শিক্ষা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার উন্নয়নে চীন সফরে গেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) তিনি চীনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। সফরে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং।সফরকালে চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করতে বৈঠক করবেন শিক্ষামন্ত্রী। পাশাপাশি শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন ফোরাম ও সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী চীনের বিভিন্ন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও পরিদর্শন করবেন । এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কারিগরি শিক্ষার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ থাকবে সফরে।সফরকালে চীনের সাথে শিক্ষা সংক্রান্ত কয়েকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।
২২ ঘন্টা আগে
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে মাদরাসার আলিম শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। নীতিমালা অনুযায়ী, ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের আবেদন ও পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। আর ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভর্তির আবেদনসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম একাদশ শ্রেণির ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের www.xiclassadmission.gov.bd প্যানেলে লগইন করে রেজিস্ট্রেশনের সব কাজ শেষ করতে হবে।নীতিমালা অনুযায়ী, পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনঃমূল্যায়নের পর ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। একই সময়ে পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগও থাকবে।ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম চলবে। সবশেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে মাদরাসার আলিম শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।
১ দিন আগে
আগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এবার ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হবে আগামী বছরের ১৪ মার্চ রোববার থেকে। শেষ হবে ১৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার।সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান তিনি। আগে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনের কথা ছিল ৭ জানুয়ারি থেকে। এবার সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হলো।
১ দিন আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এমন এক জায়গা, যেখানে কখনো কোনো অন্যায় মেনে নেওয়া হয় না। গায়ের জোরে এখানে কেউ টিকে থাকতে পারেনি। ১৯৫২, ১৯৭০, ১৯৭১ কিংবা ১৯৯০ সবসময়ই ঢাবি অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে।রোববার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কালো দিবস’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।ঢাবি উপাচার্য বলেন, আমরা ২০০৯ সাল থেকে প্রতি বছর ২৩শে আগস্ট দিনটিকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছি। ২০০৭ ও ২০০৮ সাল আমাদের কাছে অত্যন্ত বিভীষিকাময় ছিল। তৎকালীন মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দিনের আমল হিসেবে পরিচিত সেই সময়ে, ২০০৭ সালের ২০শে আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল।তিনি বলেন, আমরা সেই সময়ের ভয়াবহ দিনগুলো এখনো ভুলিনি। আমি তখন শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ এবং পরবর্তীতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলাম। আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে একজন মেজর লেভেলের অফিসার আমার অফিসে এসে আমাকে ভয়ভীতি দেখান এবং এক প্রকার জোর করেই ধরে নিয়ে যান। শিক্ষকদের সঙ্গে তাদের আচরণ ছিল অত্যন্ত অপমানজনক।উপাচার্য আরও বলেন, তাদের আসল উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া, যা ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলা হিসেবে পরিচিত ছিল। তারা চেয়েছিল খালেদা জিয়া ও তার সন্তানদের রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়ে নিজেদের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে।খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে উপাচার্য বলেন, আমরা ২০২৪ সালেও দেখেছি কীভাবে অগণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। খালেদা জিয়াকে যখন দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য প্রচণ্ড চাপ দেওয়া হয়েছিল, তখন তিনি আপসহীনভাবে বলেছিলেন ‘এই দেশ ছাড়া আমার আর কোনো জায়গা নেই, মরতে হলে এই দেশেই মরব।’ তার এই দৃঢ়তার কারণেই তিনি ‘মাদার অফ ডেমোক্রেসি’ উপাধি পেয়েছেন।প্রধানমন্ত্রীর প্রসঙ্গে বলেন, তাঁর ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছে, এমনকি তার কোমড় পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। আরাফাত রহমান কোকোকে স্লো পয়জনিংয়ের মাধ্যমে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। এত নির্যাতনের পরেও তারা আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। সত্যের জয় সবসময়ই হয়। মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দিনের সেই কালো এজেন্ডা সফল হয়নি।তিনি আরও বলেন, আজকের একটি পত্রিকার রিপোর্টে দেখলাম বর্তমান সরকারের জনপ্রিয়তা যেখানে ৫৪%, সেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ৬৬%। এতেই বোঝা যায় দেশের মানুষ কাকে ভালোবাসে। মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দিনরা সফল হয়নি এবং ভবিষ্যতেও কেউ সফল হবে না।এছাড়াও অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আল মোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতন সহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রভোস্ট ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে