সাফের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে দেশের পথে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে মালদ্বীপ থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে দল। সব ঠিক থাকলে সন্ধ্যায় ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামবে দল। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বিমানবন্দরে বরণ করে নেবেন ফুটবলারদের। পরে ছাদখোলা বাসে তাদের আনা হবে।সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করে অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাফ অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। এই গৌরবোজ্জ্বল বিজয়ে বাংলাদেশ দলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন।’মালদ্বীপ জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারিত হয়। টাইব্রেকারে ভারতকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার সাফের বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।শিরোপা জেতায় বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। একই সঙ্গে তাদেরকে আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করার ঘোষণাও দেন তিনি।
১০ ঘন্টা আগে
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। এই গৌরবজনক বিজয়ে বাংলাদেশ দলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারেক রহমান বলেন, ‘দেশপ্রেম আর টিম স্পিরিটে উজ্জীবিত আমাদের সাহসী তরুণরা প্রমাণ করেছে, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা থাকলে দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের বিজয় এভাবেই অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।’প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তধ্য জানিয়েছেন।শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মালদ্বীপের মালেতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে ভারতকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ দল।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘সরকার ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গৃহীত সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এই প্রেক্ষাপটে তরুণদের এই সাফল্য দেশের ক্রীড়ামোদী জনগণকে উজ্জীবিত করবে।’প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ যুব ফুটবল দলের সকল খেলোয়াড়, কোচ এবং কর্মকর্তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
১৬ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) লজিস্টিকস এন্ড প্রটোকল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল পদত্যাগ করেছেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিসিবির সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। সর্বশেষ বিসিবি নির্বাচনে এনএসসি মনোনীত পরিচালক হয়েছিলেন ইয়াসির।সকালে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বরাবর একটি মেইল পাঠিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ইয়াসির। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিসিবির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। এর আগে বিসিবির বর্তমান কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন আরও দুই পরিচালক- ইশতিয়াক সাদেক এবং আমজাদ হোসেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানান, তাদের পদত্যাগপত্র এখনও গ্রহণ করেনি বিসিবি। এদিকে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই চরম বিরোধিতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছ বিসিবির বর্তমান কমিটি। অনিয়মের অভিযোগ এনে নির্বাচনের পরপরই বিসিবিকে বয়কট করেছিলেন অনেক ক্লাব কাউন্সিলররা। প্রথম বিভাগ লিগেও অংশ নেয়নি ৮টি দল। একই কারণে এবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। তার ওপর আবার বিদ্রোহী কাউন্সিলরদের দেওয়া চিঠির ভিত্তিতে বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে তদন্ত করছে এনএসসি। সবমিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বিসিবি৷ এবার একের পর এক পরিচালকের পদত্যাগ সেই পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।
