বিশ্বজুড়ে যখন ফুটবল উন্মাদনা তুঙ্গে, তখন শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো নিয়ে এসেছে তাদের বিশেষ বিশ্বকাপ ক্যাম্পেইন ‘শ্যুট অ্যান্ড উইন – মেক ইউর ওয়ার্ল্ড কাপ মোমেন্ট উইথ অপো’। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ক্রেতারা আকর্ষণীয় উপহার জিতে নিতে পারবেন, উপভোগ করতে পারবেন বিশেষ ছাড়।এই ক্যাম্পেইনের আওতায়, ক্রেতারা একটি অপো স্মার্টফোন কিনে, মাই অপো অ্যাপ ডাউনলোড করে এবং নির্ধারিত অপো শোরুমে ভিজিট করে একটি ফুটবলভিত্তিক চ্যালেঞ্জে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। অংশগ্রহণকারীরা গোল করার জন্য চারটি সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে, অপো রেনো সিরিজের যেকোনো স্মার্টফোন ক্রেতারা পাবেন দ্বিগুণ আনন্দ, তাদের জন্য থাকছে মোট আটটি কিকের সুযোগ।এতে সফল অংশগ্রহণকারীদের জন্য আকর্ষণীয় উপহার রয়েছে। প্রথম কিকে গোল করতে পারলে পাওয়া যাবে হ্যান্ড ব্যান্ড, দ্বিতীয় কিকে রিস্ট ব্যান্ড, তৃতীয় কিকে কি-রিং ও চতুর্থ কিকে গোল করলে পাওয়া যাবে ক্যাপ। এছাড়াও, ফুটবলপ্রেমীরা অপোর অনলাইন কনটেস্টে অংশ নিয়ে জিতে নিতে পারবেন অপো রেনো১৫ এফ ফাইভজি, অপো প্যাড এসই ও এনকো বাডস৩ প্রো’র মতো আকর্ষণীয় পুরস্কার।ক্যাম্পেইনের উদ্দীপনা আরও বাড়াতে নির্বাচিত অপো আইওটি পণ্যে থাকছে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়। আরও রয়েছে ও’লাইক টিডব্লিউএস টি১১৪ লাইটে ৩০০ টাকা, ও’লাইক টিডব্লিউএস টি৩০২ ও ও’লাইক এফডব্লিউ৩ অ্যামোলেড স্মার্ট ওয়াচে ৫০০ টাকা, ও’লাইক এফএম০৩ স্মার্ট ওয়াচ, অপো এনকো বাডস৩ প্রো ও অপো এনকো এয়ার৪-এ ১,০০০ টাকা, অপো প্যাড এসই-তে (১২৮ জিবি + ৬ জিবি) ১,৫০০ টাকা, অপো ওয়াচ এক্স২ মিনিতে ২,০০০ টাকা এবং অপো ওয়াচ এক্স২-তে ৩,০০০ টাকা ছাড়।এই ক্যাম্পেইন বাংলাদেশের নির্বাচিত অপো শোরুমগুলোতে চালু রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অপো পার্ক স্টোর (যমুনা ফিউচার পার্ক), মতিঝিল ফ্ল্যাগশিপ স্টোর, অপো মোবাইল মেলা বাড্ডা, বেটা কোম্পানি শপ বসুন্ধরা, নারায়ণগঞ্জ ফ্ল্যাগশিপ স্টোর, জিবি স্টোর চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ ফ্ল্যাগশিপ স্টোর। আরও বিস্তারিত জানতে অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/OPPOBangladesh ভিজিট করুন ও অনলাইন কনটেস্টে অংশ নিতে অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল সাইট https://oppoworldcupmoment.com/ ভিজিট করুন।
১ দিন আগে
গ্লোবাল ইনোভেটিভ এআই-চালিত প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এলো টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো, যা জনপ্রিয় স্পার্ক সিরিজের সর্বশেষ সংযোজন। ফ্ল্যাগশিপ-লেভেলের প্রটেকশন, শক্তিশালী পারফরম্যান্স, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তি এবং স্মার্ট এআই সুবিধার সমন্বয়ে তৈরি এই স্মার্টফোনটি আধুনিক ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে আনা হয়েছে।স্পার্ক সিরিজের সফলতার ধারাবাহিকতায় টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে যুক্ত করা হয়েছে এমন কিছু ফিচার, যা এই সেগমেন্টের স্মার্টফোনে কম দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে আইপি৬৮/আইপি৬৯ ডাস্ট ও ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স, সর্বোচ্চ ৬ মিটার পানির গভীরতায় যা সার্ভাইভ করতে পারবে, ৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৬০ ওয়াট সুপার চার্জিং, ৫০ মেগাপিক্সেল সনি লাইটিয়া ৬০০ ফ্ল্যাশস্ন্যাপ মেইন ক্যামেরা, মিডিয়াটেক হেলিও জি১০০ আল্টিমেট প্রসেসর, ১২০ হার্জ ডিসপ্লে এবং টেকনো এআই সুবিধা।দৈনন্দিন ব্যবহারে বাড়তি নিশ্চয়তা দিতে টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে আইপি৬৮ ও আইপি৬৯ সার্টিফায়েড সুরক্ষা, যা ডিভাইসটিকে ধুলাবালি ও পানির প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম। এছাড়াও, সর্বোচ্চ ৬ মিটার গভীর পানির মধ্যেও ডিভাইসটি নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করতে সক্ষম, যা আন্ডারওয়াটার ছবি ও ভিডিও ধারণের ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা যোগ করে। শুধু পানি থেকে সুরক্ষাই নয়, টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে এসজিএস ফাইভ-স্টার প্রিমিয়াম ড্রপ রেজিস্ট্যান্স এবং ৩৬০ ডিগ্রি ড্রপ প্রোটেকশন, যা