ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তাদের নানা সমস্যার কথা শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সব প্রতিবন্ধকতা দূর করার আশ্বাস দিয়েছেন।শনিবার (৪ এপ্রিল) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুপুরে প্রায় আড়াই ঘণ্টা এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফটকে সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে ব্রিফ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্যবসার ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা হচ্ছে, সংকট আছে, সেগুলো দূর করার বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা তাদের কথা বলেছেন। অনেক কিছুর সমাধান হয়েছে। আবার অনেক কিছু পেন্ডিং আছে, সেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে।বৈঠকের উদ্দেশের কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতেই আজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী শুনেছেন, বিনিয়োগে বাধা কোথায়? ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগের বাধা কোথায় পাচ্ছেন, এগুলোর সমাধান উনি (প্রধানমন্ত্রী) করতে চান, শিগগিরই করতে চান। ব্যবসায়ীদের কাছে সমস্যার কথা শুনেছেন এবং কিছু কিছুর সমাধান অন দ্য স্পট দিয়েছেন। বাকিগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান দেওয়া হবে।আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যেসব কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, এগুলো কীভাবে চালু করা যায়, সরকারি কারখানা যেগুলো বন্ধ হয়েছে, সেগুলো কীভাবে আবার শুরু করা যায় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। সার্বিকভাবে নতুন প্রকল্পের বাইরে যেসব পুরনো প্রকল্প বন্ধ হয়ে আছে, এগুলো চালু করার জন্য আলোচনা হয়েছে এবং এগুলার সমাধান দিয়ে আমরা আশা করি অনেক প্রকল্প চালু করা হবে।বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, বে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউর রহমান, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান আব্দুল মুক্তাদির, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, রাংগস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহানা রউফ চৌধুরী ও এসিআইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ দৌলা উপস্থিত ছিলেন।
৪ ঘন্টা আগে
স্টার সিনেপ্লেক্সের সীমান্ত সম্ভার শাখায় হলিউডের সায়েন্স ফিকশন ঘরানার সিনেমা ‘প্রজেক্ট হেইলি মেরি’ দেখেছেন প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন কন্যা জাইমা রহমান। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।তিনি বলেন, ‘এটি নিঃসন্দেহে আনন্দের। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের মতো টিকেট কেটে সবার সঙ্গে সিনেমা দেখেছেন। পপকর্নও কিনেছেন। উনাকে এভাবে দেখে সাধারণ দর্শকরা খুব উচ্ছ্বসিত ছিলেন।’এ জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক আরও বলেন, ‘এর আগেও উনি সিনেমা দেখতে হলে এসেছিলেন। ২০০৪-৫ সালের দিকে। তখন আমাদের একটি মাত্র শাখা ছিল। বসুন্ধরায়। উনি সেখানে এসেছিলেন সিনেমা দেখতে।’এরআগে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর গুলশানের বাসা থেকে কন্যাকে নিয়ে ধানমন্ডি জিগাতলায় সীমান্ত সম্ভারে যান প্রধানমন্ত্রী। হঠাৎ সিনেমা হলে তাকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন দর্শক।তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের ঈদের সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে গেছেন প্রধানমন্ত্রী।
১ দিন আগে
সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জসহ হাওরবেষ্টিত জেলাগুলোর স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসন এবং একমাত্র বোরো ফসল রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।৩ এপ্রিল শুক্রবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা এক খোলা চিঠিতে তিনি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং অপরিকল্পিত বাঁধ অপসারণের দাবি জানান।সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার সন্তান শিশির মনির চিঠিতে হাওরবাসীর জীবন-জীবিকার চরম সংকটের কথা তুলে ধরে জানান, হাওরের বিশাল জনপদ কেবল একটি ফসলের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত জলাবদ্ধতার কারণে সেই ফসল ঘরে তোলা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে অনেকেই নিজ উদ্যোগে এই সংকট নিরসনের চেষ্টা করলেও তা পর্যাপ্ত নয়। এ পরিস্থিতিতে সমস্যাটির গভীরতা অনুধাবনের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে হেলিকপ্টারে করে দুর্গত এলাকাগুলো পরিদর্শনের বিনীত অনুরোধ জানান।হাওর অঞ্চলের পানিনিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল করতে তিনটি বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছেন এই আইনজীবী। প্রথমত, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত পরিদর্শন; দ্বিতীয়ত, জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত ও নিখুঁত কাজ সম্পন্ন করতে সেনাবাহিনী নিযুক্ত করা এবং তৃতীয়ত, প্রশাসনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও তদারকির আওতায় আনা।চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকারের আমলেই খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে, যা একসময় শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় দিরাই-শাল্লাসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে বেশি করে খাল খননের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।আইনজীবী শিশির মনির আরও অভিযোগ করেন, হাওরে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত বাঁধগুলো পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনপদের ব্যাপক ক্ষতি করছে। তাই বৈজ্ঞানিক উপায়ে নদী ও খাল খননই হতে পারে এর একমাত্র স্থায়ী সমাধান। প্রধানমন্ত্রীর কর্মব্যস্ততার কথা স্বীকার করেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার প্রধানের সদিচ্ছা থাকলে এই মানবিক বিপর্যয় থেকে দ্রুতই মুক্তি পাবে লাখো কৃষক।মূলত হাওরের ফসল রক্ষায় সরকারি হস্তক্ষেপের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় বাসিন্দারা সরব থাকলেও এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে খোলা চিঠি দিলেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সার্বিক কল্যাণে নিরবচ্ছিন্ন কর্মব্যস্ততার আরেকটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন টানা প্রায় ১৬ ঘণ্টা অফিস করে। ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি অফিস করেন।সকাল ৯টায় সচিবালয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। দপ্তরে পৌঁছেই গুরুত্বপূর্ণ ফাইল পর্যালোচনা, উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এবং নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সারাদিনজুড়ে তার কাজে ছিল দৃঢ় মনোযোগ ও অবিচল কর্মস্পৃহা। বিকাল গড়ালেও ক্লান্তির কোনো ছাপ দেখা যায়নি তার মধ্যে। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে সচিবালয়ের কাজ শেষ করে তিনি যোগ দেন জাতীয় সংসদের অধিবেশনে। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় রাত ৮টা পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশ নেন তিনি, যা একজন দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনায়কের কর্মনিষ্ঠার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।এরপরও শেষ হয়নি দিনের কর্মসূচি। রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের একটি বিশেষ বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের উন্নয়ন, চলমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা শেষে বৈঠক শেষ হয় রাত সাড়ে ১১টার পর। বৈঠক শেষে আবারও নিজ দপ্তরে ফিরে কিছু সময় দাপ্তরিক কাজ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টানা কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তার ভাষায়, প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করা প্রধানমন্ত্রীর জন্য স্বাভাবিক হলেও এদিন তা প্রায় ১৬ ঘণ্টায় পৌঁছায়।তিনি আরও বলেন, এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টা শুধু একটি সংখ্যা নয় বরং দেশবাসীর প্রতি একটি বার্তা—জাতির দায়িত্বে নিয়োজিত একজন নেতা শেষ পর্যন্ত কাজ করে যান, দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে।
১ দিন আগে