দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পাঁচ বছরের মধ্যে প্রযুক্তিপণ্য ও সেবার রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে ১০৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম (এনআইসিটিএফ)।বুধবার (২১ অক্টোবর) সংগঠনটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়। কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন প্রকৌশলী রাফায়েল কবির এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন প্রকৌশলী মো. মামুন অর রশিদ।ফোরামের আট সদস্যের উপদেষ্টা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানকে। উপদেষ্টা কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মারুফ মাল্লিক এবং সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।ফোরামের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ড. মারুফ মাল্লিক বলেন, দেশের আইসিটি খাতকে ফ্যাসিবাদী প্রভাবমুক্ত করে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার উপযোগী করে তুলতে কাজ করবে সংগঠনটি। আগামী পাঁচ বছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের প্রযুক্তিপণ্য ও সেবার রপ্তানি শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকতে প্রযুক্তি খাতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি জরুরি।ফোরামটি সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়াতে কাজ করতে চায়। এ জন্য সেবার মান উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের সুযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।নবনিযুক্ত সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. মামুন অর রশিদ বলেন, আইসিটি খাতের রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে রপ্তানিমুখী প্রযুক্তি ব্যবসার প্রবৃদ্ধি, গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়ন প্রয়োজন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে হবে।তিনি আরও বলেন, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে সহায়ক নীতিগত পরিবেশ তৈরি এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনবল গড়ে তোলা জরুরি।ফোরাম জানিয়েছে, ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার নির্ধারণ, পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা হবে।তবে পাঁচ বছরে রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ ও ধারাবাহিক অগ্রগতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
১৪ ঘন্টা আগে
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্গাপূজা উপলক্ষে তাদের নতুন ক্যাম্পেইন ‘মেক ইওর পূজা মোমেন্ট উইথ অপো’ উন্মোচন করেছে। স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দুর্গাপূজার বর্ণিল সাজসজ্জা, প্রাণবন্ত আলোকসজ্জা, ঐতিহ্য ও আনন্দ তুলে ধরাই এই ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে অপো দুর্গাপূজার উৎসবমুখর পরিবেশ, সজ্জিত প্যান্ডেল, প্রাণবন্ত আয়োজন, পরিবারের সাথে কাটানো আনন্দঘন মুহূর্ত ও ব্যবহারকারীদের অনন্য গল্পগুলো তুলে ধরতে আহ্বান করেছে। সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যর সাথে ব্যবহারকারীদের মেলবন্ধন উদযাপন করতে অপো নির্বাচিত কিছু ছবি তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শন করবে। পূজা নাইট, পূজা কালার ও ফ্যামিলি মোমেন্ট, ক্যাম্পেইনে এই তিনটি থিম রয়েছে। সন্ধ্যা নামার পর আলোকিত পূজা মণ্ডপ, উৎসবের প্রাণবন্ত রঙ বা প্রিয়জনদের সাথে কাটানো স্মরণীয় মুহূর্ত, প্রতিটি থিমে ব্যবহারকারীরা উৎসবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এই ক্যাটাগরিগুলোর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাদের ফটোগ্রাফি দক্ষতার পাশাপাশি, দুর্গাপূজার উৎসব ও ঐতিহ্যকে স্মরণীয় করে তোলে এমন মুহূর্তগুলো প্রকাশ করার সুযোগ পাবেন। অংশগ্রহণকারীরা ক্যাম্পেইনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের https://opposhot.com/puja_moment/ মাধ্যমে ছবি জমা দিতে পারবেন। প্রতিটি ছবি অপো স্মার্টফোনের মাধ্যমে তুলতে হবে ও ক্যাম্পেইনের যেকোনো একটি থিমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। ছবিগুলো জেপিজি, পিএনজি বা ওয়েবপি ফরম্যাটে জমা দিতে হবে ও প্রতিটি ছবি ১০ এমবির মধ্যে থাকতে হবে। ছবি জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩০ অক্টোবর এবং বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে ১০ নভেম্বর। ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে, অংশগ্রহণকারীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ রয়েছে। প্রথম বিজয়ী পাবেন ও’লাইক স্মার্ট ওয়াচ এফএম০৩, দ্বিতীয় বিজয়ী পাবেন ও’লাইক স্মার্ট ওয়াচ এফডব্লিউ৩ ও তৃতীয় বিজয়ী পাবেন অপো এনকো বাডস৩ প্রো। পুরস্কারের পাশাপাশি, নির্বাচিত ছবিগুলো অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল পেজ ও অপো কমিউনিটি পেজে দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাদের সৃজনশীলতা আরও বেশি মানুষের কাছে তুলে ধরার সু্যোগ পাবেন।
