বিএনপি সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং জ্বালানিমন্ত্রী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আগামী ৩০ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগে গণবিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে এনসিপির সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে এ ঘোষণা দেন তিনি।স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং সাইবার আইনসহ কর্তৃত্ববাদী আইন বাতিল।বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক।এ সময় এনসিপির দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পর মানুষের সমস্যা বেড়েছে, অথচ সমাধানে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেই।আর সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বিএনপি সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা যাচ্ছে না।
১ দিন আগে
সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে হেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে ‘সমমনা ইসলামী দল’ নামে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠন করার পর ১১ দলীয় ঐক্যে ভাঙনের গুঞ্জন উঠেছে। তবে এই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে ঐক্যে ভাঙনের কোনো বিষয় নেই বলে দাবি করেছেন সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের মিন্টো রোডের বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকার জনগণের গণরায়কে উপেক্ষার মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের ওপর চপেটাঘাত করেছে। সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠনের মাধ্যমে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে।গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করেই ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। উল্টো আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের সম্পর্ক নিয়ে মিথ্যাচার করছে তারা।প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে এখন দুর্নীতি হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক। হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচনে যদি ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়, তবে সরকারের পরিণতি খারাপ হবে।১১ দলীয় ঐক্যের ভাঙন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের ভাঙনের কোনো বিষয় নেই। এ বিষয়ে যে তথ্য প্রচার হচ্ছে, তা প্রোপাগান্ডা। গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ চলমান আন্দোলন কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধ থাকবে সব দল।কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক সাতটি রাজনৈতিক দলের বৈঠক শেষে গত বৃহস্পতিবার হেফাজতের মহাসচিব নতুন জোটের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন জোটে ঐক্যবদ্ধ হবে দলগুলো। এই ঘোষণার পর আজ বৈঠকে বসে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হেফাজতের তত্ত্বাবধানে গঠিত জোটের দলগুলোর নেতারাও।
১ দিন আগে
প্রতিষ্ঠার প্রায় পৌনে দুই বছর দলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন করেছে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের গড়া দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি। পুনর্গঠিত কমিটিতে শীর্ষ কয়েকটি পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। পাশাপাশি দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদ-এর ১৬ সদস্যের নামও প্রকাশ করা হয়েছে।শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে দলের ফেসবুক পেজে পুনর্গঠিত কমিটির তথ্য প্রকাশ করা হয়। পরে দলের দফতর সম্পাদক সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতেও নতুন কমিটির বিভিন্ন পদে দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম জানানো হয়।পুনর্গঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক পদে মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব পদে আখতার হোসেন বহাল রয়েছেন। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহ। এর আগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দলের মুখ্য সমন্বয়ক এবং হাসনাত আবদুল্লাহ মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।অন্যদিকে, দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম ও মুখপাত্রের দায়িত্বে থাকা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব করা হয়েছে। আগে তাদের দুজনের দায়িত্ব ও অবস্থান ছিল ভিন্ন। এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত সামান্তা শারমিনের পদও পরিবর্তন হয়েছে। আগে তিনি সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক থাকলেও নতুন কমিটিতে তাকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের ১৬ সদস্যের নামও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে রয়েছেন আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহ এবং সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব মো. সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।এ ছাড়া রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য হয়েছেন অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ড. আতিক মুজাহিদ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও নুসরাত তাবাসসুম।কেন্দ্রীয় কমিটিতে যারা যে দায়িত্বেপুনর্গঠিত কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ড. আতিক মুজাহিদ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, ব্যারিস্টার সানি আব্দুল হক, মাহবুব আলম, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, মাওলানা আশরাফ মাহাদী, সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক, দিলশানা পারুল, প্রীতম দাশ, সামান্তা শারমিন, ইসহাক সরকার, তারেক এ আদেল ও এ কে ফ্লোরা।