কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের মাতা আমেনা বেগমের (১০৩) মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় কৃষক শক্তির আহ্বায়ক সাঈদ উজ্জ্বল ও সদস্য সচিব কৃষিবিদ গোলাম মর্তুজা সেলিম।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। দলের সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ( ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক) মো রাকিবুল হাসান রানা স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। শোকবার্তায় জাতীয় কৃষক শক্তির আহ্বায়ক সাঈদ উজ্জ্বল ও সদস্য সচিব কৃষিবিদ গোলাম মর্তুজা সেলিম মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, আমেনা বেগমের মৃত্যুতে তাঁর পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।তাঁরা আরও বলেন, মহান আল্লাহ যেন মরহুমাকে ক্ষমা করে দেন, তাঁর কবরকে নূরে পরিপূর্ণ করেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করার তাওফিক দান করুন।
১ দিন আগে
ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও তাঁর পরিবারের ওপর আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মী-সমর্থকদের হামলা, শারীরিকভাবে হেনস্তা, পানির বোতল নিক্ষেপ এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।এক যৌথ বিবৃতিতে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, একজন নারী শিল্পী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিদেশে বেড়াতে গিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন,এ ঘটনা শুধু নিন্দনীয় নয়, এটি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভয়ংকর বহিঃপ্রকাশ।তারা বলেন, দেশে ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে বিরোধী মত দমন, হামলা, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের যে সংস্কৃতি আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিল, ভেনিসের ঘটনা তারই আন্তর্জাতিক বহিঃপ্রকাশ। দেশ ছাড়লেও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী মানসিকতা তাদের ছাড়েনি। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে একজন নাগরিক ও তাঁর পরিবারের ওপর বিদেশের মাটিতে হামলা কোনো সভ্য সমাজেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।মঞ্জু ও ফুয়াদ বলেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের চরিত্র হারিয়ে সহিংসতা, দমন-পীড়ন ও ভয়ভীতির রাজনীতির প্রতীকে পরিণত হয়েছিল। বিদেশের মাটিতে গিয়েও একজন স্বনামধন্য অভিনয়শিল্পীর ওপর হামলার ঘটনা তাদের সেই সহিংস ও অসহিষ্ণু রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভয়াবহতাই প্রকাশ করে।তারা আরও বলেন, ইতালিতে বসবাসরত কিংবা সফররত কোনো বাংলাদেশি রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে অন্যের ওপর হামলা, হুমকি বা শারীরিকভাবে হেনস্তা করলে তার পরিচয়, সে একজন সন্ত্রাসী। ভেনিসের ঘটনাটি ইতালির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত তদন্ত করে হামলায় জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনতে হবে।এবি পার্টির নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সহিংসতা ও ফ্যাসিবাদী আচরণ প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন বিদেশের মাটিতেও তাদের সেই সন্ত্রাসী আচরণকে বাংলাদেশি প্রবাসীসহ বিশ্ববাসী ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ব্যক্তির মর্যাদা ও পরিবারের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে এবি পার্টি সোচ্চার থাকবে।তারা অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও তাঁর পরিবারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলেন, হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা যতো বড় সন্ত্রাসীই হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত এগিয়ে এসে বাঁধন ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তারা।
১ দিন আগে
ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ও দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আসিফ ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এবং পাটওয়ারী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন। এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা গেছে, আগে তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন। সম্প্রতি তার ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন আফতাবনগর এলাকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।পোস্টে আসিফ জানিয়েছেন, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম-১৩-এর মাধ্যমে আবেদন করেন তিনি। আবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও দাপ্তরিক নথিপত্র পরীক্ষা শেষে তার আবেদন অনুমোদন করে নির্বাচন কমিশন।অন্যদিকে গণমাধ্যমে পাঠানো নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, আগে ঢাকা তিনি উত্তর সিটি করপোরেশনের উত্তরা এলাকার নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন। সম্প্রতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।