পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়েছিল বাংলাদেশ দল। শুরুতে একমাত্র টেস্ট হার, এরপর ওয়ানডে সিরিজেও ভরাডুবি। চারদিকে সমালোচনার মধ্যেই সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও হেরে বসেছিল টাইগাররা। অবশ্য পরের দুই টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ বাঁচিয়েছে টাইগাররা। জিম্বাবুয়েতে ব্যর্থ মিশন শেষে আজ সকালে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে টাইগাররা। বিমানবন্দরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। জানিয়েছেন জিম্বাবুয়েতে ব্যর্থ হওয়ার কারণ। কন্ডিশনের কথা জানিয়ে আশরাফুল বলছিলেন, 'ওখানে প্র্যাকটিস ম্যাচ ছিলো না। জিম্বাবুয়ের পিচের বাউন্স সামলানো কঠিন হয়ে গেছে। তবে এই অভিজ্ঞতা বিশ্বকাপে কাজে দেবে।'এদিকে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ খেলতে যাবে বাংলাদেশ দল। সেখানে দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। যা আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। সেই সিরিজে ভালো করবে দল প্রত্যাশা আশরাফুলের, ‘অস্ট্রেলিয়ায় আমরা প্রায় ১০ দিন আগে যাচ্ছি। ওখানে ৩ দিনের প্র্যাকটিস ম্যাচ আছে। আশাকরি খেলোয়াড়রা ভালো করবে।’আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে প্রথম টেস্টের মাধ্যমে সিরিজটি শুরু হবে। এরপর ২২ আগস্ট ম্যাকাইতে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। ২০০৩ সালের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সিরিজ হতে যাচ্ছে এটি।
৬ ঘন্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোল ব্যবধানে হেরে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে আর্জেন্টিনা। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে যে মানুষটি পুরো দেশকে আশার আলো দেখিয়েছিলেন, সেই লিওনেল মেসির চোখ জুড়ে শুধুই নিঃশব্দ হাহাকার। তবে নীরবতা ভেঙে মুখ খুলেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি একটি ছবি শেয়ার করেছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর। আর তার ক্যাপশনে মেসি লেখেন, ‘কষ্টটা অনেক বেশি এবং আমার জন্য এই ক্ষত শুকাতে সময় লাগবে। তবে আমি সব ভালো মুহূর্তগুলোকেও সঙ্গে রাখব... মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সবটুকু উজার করে দিয়ে খেলা সেই ম্যাচগুলো চিরকাল স্মৃতিতে থেকে যাবে।’‘আর পুরো একটি দেশের ভালোবাসাও সঙ্গে থাকবে যা এই দলের পরিশ্রম ও চেষ্টার সাথে মিলে আমাদের আবারও বিশ্বের সেরা দলগুলোর কাতারে নিয়ে এসেছে। আজ আমরা কী করেছি তা মূল্যায়ন করা কঠিন, কিন্তু এই দলটি পর পর দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল।’৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা ফলাফলের চেয়ে দলগত যাত্রাপথকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। কীভাবে পুরো দল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছে, একের পর এক ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছে—সেই স্মৃতিগুলোকেই হৃদয়ে ধারণ করতে চান তিনি।ভক্তদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন বার্তায় মেসি আরও লেখেন, ‘আমরা আরও একবার পুরো দেশকে এক করতে পেরেছি। সবাই মিলে একই অনুভূতির অংশ হতে পেরেছি এবং আর্জেন্টাইন হওয়ার অসীম গর্ব ভাগ করে নিয়েছি।’
১ দিন আগে
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনাকে বাঁচাতে আরেকটি জাদুকরী পারফরম্যান্স করতে পারলেন না লিওনেল মেসি। ম্যাচ শেষে রানার্সআপ মেডেল গলায় ঝুলিয়ে কাঁদতে দেখা গেল তাকে। অবশ্য স্পেনকে কৃতিত্ব দিতে কার্পণ্য করেননি তিনি।১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতার খোঁজে ছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের এক মিনিট না হতেই ফেরান তোরেসের গোল। তাতেই হার মানতে হয় আলবিসেলেস্তেকে।গোল মাত্র একটি দিতে পারলেও স্পেন পুরো ম্যাচে দাপট দেখিয়েছে। বল দখল থেকে শুরু করে পাসিং এবং গোলমুখে আক্রমণ—সবদিক থেকে আর্জেন্টিনার চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে ছিল লা রোজারা।ম্যাচের পর দর্শকদের সঙ্গে অনুভূতি ভাগাভাগি করতে গিয়ে কান্না আটকে রাখতে পারেননি মেসি। তিনি বলেন, ‘আমি দুঃখিত, তবে আমি জানি যে আমরা আমাদের পুরো হৃদয় দিয়ে খেলেছি।’ফাইনালে এবং পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই স্পেনের আধিপত্য ছিল একচ্ছত্র। ‘লা রোজা’ ফাইনালে শটের দিক থেকে ২০-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল এবং তারা আর্জেন্টিনাকে ৮৪৫-৪৩৩ পাসে পেছনে ফেলে দেয়।মেসি স্পেনের পারফরম্যান্সকে কৃতিত্ব দিলেন, ‘সত্যি বলতে, ওরা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। আমরা খেলায় হেরেছি এবং আমরা তা মেনে নিচ্ছি। তার মানে এই নয় যে আমরা এ পর্যন্ত যা কিছু করেছি তা ভুলে যাব, তাই আমি আমার দেশের মানুষ, খেলোয়াড় ও আমার দেশকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’
২ দিন আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে স্পেন। এর আগে ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্প্যানিশরা। এতে দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো তারা। বিশ্বকাপ জিতে ট্রফি নেওয়ার পাশাপাশি বিশাল অঙ্কের প্রাইজমানিও পাচ্ছে স্পেন। গত বছরের ডিসেম্বরেই ফিফা এবারের আসরের জন্য রেকর্ড ৬৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি) প্রাইজ ফান্ডের ঘোষণা দিয়েছিল। যা কাতারে অনুষ্ঠিত গত ২০২২ বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা প্রাইজমানি হিসেবে পাবে ৫ কোটি ডলার পাচ্ছে। মানে স্পেন বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬১৬ কোটি টাকার বেশি নিয়ে দেশে ফিরছে। অন্যদিকে, রানার্সআপ দল আর্জেন্টিনা ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার পাচ্ছে (৪০৬ কোটি টাকা)।ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় হওয়া ইংল্যান্ড পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা) এবং পরাজিত ফরাসিরা পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার (৩৩৩ কোটি টাকা)।রেকর্ড সেভ ও ৮০০ পাসে স্বপ্নভঙ্গকোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া দল-মরক্কো, বেলজিয়াম, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের প্রত্যেকে পাবে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার করে। এ ছাড়া শেষ ১৬ (রাউন্ড অব ১৬) থেকে বিদায় নেওয়া দল-বিদায়ী ৮টি দলের প্রত্যেকে পাবে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার করে। শেষ ৩২ (রাউন্ড অব ৩২) থেকে বিদায় নেওয়া দল-বিদায়ী ১৬টি দলের প্রত্যেকে পাবে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার করে।বিশ্বকাপ শুরুর পর থেকে ফাইনাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৮ দিনের এই লড়াইয়ে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের প্রত্যেকের জন্যই অন্তত ১ কোটি ৫ লাখ ডলার নিশ্চিত ছিল। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো পাচ্ছে ৯০ লাখ ডলার, সেই সঙ্গে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রস্তুতি খরচ বাবদ দেওয়া হচ্ছে আরও ১৫ লাখ ডলার।
২ দিন আগে