অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা নানা অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি সরকার। শুরু থেকেই এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে ১১ দলীয় জোট। এবার সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্য উপদেষ্টাদের রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম।সৌদি আরবে ওমরাহ করে শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে দেশে ফিরে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ আহ্বান জানান তিনি।নাহিদ বলেন, ‘আমি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে রাজপথের বিক্ষোভে নামার আহ্বান জানাচ্ছি। অন্তর্বর্তী সরকারের যেসব উপদেষ্টা ছিলেন, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের দায়িত্ব নিতে হবে। তারা যে এই অধ্যাদেশগুলো করেছিলেন, কেন করেছিলেন, এখন সেগুলো বাতিল করা হচ্ছে- এগুলো নিয়ে তাদের কথা বলতে হবে। এসব বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে মুখ খুলতে হবে।’তিনি বলেন, ‘তারা (উপদেষ্টারা) অধ্যাদেশ করে চলে গেছেন। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপিকে ক্ষমতা দিয়ে চলে গেছেন। এখন অধ্যাদেশগুলো বাতিল হবে, সংস্কার হবে না, তারা কথা বলবেন না, যার যার ক্যারিয়ারে ফিরে যাবেন, এটা হবে না। জনগণের কাঠগড়ায় তাদের দাঁড়াতে হবে।
৬ ঘন্টা আগে
দেশের স্কুল ও কলেজে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর সরকারি প্রস্তাবনার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে চলমান পরিস্থিতিতে শিক্ষাব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা না করে হঠাৎ করে অনলাইন ক্লাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া অযৌক্তিক।নূরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, দেশের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এখনও প্রযুক্তিগত সুবিধা, মানসম্মত ইন্টারনেট সংযোগ এবং প্রয়োজনীয় ডিভাইসের নাগাল পায় না। এমন বাস্তবতায় অনলাইন ক্লাস বাধ্যতামূলক করা হলে সমাজের দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারের সন্তানরা মারাত্মকভাবে বৈষম্যের শিকার হবে এবং অনেকে শিক্ষাঙ্গন থেকে ছিটকে পড়বে। এর পূর্বে করোনাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, যা এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।মহিলা জামায়াত সেক্রেটারি আরও বলেন, শিল্প কারখানা যেমন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বন্ধ রাখা যায় না, তেমনি অনলাইনে ক্লাস বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উপায় হতে পারে না বরং জ্বালানী সাশ্রয়ে এ খাতে দুর্নীতি লুটপাট অপচয় বন্ধের ব্যাপারে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।শ্রেণিকক্ষের স্বাভাবিক পরিবেশে পাঠদান শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সরাসরি যোগাযোগ এবং সহপাঠীদের সঙ্গে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যা অনলাইনের মাধ্যমে পূর্ণভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের শিক্ষাখাত বর্তমানে সংস্কার ও পুনর্গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে রয়েছে। এ সময়ে প্রয়োজন শিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদানের পরিবেশ উন্নত করা এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠাভ্যাসে ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ। এর পরিবর্তে অনলাইন ক্লাসকে প্রধান বিকল্প হিসেবে দাঁড় করানো কোনোভাবেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে পারে না।তিনি আশা করেন সরকার শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার স্বার্থ বিবেচনায় রাখবেন । তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান—শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এবং শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হোক।
১০ ঘন্টা আগে
গণসংহতি আন্দোলনের অভ্যন্তরীণ নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে দলের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর হাতিরপুলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করেন, তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেননি। বরং দলের সাংগঠনিক নীতির অংশ হিসেবেই তিনি এই দায়িত্ব ছেড়েছেন।প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব ছাড়লেও তিনি দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হিসেবে আগের মতোই সক্রিয় থাকবেন এবং তার রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।এদিকে গণসংহতি আন্দোলনের নতুন প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু।আগামী দিনগুলোতে ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে গণসংহতি আন্দোলনের লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে জানান নতুন প্রধান সমন্বয়কারী।গণসংহতি আন্দোলন ২৯ আগস্ট ২০০২ সালে ‘জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার আহ্বান’ নিয়ে যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ আইনি ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পায় দলটি।চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের শরিক হিসেবে জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে দলের প্রতীক মাথাল নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার তাকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়।
১০ ঘন্টা আগে
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল টিমকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করেন তিনি।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, গতকাল ৩ এপ্রিল (জুমআ বার) মালদ্বীপের জাতীয় স্টেডিয়ামে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভারতের বিপক্ষে এক শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা অর্জন করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল।এই ঐতিহাসিক বিজয়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের সকল খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলাররা অসাধারণ দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও দলগত ঐক্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাদের এই সাফল্য জাতির জন্য গৌরবজনক। তিনি আরোও বলেন, শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সাহসী ও মেধাবী ফুটবলাররা অসাধারণ দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং দলগত ঐক্যের পরিচয় দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলের ব্যবধানে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নশিপ অর্জন জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।তিনি বলেন, দলের এই নজরকাড়া পারফরম্যান্স সমগ্র দেশবাসীকে আনন্দিত ও গর্বিত করেছে। খেলাধুলায় এ ধরনের সাফল্য দেশের তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল টিম ভবিষ্যতেও এ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে দেশের জন্য আরও গৌরব ও সুনাম বয়ে আনবে।
১১ ঘন্টা আগে