২ দিন আগে
আঠারো, বাইশ আর ছাবিশ। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের বাইরে। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা বসনিয়ার কাছে প্লে-অফে হেরে দোনারুম্মা-ব্যারেলাদের এই ব্যর্থতা এখন শুধু মাঠের ফল নয়, জাতীয় হতাশায় রূপ নিয়েছে। বিশ্বকাপ মিস করার পরের সকালটা ইতালির বড় শহরগুলোতে যেন একই ছবিতে ধরা পড়েছে। রোম, মিলান, নেপলস—সব জায়গাতেই ক্যাফেতে কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে স্তব্ধ দৃষ্টি, আর ভক্তদের মনে একটাই প্রশ্ন আবারও কেন?দেশটির শীর্ষ দৈনিকগুলো এই ব্যর্থতাকে সরাসরি শিরোনাম করেছে ‘বিশ্বকাপের অভিশাপ’ নামে। ২০০৬ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকে ইতালির বিশ্বকাপ যাত্রা যেন ক্রমাগত পতনের গল্প। ২০১৪ সালের পর আর একবারও মূল পর্বে জায়গা করতে পারেনি তারা।মঙ্গলবার রাতের ম্যাচটি যেন পুরো গল্পটাই একসঙ্গে বলে দেয়। এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হাতছাড়া, তারপর পেনাল্টি শুটআউটে ভেঙে পড়া। মাঠের হতাশা ছড়িয়ে পড়ে গ্যালারি থেকে শুরু করে শহরের অলিগলিতে।টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপ মিসের পর ইতালিতে ফুটবল পুনর্গঠনের ডাকরোমের এক পাবে খেলা দেখা সমর্থক দাভিদে কালদারেত্তার প্রতিক্রিয়া ছিল সরল কিন্তু তীব্র, ‘শুরু থেকেই সব ভুল হচ্ছিল। দল ঠিক ছিল না, সিদ্ধান্তগুলোও বোঝা যাচ্ছিল না। সত্যি বলতে আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না।’ এই অনুভূতিটাই এখন পুরো ইতালির।অধিনায়ক জিয়ানলুইজি দোনারুম্মা ম্যাচের পর নিজের হতাশা লুকাতে পারেননি। সামাজিকমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, এই হার তাকে কাঁদিয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি সতীর্থদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এখান থেকেই নতুন করে শুরু করতে হবে।কিন্তু আলোচনা শুধু আবেগে সীমাবদ্ধ নেই। টানা তিন বিশ্বকাপ মিস করার পর ইতালিজুড়ে এখন শুরু হয়েছে দায় নির্ধারণের আলোচনা।রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি বড় আকার নিয়েছে। ক্ষমতাসীন জোটের নেতারা ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি গ্যাব্রিয়েলে গ্রাভিনার পদত্যাগ দাবি করেছেন। তাদের ভাষায়, এই ব্যর্থতা ‘অগ্রহণযোগ্য’ এবং এখান থেকে বের হতে বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন।ক্রীড়া ও যুবমন্ত্রী আন্দ্রেয়া আবোদি বলেছেন, এটি কেবল একটি ম্যাচের হার নয়, বরং দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যার ফল। তার মতে, ইতালিয়ান ফুটবলকে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে—গোড়া থেকে।টানা তিন বিশ্বকাপ মিস করার পর এমন সরাসরি সরকারি প্রতিক্রিয়া ইতালির ফুটবলে খুব একটা দেখা যায় না। ফলে পরিবর্তনের চাপ এখন আরও স্পষ্ট।সমস্যা যে শুধু মাঠে সীমাবদ্ধ নয়, সেটিও উঠে আসছে আলোচনায়। তরুণ প্রতিভা তৈরি, লিগের প্রতিযোগিতা, কোচিং কাঠামো সবকিছু নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।সমর্থকদের হতাশাও ক্রমেই গভীর হচ্ছে। এক সমর্থক মেলানি কার্দিয়ো বলেন, ‘প্রতিবারই ভাবি এবার হয়তো হবে। কিন্তু একই ঘটনা বারবার ঘটছে। এবারটা খুব কঠিন।’বিশ্ব ফুটবলে ইতালির ইতিহাস, ঐতিহ্য বা প্রতিভা নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই মুহূর্তে তারা সেই জায়গায় নেই যেখানে থাকার কথা।একসময় যে দল বিশ্বকাপ জয়ের গল্প লিখত, তারা এখন সেই গল্পের বাইরে দাঁড়িয়ে। সামনে তাদের জন্য একটাই বড় প্রশ্ন—এই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইতালি কি সত্যিই বদলাতে পারবে?ইতালির সামনে এখন দুটি পথ এক, ব্যর্থতাকে মেনে নিয়ে একইভাবে চলা; দুই, কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে শুরু করা।দেশজুড়ে যে ক্ষোভ, যে প্রশ্ন তা দেখলে মনে হয়, এবার হয়তো দ্বিতীয় পথটাই বেছে নিতে বাধ্য হবে ইতালি।
২ দিন আগে