নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬:৩২
শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ
প্রতি বছর এপ্রিলের ১৪ তারিখ এলেই পুরো বাংলাদেশ যেন জেগে ওঠে পহেলা বৈশাখের আনন্দে, বাংলা নতুন বছরের আমেজে। উৎসবে মুখর হয় পুরো দেশের মানুষ। ঢাকার ব্যস্ত রাস্তার অলিগলি থেকে শুরু করে ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড় গ্রামের ধুলোওঠা মাঠেও এ দিনটা যেন এক। সকলে মিলে রঙিন, ঐতিহ্যবাহী জামা-কাপড় পরে একে অপরকে আন্তরিক স্বরে জানায় ‘শুভ নববর্ষ’। আকাশে-বাতাসে মধুর হাসি, আর এদিক ওদিক তাকডুম তাকডুম ঢোলের বাড়ির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাজতে থাকে মন কেমন করা বাউল গান। পরিবারের সবাই একসঙ্গে আশা, আনন্দ আর সম্মিলিত সুখের বার্তা নিয়ে শুরু করে এক নতুন বছর।
বাঙালিদের এসব আনন্দ উদযাপনের মূল আকর্ষণটাই থাকে খাওয়াদাওয়া। আর এ দেশের মানুষের কাছে তো খাবার মানে শুধু পেট ভরা নয়, বরং খাবারের পাতে জড়িয়ে থাকে একেকটি ঘরের মধ্যকার নিজস্ব সংস্কৃতি, বহু সুখের স্মৃতির সঞ্চয়। পহেলা বৈশাখ সকালবেলা ঘরে ঘরে পাতা হয় পান্তা ভাতের থালি। সারা রাত ধরে রাখা এই পানি দেওয়া ভাতটুকু আমাদের দেশের কৃষক ও কৃষির শেকড়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বৈশাখী আমেজে এই ভাত সাধারণত ইলিশ মাছ, শুকনা মরিচ ভাজা আর বাহারি ভর্তা দিয়ে খুব আয়োজন করে খাওয়া হয়। তবে এত টকঝাল খাবারের পাশপাশি একটু মিষ্টিমুখ না করলে কি হয়? ভুরিভোজের শেষপাতে রসগোল্লা থেকে সন্দেশ, আর প্রাণজুড়ানো একটু সরে ঢাকা মিষ্টি দই না থাকলে তো খাওয়াটা পরিপূর্ণই হয় না।
দইয়ের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে বগুড়ার দই। এর ঘন ও সমৃদ্ধ টেক্সচারের জন্য এ অঞ্চলের দই সুপরিচিত। অনেকক্ষণ ধরে ননীযুক্ত দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করা, তাতে চিনি মিশিয়ে মাটির পাত্রে জমিয়ে তৈরি করা হয় এই দই, যা বাংলাদেশের রন্ধন ইতিহাসের এক অন্যতম দারুণ একটি শিল্প। বৈচিত্র্যময় মানের কারণে আঞ্চলিক ও সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি হিসেবে এটি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতিও পেয়েছে।
বহুদিনের পুরনো এই ঐতিহ্যকে বর্তমানের আধুনিক পরিবারে দ্বারপ্রান্তে কাছে পৌঁছে দিতে গ্রামীণ ডানোন ফুডসের সুপরিচিত ব্র্যান্ড শক্তি+ নিয়ে এসেছে শক্তি+ মিষ্টি দই, যা সহজে ব্যবহারযোগ্য কাপ প্যাকেজিংয়ে পাওয়া যায়। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক উদ্যোগ গ্রামীণ ডানোনের মাধ্যমে চালু হওয়া এই ব্র্যান্ডটির লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ বাংলাদেশের শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা ও পাশাপাশি সুস্বাদু খাবার সরবরাহ দেওয়া। শক্তি+ মিষ্টি দই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি দইয়ের ক্রিমি স্বাদের মিষ্টি ভাব বজায় রাখার পাশাপাশি এতে প্রোবায়োটিক ও পুষ্টিকর ডেইরি উপাদান যোগ করা হয়েছে, যা একইসঙ্গে এটিকে সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর করে তোলে। ঢাকার বাসিন্দারা চাইলেই খুব সহজে https://www.grameendanone.net/#yogurts ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই দইটি অর্ডার করতে পারেন।
পহেলা বৈশাখ শুধু আনন্দ-উদযাপনের জন্য নয়, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা নিয়ে ভাবারও একটি ভালো সময়। দই, সবজি এবং মাছের মতো পুষ্টিকর খাবার শরীরকে শক্তিশালী ও কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। মিষ্টি দইয়ের মতো মিষ্টি খাবার পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে, কেননা এতে থাকা প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক হজমের জন্যও বেশ উপকারী। তাই চাইলেই খাবারের পাতে ভারসাম্য বজায় রেখে, স্বাদ ও সুস্থতাকে একসাথে এনে নতুন বছরটি আনন্দময় ও সুস্থভাবে শুরু করা সম্ভব।