দৈনন্দিন ব্যবহারে অনাকাঙ্ক্ষিত পড়ে যাওয়া বা আঘাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা করে। এছাড়া টি-গার্ড প্রোটেকশন সিস্টেম ডিভাইসটির নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করেছে, যা এটিকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সুরক্ষিত স্পার্ক স্মার্টফোনগুলোর একটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং ৬০ ওয়াট সুপার চার্জিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো দীর্ঘ সময় ব্যবহার এবং দ্রুত চার্জিং সুবিধা নিশ্চিত করে। যারা সারাদিন স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। টেকনোর তথ্য অনুযায়ী, ব্যাটারিটি ১,৯০০টিরও বেশি চার্জিং সাইকেলের পরেও ৮০ শতাংশের বেশি ব্যাটারি সক্ষমতা ধরে রাখতে পারে, যা দীর্ঘদিন ভালো পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে।ফটোগ্রাফি প্রেমীদের জন্য টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের সনি লাইটিয়া ৬০০ ফ্ল্যাশস্ন্যাপ মেইন ক্যামেরা, যা বিভিন্ন লাইটিং কন্ডিশনে চমৎকার ডিটেইল ধরে রাখতে সক্ষম। এছাড়া ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা ক্লিয়ার সেলফি এবং উন্নত ভিডিও কলিং এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করে। ভ্রমণ, প্রতিদিনের মুহূর্ত কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরিতে ক্যামেরা সিস্টেমটি একটি ভার্সেটাইল ফটোগ্রাফি এক্সপেরিয়েন্স প্রদান করে।মিডিয়াটেক হেলিও জি১০০ আল্টিমেট প্রসেসরচালিত টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো মাল্টিটাস্কিং, গেমিং, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং ডেইলি ইউজে স্মুথ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। স্মার্টফোনটি ২৪ জিবি ডাইনামিক র্যাম (৮ জিবি র্যাম + ১৬ জিবি এক্সটেন্ডেড র্যাম) এবং ১৮ জিবি ডাইনামিক র্যাম (৬ জিবি র্যাম + ১২ জিবি এক্সটেন্ডেড র্যাম) – এই দুই সংস্করণে পাওয়া যাবে। উভয় সংস্করণেই রয়েছে ১২৮ জিবি স্টোরেজ।স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির ১২০ হার্জ ডিসপ্লে, যা স্মুথ স্ক্রলিং এবং ইমার্সিভ ভিউয়িং এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করে। পাশাপাশি ডিটিএস সাউন্ডসমৃদ্ধ ডুয়াল স্পিকার এবং অল-সিনারিও নয়েজ ক্যানসেলেশন প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের জন্য আরও রিচ অডিও এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করে, যা বিনোদন ও ভয়েস কমিউনিকেশনকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।অ্যান্ড্রয়েড ১৬ ভিত্তিক টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে ওয়ান-ট্যাপ সামারাইজেশন, এআই ফ্ল্যাশমেমো, এআই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাসিস্ট্যান্ট, এআই প্রবলেম সলভিং, এআই রাইটিং, এআই হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং এআই স্মার্ট স্কেডিউলিং-সহ বিভিন্ন এআই সুবিধা। এছাড়া ফ্রিলিংক ২.০ এবং টাচ ট্রান্সফার উইথ আইফোন ফিচার বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে আরও সহজ ও স্মুথ কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করে।টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো এখন দেশজুড়ে টেকনোর সকল ব্র্যান্ড আউটলেট ও রিটেইল স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে এবং স্মার্টফোনটির মূল্য শুরু হচ্ছে ২৬,৯৯৯ টাকা থেকে (ভ্যাট প্রযোজ্য)।
২ দিন আগে
২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের স্মার্টফোন বাজারে নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছে তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। ব্র্যান্ডটি দেশের অন্যতম শীর্ষ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম দারাজসহ অন্যান্য ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে এক নম্বর অবস্থানে রয়েছে।২০২৬ সালের প্রথমার্ধের সেলস পারফরম্যান্স রিপোর্ট অনুযায়ী, দারাজে স্মার্টফোন বিক্রিতে এক নম্বর স্থান অধিকার করেছে রিয়েলমি। গ্রস মার্চেন্ডাইজ ভ্যালু (জিএমভি) ও ইনডেক্স স্কোর উভয় সূচকেই ব্র্যান্ডটি শীর্ষে অবস্থান করছে। ই-কমার্সে এই দুর্দান্ত সাফল্যের ধারাবাহিকতায়, দারাজের ৬.৬ মেগা ক্যাম্পেইনেও রিয়েলমি ‘নম্বর ওয়ান বেস্ট-সিলিং স্মার্টফোন ব্র্যান্ড’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।