মরুর দেশের সুস্বাদু কুনাফা এখন বাংলাদেশেও জনপ্রিয়। ঈদে অতিথি আপ্যায়নের জন্য ও পরিবারের আনন্দে এই মিষ্টান্ন হতে পারে একটি অসাধারণ পছন্দ। যেভাবে কুনাফা তৈরি করা যাবে- উপকরণলাচ্ছা সেমাই– ১ প্যাকেটমাখন/ঘি– আধা কাপতরল দুধ– এক কাপকনডেন্সড মিল্ককর্ন ফ্লাওয়ারচিনি– স্বাদমতোবাদাম (সাজানোর জন্য)প্রণালিএকটি প্যানে ১ টেবিল চামচ ঘি গরম করে তার মধ্যে বাদাম কুচি ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে একটি বাটিতে তুলে রাখুন বাদাম। এরপর এক প্যাকেট লাচ্ছা সেমাই দিয়ে দিন প্যানে।স্বাদ মতো চিনি ও ১/৪ কাপ গুঁড়া দুধ দিয়ে সেমাই ভাজুন। চিনি গলে গেলে ও সেমাই ভাজা ভাজা হলে নামিয়ে রাখুন। ১ কাপ দুধের সঙ্গে আধা কাপ কনডেন্সড মিল্ক, আধা কাপ গুঁড়া দুধ ও ২ টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার মিশিয়ে কম আঁচে নাড়তে থাকুন। মিশ্রণটি ঘন হলে নামিয়ে নিন।এবার একটি পাত্রে ভাজা লাচ্ছা সেমাই ছড়িয়ে দিন। তার উপরে দুধের ঘন মিশ্রণ দিয়ে উপরে আরেকটি লাচ্চা সেমাইরের লেয়ার করে দিন। পাত্রটি ২ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে এরপর পরিবেশন করুন।
১ দিন আগে
গ্রীষ্ম মানেই তীব্র গরম, আর্দ্রতা আর ঘামের অস্বস্তি। এই সময়ে ঈদে ভারী প্রসাধন বা অতিরিক্ত পণ্য ব্যবহার করলে ত্বক ক্লান্ত হয়ে পড়ে, রন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়। তাই গরমের ঈদে ত্বকের যত্ন ও মেইকআপ— দুটোই হওয়া উচিত হালকা, শ্বাস নেওয়ার মতো স্বাভাবিক এবং আরামদায়ক। ত্বককে আগে গুরুত্ব দিয়ে, তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী সামান্য সাজ— এই ধারণাই ঈদের জন্য সবচেয়ে কার্যকর বলে বিবেচিত।গরমের দিনে ত্বক বেশি ঘামে এবং তেল নিঃসরণও বেড়ে যায়। তাই প্রথমেই প্রয়োজন সঠিকভাবে ত্বক পরিষ্কার রাখা। ভারী বা ক্রিমধর্মী পরিষ্কারক বদলে হালকা, পানি-ভিত্তিক পরিষ্কারক ব্যবহার করলে ত্বক সতেজ থাকে। এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় থাকে, আবার অতিরিক্ত তেলও দূর হয়।পরিষ্কারের পর ত্বককে শান্ত রাখা জরুরি। অ্যালোভেরা বা প্রাকৃতিক শীতল উপাদানযুক্ত কোনো হালকা জেল ব্যবহার করলে রোদে ক্লান্ত ত্বক দ্রুত স্বস্তি পায়। ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে ব্যবহার করলে ত্বকে বাড়তি প্রশান্তি আসে। আর্দ্রতা ধরে রাখা, কিন্তু ভারী নয় গরমে অনেকেই মনে করেন ময়েশ্চারাইজার দরকার নেই। তবে এটি ভুল ধারণা। ত্বককে আর্দ্র রাখা প্রয়োজন, তবে সেটি হতে হবে হালকা গঠনযুক্ত। জেলধর্মী বা দ্রুত শোষিত হয় এমন পণ্য ব্যবহার করলে ত্বক ভারী লাগে না এবং রন্ধ্রও বন্ধ হয় না। এই ধরনের পণ্য ত্বককে শুধু নরম রাখে না, বরং সূর্যের তাপে যে পানিশূন্যতা তৈরি হয়, তা পূরণ করতেও সাহায্য করে। বিশেষ করে ত্বক তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ হলে হালকা আর্দ্রতা প্রদানকারী পণ্য সবচেয়ে উপযোগী।