বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ২১ আগস্ট। অনলাইনে এ আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত।সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার শেরাটন হোটেলে এক অনুষ্ঠান শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যাদের বিভিন্ন দূর-দূরান্তে পোস্টিং রয়েছে, তাদের ট্রান্সফারের ব্যবস্থা করছি। আজকালের মধ্যেই সেটা শুরু করতে যাচ্ছি। ট্রান্সফারের বিষয়টার পর আমরা নিউ রিক্রুটমেন্টের দিকে যাচ্ছি।এর আগে রোববার (১৬ আগস্ট) মাউশির কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময়সূচি, আবেদন নিষ্পত্তি এবং অনলাইনে বদলি নিয়ে সামগ্রিক পরিকল্পনা করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে শিগগির বদলি আবেদন গ্রহণ শুরু হবে।বদলি আবেদনপ্রক্রিয়ায় দায়িত্বরত মাউশির একজন কর্মকর্তা বলেছিলেন, আবেদনের সময় প্রাথমিকভাবে ১০ দিন রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এটি কমতে বা বাড়তে পারে। আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আরও ৫ দিন সময় দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর শিক্ষকদের বদলি করা হবে।শিক্ষকরা তিনটি এলাকার বাইরে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। নির্ধারিত এলাকার বাইরে আবেদন করতে গেলে ‘আবেদন যোগ্য নন’ বলে নোটিফিকেশন দেখাবে সফটওয়্যার।মাউশি সূত্র জানায়, শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা অনুযায়ী নিজ জেলা, স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা এবং স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলের বাইরে অন্য কোথাও বদলি আবেদন করা যাবে না। এলাকাগুলোর বাইরে আবেদন নেবে না সফটওয়্যার। সফটওয়্যার সেভাবেই প্রস্তুত করা হয়েছে।মাউশির কর্মকর্তারা জানান, নিজ জেলা, স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা এবং স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলের বাইরে আবেদনের সুযোগ নেই। কেউ চাইলেও আবেদন করতে পারবেন না।
৬ ঘন্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘আমরা এ সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি। এই সময়ের মধ্যে আমরা বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নত করেছি।’সোমবার (১৭ আগস্ট) কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘কিএস রেটিং উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শুধু কেন করে? সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে কেন না? সেটা করলে আমরাও এগিয়ে থাকতাম।’এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন এতোদিনে পিএইচডি ডিগ্রি চালু করতে পারলেন না? শেষ ২০ বছর আপনারা মুখ বন্ধ করে ছিলেন?’শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও অনেক গবেষক আছে, যারা অন্য দেশের বিনির্মাণে নিজের জ্ঞান ঢেলে দেয়। কিন্তু আমরা তাদের খুঁজে বের করতে পারি না। এটা আমাদের ব্যার্থতা। এদিকে আমরা দৃষ্টি দিচ্ছি।’
১০ ঘন্টা আগে
শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী শনিবার (১৫ আগস্ট) থেকে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা বিতরণ শুরু হচ্ছে। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে মোট ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ পাবেন। এর মধ্যে কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় ৪৪ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী এবং অবসর সুবিধা বোর্ডের আওতায় ৭৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণের টাকা বিতরণের বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়। এর পরই পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হয়।জানা গেছে, কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনার পুরো অর্থই পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে অবসর সুবিধা বোর্ডের আওতাভুক্তদের মধ্যে নির্ধারিত ব্যক্তিদের ৫ লাখ টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।এ বিষয়ে আগামীকাল শুক্রবার (১৪ আগস্ট) শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংবাদ সম্মেলন করবেন। সেখানে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ বিতরণের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরার কথা রয়েছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অবসরের অপেক্ষায় থাকা ১ লাখ ৫ হাজার ৬৪৪ শিক্ষকের পাওনা পরিশোধে প্রায় ৯ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকা প্রয়োজন। এর মধ্যে গত এপ্রিল পর্যন্ত অবসর সুবিধা বোর্ডে জমা হওয়া ৫৯ হাজার ৮২০টি আবেদনের বিপরীতে প্রয়োজন প্রায় ৭ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা।অন্যদিকে, কল্যাণ ট্রাস্টে গত মার্চ পর্যন্ত জমা হওয়া ৪৫ হাজার ৮২৪টি আবেদনের বিপরীতে প্রয়োজন প্রায় ২ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা।শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের পাওনা পরিশোধে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে অর্থ বিভাগ থেকে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হলেও পরে তা বাড়ানো হয়।এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার আগে শিক্ষকদের অবসর সুবিধার অর্থের ঘাটতি পূরণে অর্থ বিভাগে ডিও লেটার পাঠান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেখানে অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য ২ হাজার কোটি টাকা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের অনুরোধ জানানো হয়েছিল।বিশাল এই অর্থ বরাদ্দের ফলে দীর্ঘদিন ধরে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থের অপেক্ষায় থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের একটি বড় অংশের পাওনা পরিশোধের পথ তৈরি হয়েছে। এখন শনিবারের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সেই অর্থ বিতরণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
৪ দিন আগে
জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে জাপানের সেন্দাই শহরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশে জাপানি শিক্ষার্থী প্রেরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি এবং জাপানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কার্যকর সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।জাপানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশি স্টুডেন্টস’ সাপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন ইন জাপান (বিএসএসএজে)-এর উদ্যোগে গত ১০ আগস্ট সেন্দাই সিটি ওয়ার রিকনস্ট্রাকশন মেমোরিয়াল হলে “বাংলাদেশ থেকে বিদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণ—সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ” শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারে জাপানের বিভিন্ন ভাষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কারিগরি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশে শিক্ষা ও বিদেশগমন-সংক্রান্ত বিদ্যমান ব্যবস্থা, এর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং জাপানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হয়।অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন BSSAJ-এর সভাপতি নাগামাৎসু ফারুক। তিনি বাংলাদেশ থেকে জাপানে আসা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের শিক্ষা, জীবনযাপন ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে জাপানে আসা শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রতিবছর বাড়ছে। তবে শুধু শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধির দিকে নজর না দিয়ে তারা জাপানে এসে কীভাবে পড়াশোনা করছে এবং কেমন পরিবেশে থাকছে, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী—দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের একই প্ল্যাটফর্মে আলোচনার সুযোগ তৈরি হওয়াকে তিনি আয়োজনটির অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন।সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন জাপানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর ও হেড অব চ্যান্সেরি মো. মাহাবুবুর রহমান। তিনি বলেন, শিক্ষা বিনিময় বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদে আরও শক্তিশালী করতে পারে। শিক্ষার্থীরা যাতে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে জাপানে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সে জন্য শিক্ষার্থী প্রেরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।সেমিনারে “উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা কেন জাপানকে বেছে নিচ্ছেন” বিষয়ে বক্তব্য দেন বিএসএসএজে’র পরিচালক ও নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান। সংগঠনের কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের মনিটরিং ও হেল্পডেস্ক সেবা নিয়ে বক্তব্য দেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম।এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা কেন সেন্দাইকে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন এবং বর্তমানে তারা কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, সে বিষয়ে বক্তব্য দেন এসকেসি মানামির সিইও লস্কর আরিফ হোসেন।গ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন রিচিনোমোরি জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ স্কুল সেন্দাইয়ের অধ্যক্ষ মেগুমি আরাই এবং তোয়ো ইন্টারন্যাশনাল কালচারাল একাডেমির অধ্যক্ষ কেই হিকিচি।মেগুমি আরাই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমী ও মনোযোগী হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে জাপানে আসার পর প্রথম কয়েক মাস তাদের জীবনযাপনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়টিও তুলে ধরেন। অন্যদিকে কেই হিকিচি বলেন, শিক্ষার্থীর পূর্ববর্তী পরিবেশ, জাপানে আসার লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানা থাকলে তাদের পরবর্তী শিক্ষাজীবন আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব।সেমিনারে তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর গবেষণা অনুষদের ইসলাম মো. রফিকুল এবং জাপানে অধ্যয়নরত একজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীও নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানে জাপানি ভাষা শিক্ষা ও শিক্ষার্থী প্রেরণ খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বেসিক জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ স্কুলের চেয়ারম্যান মো. মফিজ উদ্দিন, জেবি কোকুসাই গো গাকুইনের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম রাজিব, ইনোচি গ্লোবাল এডুকেশন ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান মো. নাজিম উদ্দিন, জেন জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ কনসালটেন্সির নাজমুস সাকিব, সানশাইন জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ স্কুলের চেয়ারম্যান জিহাদ, ফিউচার একাডেমির চেয়ারম্যান মো. আরাফাত হোসেন, জাপান ইন্টারন্যাশনাল ল্যাংগুয়েজ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান মাসুদ রানা, হিকারি এডুকেশনের চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম কাব্য, আকুয়া জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ সেন্টারের চেয়ারম্যান রাকিব হাসান ভূঁইয়া এবং আসাহী একাডেমির চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন সরকার।সেমিনারের শেষ পর্বে অনুষ্ঠিত হয় উন্মুক্ত আলোচনা। এতে শিক্ষার্থী প্রেরণ ও গ্রহণের ক্ষেত্রে ভিসা যাচাই প্রক্রিয়া, জাপানি ভাষায় দক্ষতা অর্জন এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পর কর্মসংস্থান সহায়তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থী প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠান এবং জাপানে শিক্ষার্থী গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অভিন্ন ধারণা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং ও মতবিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।বিএসএসএজে জানায়, জাপানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সহায়তায় সংগঠনটি প্রাক-যাত্রা দিকনির্দেশনা, জাপানে পৌঁছানোর পর মনিটরিং এবং দৈনন্দিন জীবন ও শিক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যায় হেল্পডেস্ক সেবা দিয়ে আসছে।আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের মতবিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জাপানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সুসংগঠিত হবে, প্রেরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে এবং বাংলাদেশ ও জাপানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে।
৫ দিন আগে