দেশে প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালযের শিক্ষার্থীদের জন্য এক্সক্লুসিভ ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্ট ‘ইনফিনিক্স ক্যাম্পাস কাপ ২০২৬ (এক্সসিসি ২০২৬)’ আয়োজন করেছে ইনফিনিক্স বাংলাদেশ। আগামী ৮ আগস্ট প্রতিযোগিতার মূল পর্বে অংশ নেবে রাজধানীর ছয়টি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা বিজয়ী দলগুলো।এবারের আসরে অংশ নিয়েছে উত্তরা ইউনিভার্সিটি, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি), নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি এবং প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি।এর আগে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথকভাবে বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেই বাছাইপর্ব থেকে নির্বাচিত একটি করে দল নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করে মূল পর্বে অংশ নেবে।প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ আগস্ট রাজধানীর সেন্টারপয়েন্টে অবস্থিত দেশের প্রথম ইনফিনিক্স নেক্সট-লেভেল গেমিং ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে। সেখানে ছয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা দলগুলো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে দিনব্যাপী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।ইনফিনিক্স নেক্সট-লেভেল গেমিং ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে রয়েছে একটি ডেডিকেটেড গেমিং জোন, যেখানে গেমার ও গেমিং–অনুরাগীরা যে কোনো সময় গিয়ে একা বা দলগতভাবে গেম খেলতে পারবেন। ইনফিনিক্সের উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন গেমিং স্মার্টফোনে জনপ্রিয় গেমগুলো উপভোগ করার সুযোগ মিলবে সেখানে। দেশের মোবাইল গেমিং কালচারকে আরও এগিয়ে নিতে তরুণদের জন্য উন্মুক্ত এই কমিউনিটি স্পেস তৈরি করেছে ইনফিনিক্স।আয়োজকদের মতে, দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক গেমিং ও ই-স্পোর্টসের সংস্কৃতি আরও বিকশিত করা, নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিনোদন ও উদ্ভাবনী দক্ষতাকে উৎসাহিত করতেই ইনফিনিক্স ক্যাম্পাস কাপ ২০২৬ আয়োজন করা হয়েছে।ফাইনালে চ্যাম্পিয়নসহ অন্য দলগুলোর জন্য থাকবে আকর্ষণীয় পুরস্কার।
১ সপ্তাহ আগে
ফ্রিল্যান্সার-চালিত বিজনেস সল্যুশন প্ল্যাটফর্ম বিজমেকার ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে (আইইউবি) সফলভাবে দুইদিনব্যাপী ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে। আইইউবি প্রোগ্রামিং ক্লাবের (আইইউবিপিসি) সহযোগিতায় গত ২৬-২৭ জুলাই এ প্রোগ্রাম আয়োজিত হয়। তরুণদের দক্ষতা চিহ্নিত করা, তা বিকশিত করা ও প্রয়োগের মাধ্যমে বাস্তব সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করার লক্ষ্যে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।বিজমেকার একটি অনন্য মডেলের ওপর প্রতিষ্ঠিত; যেখানে সবাই ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করেন এবং শেখা ও কর্মসংস্থানের মধ্যকার ব্যবধান কমিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী জ্ঞান, বাজারোপযোগী দক্ষতা এবং নিজেদের আবেগ ও আগ্রহকে অর্থবহ, টেকসই ক্যারিয়ারে রূপান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা দিতে চায় প্ল্যাটফর্মটি।আয়োজনের দুইদিনই সকাল ১০টা থেকে শুরু করে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অ্যাক্টিভেশন বুথ উন্মুক্ত ছিল। এতে শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার ও তরুণ উদ্যোক্তারা অংশ নেন। এসময় দর্শনার্থীদের দলের সদস্যদের সাথে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি, বিজমেকার প্ল্যাটফর্ম, ফ্রিল্যান্সিং ও স্মার্ট হায়ারিং সম্পর্কে জানার সুযোগ দেওয়া হয়। প্রোগ্রামটি বাস্তব প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতাকে আয়ে রূপান্তরিত করার ব্যবহারিক সুযোগ তৈরি এবং একইসাথে, শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, উদ্যোক্তা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছে।