ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে, তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এই তারিখ ধার্য করেন।শরিফ ওসমান বিন হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় তাঁকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। সেখান থেকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও এভারকেয়ার হাসপাতাল হয়ে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।এ ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় গত ১৪ ডিসেম্বর হত্যাচেষ্টা মামলা করেছিলেন। পরে এটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।মামলাটি তদন্ত করে গত ৬ জানুয়ারি ১৭ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছিল ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। মামলার বাদী ১৫ জানুয়ারি ডিবির অভিযোগপত্রের বিষয়ে আদালতে নারাজি আবেদন দেন।এই অবস্থায় ওই দিন আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়ে ২০ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন। কিন্তু সেদিন প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় ২৫ জানুয়ারি নতুন তারিখ ধার্য করা হয়। সেদিনও তদন্তকারী সংস্থাটি প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ২৯ জানুয়ারি তারিখ ধার্য করা হয়। সিআইডি সেদিনও প্রতিবেদন দাখিল না করায় আজ প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ধার্য করেছিলেন আদালত।
৯ ঘন্টা আগে
ফের ভূমিকম্পে কাঁপলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে অনুভূত হয় এই ভূকম্পন। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) তথ্য জানিয়েছে।তবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যালার্ট সিস্টেমের সূত্রে গুগল প্রথমে জানিয়েছিল, ভূমিকম্পের মাত্রা ৪ দশমিক ৯ এবং এর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের ম্রাউক-ইউ শহর থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে।ইউএসজিএসের তথ্য বলছে, মিয়ানমারের ইয়েনাংইয়াং শহর থেকে ৯৫ কিলোমিটার পশ্চিমে মাঝারি মাত্রার এই ভূমিকম্প উৎপত্তি হয়। এর কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬২ কিলোমিটারর গভীরে।তাৎক্ষণিকভাবে ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।এর আগে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা। ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে অনুভূত সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।এ বিষয়ে সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আবহাওয়াবিদ জুলফিকার আলি রিপন জানান, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া এলাকা। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ১৫০ কিলোমিটার। গভীরতা বেশি হওয়ায় ভূমিকম্পটির প্রভাব ছিল তুলনামূলকভাবে মৃদু। এতে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।তিনি আরও জানান, সাতক্ষীরা জেলায় আগেও ভূমিকম্প অনুভূত হলেও জেলার ভেতরে এর কেন্দ্রস্থল ছিল, এমন কোনো রেকর্ড নেই। অর্থাৎ, এই প্রথম সাতক্ষীরা জেলার অভ্যন্তরে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল শনাক্ত হলো।
৯ ঘন্টা আগে
ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন। জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার আগেই সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এই পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী কূটনীতিকদের জাদুঘরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঘুরিয়ে দেখান এবং ব্রিফ করেন। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই সফরের শুরুতে কূটনীতিকরা ফ্যাসিস্ট শাসক শেখ হাসিনার আমলে শহীদ প্রায় চার হাজার মানুষের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।এ সময় মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, জুলাই জাদুঘর বিশ্বের অন্যান্য দেশের অনুরূপ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা করবে। তিনি বলেন, এই জাদুঘরের মূল উদ্দেশ্য হলো-এ ধরনের দুঃশাসনের পুনরাবৃত্তি যেন শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের কোথাও না ঘটে।পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন বলেন, এই জাদুঘর শেখ হাসিনার দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের সংগ্রামের প্রতিফলন।জুলাই জাদুঘরের প্রধান কিউরেটর তানজিম ওয়াহাব কূটনীতিক ও অতিথিদের জাদুঘরের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অবহিত করেন।ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশে ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, ‘জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করতে পেরে আমি আনন্দিত। এটি অনুপ্রেরণাদায়ক এবং ইতিহাস বোঝা, গণঅভ্যুত্থান কীভাবে সংঘটিত হয় এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি উপলব্ধির ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী স্মারক।’অনুষ্ঠানে উপস্থিত কূটনৈতিকদের মধ্যে ছিলেন আলজেরিয়া, আর্জেন্টিনা, ভুটান, ডেনমার্ক, মিসর, ফ্রান্স, ইরান, ইরাক, ইতালি, কসোভো, লিবিয়া, মরক্কো, নেপাল, নরওয়ে, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, স্পেন, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান ও ব্রুনাই দারুসসালামের প্রতিনিধিরা।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক (AKDN), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), বিমসটেক, সিআইআরডিএপি, এফএও, আইএফডিসি, আইওএম, ইউনেস্কো, ইউএনএইচসিআর, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) এবং ইউএনওপিএস-এর শীর্ষ কর্মকর্তারা।এসডিজি বিষয়ক জ্যেষ্ঠ সচিব লামিয়া মোর্শেদ, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব মো. মফিদুর রহমানও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।উচ্ছেদ হওয়া স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার সাবেক বাসভবন গণভবনকে রূপান্তর করে জুলাই জাদুঘর করা হয়েছে। জাদুঘরটি আগামী সপ্তাহে সফট ওপেনিংয়ের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
