দেশে গ্যাস সংকট থেকে উত্তরণের জন্য অবকাঠামো তৈরি করে এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে বছর দুয়েক সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেটের একটি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, জ্বালানি সংকটের চ্যালেঞ্জ স্পষ্ট। অবকাঠামো তৈরি করে সংকট থেকে বের হতে যতটুকু সময় প্রয়োজন সেটা দিতে হবে। আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রচলিত ধ্যান ধারণার বাইরে গিয়ে কাজ করছে সরকার।এছাড়া, জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
২ দিন আগে
সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং মহেশখালী (এক্সিলারেট) এলএনজি টার্মিনাল থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।শনিবার ভোর ৪টার হিসাবে দুই টার্মিনাল মিলিয়ে জাতীয় গ্রিডে ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড-আরপিজিসিএলের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।কক্সবাজারের মহেশখালীতে একটি এক্সিলারেট এনার্জির, আরেকটি সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানির দু’টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। তাদের দৈনিক রিগ্যাসিফিকেশন সক্ষমতা যথাক্রমে ৬০০ ও ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তার বিপরীতে দুই টার্মিনাল মিলিয়ে ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।
২ দিন আগে
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।এর আগে, সবশেষ গতকাল শুক্রবার সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা নির্ধারণ করে সংগঠনটি। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৫২ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৫১ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
২ দিন আগে
এক সপ্তাহের ব্যবধানে রেমিট্যান্সের ডলারের দাম ১ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দেশের বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক ১২২.৭০ টাকা দরে ডলার কিনেছে। এর আগের সপ্তাহে রেমিট্যান্সের ডলারের দর ছিল ১২৩.৬০ থেকে ১২৩.৭০ টাকা।রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় আমদানিকারকদের ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তির খরচও হ্রাস পাওয়ায় গতি এসেছে বাণিজ্যে।বাজারে ডলারের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় আগামী সপ্তাহে এলসি নিষ্পত্তির ব্যয় আরও কমতে পারে, যা ব্যবসা-বাণিজ্যে আরও গতি সঞ্চার করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ডলারের দাম কমার পেছনে মূল কারণ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে নিট ওপেন পজিশন (এনওপি) দীর্ঘমেয়াদে নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার কাছাকাছি থাকা। সহজ কথায়, ব্যাংকগুলোর কাছে বর্তমানে পর্যাপ্ত ডলার রয়েছে।ফলে ব্যাংকগুলো যেমন চড়া দামে রেমিট্যান্স কিনতে আগ্রহী হচ্ছে না, তেমনি তাদের কাছে থাকা ডলার দ্রুত বিক্রি করতে ব্যবসায়ী গ্রুপগুলোকে তুলনামূলক কম দামে এলসি নিষ্পত্তির সুবিধা দিচ্ছে। এদিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার দেশের মোট (গ্রস) রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় ৩৭.০৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ (BPM6) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২.২৬০ বিলিয়ন ডলারে।
৩ দিন আগে