চ্যানেল এস-এর জনপ্রিয় অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান 'কে শোনে কার কথা'-এ 'প্রেস কার্ডের অপব্যবহার: আস্থার সংকটে সাংবাদিকতা' শিরোনামে প্রতিবেদন প্রচারের পর বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর ধারাবাহিকতায় ফায়ার সার্ভিসকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের নামে গুজব ও অপপ্রচারের অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ধারা ২২(২), ২৫(১) ও ২৭-এর আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।মামলা দায়েরের পর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে রাজধানীর মগবাজার মোড়সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে সকালের সংবাদ অনলাইন পোর্টালের কথিত সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিককে গ্রেফতার করে পুলিশ।গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, মামলার ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, চ্যানেল এস-এ প্রচারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর ফায়ার সার্ভিসকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের নামে গুজব ও অপপ্রচার এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অভিযোগে হাফিজুর রহমান শফিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, হাফিজুর রহমান শফিক একটি সংঘবদ্ধ অপপ্রচার ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত চক্রের অন্যতম সমন্বয়কারী। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্যসংখ্যা প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।সূত্র জানায়, এর আগে চ্যানেল এস-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর চ্যানেলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুজিত চক্রবর্তী এবং প্রধান প্রতিবেদক মোস্তাফিজুর রহমান রুমানকে নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় দায়ের করা আরেকটি মামলাও বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। মামলাসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ওই মামলায় হাফিজুর রহমান শফিকসহ আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।এছাড়া তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক অভিযোগ, সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও মামলা রয়েছে। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়েও একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে বলে সূত্রের দাবি।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত চক্রটি অনিবন্ধিত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো, অপপ্রচার চালানো এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা আদায়ের অভিযোগে তদন্তাধীন রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া হাফিজুর রহমান শফিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের পরিচয় ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৯ ঘন্টা আগে
গাজীপুর জেলা আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়ে গেছেন ডাকাতি মামলার এক আসামি। সোমবার (২০ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে আদালতে নেওয়ার সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যায় এই আসামি। জানা গেছে, ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি সম্রাট হোসেন (২৭) জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার তাত্তাপাড়া গ্রামের দুলাল মণ্ডলের ছেলে। তবে তিনি গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার তারগাছ বড়বাড়ী এলাকায় বসবাস করতেন।সোমবার (২০ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম।এর আগে রোববার রাতে সম্রাটকে গ্রেপ্তারের পর সোমবার দুপুরে তাকে গাজীপুর আদালতের গারদখানায় পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ধাওয়া করলেও আটক করতে পারেননি।পুলিশ জানায়, সোমবার দুপুরে আসামিকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে তাকে বুঝিয়ে দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কার্যক্রম চলছিল ।এ সময় হঠাৎ তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি আদালতকেও অবহিত করা হয়েছে।গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার বলেন,‘ডাকাতি মামলার এক আসামি কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আশা করছি, খুব দ্রুত তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।’কীভাবে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।
১ দিন আগে
এবার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন। তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের আবেদন করেছে প্রসিকিউশন।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে এ আবেদন করা হয় বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশনের একটি সূত্র।প্রসিকিউশন জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়া হত্যা মামলার আসামি মোজাফফরকে হাজিরের জন্য আবেদন করা হয়েছে। এ নিয়ে আজ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।এদিকে, মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর পিলখানায় শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মেজর (অব.) মোজাফফরের সহযোগীদের বিচারও সামরিক আদালতে হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ভিন্ন পরিচয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দেশে পলাতক ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে সেনা আইনে বিচার করার জন্য সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে তার বিচারটা নিশ্চিত করা হবে।উল্লেখ্য, ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন মেজর (অব.) মোজাফফর। ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
১ দিন আগে
২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তদন্তে ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।বিস্তারিত আসছে...
৩ দিন আগে