৩ দিন আগে
স্বেচ্ছাসেবা, সমাজসেবা ও মানবিক উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘টয়োপ ২০২৬’ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। জেসিআই বাংলাদেশ তাঁকে এ সম্মাননায় ভূষিত করেছে।মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ইগনাইট গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। পাশাপাশি তিনি মাতৃভূমি গ্রুপের পরিচালক এবং মাতৃভূমি হার্ট কেয়ার ও মাতৃভূমি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করা ইগনাইট গ্লোবাল ফাউন্ডেশন শিক্ষা, যুব উন্নয়ন, দুর্যোগ মোকাবিলা, জীবিকা উন্নয়ন এবং নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।শিক্ষা বিস্তারে ইগনাইট গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের অন্যতম উদ্যোগ ইগনাইট স্কুল। এ উদ্যোগের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২০০-এর বেশি শিক্ষার্থী বিনা মূল্যে শিক্ষার সুযোগ পেয়েছে। বর্তমানে ১৫৫ জন শিক্ষার্থী বিনা মূল্যে পড়াশোনা করছে। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য থেরাপি সেবা প্রদানেও কাজ করছে সংস্থাটি।এ ছাড়া ‘স্বাবলম্বী’ উদ্যোগের আওতায় ১৫৮টি পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তোলার কার্যক্রম পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের জন্য নিরাপদ পানির সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে ইগনাইট গ্লোবাল ফাউন্ডেশন।সমাজসেবার পাশাপাশি যুব উন্নয়ন, উদ্যোক্তা তৈরি এবং লেখালেখিতেও সক্রিয় মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নতুন উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করা এবং কর্মজীবন গঠনে সহায়তার লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর লেখা বইয়ের মধ্যে রয়েছে এভিয়েশন ক্যারিয়ার, ওয়ে টু সাকসেস এবং স্টুডেন্ট স্টার্টআপ।বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এর আগেও একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা অর্জন করেছেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য অর্জনের মধ্যে রয়েছে প্রেসিডেন্ট স্কাউট পুরস্কার (২০১৩), জাতিসংঘের সেরা স্বেচ্ছাসেবী দল পুরস্কার (২০১৯), স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ পুরস্কার (২০১৯), ডায়ানা পুরস্কার (২০২০), দ্য হিরো পুরস্কার (২০২১), জেসিআই তরুণ উদ্যোক্তা পুরস্কার (২০২২) এবং আইএলএ ৩০ অনূর্ধ্ব ৩০ সম্মাননা (২০২৫)।টয়োপ ২০২৬ অ্যাওয়ার্ড অর্জনের পর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জেসিআই বাংলাদেশ, তাঁর পরিবার, ইগনাইট গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের দল, স্বেচ্ছাসেবক এবং সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ অর্জনকে তিনি ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন।তিনি ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, তরুণদের ক্ষমতায়ন, উদ্যোক্তা তৈরিতে উৎসাহ প্রদান এবং টেকসই সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের এ অর্জন তরুণ প্রজন্মকে স্বেচ্ছাসেবা, মানবিক কর্মকাণ্ড ও সমাজ উন্নয়নে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান উপায় তাদের সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর এজেন্ট ক্যাম্পেইনের বিজয়ী হিসেবে খুলনার মো. সাইদুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেছে। ক্যাম্পেইনের মেগা গিফট হিসেবে তিনি জিতেছেন একটি রাইডু ই-বাইক। উপায়ের প্রধান কার্যালয়ে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয় এবং তার হাতে পুরস্কারটি তুলে দেওয়া হয়।ক্যাম্পেইনের নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী এজেন্টদের মধ্য থেকে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খুলনা অঞ্চলের কুষ্টিয়া সদরের মো. সাইদুল ইসলামকে মেগা গিফট বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।রাইডু ই-বাইক জয়ের জন্য মো. সাইদুল ইসলামকে অভিনন্দন জানিয়েছে উপায়। একই সঙ্গে দেশজুড়ে আরও বেশি মানুষের কাছে সুবিধাজনক ডিজিটাল আর্থিক সেবা পৌঁছে দিতে এজেন্টদের নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।এজেন্ট ক্যাম্পেইনের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে উপায় তার এজেন্টদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি দেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল আর্থিক সেবা ব্যবস্থায় গ্রাহকদের অংশগ্রহণ বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছে।
৪ দিন আগে