গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় গৃহবধূ স্বপ্না খানমকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। এ সময় অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি, ফাঁসির দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন বিক্ষুব্ধরা।আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত টুঙ্গিপাড়া পৌর মাল্টিপারপাস ভবনের সামনে পাটগাতী স্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।মানববন্ধনে স্বপ্না খানমের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।এ সময় বিক্ষোভকারীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে নানা ধরনের স্লোগান দেন। এতে ওই সড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।বিক্ষোভকারীদের দাবি, এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে জড়িতদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তারা।
২ ঘন্টা আগে
চট্টগ্রামের খুলশী এলাকা থেকে আটক ৬৩ বিদেশি নাগরিককে সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে এক শিশুসহ ৪২ জন পুরুষ ও ২০ জন নারী রয়েছেন।শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টার পর ৬৩ জনকে আদালতে তোলা হয়। চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম-২ মুহাম্মাদ আবুল মনছুরের আদালত প্রত্যেক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে দুটি প্রিজন ভ্যানে করে তাঁদের কারাগারে নেওয়া হয়।গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে চীনের পাঁচজন, লাওসের ৩৫ জন, পাকিস্তানের ২১ জন, নেপালের একজন ও ভিয়েতনামের একজন নাগরিক রয়েছেন।খুলশী থানায় করা সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় তাঁদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তবে গ্রেফতার ৬৩ জনের কারও কাছেই পাসপোর্ট ও ভিসা পাওয়া যায়নি। পুলিশের ভাষ্য, এসব নথি দেশীয় একটি চক্রের সদস্যদের কাছে রয়েছে। ওই চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।বিষয়টি নিশ্চিত করে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম বলেন, গ্রেফতার ৬৩ জনকে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদে অনলাইন প্রতারণার পুরো নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হবে।এর আগে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে অভিজাত খুলশী আবাসিক এলাকার একটি ভবনে অভিযান চালায় কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও পুলিশের যৌথ দল। অভিযানে ল্যাপটপ, মুঠোফোনসহ ১৭০টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়।পুলিশের ধারণা, বাংলাদেশে বসে অনলাইন জুয়া ও চাকরির বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রতারণা করতেই এসব বিদেশি নাগরিক দেশে এসেছিলেন।শুক্রবার বিকেলে নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইনসের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) ফয়সাল আহম্মদ।এক ভবনের ১৪ ইউনিট ভাড়াপুলিশ জানায়, অনলাইন প্রতারণা ও জুয়ার কার্যক্রম চালানোর জন্য চক্রটি বাংলাদেশকে বেছে নেয়। এর সঙ্গে স্থানীয় কিছু লোকও জড়িত। স্থানীয়দের সহযোগিতায় বহুতল ভবনটির ১৪টি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে তারা কার্যক্রম চালাত। দেড় মাস আগে ফ্ল্যাটগুলো ভাড়া নেওয়া হয়। সেখানেই চলত তাদের অনলাইন কার্যক্রম।ফ্ল্যাটগুলোতে একাধিক সার্ভার, কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছিল। অভিযানে এসব সরঞ্জামসহ ১৭০টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়।মাঠপর্যায়ের কর্মীরা গ্রেফতার, মূলহোতারা বাইরেসংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) ফয়সাল আহম্মদ জানান, গ্রেফতার ৬৩ বিদেশি নাগরিক সবাই মাঠপর্যায়ের কর্মী। চক্রটির মূলহোতারা এখনো ধরা পড়েনি। তাঁদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।গ্রেফতার ব্যক্তিদের কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, তাঁরা বিভিন্ন চমকপ্রদ ওয়েবসাইট খুলে এবং চাকরির কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের তথ্য হ্যাক করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই চক্রের পেছনে কারা রয়েছে এবং গ্রেফতার ব্যক্তিরা কীভাবে এতে যুক্ত হয়েছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ডিভাইসগুলো ফরেনসিক পরীক্ষার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজারের একটি হোটেল থেকে একই অভিযোগে ছয় বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন চীনের ও একজন তাইওয়ানের নাগরিক। তাঁদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯৩৮টি আইফোন, ৪০টি ল্যাপটপসহ বিভিন্ন যোগাযোগ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।কক্সবাজারের ওই চক্রের সঙ্গে চট্টগ্রামের চক্রটির কোনো সংযোগ আছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ। তবে বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা।
