারা যাবে।

নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা

নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

শিরোনাম
গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়ানএআই’ সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত নানা ভাই বাহিনীর প্রধানসহ ১২ সক্রিয় সদস্যের আত্মসমর্পণ টুঙ্গিপাড়ায় ব্রেক ফেল করে টোল প্লাজায় দোলা পরিবহনের ধাক্কা, আহত ১ মহাখালীতে বাস ডাম্পিংয়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানকে ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৯২ সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত রাঙ্গাবালীতে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, সংসদে এসআরবি বিল পাস পুলিশ বক্স নির্মাণের কথা বলে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে আটক ১ গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়ানএআই’ সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত নানা ভাই বাহিনীর প্রধানসহ ১২ সক্রিয় সদস্যের আত্মসমর্পণ টুঙ্গিপাড়ায় ব্রেক ফেল করে টোল প্লাজায় দোলা পরিবহনের ধাক্কা, আহত ১ মহাখালীতে বাস ডাম্পিংয়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানকে ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৯২ সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত রাঙ্গাবালীতে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, সংসদে এসআরবি বিল পাস পুলিশ বক্স নির্মাণের কথা বলে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে আটক ১