ল্যাঙ্কাশায়ারের সঙ্গে ২৬ বছরের সম্পর্ক শেষ হচ্ছে জেমস অ্যান্ডারসনের। আগামী মৌসুমের জন্য ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি পেসারের চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাউন্টি ক্লাবটি। তবে ৪৪ বছর বয়সী অ্যান্ডারসনের পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অন্য কোনো কাউন্টি বা বিদেশি দলের প্রস্তাব এলে তিনি খেলা চালিয়ে যেতে পারেন বলে জানা গেছে। অ্যান্ডারসনের চুক্তি না বাড়ানোর সিদ্ধান্তে হতাশ সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসের হুসেইন। তাঁর মতে, ল্যাঙ্কাশায়ারের সাম্প্রতিক সমস্যাগুলোর মধ্যে অ্যান্ডারসন কোনোভাবেই অন্যতম সমস্যা নন। বরং গত মৌসুমে ৫০ উইকেট নিয়েছেন তিনি, গড় ছিল মাত্র ১৭। চোটের কারণে কয়েকটি ম্যাচ মিস করলেও যখনই খেলেছেন, ভালো পারফরম্যান্স করেছেন।হুসেইন বলেন, অ্যান্ডারসন এখনো ভালো বোলিং করছেন এবং তাঁর নিয়ন্ত্রণ, বলের গতিপথ বদলানোর দক্ষতা, ফিটনেস ও দীর্ঘ ক্যারিয়ার অসাধারণ। তাঁর মতে, ৪৪ বছর বয়স হলেও ইংল্যান্ডের প্রায় সব কাউন্টিই অ্যান্ডারসনকে দলে নিতে চাইবে। হুসেইনের ধারণা, ল্যাঙ্কাশায়ারের পুনর্গঠনের যাত্রায় অ্যান্ডারসনের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব বরং সম্পদ হিসেবে কাজে লাগানো যেত।ল্যাঙ্কাশায়ারের নতুন ক্রিকেট পরিচালক পল ফারব্রেস অবশ্য ক্লাবকে নতুন পথে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। চলতি মৌসুমে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় বিভাগে দ্বিতীয়-সর্বশেষ স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছে ল্যাঙ্কাশায়ার। সাদা বলের দুই প্রতিযোগিতাতেও দলটি গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি। আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নতুন খেলোয়াড় নেওয়া ও দল পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে ক্লাবটি।ইংল্যান্ডের হয়ে ২০০২ সালে অভিষেক হওয়া অ্যান্ডারসন ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। টেস্টে ৭০৪ উইকেট নিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি এবং টেস্ট ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে তাঁর প্রথম দলের অভিষেক হয়েছিল ২০০১ সালে। এখন পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর উইকেট ১ হাজার ১৯৩টি, আর সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ৪০০-এর বেশি।অ্যান্ডারসনকে নিয়ে অবসরের গুঞ্জন থাকলেও নাসের হুসেইন তাঁর বিদায়ের সম্ভাবনার চেয়ে বরং ২৬ বছরের অসাধারণ ক্যারিয়ারকে স্মরণ করতে চান। তাঁর মতে, ইংল্যান্ড ও ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে এত দীর্ঘ সময় ধরে অ্যান্ডারসনের অবদানই এখন সবচেয়ে বড় বিষয়।
২ দিন আগে
২০২৭ যুব নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে বাংলাদেশ ও নেপাল। ১৬টি দলকে নিয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ৬ ফেব্রুয়ারি।বুধবার (২১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) টুর্নামেন্টটির পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি প্রকাশ করেছে। দুই আয়োজক দেশের মোট চারটি ভেন্যুতে ৪১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ভেন্যুগুলো হলো বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও সিলেট এবং নেপালের কাঠমান্ডু।‘এ’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন ভারতের সঙ্গে আছে আয়ারল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং সহ-আয়োজক নেপাল। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও সামোয়া। অন্যদিকে ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশ পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতকে। ‘ডি’ গ্রুপে লড়বে ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও স্কটল্যান্ড।আগামী ২১ জানুয়ারি চারটি ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে এই টুর্নামেন্টের। উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকালে দিনের প্রথম ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুখোমুখি হবে ইয়াং টাইগ্রেসরা। একই ভেন্যুতে বিকেলে অন্য ম্যাচে নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হবে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া।একই দিনে কাঠমান্ডু ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সকালে শ্রীলঙ্কা লড়বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এবং বিকেলে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।গ্রুপ পর্বের খেলা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর প্রতি গ্রুপ থেকে শীর্ষ তিনটি দল উন্নীত হবে ‘সুপার সিক্স’ পর্বে। সুপার সিক্সে উঠে আসা দলগুলোকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে এবং সেখান থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে।আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুটি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। সেমিফাইনালের জন্য ৫ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ডে হিসেবে রাখা হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি একই মাঠে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনালে কোনো কারণে খেলা না হলে ৭ ফেব্রুয়ারি রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।
