পুলিশের ১০ জন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন জেলায় বদলি করেছে সরকার। তারা সবাই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি করা হয়।বদলি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- এসবি ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তোফায়েল হোসেন সরকারকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ, এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলামকে গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, গাজীপুরের কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানকে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কিশোরগঞ্জ কটিয়াদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তোফাজ্জল হোসেনকে শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহিন ফরাজীকে বরিশাল গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানজিনা চৌধুরীকে সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, র্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আরিফ রাইয়ানকে চট্টগ্রামের পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, গাইবান্ধা বি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলামকে গাজীপুর কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও বরিশাল গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ছালেহ মো. আনসার উদ্দীনকে বরিশাল বিএমপি অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।বদলি ও পদায়নকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করতে হবে। অন্যথায় ২০ সেপ্টেম্বর থেকে তারা তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য হবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ আছে।
৫৩ মিনিট আগে
ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও তার ভাইয়ের শিশুসন্তানের ওপর হামলার অভিযোগে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। একই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার পক্ষে অবস্থান নেওয়া শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক স্ট্যাটাসে সাদিক কায়েম এসব কথা বলেন।সাদিক বলেন, ‘ইতালির ভেনিসে আজমেরী হক বাঁধন ও তার ভাইয়ের বাচ্চা শিশুর ওপর খুনি আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’বাঁধনের অভিনীত সিনেমা ‘রেহানা মরিয়ম নূর আমাদের বোন’ উল্লেখ করে ডাকসু ভিপি বলেন, আওয়ামী লীগ যদি মনে করে এ ধরনের বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসী হামলা করে জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার পক্ষে অবস্থান নেওয়া মানুষের মনোবল নষ্ট করে দিতে পারবে, তাহলে তারা ‘কল্পনার স্বর্গে বসবাস করছে’। এর বাইরেও, যেসব ব্যক্তিবর্গ এই সন্ত্রাসী ও খুনী লীগের সাথে ‘রিকনসিলিয়েশন’-এর কথা বলে থাকেন আমরা মনে করি তাদের উদ্দেশ্য অসৎ। গণহত্যাকারী ও এই পরিচয় নিয়ে গর্ববোধ করা লীগের সাথে রিকনসিলিয়েশনের সকল পথই আসলে বন্ধ হয়ে গেছে। আমি বাংলাদেশ সরকারকে জুলাইয়ে যেসব আর্টিস্ট রাজপথে নেমেছিলেন অথবা মৌন সমর্থন দিয়েছিলেন তাদের নিরাপত্তার দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
৫৫ মিনিট আগে
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন এদিন দুপুরে এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানায়।এ সময় হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলাদেশের জনগণের সেবায় তার অব্যাহত দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেন।রাষ্ট্রপতির সঙ্গে হাইকমিশনারের আলোচনায় অভিন্ন ইতিহাস, ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার গভীর বন্ধনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।তারা উভয়ে দুই সার্বভৌম রাষ্ট্রের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণের জন্য দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করার তাৎপর্যের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
১ ঘন্টা আগে
দুই বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী তিনটি ট্রেন চলাচল আবারও শুরু হতে পারে। ২০২৪ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতার পর থেকে মৈত্রী এক্সপ্রেস, বন্ধন এক্সপ্রেস ও মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল বন্ধ আছে।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী বৈঠকে বসছেন বাংলাদেশ ও ভারতের রেলওয়ের কর্মকর্তারা। আন্তঃসরকার রেলওয়ে বৈঠকে তিনটি যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালুর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য হিসেবে থাকবে।বাংলাদেশ রেলওয়ের এক কর্মকর্তা ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, ‘মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা হবে।’ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হলে অক্টোবর থেকেই ট্রেনগুলো চালু করা সম্ভব হতে পারে।বৈঠকে বাংলাদেশ রাজশাহী থেকে কলকাতা পর্যন্ত নতুন একটি রেলপথ চালুর প্রস্তাব দিতে পারে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এছাড়া ঢাকা-কলকাতা রুটে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেসকে যমুনা সেতুর পরিবর্তে সদ্য নির্মিত পদ্মা সেতু হয়ে চালানোর বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।দুই দেশ সমঝোতায় পৌঁছাতে পারলে আগামী মাস থেকেই তিনটি আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন ফের চালু হতে পারে। তবে ট্রেন চলাচল শুরুর আগে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে আন্দোলনের পর মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেসের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মিতালী এক্সপ্রেস ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই শেষবারের মতো ঢাকায় এসেছিল। এরপর আর ভারতে ফিরে যায়নি।মৈত্রী এক্সপ্রেস ঢাকা-কলকাতা, বন্ধন এক্সপ্রেস খুলনা-কলকাতা এবং মিতালী এক্সপ্রেস ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি রুটে চলাচল করত। এবার আবারও শুরু হতে পারে দুদেশের এ তিন ট্রেনের চলাচল।
১ ঘন্টা আগে