পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য ধর্মীয় ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দিন। শোক, শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আশুরা উপলক্ষ্যে কারবালার শহীদদের স্মরণে ধর্মীয় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে ভাঙ্গুড়া পৌরসভার চৌবাড়ীয়া মাষ্টার পাড়ায় বাবা ইসমাইল শাহ আল-কাদেরীর গেয়ারভী দরবার শরীফে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে আশুরার ঐতিহাসিক গুরুত্ব, তাৎপর্য এবং কারবালার শিক্ষা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।আলোচনায় বক্তারা বলেন, পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য ত্যাগ, সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়ের আদর্শে অবিচল থাকার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এ দিবসের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে নৈতিক উৎকর্ষ, সহমর্মিতা এবং আল্লাহভীতির চর্চাকে সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।এছাড়াও ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নফল রোজা পালন, কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও ইবাদতের মাধ্যমে দিনটি পালন করেন। অনুষ্ঠানের শেষে দেশ, জাতি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ এবং কারবালার শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসল্লিরা অংশ নেন।পাবনা জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে শতাধিক আশেকান জাকেরান আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের মাঝে তাবারক বিতরণ করা হয়।
৯ ঘন্টা আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের ১ নম্বর গ্রোয়েন বাঁধ রক্ষায় কাজ শুরু হয়েছে। তিস্তা নদীর ভাঙন থেকে জনপদ ও কৃষিজমি রক্ষার দাবিতে স্থানীয়দের মানববন্ধন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আন্দোলনের পর শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী পিয়াসের তত্ত্বাবধানে শুরু হওয়া এ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির রংপুর জেলা আহ্বায়ক আল মামুন, প্যানেল চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম, গঙ্গাচড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির তাজ উদ্দিন, সাবেক ছাত্রদল নেতা মুনতাসীর মামুন এবং ওয়ার্ড সদস্য লাল মিয়া।অনুষ্ঠানে আল মামুন বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন তিস্তা পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। এটি বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন রোধের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি রক্ষা পাবে এবং নদীপাড়ের মানুষের জীবন-জীবিকায় স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।তিনি জানান, গ্রোয়েন বাঁধ দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৬ হাজার ৫০০টি জিও ব্যাগ বরাদ্দ দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। আরও জিও ব্যাগ সরবরাহ এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।আল মামুন অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর কর্মকর্তারা এলাকা পরিদর্শন করে আশ্বাস দিলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তিনি ভাঙনকবলিত এলাকায় কংক্রিট ব্লক স্থাপনসহ স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।বক্তারা বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙনের কারণে প্রতিবছর নদীপাড়ের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। কোলকোন্দ ইউনিয়নের ১ নম্বর গ্রোয়েন বাঁধটি হাজার হাজার বিঘা কৃষিজমি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। তারা দ্রুত এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিস্তা নদীর ভাঙন থেকে স্থায়ী সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
৯ ঘন্টা আগে
জুন মাসের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, গুরুত্বপূর্ণ মামলার সফল তদন্ত, অপরাধ দমন এবং মাদকবিরোধী অভিযানে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাজবাড়ী জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম।আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দক্ষ নেতৃত্ব, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, মাদক উদ্ধার, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সফলতার ভিত্তিতে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।শনিবার (২৭ জুন) রাজবাড়ী পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন রাজবাড়ী জেলার পুলিশ সুপার মনজুর মোরশেদ বিপিএম (সেবা)।এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শামসুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শাহিদুল ইসলাম এবং পাংশা সার্কেলের এএসপি দেবব্রত সরকারসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।পুরস্কার গ্রহণের পর ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, “জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও অপরাধ দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় একই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।তিনি এ অর্জনের জন্য সহকর্মী পুলিশ সদস্য ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দায়িত্বশীলতা,পেশাগত দক্ষতা ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘন্টা আগে
বিশ্বজুড়ে ফুটবল উন্মাদনার আবহে যেখানে বিভিন্ন দেশের সমর্থকরা নিজেদের প্রিয় দলের পতাকা টাঙাতে ব্যস্ত, সেখানে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নজর কাড়ছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি বাজার এলাকায়।শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে বর্নি এলাকার কয়েকজন তরুণের উদ্যোগে গোপালগঞ্জ-বর্নি, সিঙ্গিপাড়া সড়কের বর্নি বাজার ব্রিজজুড়ে সারিবদ্ধভাবে টাঙানো হয়েছে পবিত্র কালিমাখচিত পতাকা। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা কিংবা অন্য কোনো দেশের পতাকার পরিবর্তে ধর্মীয় এই পতাকার এমন নান্দনিক সজ্জা পথচারী ও স্থানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।ব্রিজটির ওপর দিয়ে চলাচলকারী অনেকেই কিছুক্ষণ থেমে দৃশ্যটি উপভোগ করছেন। কেউ গাড়ি থেকে নেমে ছবি তুলছেন, আবার কেউ স্মৃতিবন্দি করতে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছেন। স্থানীয়দের মতে, এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না বলেই এটি মানুষের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রচলিত ধারা থেকে ভিন্ন এই উদ্যোগ তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি নান্দনিক উপস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া পড়েছে।পথচারীদের ভাষ্য, ব্রিজের এই ব্যতিক্রমী সাজসজ্জা এলাকাটির সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করেছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি স্থানীয়দের আলোচনার অন্যতম বিষয়ে পরিণত হয়েছে।বিশ্বকাপের মৌসুমে ভিন্নধর্মী এই আয়োজন বর্নি বাজার ব্রিজকে নতুন এক পরিচিতি এনে দিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
১৪ ঘন্টা আগে