এছাড়াও, রিয়েলমি দেশের অন্যতম টেক-রিটেইল প্ল্যাটফর্ম পিকাবুতে স্মার্টফোন বিক্রির ক্ষেত্রে জিআইএস সূচকে এক নম্বর স্থান অধিকার করেছে; যা বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোতে ব্র্যান্ডটির শক্তিশালী অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এই মাইলফলক ডিজিটাল-ফার্স্ট ক্রেতাদের মধ্যে রিয়েলমির ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও বড় আকারের অনলাইন শপিং ক্যাম্পেইনগুলোতে ধারাবাহিকভাবে প্রতিযোগীদের ছাড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতাকে তুলে ধরে।সবমিলিয়ে, বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল অনলাইন স্মার্টফোন বাজারে এই অর্জনগুলো রিয়েলমির প্রতি ক্রেতাদের পছন্দ, আস্থা ও ধারাবাহিক নেতৃত্বকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।
২ দিন আগে
কার্যক্রম স্বাভাবিক রেখে প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিক্রেতা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপবাংলাদেশে নিজেদের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়িক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দারাজের বিনিয়োগ ও পরিচালনা সংক্রান্ত কিছু খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেছে যে, তাদের নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। একই সাথে তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে অবদান রাখার পাশাপাশি টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।দারাজ কর্তৃপক্ষের মতে, সাম্প্রতিক কিছু আলোচনায় যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কৌশলগত অগ্রাধিকার কিংবা দৈনন্দিন কার্যক্রমের প্রতিফলন নয়। এ প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবস্থান স্পষ্ট করেছে।পরিচালন দক্ষতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে প্রযুক্তি-নির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে দারাজ। বাংলাদেশ জুড়ে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বাণিজ্য কার্যক্রম গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার অংশ।গত এক বছরে দারাজের প্ল্যাটফর্মে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৭ হাজারেরও বেশি বিক্রেতা যা প্রতিষ্ঠানটির বিক্রেতা ইকোসিস্টেমের ধারাবাহিক সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ তৈরিতে দারাজের এই অঙ্গীকার কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই বিক্রেতাদের ব্যবসার বিকাশের মধ্য দিয়ে বৃহত্তর ইকোসিস্টেমে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনেও দারাজ সবসময় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। বিগত ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল দারাজ। বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এবং প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের যৌথ অনুদানে সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি সহায়তা প্রদান করা হয়।দারাজ বাংলাদেশের এক মুখপাত্র বলেন, “দারাজ বাংলাদেশে তার কার্যক্রম পরিচালনায় সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। বাংলাদেশ দারাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। আমরা টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে অবদান রাখতে কাজ করে যাচ্ছি। ব্যবসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আমরা নিয়মিতভাবে আমাদের সাংগঠনিক কাঠামো পর্যালোচনা করি, যাতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে কার্যক্রমের সামঞ্জস্য বজায় থাকে।”বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে বিক্রেতা, ব্র্যান্ড ও গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দারাজ তার কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি বিক্রেতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রাহক অভিজ্ঞতার উন্নয়ন এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের প্রসারে কাজ করছে।বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার ও স্মার্টফোনের বিস্তার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ই-কমার্স খাতের সম্ভাবনাও প্রসারিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
৪ দিন আগে