গরমের দিনে ত্বককে সতেজ রাখার জন্য মাঝেমধ্যে হালকা স্প্রে বা মিস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ত্বককে তাৎক্ষণিক আর্দ্রতা দেয় এবং ক্লান্ত-ভাব দূর করে। ব্যাগে ছোট আকারে রাখলে বাইরে গেলেও সহজে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া ঠাণ্ডা পাথর বা ম্যাসাজ যন্ত্র দিয়ে মুখে হালকা ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফোলাভাব কমে এবং ত্বক আরও টানটান দেখায়। রোদ-পোড়া বা ক্লান্ত ত্বকের জন্য এটি বেশ উপকারী। গরমে ত্বকের যত্নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল- সূর্যরশ্মি থেকে সুরক্ষা। শুধু মুখ নয়, শরীরের উন্মুক্ত অংশেও সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। অনেক সময় মুখে নিয়মিত সুরক্ষা ব্যবহার করলেও শরীরের কথা ভুলে যাওয়া হয়। এমন পণ্য ব্যবহার করা ভালো যা ত্বকে সহজে মিশে যায়, সাদা দাগ ফেলে না এবং ব্যবহার করতে বিরক্তি লাগে না।গরমের দিনে ঈদ আসছে, এজন্য ভারী মেইকআপ ত্বকের জন্য কষ্টকর। তাই পূর্ণাঙ্গ মেইকআপের বদলে হালকা, প্রয়োজনমাফিক সাজই বেশি কার্যকর। ফাউন্ডেশন এড়িয়ে গিয়ে হালকা রংযুক্ত সুরক্ষা পণ্য ব্যবহার করা যেতে পারে, যা ত্বকের রং সমান করে এবং প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দেয়। যেখানে প্রয়োজন, সেখানে সামান্য কনসিলার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট। এতে ত্বক স্বাভাবিক দেখায় এবং অতিরিক্ত স্তর জমে না। ই ধরনের মেইকআপ গরমে দীর্ঘসময় টিকে থাকে এবং সহজে গলে যায় না।ঈদের দিনে স্বাভাবিক লালচে-আভা মুখে আলাদা প্রাণ এনে দেবে। ক্রিমধর্মী ব্লাশ ব্যবহার করলে তা ত্বকের সঙ্গে সহজে মিশে যায় এবং খুব প্রাকৃতিক দেখায়। গালে, নাকে, এমনকি চোখের পাতায়ও হালকা ব্যবহার করলে পুরো সাজে একটি সামঞ্জস্য তৈরি হয়। এই ধরনের পণ্য দ্রুত মুছে যায় না এবং ঘাম হলেও তুলনামূলক স্থির থাকে, যা গরমের দিনের জন্য উপযোগী।গরমে চোখের মেইকআপ নষ্ট হয়ে যাওয়ার প্রবণতা বেশি। তাই জলরোধী মাসকারা বা দীর্ঘস্থায়ী আইলাইনার ব্যবহার করা ভালো। এগুলো ঘাম বা আর্দ্রতায় সহজে ছড়িয়ে পড়ে না। ক্রিমধর্মী আইলাইনার বা শ্যাডো ব্যবহার করলে সেটি সহজে ব্লেন্ড করা যায় এবং সেট হয়ে গেলে দীর্ঘসময় ঠিক থাকে। এতে করে বারবার ঠিক করার ঝামেলা কমে যায়।গরমে ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যাওয়া সাধারণ সমস্যা। তাই এমন পণ্য ব্যবহার করা উচিত যা একসঙ্গে আর্দ্রতা দেয় এবং হালকা রংও যোগ করে। এতে ঠোঁট নরম থাকে এবং অতিরিক্ত কোনো স্তর যোগ করার প্রয়োজন হয় না। প্রাকৃতিক আভাযুক্ত ঠোঁট- পুরো সাজকে হালকা ও সতেজ রাখে, যা গ্রীষ্মের জন্য আদর্শ।ঈদের দিনে মেইকআপকে দীর্ঘস্থায়ী করতে হালকা পাউডার বা সেটিং স্প্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি অতিরিক্ত তেল কমায় এবং মেইকআপকে স্থির রাখে। তবে অতিরিক্ত পাউডার ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক ও ভারী দেখাতে পারে, তাই পরিমিত ব্যবহারই গুরুত্বপূর্ণ। একটি হালকা সেটিং স্প্রে ত্বকে উজ্জ্বলতা ধরে রাখে এবং মেইকআপকে দীর্ঘ সময় ঠিক রাখে বিশেষ করে ঈদের দিনের গরম ও আর্দ্র পরিবেশে।