এছাড়াও, ২৭ জুলাই ডিএমকে লেকচার গ্যালারিতে সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ‘স্কিলস টু সাকসেস’ শীর্ষক একটি সেশনের আয়োজন করে বিজমেকার। সেশনে চারজন দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ বক্তা বক্তব্য দেন।এ সময়, বিজমেকারের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এএসএম রাফিউল হক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পেছনের দৃষ্টিভঙ্গি ও এর সাথে সম্পর্কিত বৃহত্তর পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরেন। বিজমেকারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিএমও দিলারা জাহান বৃষ্টি ডিজিটাল দক্ষতা, ধারাবাহিকতা ও ক্রমাগত শেখার মাধ্যমে টেকসই ক্যারিয়ার গড়ার বিষয়ে আলোচনা করেন।সার্টিফাইড ফুল স্ট্যাক ডিজিটাল মার্কেটার, এআই এসইও স্পেশালিস্ট ও আপওয়ার্কের শীর্ষস্থানীয় ফ্রিল্যান্সার ইব্রাহিম নিলয় বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে প্রতিযোগিতা করে সাফল্য অর্জনের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা শেয়ার করেন। সিনেমাটিক স্টোরিটেলিং ও কমার্শিয়াল কনটেন্ট বিশেষজ্ঞ, ভিডিও এডিটর ও ক্রিয়েটিভ কনসালট্যান্ট সাইফ শাওন ক্রিয়েটিভ ফ্রিল্যান্স অর্থনীতিতে নিজের বিশেষ অবস্থান তৈরির বিষয়ে আলোচনা করেন।বিজমেকারের চলমান প্রচেষ্টার সর্বশেষ অধ্যায় এই আইইউবি অ্যাক্টিভেশন। এর আগে প্ল্যাটফর্মটি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ন্যাশনাল ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল, গুলশান ক্লাবে ফ্লো ফেস্ট এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাস্ট ক্যাপের আয়োজন করে, যেখানে দক্ষতা উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের কর্মজগতে আগ্রহী শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাদার ও উদ্যোক্তাদের সাথে ব্যাপক সম্পৃক্ততা তৈরি হয়। এ বিষয়ে বিজমেকারের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এএসএম রাফিউল হক বলেন, “তরুণরা বছরের পর বছর ধরে শিখছে, কিন্তু তাদের অনেকেই সেই জ্ঞান প্রয়োগের সুযোগ খুঁজে পাচ্ছে না। আমাদের ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামগুলো শিক্ষার্থীদের ফ্রিল্যান্সিংকে কেবল বাড়তি আয়ের কোনো উৎস হিসেবে দেখতে উৎসাহিত করছে না; বরং, দেশের মেধাবী তরুণদের এটা বোঝাতে চাইছে যে, তাদের দক্ষতার বাস্তব বাজারমূল্য রয়েছে এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব। এই প্রোগ্রামগুলোর মাধ্যমে আমরা তরুণদের একাডেমিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করতে চাই, যা তাদের জন্য বাস্তব অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করবে।”
১ সপ্তাহ আগে
‘সন্ত্রাস প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘লীগ ধর’ ম্যারাথন-২০২৬। একই সঙ্গে উদ্বোধন করা হয়েছে তিন দিনব্যাপী বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনী ‘রক্তাক্ষরে জুলাই’।শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ম্যারাথনটি অনুষ্ঠিত হয়। ঢাবি শিবিরের নেতারা জানান, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো থেকে ছাত্রলীগকে বিতাড়িত করার ঘটনাকে স্মরণ এবং জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে।ম্যারাথনটি কার্জন হল থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, টিএসসি, তোরণ, হাজী মুহম্মদ মহসিন হল ও মাস্টারদা সূর্যসেন হল প্রদক্ষিণ করে কলাভবনে গিয়ে শেষ হয়। ম্যারাথন শেষে সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তিন দিনব্যাপী (১৭-১৯ জুলাই) বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনী ‘রক্তাক্ষরে জুলাই’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসুর জিএস এসএম ফরহাদ, ডাকসুর পরিবহণ সম্পাদক এবং ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি কাজী আশিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁনসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নেতারা।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ১৭ জুলাই সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগকে ক্যাম্পাস থেকে তাড়ানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নয়া আজাদীর সূচনা করেছিল, যার চূড়ান্ত রূপ আসে ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদের পতনের মাধ্যমে। জুলাইয়ের শহীদদের বিচার নিশ্চিত করতে এবং তাদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।