প্রসঙ্গত, আসিফ মাহমুদ সাবেক অন্তর্র্বতী সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি পদত্যাগ করে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান হন এবং বর্তমানে দলটির মুখপাত্র। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা আসিফ মাহমুদ আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে এনসিপির প্রার্থী হবেন বলে শোনা যাচ্ছে। অন্যদিকে নানা কারণে আলোচিত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বর্তমানে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কের পদ সামলাচ্ছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে দলটির প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাসের কাছে হেরে যান।
১ দিন আগে
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনকে স্বাধীন ও কার্যকর করার দাবি জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।একই সঙ্গে সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলের ক্ষেত্রে শরিয়াহর সঙ্গে কোনো সাংঘর্ষিকতা রয়েছে কিনা, তা যাচাইয়ে ওলামায়ে কেরামের মতামত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে এসব দাবি জানান এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।বিবৃতিতে তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় গুম, নির্যাতন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং নাগরিকের সম্পত্তি ও আবাসনের নিরাপত্তাহীনতার স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করতে প্রস্তাবিত আইনগুলোকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করা প্রয়োজন।গুমের তদন্ত প্রসঙ্গে এবি পার্টির নেতারা বলেন, এমন কোনো বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানের হাতে গুমের অভিযোগের তদন্ত রাখা উচিত নয়, যাদের সদস্যদের বিরুদ্ধেই অতীতে গুমের অভিযোগ উঠেছে। গুমের তদন্তে কোনো একটি বাহিনীর ওপর একচ্ছত্র নির্ভরতা দূর করে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিশেষায়িত তদন্ত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে সরকারের প্রভাবমুক্ত ও প্রকৃত অর্থে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে তারা বলেন, কমিশনকে নিজস্ব তদন্ত ক্ষমতা, পর্যাপ্ত জনবল, স্বাধীন বাজেট এবং অবাধ পরিদর্শনের ক্ষমতা দিতে হবে। সম্ভাব্য গোপন আটককেন্দ্রসহ দেশের সব হেফাজতস্থলে পূর্বানুমতি ছাড়া পরিদর্শনের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।এবি পার্টির চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, গুমের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে শুধু সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের নয়, নির্দেশদাতা, পরিকল্পনাকারী, সহযোগী এবং কমান্ড দায়ে জড়িত ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার, ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার আইনে সুস্পষ্টভাবে নিশ্চিত করতে হবে।সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলের বিষয়ে তারা বলেন, বাবা-মা বা কোনো দাতা জীবদ্দশায় সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর করলেও তাদের ব্যবহার ও ভোগের অধিকার সংরক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্য মানবিক। তবে এ আইনের সঙ্গে মুসলিম আইন বা শরিয়াহর কোনো সাংঘর্ষিকতা রয়েছে কিনা, তা বিবেচনার জন্য ওলামায়ে কেরামের মতামতকে প্রাধান্য দিতে হবে।তারা আরও বলেন, মালিকানা ও ভোগাধিকার পৃথক হয়ে গেলে ভবিষ্যতে সম্পত্তি বিক্রি, বন্ধক, ভাড়া দেওয়া, রক্ষণাবেক্ষণ, কর প্রদান এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন বিরোধ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই আইনটি বাস্তবায়নের আগে এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান থাকা জরুরি।বিবৃতিতে বলা হয়, দান, হেবা, উত্তরাধিকার এবং সম্পত্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনের সঙ্গে নতুন বিধানের সামঞ্জস্য স্পষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে ভোগাধিকারী ও মালিকের অধিকার-দায়িত্ব, সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ, কর ও অন্যান্য ব্যয় এবং বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি আইনে পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।এবি পার্টির নেতারা বলেন, বাবা-মায়ের সম্পত্তি ও আবাসনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তবে এমন আইন করা যাবে না, যা একটি সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে পরিবারে নতুন সম্পত্তি বিরোধ ও দীর্ঘমেয়াদি মামলা সৃষ্টি করে। আইন হতে হবে মানবিক, স্পষ্ট ও বাস্তবায়নযোগ্য।তারা বলেন, রাষ্ট্রের কোনো বাহিনী, কর্মকর্তা কিংবা রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। নতুন বাংলাদেশে রাষ্ট্র হবে জনতার। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে আইনের প্রধান উদ্দেশ্য।
২ দিন আগে