১০ ঘন্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘যে তরুণ পথে নেমে এসেছে, যে যুবক কাজ ফেলে রাজপথে নেমেছে, যে বাবা ছেলেকে মিছিলে পাঠিয়ে প্রার্থনায় বসেছে, যে শ্রমিক প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে, তাদের সবার কাছে আমাদের অনেক ঋণ। আর সে ঋণ-ই ‘‘জুলাই সনদ’’। এর প্রতিটি অক্ষর কালো কালিতে লেখা হলেও এর পটভূমি রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে। রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষরই জুলাই সনদ।’তিনি বলেন, আর কোনো স্বৈরাচার যাতে জাতির ঘাড়ে চেপে বসতে না পারে, জনগণের অধিকার পদদলিত করতে না পারে, কাউকে গুম করতে না পারে, ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সে জন্য জুলাই সনদের প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করে আসন্ন গণভোটে হ্যাঁকে জয়যুক্ত করতে হবে।আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।আলী রীয়াজ বলেন, ‘দীর্ঘ ১৬ বছর যাঁরা ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনের নিগড় থেকে মুক্ত স্বদেশ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে জীবন বিনিময় করেছেন, গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, গ্রেপ্তার-নির্যাতন ভোগ করেছেন, তাঁরা আমাদের কয়েকটি দায়িত্ব সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন।’আলী রীয়াজ বলেন, ‘দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে, ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্র যেন আর ফিরে আসতে না পারে, সেই পথ রুদ্ধ করা। আরেকটি দায়িত্ব হচ্ছে, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের পথনকশা নির্মাণ। দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ২৭ থেকে ৩৭ বছরের নিচে। আগামী অন্তত ৪০ বছর আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি কোন পথে যাবে, আমার ও আপনার দায়িত্ব হচ্ছে সে পথ নির্ধারণ করা।’প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, অগুনতি শহীদের আত্মাহুতি বৃথা যাবে না, এ দেশের জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে কথা বলবে এবং সাফল্য ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।’অতীতে এক ব্যক্তির ইচ্ছায় সংবিধান সংশোধন হয়েছে জানিয়ে আলী রিয়াজ বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি সংশোধন করার জন্য জাতীয় সংসদের একটা কমিটি করা হয়েছিল। তাতে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো দলের সদস্যরা ছিলেন না। সেই কমিটি ২৫টি বৈঠক, ১০৪ জন ব্যক্তির মতামত নিয়ে বলেছিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা থাকবে। তবে কিছু শর্ত আরোপ করা হবে। যেমন ৯০ দিনের বেশি এটা থাকতে পারবে না। বিদেশের সঙ্গে কোনো চুক্তি করতে পারবে না। একটা বৈঠকে সেটা পরিবর্তিত হয়েছে। সেই বৈঠকটা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে পঞ্চদশ সংশোধনী তৈরি হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল হয়েছে এক ব্যক্তির ইচ্ছায়। সংবিধান সংশোধনী আর যাতে ছেলেখেলায় পরিণত না হয়, সেটা বন্ধ করা সময়ের দাবি।২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিন তিনটি তামাশার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে জানিয়ে ড. রীয়াজ বলেন, ২০১২ সালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নামে সে সময়ের রাষ্ট্রপতির ‘সার্চ কমিটি’ নামে একটি ‘নাটক’ মঞ্চস্থ হয়েছিল। বলা হয়েছিল, সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেবেন। কিন্তু জানা গেছে, সার্চ কমিটির সুপারিশে কাজী রকিব উদ্দিন নামের কোনো ব্যক্তির নাম ছিল না।এক ব্যক্তির ইচ্ছায়ই এটি হয়েছে উল্লেখ করে আলী রিয়াজ বলেন, প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত ৪৮টি সুপারিশ গণভোটে আসছে চারটি ক্যাটাগরিতে। চার ক্যাটাগরিতে ৪৮টি সুপারিশ থাকলেও কার্যত প্রশ্নটি একটাই। সেটি হলো—আপনি কি জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে, না বিপক্ষে?’মনির হায়দার বলেন, ‘গণভোট ব্যর্থ হলে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসবে এবং সেটি কতটা বীভৎস আর নির্মম ও নৃশংস হতে পারে, সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।’মনির হায়দার বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী আমাদের মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক একটি রাষ্ট্র তৈরি করা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত গত ৫৪ বছরে সেই রাষ্ট্র আমরা পাইনি। বরং এই দীর্ঘ সময়ে ব্যক্তি ও গোষ্ঠীবিশেষ আমাদের স্বাধীনতাকে অ্যাবিউজ করেছে নিজেদের হীন স্বার্থে। এবার জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সেই লক্ষ্য অর্জনের। এখন গণভোটের মাধ্যমে এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।’বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। মতবিনিময় সভায় ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন।
১১ ঘন্টা আগে