আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ৮ মে ২০২৬ রাত ০৯:০৮:৫৫
অবশেষে থালাপতি বিজয়ই হচ্ছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী
দক্ষিণী মহাতারকা থালাপতি বিজয়ের চেন্নাইয়ের বাড়ির সামনে ‘টিভিকে, টিভিকে’ স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে পরিবেশ। কারণ, সূত্রের দাবি অনুযায়ী অবশেষে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন থালাপতি বিজয়। চারদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন তিনি।
জানা গেছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ৬টার দিকে সরকার গঠনের দাবি নিয়ে রাজ্যপাল আর ভি আরলেকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বিজয়। গত মাসের বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম (টিভিকে) দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করে। নির্বাচনি অভিষেকেই দলটি ২৩৪টির মধ্যে ১০৮টি আসনে জয় পেয়ে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের ৬২ বছরের রাজনৈতিক আধিপত্য ভেঙে দেয়।
তবে রাজ্যপালের এক বার্তায় সেই জয়ের উচ্ছ্বাস দ্রুতই ম্লান হয়ে যায়। আর ভি আরলেকার স্পষ্ট করে দেন, ১১৮ আসন তথা সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে টিভিকে নেতাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন না তিনি।
বুধবার ও বৃহস্পতিবার—দুই দিনে দুই দফা বৈঠক হলেও আরলেকার নিজের অবস্থান থেকে সরেননি। বৃহস্পতিবার তিনি বিজয়কে জানান, ১১৮ সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন, এমন বিধানসভায় ১১৩ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে সরকার চালানো সম্ভব নয়।
রাজ্যপাল ১১৮ জন নবনির্বাচিত বিধায়কের সমর্থনপত্র জমা দেয়ার ওপর জোর দেন। অন্যদিকে, টিভিকে থেকে বিজয়ের হাতে ছিল মাত্র ১০৭ জন বিধায়কের সমর্থন (তাকে বাদ দিয়ে)। তার অন্তত আরও ১০টি আসন প্রয়োজন ছিল। তবে তিনি দুটি আসন ত্রিচি (পূর্ব) ও পেরাম্বুর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় শপথ নেয়ার আগে একটি আসন ছাড়তে হবে, ফলে প্রয়োজনীয় সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১১-তে।
এদিকে, কংগ্রেস থেকে আরও পাঁচজন বিধায়কের সমর্থন পান বিজয়। পাশাপাশি বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে), ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গেও আলোচনা শুরু করেন তিনি।
শুক্রবার দুপুরে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, ভিসিকে এবং বামপন্থী দলগুলো শেষ পর্যন্ত বিজয়ের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে। আর তাদের সমর্থন পেতেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত হয়ে যায় বিজয়ের। তিন দল থেকে সমান দুটি করে আসন পেয়েছেন তিনি।
সূত্র: এনডিটিভি