বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান।তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে নবীনগর উপজেলার নাটঘর ইউনিয়নের একুইছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মরহুম হাবিবুর রহমান এবং বিএনপি নেতা মরহুম জামাল উদ্দিন কালো মাস্টারের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। খুব শিগগিরই স্বাস্থ্য কার্ড কার্যক্রমও শুরু হবে। কৃষকদের জন্য সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের ভোগান্তি কমাতে প্রবাসী কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে জাতীয় সংসদে পাঠিয়েছেন বলেই আমি আপনাদের কথা সংসদে তুলে ধরতে পারছি। আপনাদের যেকোনো সমস্যা বা প্রয়োজনে আমার দরজা সব সময় খোলা থাকবে।’নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ মোল্লার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসরাফ হোসেন রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক-২ দেলোয়ার হোসেন সোহেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রহমান উল্লাহ, মহিউদ্দিন আহমেদ মহিন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বখতিয়ার খান মহসিন, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মনিরুজ্জামান পল্টু, প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সভাপতি মাসুদুর রহমান, সহ-সভাপতি শরাফত আলী, সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি হুমায়ুন কবিরসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।আলোচনা সভা শেষে প্রয়াত দুই বিএনপি নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
১৮ ঘন্টা আগে
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় দুইটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত মান বজায় রেখে সম্পন্ন করে অব্যয়িত ৩৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে কচুয়া উপজেলা প্রশাসন।এ প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ছিল ৭৭ লক্ষ ৩৩ হাজার ১৪২ টাকা এর মধ্যে প্রকৃত ব্যয় হয়েছে ৪২ লক্ষ ৮৪ হাজার ৮৪৩ টাকা। এদিকে খাল পুনঃখনন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল দড়িটানা থেকে বলেশ্বর নদীর সংযোগ পর্যন্ত ১ কিলোমিটার অন্যদিকে মঘিয়া ইউনিয়নের কুন্ডুপাড়া থেকে খলিশাখালী পর্যন্ত ১ কিলোমিটার খাল। তার পরিপ্রেক্ষিতে খালের পুনঃখননের কাজ শেষ হয়েছে।সরকারি অর্থের সাশ্রয়ী ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী হাসান। প্রশাসনের এ উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছে।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানাযায়, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বর্ষায় জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচসুবিধা নিশ্চিত করতে এই উদ্যেগ গ্রহণ করা হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আলী হাসান বলেন, “কচুয়াতে আমাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে দুটি খাল পুনঃখননের বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছিল। একটি গোপালপুর খাল আর একটি মঘিয়া খাল। আমরা নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে খাল পুনঃখনন সম্পন্ন করেছি। পুনঃখনন সম্পন্ন করে যে অব্যবহৃত অর্থ ছিল ৩৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে চালানের মাধ্যমে জমা দিয়েছি। খাল খননের ফলে ঐ এলাকার মানুষের বেশ উপকার হবে এবং যে জলাবদ্ধতা আছে সেই জলাবদ্ধতাগুলো নিরসন হবে। আমি সরকার কে ধন্যবাদ জানাই সরকার এই কাজের সাথে আমাদের সম্পৃক্ত করার সুযোগ করে দিয়েছেন। তাই এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। তিনি আরও বলে,সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার অপরিহার্য। জনগণের কল্যাণে বরাদ্দকৃত প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই প্রশাসনের অঙ্গীকার।
৫ ঘন্টা আগে
তীব্র লবণাক্ত অধ্যুষিত উপকূলীয় মানুষের জন্য সুপেয় পানি সংরক্ষণে পানির ট্যাংক বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর চত্বরে জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের উদ্যোগে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং'র মাধ্যমে সুপেয় পানির সংকটে থাকা পরিবারের মাঝে এ ট্যাংক বিতরণ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না ফেরদৌসী,উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী, বাগেরহাট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত মল্লিক রামপাল উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইমরান হোসেন, রামপাল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রাজীব আল রশিদ, উপজেলা বিএনপি সভাপতি হাফিজুর রহমান তুহিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ও রামপাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফকির আতিয়ার রহমান। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সুপেয় পানির তীব্র সংকটে থাকা উপকূলের মোংলা ও রামপালের দরিদ্র মানুষের মাঝে আপাতত ৩ হাজার পানির ট্যাংক বিতরণ করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ৮২টি ট্যাংক বিতরণ করা হয়। এখানে লবণ পানিতে সয়লাব, কোথাও তেমন মিষ্টি পানির উৎস নেই। তাই বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য এই ট্যাংক দেয়া হচ্ছে। জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় পর্যায়ক্রমে উপকূলের প্রত্যেক ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেয়া হবে। কারণ এখানে টিউবওয়েলর পানিও লবণ। তাই সুপয়ে পানির চাহিদা পূরণে এখানকার সকল সরকারী পুকুর সংস্কার করা হবে। সেগুলো সুপেয় পানির আধারে পরিণত করা হবে। এ পুকুরগুলোতে কেউ মাছ চাষ করতে পারবেনা। পরে দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ২৮ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে ঢেউ টিন এবং নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।
২ দিন আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় তিস্তা নদীর মার্জিনাল ডাইকের একটি অংশে হঠাৎ ধস দেখা দিয়েছে। এতে কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম নতুন করে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের প্রায় ২০ গজ দূরে তিস্তা নদীর মার্জিনাল ডাইকে এ ধসের ঘটনা ঘটে। ধসের পর ঘটনাস্থলে ভাঙনের আশঙ্কা আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের ভাষ্য, দ্রুত জরুরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম তিস্তার গর্ভে বিলীন হতে পারে। একই সঙ্গে নদীতীর থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে থাকা শহর রক্ষা বাঁধ (ওয়াপদা বাঁধ)ও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ওই বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে রংপুর শহরসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্যা ও প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হবে বলে তাদের দাবি।এ অবস্থায় দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। জিও ব্যাগ প্রস্তুত রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে তা ফেলার ব্যবস্থা করা হবে বলে আশা করছি।
১ দিন আগে