৪ দিন আগে
রমজানের সন্ধ্যায় শহর ও গ্রামের বাতাসে যেন আলাদা এক আবহ তৈরি হয়। মাগরিবের আগে রাস্তার পাশে ইফতারের দোকানগুলো জমে ওঠে, ঘরে ঘরে রান্নাঘর থেকে ভেসে আসে ভাজাপোড়ার পরিচিত গন্ধ। ইফতারের টেবিলে তখন সাজানো থাকে বেগুনি, পিয়াজু, হালিম, জিলাপি, ফল আর নানা রকম পানীয়। সারাদিনের রোজার পর পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে খাবার ভাগ করে নেওয়ার এই মুহূর্তই রমজানের অন্যতম আনন্দ।বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইফতারের আয়োজনেও দেখা যায় ভিন্নতা। কোথাও মজার ছলে বলা হয়-বড় বাপের পোলায় খায়, আবার বরিশালের কিছু এলাকায় ইফতারের সঙ্গে পরিবেশন করা হয় সতেজ মলিদা পানীয়। তবে যে অঞ্চলেরই হোক, সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে আজানের ধ্বনি শোনা গেলে খাবার তখন আর শুধু পেট ভরানোর বিষয় থাকে না; এটি হয়ে ওঠে পরিবার ও ঐতিহ্যের এক আন্তরিক বন্ধন।তবে একটি বিষয় প্রায়ই অগোচরেই থেকে যায়। সারাদিন না খেয়ে থাকার পর ভারী খাবার, তেলেভাজা বা অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয় খুব আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। কিন্তু শরীর সব সময় তা সহজে গ্রহণ করে না। অনেকেরই ইফতারের পর অস্বস্তি, অম্বল বা ক্লান্তি দেখা দেয়। কখনো সেহরির সময়ও হজম পুরোপুরি স্বাভাবিক থাকে না।অথচ রমজানের উদ্দেশ্য শরীরকে ক্লান্ত করা নয়, বরং তাকে নতুনভাবে শক্তি জোগানো।এই জায়গায় প্রয়োজন একটু ভারসাম্য। প্রিয় খাবার থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখা নয়, বরং সেগুলোকে একটু সচেতনভাবে বেছে নেওয়া। সহজ, পুষ্টিকর এবং পেটে আরাম দেয়-এমন খাবার ইফতার ও সেহরির সময় শরীরকে ভালোভাবে সহায়তা করতে পারে।ধরা যাক একটি সাধারণ সবজি খিচুড়ির কথা। উষ্ণ ও আরামদায়ক এই খাবারটি পেটে তুলনামূলক হালকা লাগে, আবার দীর্ঘ সময় শক্তিও জোগায়। চাল ও ডাল থেকে পাওয়া যায় ধীরে ধীরে মুক্ত হওয়া শক্তি, আর সবজি দেয় প্রয়োজনীয় আঁশ ও পুষ্টি। এতে সামান্য খাঁটি ঘি যোগ করলে খাবারের স্বাদ যেমন বাড়ে, তেমনি তৃপ্তিও আসে সহজে। পাশে যদি থাকে এক বাটি ঠান্ডা টক দই, তবে পুরো খাবারটি হয়ে ওঠে আরও ভারসাম্যপূর্ণ-যা হজমে সহায়তা করে এবং পেটকে আরাম দেয়।দক্ষিণ এশিয়ার রান্নাঘরে এই ধরনের খাবারের ঐতিহ্য বহু দিনের। পরিমিত পরিমাণে খাঁটি ঘি খাবারে স্বাদ ও তৃপ্তি যোগ করে, আবার এতে থাকা প্রাকৃতিক চর্বি শরীরকে ধীরে ধীরে শক্তি জোগাতে সহায়তা করে। অন্যদিকে টক দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান হজম প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে এবং শরীরের পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে-বিশেষ করে যখন রোজার সময়সূচির কারণে খাবারের নিয়ম বদলে যায়।