৪ দিন আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। তাতেই কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছে টাইগাররা। এবার তাদের সামনে আফগানিস্তান বাধা। বাঁচা-মরার ম্যাচে আজ আফগানদের মোকাবিলা করবে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায়।এই ম্যাচে জয় পেলে ফাইনালে ওঠার আশা টিকে থাকবে বাংলাদেশের। তবে এজন্য নেট রান রেটের কঠিন হিসাবও সামলাতে হবে তাদের।জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। নেট রান রেটে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশের কাছে হারলেও ফাইনালে ওঠার সুযোগ থাকবে তাদের। অন্যদিকে, আফগানিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলে নেট রান রেটে জিম্বাবুয়েকে টপকে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের।এক ম্যাচে জয় পেয়ে বর্তমানে +৩.১৬০ নেট রান রেট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে আফগানিস্তান। এক জয় ও এক হারে -০.৫৯০ নেট রান রেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে জিম্বাবুয়ে। আর প্রথম ম্যাচে হারের পর -১.৯৮০ নেট রান রেট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ।আজ আগে ব্যাটিং করলে অন্তত ৪১ রানের জয় পেতে হবে টাইগারদের। অন্যদিকে, পরে ব্যাটিং করলে লক্ষ্য কত, তার ওপর নির্ভর করবে জয়ের সময়সীমা। সমীকরণ অনুযায়ী, ২০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪০.২ ওভারের মধ্যে জিততে হবে বাংলাদেশকে। ২২০ রানের লক্ষ্য হলে জিততে হবে ৪০.৫ ওভারের মধ্যে। ২৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হবে ৪১.১ ওভারের মধ্যে। আর ২৫০ রানের লক্ষ্য পেলে জিততে হবে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে।এ ছাড়া ২৬০ রানের লক্ষ্য হলে ৪১.৪ ওভার, ২৭০ রানের লক্ষ্য হলে ৪১.৫ ওভার, ২৮০ রানের লক্ষ্য হলে ৪২ ওভার এবং ৩০০ রানের লক্ষ্য হলে ৪২.২ ওভারের মধ্যে জয় নিশ্চিত করতে হবে।ওয়ানডেতে দুই দল এখন পর্যন্ত ২২ বার মুখোমুখি হয়েছে। উভয় দলই জিতেছে ১১টি করে ম্যাচ। তবে সর্বশেষ ছয় লড়াইয়ের পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে আফগানিস্তান। এই পাঁচটি জয়ই এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ ও আবুধাবিতে।বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত/মেহেদী হাসান মিরাজ, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম।আফগানিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ:রহমত শাহ (অধিনায়ক), রহমানউল্লাহ গুরবাজ, সেদিকুল্লাহ আতাল, ইব্রাহিম জাদরান, হাশমতউল্লাহ শহিদি, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান, জিয়া-উর-রহমান শরিফি, ফজল হক ফারুকি ও ইয়ামিন আহমদজাই।
৪ দিন আগে
৪ উইকেটে ২১১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল আফগানিস্তান। সেই আফগানদের তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেই ২৪০ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। এতে প্রথম ইনিংস শেষে ১০৬ রানের লিড পেয়েছে টাইগাররা। রোববার (১১ অক্টোবর) তৃতীয় দিনের শুরুতেই বাংলাদেশকে উইকেট এনে দেন এবাদত হোসেন। দলীয় ২১৯ রানে ১০৩ বলে ৩২ রান করে বোল্ড হন ইকরাম আলিখিল।এরপর ইনিংসের ৮৩তম ওভারে বোলিংয়ে এসে হ্যাটট্রিক করেছেন হাসান মাহমুদ। ওভারের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে উইকেট পেয়েছেন হাসান। আউট করেছেন ইসমত, কায়েস ও জিয়া–উর–রেহমানকে।বাংলাদেশের তৃতীয় বোলার হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছেন হাসান। পেসারদের মধ্যে প্রথম। এর আগে টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে হ্যাটট্রিক ছিল অলক কাপালি ও সোহাগ গাজীর। তার দুজনেই ছিলে স্পিনার।এরপর ইয়ামিন আহমদজাইকে আউট করে ফাইফার পূর্ণ করেন হাসান। এমন বিপর্যয়ের মাঝে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি করেন রহমত শাহ। সব মিলিয়ে টেস্টে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি, বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয়।আর শেষ ব্যাটার হিসেবে মোহাম্মদ সালিম আউট হলে ২৪০ রানে গুটিয়ে যায় আফগানিস্তান। বাংলাদেশের পক্ষে হাসান ৫টি ও এবাদত নিয়েছেন ৪টি উইকেট।
২ সপ্তাহ আগে