সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঈদ ও দুর্গা পূজার উৎসব ছাড়াও প্রায়ই টানা তিন-চার দিন করে ছুটি কাটানোর সুযোগ পান। সামনে আরও একবার আসছে সেই সুযোগ।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চলতি বছরের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী। এদিন সরকারি ছুটি থাকবে। ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের কেউ যদি পরদিন বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) একদিনের নৈমিত্তিক বা ঐচ্ছিক ছুটি নেন, তাহলে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিনের অবকাশ কাটানোর সুযোগ পাবেন।প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন হয়েছিল তৎকালীন ‘স্বৈরাচার’ আওয়ামী লীগ সরকারের। হাজারো মানুষের প্রাণের বিনিময়ে পাওয়া সেই ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’র দিনটি পরের বছর থেকে জাতীয় দিবস হিসেবে সরকারি ছুটি ঘোষণা করে ‘অন্তর্র্বতী সরকার’।বিএনপির নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারও ৫ আগস্টে সরকারি ছুটি বহাল রেখেছে। কিন্তু সব পেশার মানুষই পাবেন না এই ছুটি। জানা গেছে, ৫ আগস্ট উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকবে। তবে জরুরি ও জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত ডিউটি রোস্টার অনুযায়ী যথারীতি দায়িত্ব পালন করতে হবে।জরুরি সেবার আওতায় রয়েছে- হাসপাতাল ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, সমুদ্র ও স্থলবন্দর, বিমানবন্দর, বাংলাদেশ রেলওয়ে, সড়ক গণপরিবহন, কারাগার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা-সংশ্লিষ্ট সেবাসহ অন্যান্য জরুরি সরকারি পরিষেবা।অন্যদিকে বেসরকারি খাতের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পোশাক কারখানা ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ৫ আগস্ট ছুটি থাকবে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের নির্দেশনা ও নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।
১৩ ঘন্টা আগে
তিস্তা মহাপরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ যৌথ উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।সোমবার (৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘কম্পারেটিভ গভার্নেন্স ফোরাম-২০২৬’ শীর্ষক যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এ প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।ইয়াও ওয়েন বলেন, জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর ছিল দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। ওই সফরে বাংলাদেশ ও চীন দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর এবং অন্যান্য যৌথ উন্নয়ন উদ্যোগের বাস্তবায়ন নিয়ে চীন আশাবাদী। আগামী দিনে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও বক্তব্য দেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমান।
১৫ ঘন্টা আগে
সরকারি দপ্তরের দাপ্তরিক কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) টুল ব্যবহারে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।একই সঙ্গে সরকারি সংবেদনশীল ও গোপনীয় তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রচলিত আইন, বিধি-বিধান ও সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ই-গভর্নেন্স-২ শাখা থেকে গত ২৮ জুলাই জারি করা এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি সব সিনিয়র সচিব ও সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে সরকারি দপ্তরগুলোর বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রমে এআই টুলের ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজের গতি, দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়লেও অসতর্ক ব্যবহারে সরকারি সংবেদনশীল ও গোপনীয় তথ্য অননুমোদিতভাবে প্রকাশ বা তৃতীয় পক্ষের কাছে চলে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।এ প্রেক্ষাপটে সরকারি দাপ্তরিক কাজে এআই টুল ব্যবহারের সময় সরকারি তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।এতে আরও বলা হয়, এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন, বিধি-বিধান এবং সরকারের জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে, যাতে প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি সরকারি তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা অক্ষুণ্ন থাকে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব শেখ জোবায়ের আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৬ ঘন্টা আগে
রোহিঙ্গা শরণার্থী ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বাংলাদেশকে আরও ২৫ দশমিক ২৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার সহায়তা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।৩ আগস্ট সোমবার অস্ট্রেলিয়া সরকার ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর এ সহায়তার ঘোষণা দেয়।ঢাকার পদ্মা স্টেট গেস্ট হাউসে এ বিষয়ে চুক্তি সই করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল এবং ইউএনএইচসিআরের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জুলিয়েট মুরেকেইসোনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিল।অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জানান, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা দেওয়া এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের পাশে থাকা দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারেরই অংশ এই নতুন অর্থায়ন। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।তিনি আরও জানান, মিয়ানমার ও বাংলাদেশে চলমান সংকট মোকাবিলায় ৩ বছর মেয়াদি ৩৭০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মানবিক সহায়তা প্যাকেজের অংশ। ২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা সংকটে ১ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মানবিক সহায়তা দিয়েছে দেশটি। এই অর্থায়নের মাধ্যমে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আশ্রয়, জীবিকাসহ প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
১৬ ঘন্টা আগে