আমাদের সম্পর্কে: চ্যানেল এস (সানশাইন টেলিভিশন লিঃ)
সত্যের সন্ধানে, আগামীর প্রত্যয়ে—চ্যানেল এস
চ্যানেল এস বাংলাদেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে এক নতুন আলোকবর্তিকা।
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, সৃজনশীল অনুষ্ঠানমালা এবং সুস্থ বিনোদনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে
আমরা অবিচল। কেবল সংবাদ পরিবেশন নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের দর্পণ হয়ে ওঠা আমাদের অঙ্গীকার।
দেশ ও দেশের বাইরে ছড়িয়ে থাকা বাংলাভাষী প্রতিটি মানুষের হৃদস্পন্দনকে ধারণ করে, তথ্যের
নিরপেক্ষতা ও বিনোদনের নান্দনিকতা নিয়ে আমরা প্রতিটি দিন আপনাদের দোরগোড়ায় হাজির হই।
আমাদের ডিজিটাল
যাত্রাপথ—ওয়েবসাইট (www.channels.com.bd) এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনসমূহের মাধ্যমে আমরা
বিশ্বজুড়ে দর্শকদের রিয়েল-টাইম আপডেটের সাথে যুক্ত রেখেছি। আমাদের প্রতিটি কন্টেন্ট
স্পষ্টতা, সততা এবং গভীর দায়বদ্ধতার অঙ্গীকার বহন করে।
নেতৃত্ব ও উত্তরণ
নেতৃত্ব:
চ্যানেল এস-এর চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন লে. জে. (অব.) আবুল হোসেন। আমাদের ব্যবস্থাপনা
পরিচালক ও সিইও সুজিত চক্রবর্তী-এর বলিষ্ঠ
নেতৃত্বে চ্যানেলটি গণমাধ্যমে নতুন মানদণ্ড স্থাপনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। পরিচালক
(সংবাদ ও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স) হিসেবে রেজোয়ানুল
হক রাজা পেশাদার সাংবাদিকতাকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
যাত্রা ও স্বীকৃতি: ২০১৫ সালে ১১ জানুয়ারী আইপিটিভি
(IPTV) হিসেবে আমাদের যে ছোট পরিসরে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ পূর্ণাঙ্গ স্যাটেলাইট
টেলিভিশনের রূপ নিয়েছে। ২০২২ সালের ২৬ জানুয়ারি
লাইসেন্স প্রাপ্তির পর, ২০২৪ সালের ১২ জুন
জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটরিয়ামে মহামান্য রাষ্ট্রপতি
জনাব মোঃ সাহাবুদ্দিন-এর সানুগ্রহ উপস্থিতিতে আমাদের আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার কার্যক্রম
বিশ্বমঞ্চে উন্মোচিত হয়।
লক্ষ্য ও দর্শন (Vision & Mission)
চ্যানেল এস-এর
মূল ভিত্তি হলো বিশ্বাস। আমরা এমন এক সমাজ কল্পনা করি, যেখানে তথ্য হবে ক্ষমতায়নের
হাতিয়ার।
Ø জনগণের কণ্ঠস্বর: প্রান্তিক জনপদ থেকে নগরজীবন—প্রতিটি মানুষের সুখ-দুঃখ,
সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প আমাদের পর্দায় মূর্ত হয়ে ওঠে।
Ø সংবাদের পবিত্রতা: কোনো প্রলোভন বা পক্ষপাতিত্বের কাছে মাথা নত না করে,
সত্যকে তার স্বরূপে তুলে ধরাই আমাদের সাংবাদিকতার মূলমন্ত্র।
Ø সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সুর: আমাদের শিকড়, আমাদের লোকসংগীত এবং হাজার বছরের
সমৃদ্ধ বাঙালি সংস্কৃতিকে আধুনিক আঙ্গিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই আমাদের গর্ব।
আমাদের স্বপ্ন—নিখুঁত নির্ভরযোগ্যতা ও উদ্ভাবনী ধারায় বাংলাদেশের
শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ও ডিজিটাল নিউজ
প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা।
অনুষ্ঠানমালা ও সৃজনশীল আখ্যান
সংবাদ ও বিনোদনের
এক মায়াবী মেলবন্ধনে আমাদের অনুষ্ঠানমালা সাজানো হয়েছে:
Ø সংবাদ: 'চ্যানেল এস দুপুরের কথা’, 'চ্যানেল এস সন্ধ্যার কথা’, 'চ্যানেল
এস সারাদিনের সব কথা, 'চ্যানেল এস প্রবাস কথা’ ও '২ মিনিটের সংবাদ’ খুব জনপ্রিয়।
Ø সংবাদ ও সমসাময়িক বিশ্লেষণ: 'চ্যানেল এস সংলাপ'-এর মাধ্যমে আমরা গুরুত্বপূর্ণ
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসি। আমাদের 'ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিং'
টিম নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে সমাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অন্ধকার দিকগুলো উন্মোচন করতে।‘কিছু
প্রিয় অপ্রিয় প্রশ্ন’ আলাপচারিতামূলক অনুষ্ঠান যেখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক
বিষয়ে অতিথিদের সাথে আলোচনা করা হয়। ’অজানা কথা’ অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সমাজ,
ইতিহাস, বিজ্ঞান, রহস্যময় ঘটনা এবং সাধারণ জ্ঞানের এমন সব বিষয় মানুষের সামনে তুলে
ধরা।
Ø সংস্কৃতি ও সংগীতের মূর্ছনা: 'চ্যানেল এস মিউজিক আওয়ার',
'তারুণ্যের গান', 'মিউজিক ক্যাফে' ও 'বাউল আড্ডা'-র মতো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আমরা
বাংলার মাটির গান ও শিল্পীদের সুরকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াস পাই।
Ø বিনোদন: মানসম্মত নাটক, ধারাবাহিক নাটক, টেলিফিল্ম, ফিল্ম ও তথ্যচিত্রের
মাধ্যমে আমরা সুস্থ বিনোদনের ধারায় এক নতুন মাত্রা যুক্ত করছি।
বৈশ্বিক দিগন্ত
আমরা কেবল ভৌগোলিক
সীমানায় সীমাবদ্ধ নই। জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন (UN Climate Conference) এবং সাধারণ
পরিষদের অধিবেশন (UN General Assembly) এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইভেন্টগুলোতে চ্যানেল
এস-এর অন-সাইট উপস্থিতি আমাদের আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলের অংশ করে তুলেছে। ওটিটি
(OTT) এবং ডিজিটাল ফ্রেমওয়ার্ক উন্নয়নের মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য—বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে
বাংলাভাষী দর্শকদের কাছে ঘরের মানুষের মতো চ্যানেল এস-কে পৌঁছে দেওয়া।
আমাদের প্রতিশ্রুতি
v সঠিক, যাচাইকৃত এবং নিরপেক্ষ
তথ্যের নিশ্চয়তা।
v সম্পাদকীয় স্বাধীনতার প্রতি
অবিচল থাকা।
v ডিজিটাল নিরাপত্তার মাধ্যমে
ব্যবহারকারীর তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
v সহজবোধ্য ও দৃষ্টিনন্দন ব্যবহারকারী
অভিজ্ঞতার নিরন্তর উন্নয়ন।
সততা, সৃজনশীলতা
এবং দায়বদ্ধতাই আমাদের চালিকাশক্তি। চ্যানেল এস-এর সাথে যুক্ত থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।