নেত্রকোণার মদনে সড়কে হঠাৎ গরুর বাছুর চলে আসায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশা দুর্ঘটনায় আনোয়ারা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে মদন-নেত্রকোণা সড়কের মদন পৌরসভার সিলেট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ভূঁইয়া বাড়ির সামনে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত আনোয়ারা বেগম উপজেলার জাওলা গ্রামের মৃত বুলবুল মিয়ার স্ত্রী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে আনোয়ারা বেগম অটোরিকশাযোগে যাচ্ছিলেন। পথের মধ্যে ভূঁইয়া বাড়ির সামনে হঠাৎ একটি গরুর বাছুর সড়কের মাঝখানে চলে আসে। এ সময় বাছুরটিকে বাঁচাতে গিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে আনোয়ারা বেগম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাহউদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোণা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
৪ ঘন্টা আগে
গাজীপুরের কাশিমপুরে পশ্চিম এনায়েতপুর এলাকায় ঝুট গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট পৌনে এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে ঝুট গুদামের রাখা বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানান,আজ সকালে রফিকুল ইসলামের ঝুট গুদামে আগুন লাগলে তা মুহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তিনটি ইউনিট প্রায় পৌনে এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সারাবো মর্ডান ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুস সামাদ জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কোনাবাড়ী ও কাশিমপুরে সীমান্তবর্তী এলাকার একটি ঝুট গুদামে আগুন লাগে।খবর পেয়ে সারাবো মডার্ণ ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌনে ১ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। আগুনের ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ও আগুন লাগার কারণ তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে বলে জানান।
৮ ঘন্টা আগে
ঢাকার ধামরাইয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সোলার সিস্টেম স্থাপন সংক্রান্ত এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে ধামরাই উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে উপজেলা প্রশাসন, ধামরাই এবং ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩, সাভারের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর জেনারেল ম্যানেজার মামুন অর রশিদ, ধামরাই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জিয়ারুল ইসলাম, ধামরাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামছুল ইসলাম এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান স্বপন।এ সময় বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মামুন বলেন, “বিদ্যুতের ওপর চাপ কমাতে সোলার সিস্টেম চালু করা গেলে বিদ্যুতের ঘাটতি অনেকাংশে কমে আসবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ও চাপ কমাতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই আমাদের দেশেও বিদ্যুতের ওপর চাপ কমাতে সোলার সিস্টেমের দিকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।”সভায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
৯ ঘন্টা আগে
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি ও শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্তি বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে কয়েক দিনের চরম অসন্তোষের পর গাজীপুরের পোশাক কারখানাগুলোতে শান্ত পরিবেশ ফিরে এসেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকে কালিয়াকৈর উপজেলার শফিপুর, চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ এবং গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস, কোনাবাড়ি, কাশিমপুর এবং সালনা এলাকায় পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন।শিল্পাঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ২৫ প্লাটুন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আজও মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে ১২ প্লাটুন বিজিবি, ৫ প্লাটুন আনসার ও ৮ প্লাটুন এসআরবি রয়েছে। গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) আরিফ হোসাঈন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।শিল্প পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকেই শ্রমিকদের কেউ কারখানার নিজস্ব পরিবহনে, আবার কেউ পায়ে হেঁটে কর্মস্থলে যাচ্ছেন। কারখানাগুলোর সামনে শ্রমিকদের স্বাভাবিক উপস্থিতি রয়েছে। গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলের সব এলাকায় সকাল থেকে শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন।গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) আমজাদ হোসেন জানান, সকাল থেকেই কারখানাগুলোর সামনে শ্রমিকদের সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করতে দেখা যায়। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং শিল্পাঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। যৌথ বাহিনীর কঠোর উপস্থিতি পরিস্থিতি শান্ত এবং স্বাভাবিক আছে।এর আগে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, ছাঁটাই করা শ্রমিকদের পুনর্বাহাল ও আন্দোলনকারীদের কালো তালিকাভুক্তি বন্ধের দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকার শিল্পাঞ্চলগুলোতে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছিল।
১০ ঘন্টা আগে