অনেক পরিবারই এখন বিশুদ্ধ ও পুষ্টিকর দুগ্ধজাত খাবারের জন্য নির্ভরযোগ্য উৎস খোঁজেন। সে ক্ষেত্রে শক্তি+ ঘি এবং শক্তি+ ফর্টিফায়েড টক দই অনেকের রান্নাঘরের পরিচিত নাম। উত্তরবঙ্গের নারী দুগ্ধ খামারিদের কাছ থেকে সংগৃহীত দুধ স্থানীয় চিলিং সেন্টারের মাধ্যমে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়। এরপর আধুনিক ও মাননিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত করা হয় এসব পণ্য। ফলে একদিকে যেমন নিশ্চিত হয় খাঁটি ও মানসম্মত দুগ্ধপণ্য, তেমনি এই উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতেও যোগ করে ইতিবাচক প্রভাব।এই রমজানে মমতায় তৈরি দানাদার শক্তি+ ঘি অনলাইনে বিশেষ মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। একই প্ল্যাটফর্ম থেকে সহজেই অর্ডার করা যায় শক্তি+ ফর্টিফায়েড টক দইও, যা পরিবারের প্রয়োজনীয় পুষ্টির পাশাপাশি ভারসাম্যপূর্ণ খাবারের পরিকল্পনাকে আরও সহজ করে তোলে।অর্ডার করতে ভিজিট করুন:https://www.grameendanone.net/#offerশেষ পর্যন্ত রমজান আমাদের শেখায় সংযম ও সচেতনতার পাঠ। আর যখন খাবারের প্লেটেও সেই পুষ্টি ও ভারসাম্যের ছাপ থাকে, তখন শরীর যেমন পায় শক্তি, মনও খুঁজে পায় প্রশান্তি।
১ সপ্তাহ আগে
ইফতারে স্ট্রবেরি খাওয়া শরীরের জন্য বেশ উপকারী। সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরকে দ্রুত শক্তি ও পুষ্টি দিতে এই ফলটি ভালো ভূমিকা রাখে।ইফতারে স্ট্রবেরি খেলে শরীরে যা ঘটে—১. শরীরে দ্রুত শক্তি যোগায়: স্ট্রবেরিতে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, যা রোজা ভাঙার পর শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।২. পানিশূন্যতা কমাতে সাহায্য করে: স্ট্রবেরিতে প্রায় ৯০ শতাংশই পানি। তাই ইফতারে এটি খেলে সারাদিনের পানিশূন্যতা কিছুটা পূরণ হয়।৩. হজমে সহায়তা করে: এতে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে পারে।৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: স্ট্রবেরিতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।৫. হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পটাশিয়াম থাকার কারণে এটি হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।৬. ত্বকের জন্য ভালো: স্ট্রবেরির ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক সতেজ রাখতে সাহায্য করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।সতর্কতা-অতিরিক্ত স্ট্রবেরি খেলে কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি বা অ্যাসিডিটি হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।
১ সপ্তাহ আগে