ডাকসুর জিএস ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ বলেন, গণপরিসর থেকে জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিকে ভুলিয়ে দেওয়ার নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে। কিছু ব্যক্তি পুনরায় ফ্যাসিবাদের বয়ান প্রতিষ্ঠা করতে চায়। জুলাইয়ে বাংলাদেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ, আন্দোলন ও ফ্যাসিবাদের জুলুমের ইতিহাস বারবার জনপরিসরে তুলে ধরতে হবে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি কাজী আশিক বলেন, দুই সহস্রাধিক শহীদ ও অসংখ্য আহতের আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যেই ‘রক্তাক্ষরে জুলাই’ চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।তিনি জানান, প্রদর্শনীতে জুলাইয়ের শহীদদের স্মৃতিচারণ, আলোকচিত্র, তৎকালীন নিপীড়নের বিভিন্ন দলিল, জুলাই আন্দোলনের স্মারক, ইনকিলাবি সংগীত এবং সাংস্কৃতিক আয়োজন স্থান পেয়েছে। আগামী ১৯ জুলাই পর্যন্ত প্রদর্শনীটি চলবে। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রদর্শনী পরিদর্শনের আহ্বান জানান।
৩ সপ্তাহ আগে
ইসলামি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে দেশের অন্যতম শীর্ষ দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা, ঢাকা আবারও জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনন্য গৌরব ও সম্মাননা অর্জন করেছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকজন কৃতী শিক্ষার্থী অনার্স, ফাজিল ও কামিল স্তরে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীর স্বীকৃতি ও বিশেষ শিক্ষাবৃত্তি লাভ করেছেন।৩০ জুন (মঙ্গলবার) সকাল ৯টায় রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক জমকালো ও মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং শিক্ষাবিদদের উপস্থিতিতে তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার পক্ষে এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও সনদ গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী।একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানের একাধিক স্তরে জাতীয় পর্যায়ে এমন অভূতপূর্ব শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকে দেশের শিক্ষাঙ্গনে ধারাবাহিক উৎকর্ষতার এক অনন্য ও ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদগণ। অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিকট থেকে সম্মাননা স্মারক ও শিক্ষা বৃত্তি সনদ গ্রহণ করেন মিল্লাতের কৃতী সন্তানরা।.তারা হলেন— ৪ বছর মেয়াদী অনার্স স্তর: সিরাজাম মুনিরা ফারিহা, রাফিয়া হাসান জিনাত এবং তাসনিম তাবাসসুম। ৩ বছর মেয়াদী ফাজিল স্তর: আব্দুল্লাহ মুয়াজ। ২ বছর মেয়াদী কামিল স্তর: হুমায়রা বুশরা নূর।অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি, নৈতিক মানদণ্ড ও ধারাবাহিক সফলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে বলেন, "নৈতিকতা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে যে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তা-ই একটি জাতিকে প্রকৃত উন্নত নাগরিক উপহার দিতে পারে। তা'মীরুল মিল্লাত সেই আদর্শিক শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেশ গঠনে অনন্য ভূমিকা পালন করছে।"এই ঐতিহাসিক ও গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী মহান আল্লাহর দরবারে গভীর শুকরিয়া আদায় করে বলেন, "এটি শুধু একটি সাধারণ সম্মাননা নয়—এটি একটি গৌরবময় ইতিহাস, একটি আদর্শের বিজয় এবং দীর্ঘদিনের সততা ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি। এই অনন্য অর্জনে আমরা আনন্দিত, তবে একই সাথে মহান রবের প্রতি কৃতজ্ঞতায় আমাদের মাথা নত হয়ে আসে। কারণ প্রকৃত সম্মান ও সফলতা একমাত্র আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই আসে।" তিনি এই অবিস্মরণীয় সাফল্যের জন্য মিল্লাত পরিবারের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও অভিভাবকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
১ মাস আগে