চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের দুই সদস্যকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার মরাদন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন নারায়ণগঞ্জের সোহেল ওরফে রাজু এবং কুমিল্লার মহসিন।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং মতলব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাবীর হুসনাইন সানীবের নেতৃত্বে মতলব উত্তর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান পরিচালনা করে। নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা থেকে আসা ৫-৬ সদস্যের একটি আন্তঃজেলা ডাকাত দল মতলব উত্তর থানার ষাটনল ও ছেংগারচর পৌরসভা এলাকায় ডাকাতির পরিকল্পনা করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ষাটনল এলাকায় সম্ভাব্য ডাকাতির স্থানগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন এবং ছেংগারচর পৌরসভায় ডাকাতি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা হয়।এরই ধারাবাহিকতায় ছেংগারচর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মরাদন এলাকার শিকদার বাড়িকে সম্ভাব্য টার্গেট বিবেচনায় নিয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় সন্দেহভাজন তিনজনকে দেখতে পেয়ে ধাওয়া করলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। তাদের মধ্যে একজন পাশের ধানক্ষেতে আত্মগোপন করে। পরে অভিযান চালিয়ে নারায়ণগঞ্জের সোহেল ওরফে রাজুকে একটি দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়।পরবর্তীতে আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় রামদা ও তালা কাটার সরঞ্জামসহ কুমিল্লার মহসিনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, কারাগারে থাকা অবস্থায় তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে আসছিল।এ বিষয়ে মতলব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাবীর হুসনাইন সানীব বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা দায়ের করে চাঁদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান রয়েছে।
১৫ ঘন্টা আগে
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় এক স্কুলশিক্ষিকার বসতঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, জমির দলিলসহ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের গামছাখালী এলাকার আব্দুল মোতালেব মিয়ার বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই বাড়ির বাসিন্দা স্কুলশিক্ষিকা নাসিমা আক্তারের বসতঘরে আগুন লাগে।অগ্নিকাণ্ডে বসতঘরসহ পরিবারের ব্যবহৃত যাবতীয় আসবাবপত্র, মূল্যবান মালামাল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে যায়। আগুনে প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৪০ হাজার টাকা, জমির দলিল, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ছাড়া পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্রও রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।আগুনের খবর পেয়ে হাতিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ঘরের অধিকাংশ মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।এ ঘটনায় পরিবারটি আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। দীর্ঘদিনের সঞ্চয়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ব্যবহার্য সামগ্রী হারিয়ে পরিবারটি চরম দুর্ভোগে পড়েছে।এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলশিক্ষিকা নাসিমা আক্তার বলেন, “হঠাৎ আগুনে আমার সাজানো সংসারটি এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে। ঘরের আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, জমির দলিল, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন নতুন করে সবকিছু গুছিয়ে নেওয়া আমাদের পরিবারের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। এই দুর্যোগে আমি ও আমার পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছি। এমন পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের পরিবারের প্রতি সদয় দৃষ্টি দেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করেন, তাহলে আমরা আবারও ঘুরে দাঁড়িয়ে নতুন করে জীবন শুরু করতে পারব বলে আশাবাদী।
১৫ ঘন্টা আগে
ঢাকার ধামরাই উপজেলার নান্নার ও বাইশাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ এর নতুন দুইটি ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।সোমবার (২ নভেম্বর ) দুপুরে এলজিইডির ‘ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্প (৩য় পর্যায়)’র আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (ধামরাই) এই প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ কাজের শুভ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ঢাকা-২০ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ তমিজ উদ্দিন। তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদি দল বিএনপি সরকার এক ছাদের নিচে বসে অনেকগুলো কাজ করতে চায়। আজ নান্নার ও বাইশাকান্দা ইউনিয়নের দুটি ভবনে প্রায় ৮ কোটি টাকা প্রকল্পের কাজের শুভ উদ্বোধন করা হলো, পর্যায়ক্রমে এভাবেই উন্নয়নের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি। এ সময় ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল মামুন, ধামরাই উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি রাকিবুর রহমান খান ফরহাদ, ধামরাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক, ধামরাই উপজেলা প্রকৌশলী মিশুক কুমার দত্ত, নান্নার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও ধামরাই উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা শেখ মোঃ মুসা, নান্নার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম, নান্নার ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক, নান্নার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, নান্নার ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
১৬ ঘন্টা আগে
ঢাকার ধামরাইয়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৫ পুরিয়া হেরোইনসহ মাহমুদুল হক তালুকদার ওরফে শানু (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর)। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৪ দশমিক ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ হাজার ৫০০ টাকা। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে এর আগেও তিনটি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে ধামরাই থানাধীন কুমরাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ডিবি (উত্তর) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই (নিরস্ত্র) মো. আবদুল মুত্তালিবসহ পুলিশের একটি দল কুমরাইল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মাহমুদুল হক তালুকদার ওরফে শানুকে আটক করা হয়। পরে তাঁর কাছ থেকে ৪৫ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়।পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার মাহমুদুল হক তালুকদার ওরফে শানু (৪০) ধামরাইয়ের কুমরাইল এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত আবদুল হক তালুকদার এবং মায়ের নাম মাহমুদা। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই তিনটি মাদক মামলা রয়েছে বলে ডিবি পুলিশ জানিয়েছে।ডিবি পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
১৬ ঘন্টা আগে