নরসিংদীতে বিশেষ অভিযানে মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় চুরি হওয়া তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে নরসিংদী জেলা পুলিশের নির্দেশনায় গোয়েন্দা শাখা এ অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে সদর মডেল থানাধীন পাঁচদোনা এলাকা থেকে একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. সাইফুল ইসলাম (২০) ও মো. ইমরান হোসেন (২১) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বাড়ি নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও অভিযান চালিয়ে চক্রটির কাছ থেকে মোট তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় চক্রের আরও ৪-৫ জন সদস্য পালিয়ে যায়।পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
১০ ঘন্টা আগে
ভোলার চরফ্যাশনে প্রেসক্লাবের কয়েকজন সাংবাদিককে “হলুদ সাংবাদিক” ও “চাঁদাবাজ” আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদ এবং সংশ্লিষ্ট কারণ দর্শানোর চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করাকে কেন্দ্র করে ৭ সাংবাদিক ও এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।মামলাটি করেছেন বিএনপির সাবেক বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া। গত ২৮ এপ্রিল বরিশাল সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা এ মামলাটি আদালত রেকর্ডভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বাংলাদেশের আলো প্রতিনিধি জুলফিকার মাহামুদ নিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি কামাল গোলদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি জামাল মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি নোমান সিকদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও দৈনিক বাংলা প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম মুকুল, নির্বাহী সদস্য ও আগামীর সময় প্রতিনিধি আবু সিদ্দিক, সদস্য ও যায়যায়দিন প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মনজুর হোসেন।ঘটনাটি জানাজানি হলে চরফ্যাশনের সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দার ঝড় ওঠে।সাংবাদিকদের অভিযোগ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পরিচিতি সভায় সাংবাদিকদের নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ করায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। দ্রুত মামলা প্রত্যাহার না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ আল ফরিদ জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১১ ঘন্টা আগে
দীর্ঘ ২০ বছর পর মৌলভীবাজারে একটি ডাকাতি মামলায় ১৩ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (০৫ মে) মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়ামুল হক জানান, ডাকাতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৩ আসামির প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—মিলন মিয়া, রাহেল, দুলাল মিয়া, শাহেদ, সেলিম, সাতির ওরফে শাকিল, জুনাব আলী, কামাল, মকরম, নকুল ওরফে সুমন, খোকন, জাকারিয়া ও জামাল। তাদের বাড়ি কুলাউড়া, বড়লেখাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কুলাউড়া উপজেলার কর্মদা গ্রামের বাসিন্দা মো. মারুফ আহমদের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০ বছর পর এ রায় ঘোষণা করা হলো।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, একই ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক চার্জশিটের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আরেকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।তিনি বলেন, এ রায় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। ডাকাতি একটি গুরুতর অপরাধ, যা ব্যক্তি ও সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এ রায়ের মাধ্যমে বাদী ন্যায়বিচার পেয়েছেন।
১২ ঘন্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধূকে মারধর ও তার মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।মঙ্গলবার (৫ মে) উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের রামধননগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী দ্বীন ইসলাম দিনু মিয়া পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই গৃহবধূর কাছে যৌতুক হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছিলেন তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় তাকে প্রায়ই শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হতো। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার তাকে মারধরের পাশাপাশি মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, অপমান করার উদ্দেশ্যেই এই নৃশংস ঘটনা ঘটানো হয়েছে।ঘটনার পরপরই পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।অভিযুক্ত দ্বীন ইসলাম দিনু মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু করেছে। ঘটনার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
১২ ঘন্টা আগে