৩ ঘন্টা আগে
রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থানা লুটের সময় খোয়া যাওয়া পুলিশের একটি শর্টগান ও লোগোযুক্ত এক জোড়া হ্যান্ডকাফ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দক্ষিণখান থানাধীন মুন্সী মার্কেটের খিলপাড়া লাল মাটির উঁচু মাঠের পশ্চিম পাশের ঝোপ থেকে এসব আলামত উদ্ধার করা হয়।উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক আহমেদ বেগ জানান, বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালায়। পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগের ভেতর থেকে জংধরা ব্যারেলসহ আংশিক ভাঙা একটি শর্টগান উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া শর্টগানটির গায়ে ‘5 IT 207622 Made in Brazil’ লেখা রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এটি ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন সময়ে থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের ব্যবহৃত অস্ত্রগুলোর একটি।ডিসি মির্জা তারেক আহমেদ বেগ বলেন, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে আজমপুর রেলগেট এলাকার একটি বিশ্বস্ত সূত্র থেকে ওই মাঠের ঝোপে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে দক্ষিণখান জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) মো. সোহেল রানার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।তল্লাশির সময় শর্টগানের পাশাপাশি পুলিশের লোগোযুক্ত চাবিসহ এক জোড়া হ্যান্ডকাফও উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া এসব আলামত কীভাবে সেখানে পৌঁছেছে এবং কারা এগুলো লুটের সঙ্গে জড়িত ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।এ ঘটনায় দক্ষিণখান থানায় জিডি নম্বর-৬১০-এর ভিত্তিতে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। পরে রাত ৬টা ৫৫ মিনিটে উদ্ধার হওয়া আলামতগুলো থানার মালখানায় জমা দেওয়া হয়।ডিসি মির্জা তারেক আহমেদ বেগ আরও বলেন, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রটি কারা লুট করেছিল এবং পরবর্তীতে কীভাবে তা ওই ঝোপে ফেলে রাখা হয়, সেটিই এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
৪ ঘন্টা আগে
বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি. এর উদ্যোগে রাজধানীর হোটেল ৭১ এ সফটওয়্যার উদ্বোধন, কর্পোরেট মিলনমেলা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, প্রজেক্ট ইউনিট ওনার, কর্মকর্তা, বিনিয়োগকারী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি, এর পরিচালক হোসাইন আল মামুনের উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে পোগ্রাম শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বে ওয়েভের বর্তমান কার্যক্রম, প্রকল্পের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা এবং বিনিয়োগকারীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন সফটওয়্যার উদ্বোধন করা হয়।বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি.-এর সিইও মো. ইকরাম বলেন, “বে ওয়েভ শুধু একটি হোটেল প্রকল্প নয়; এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা, স্বচ্ছতা ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বের একটি প্ল্যাটফর্ম। নতুন সফটওয়্যারটি আমাদের কার্যক্রমকে আরও জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগকারীবান্ধব করবে।”প্রজেক্ট ও কোম্পানির অগ্রগতি তুলে ধরে নাজমুল হাসান রাজু বলেন, “আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পের প্রতিটি ধাপ এগিয়ে নিচ্ছি। বিনিয়োগকারীদের নিয়মিত তথ্য প্রদান এবং তাঁদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রাখাই আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার।”অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রায় বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে পাঁচজন শেয়ারহোল্ডারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিপত্র হস্তান্তর করা হয়। উপস্থিত কয়েকজন শেয়ারহোল্ডার ও অতিথিও তাঁদের অভিজ্ঞতা, প্রত্যাশা ও মতামত তুলে ধরেন।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন , শাহনাজ খাতুন শম্পা ও ইবনুল বিন হোসাইন শাকিল।ইসলামিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বুফে ডিনারের মাধ্যমে আয়োজনটি শেষ হয়।বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি. কক্সবাজারের কলাতলীতে পরিকল্পিত একটি শরিয়াহসম্মত, শেয়ারভিত্তিক হোটেল ও রিসোর্ট প্রকল্প। স্থানীয় ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ অংশীদারত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি আয়ের সম্ভাবনা তৈরি করাই প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য।
৪ ঘন্টা আগে