যুগ্ম সদস্যসচিব হয়েছেন আলাউদ্দীন মোহাম্মদ (আন্তর্জাতিক), এস এম সাইফ মুস্তাফিজ (কোষাধ্যক্ষ), মো. নিজাম উদ্দিন, নাহিদা সারোয়ার নিভা, ফরিদুল হক ও মো. আতাউল্লাহ।আন্তর্জাতিক সম্পাদক হয়েছেন তাহসীন রিয়াজ এবং সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক আশরেফা খাতুন। দপ্তর সম্পাদক হিসেবে সাদিয়া ফারজানা দিনা এবং সহ-দফতর সম্পাদক হিসেবে ইফতেখারুল ইসলাম দায়িত্ব পেয়েছেন।আইন সম্পাদক হয়েছেন অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা। সহ-আইন সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট এরশাদুল বারি ও অ্যাডভোকেট ছেহায়েত উল্লাহ। প্রচার সম্পাদক হয়েছেন জয়নাল আবেদীন শিশির। সহ-প্রচার সম্পাদক হয়েছেন মেজবাহ কামাল মুন্না ও শাহাদাত হোসেন।শিক্ষা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফয়সাল মাহমুদ শান্ত এবং সহ-শিক্ষা সম্পাদক সাকিব শাহরিয়ার। নারীবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর। কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক হয়েছেন মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান।পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন সাগুফতা বুশরা মিশমা এবং সহ-সম্পাদক এহসানুল মাহবুব জোবায়ের। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা। মিডিয়া সম্পাদক হয়েছেন ইয়াসির আরাফাত এবং সহ-মিডিয়া সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন।ধর্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাওলানা সানাউল্লাহ খান। সহ-ধর্ম সম্পাদক হয়েছেন সাগর বড়ুয়া ও জয় বিশ্বাস। গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মশিউর রহমান।সংস্কৃতি সম্পাদক হয়েছেন লুৎফর রহমান এবং সহ-সংস্কৃতি সম্পাদক মেহেরাব সিফাত। শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন অ্যাডভোকেট আলী নাছের খান। সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন সাইয়েদ জামিল এবং সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহবুব আলম।তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক হয়েছেন রাশেল উল আলম এবং সহ-তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক তাওহিদ তানজিম। প্রবাসী কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ।বিভাগীয় সাংগঠনিক দায়িত্বে যারাবিভাগীয় সাংগঠনিক দায়িত্বেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ঢাকা বিভাগের উত্তরাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন সাইফুল্লাহ হায়দার এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী। ঢাকা বিভাগের দক্ষিণাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান অপু।চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিণাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন এ এস এম সুজাউদ্দীন এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাওয়াদুল করিম। উত্তরাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন নাজিদ নওরোজ শাহ এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম সৈকত।রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব মাহাদী। রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পণ এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন।সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন প্রকৌশলী কামরুল আরিফ এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ উদ্দিন তারেক। খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিন ইরা এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্যা রহমতুল্লাহ।বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন ড. শামীম হামিদী এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সালমান। ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়াজ মেহেরাব তালুকদার এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তানহা শান্তা।ঢাকা বিভাগে সাংগঠনিক সম্পাদক (ডায়াস্পোরা) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রাফে সালমান রিফাত, তানজিল মাহমুদ, আয়মান রাহাত ও তারেক রেজা। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন রিদওয়ান হোসেন অক্ষর, আরাফাত হোসেন আলিফ, জসিম উদ্দিন ও আলমগীর চৌধুরী আকাশ।নতুন কমিটির মাধ্যমে শীর্ষ নেতৃত্বের পাশাপাশি সাংগঠনিক ও বিষয়ভিত্তিক দায়িত্বগুলোও পুনর্বিন্যাস করেছে এনসিপি। তবে জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে নতুন কোনো সময়সূচি জানানো হয়নি।
১ দিন আগে
রাঙামাটির সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে- তা জানতে চেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।তিনি এই ইস্যুতে সরকারকে ‘ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের’ পেছনে না দৌড়িয়ে সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতেও বলেন।সরকারের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সময় থাকতে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, ‘রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে? ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না দৌড়িয়ে সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।‘সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই। সময় থাকতে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’
২ দিন আগে