শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা স্বাধীনতা দিতে চাই। কিন্তু যেন তা জঙ্গি কারখানায় পরিণত না হয় তাও দেখতে হবে। আমরা আর কোনো হলি আর্টিজানের মতো ঘটনা চাই না।মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর বনানীতে একটি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মালিকরা অলাভজনক দাবি করেন। কিন্তু এর থেকে প্রাপ্ত অর্থ কোথায় যায় তা আমরা জানি না।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আজকের এই অনুষ্ঠানে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাগুলো আমাদের মাধ্যমে শুনে দ্রুতই সমাধানের ব্যবস্থা নিবেন।মিলন বলেন, জিয়াউর রহমান ১৬ দিন শিক্ষামন্ত্রী থেকে যত কাজ করেছেন৷ আমি ১৬ বছরেও তত কাজ করতে পারব না।তিনি বলেন, মালয়েশিয়া যদি রাতারাতি তাদের শিক্ষার পরিস্থিতি বদলাতে পারে, আমরা কেন পারব না? আমরা চাইলেই শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি উপার্জন করতে পারি। আমি নকল করব তাদের যারা ভালো করেছে।
২ ঘন্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর আটকে থাকা ১৪ হাজারের বেশি প্রার্থীকে শিগগিরই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে।রোববার (০৩ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের প্রথম দিনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। এতে নির্বাচিত হন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী। তবে নিয়োগ না হওয়ায় তারা আন্দোলন শুরু করেন। এ নিয়োগটি কবে নাগাদ হতে পারে—জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখন প্রক্রিয়াটি করা হচ্ছে। অতি শিগগিরই। কাউকেই বাদ দেয়া হবে না। তবে এ ক্ষেত্রে শর্ত দেয়া হতে পারে তারও কিছু ইঙ্গিত দেন মন্ত্রী। কী কী শর্ত হতে পারে সে বিষয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যিনি শিক্ষকতা করবেন, সেই শিক্ষকতা করার জন্য তাদের যোগ্যতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সেখানে কোনো ঘাটতি আছে কি না সেটা দেখা হবে। উদাহরণ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, ধরুন তারা যোগদানের পর শিক্ষকদের প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (পিটিআই) পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সেখানে তারা প্রশিক্ষণ নেবেন, সেই জায়গায় যদি অকৃতকার্য হন তাহলে তারা শিক্ষক হতে পারবেন না। এ ছাড়া সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী দুই বছর যদি সাফল্যের জন্য চাকরি করতে পারেন, তাহলে তাদের চাকরি স্থায়ী করা হবে। সবকিছুই দেশের শিক্ষার ভালোর জন্য করা হবে। খারাপ কোনো উদ্দেশ্যে নেই।
২ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈমকে থাপ্পড় মারার ঘটনায় ছাত্রদল নেত্রী সাদিয়া সুলতানা নেলীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।রোববার (৩ মে) বিকেল তিনটায় উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দিন।তিনি বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমাদের জন্য কষ্টদায়ক এবং বিব্রতকর। অতীতে এসব ঘটনাকে যথাযথভাবে সমাধান না করার কারণে একটার পর একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। আমরা অতীতকে ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।উপাচার্য আরও বলেন, একজন শিক্ষার্থী আরেকজন শিক্ষার্থীর গায়ে দিবালোকে হাত তুলেছে, এটা সকলে প্রত্যক্ষ করেছে। এ ধরনের কোনো সংস্কৃতি কখনোই কাম্য না এবং এটাকে অবশ্যই আমরা প্রশ্রয় দেব না। সুতরাং নেলীকে অপরাধী সাব্যস্ত করে আমরা তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।এর আগে একইদিন জকসুর ভিপি (সহসভপতি), জিএস (সাধারণ সম্পাদক) ও এজিএস (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে দুই দফা আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।বিবৃতিতে জকসুর পক্ষ থেকে দুটি দাবি উত্থাপন করা হয়। অভিযুক্ত সাদিয়া সুলতানা নেলীকে স্থায়ী বহিষ্কার এবং স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ভিসি ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার হুঁশিয়ারি দেন তারা।প্রসঙ্গত, গত ২৯ এপ্রিল ক্যারাম খেলাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অষ্টম ইনডোর গেমসের তৃতীয় দিনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈমকে প্রকাশ্যে থাপ্পড় দেন জকসুর হল সংসদের ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের পরাজিত জিএস প্রার্থী সাদিয়া সুলতানা নেলী। শুধু তাই নয়, ওই ঘটনার পর ফেসবুক পোস্টে থাপ্পড় দেওয়ার কথা শিকার করে আবারও ক্রীড়া সম্পাদক নাঈমকে হুমকি দেন তিনি। এ ঘটনা সেসময় বড়সড়ো বিতর্কের জন্ম দেয়।
২ দিন আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ক্লাস আগামী ২ জুন থেকে শুরু হবে।রোববার (৩ মে) স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম মেধাতালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীরা এসএমএসের পাশাপাশি ওয়েবসাইটের Honour’s ট্যাবের Admission Test Result অপশনে গিয়ে ফলাফল দেখতে পারছে। প্রথম মেধাতালিকার ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ৫ মে থেকে ১৭ মে পর্যন্ত অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করতে হবে। পরে ৬ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কলেজে ১ হাজার ১৩০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফিসহ ফরম জমা দিতে হবে।কলেজ কর্তৃপক্ষ ৬ মে থেকে ১৯ মে পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য যাচাই করে চূড়ান্ত ভর্তি নিশ্চিত করবে। কোনো তথ্য বা ছবিতে অসংগতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হতে পারে।এ ছাড়া ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে অন্য কোনো শিক্ষা কার্যক্রমে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীদের ১৩ মের মধ্যে পূর্ববর্তী ভর্তি বাতিল করতে হবে। অন্যথায় দ্বৈত ভর্তির কারণে নতুন ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীরা চাইলে বিষয় পরিবর্তনের জন্য নির্ধারিত অপশনে সম্মতি জানাতে পারবে। মেধা ও শূন্য আসনের ভিত্তিতে বিষয় পরিবর্তন করা হবে।
২ দিন আগে