রুহুল আমিন কিবরিয়া, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬ রাত ০৬:৩৪:১২
শজিমেক হাসপাতালে শয্যা বাড়ছে ১২০০ থেকে ১৮০০
গত ৪ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, শজিমেক হাসপাতাল একটি টারশিয়ারি স্তরের বিশেষায়িত হাসপাতাল। বর্তমানে হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যার তুলনায় ভর্তি রোগীর গড় অনুপাত প্রায় ১৫৪ দশমিক ১০ শতাংশ। দিন দিন রোগীর চাপ বাড়ছে। ভবিষ্যতে এ চাপ আরও ২০ শতাংশ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শয্যা সংকটের কারণে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত রোগীকে হাসপাতালের মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার রোগী হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নেন।
বগুড়া জেলা ছাড়াও গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও নাটোরসহ আশপাশের আট জেলার রোগীরা নিয়মিত এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রায় দুই কোটি মানুষের এই অঞ্চলে আইসিইউ, সিসিইউ, এইচডিইউসহ অন্যান্য জটিল চিকিৎসার শয্যার চাহিদা বিদ্যমান সক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি।
এ পরিস্থিতিতে উত্তরাঞ্চলের বিশাল জনগোষ্ঠীর বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা ১ হাজার ২০০ থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৮০০ করার প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে বিদ্যমান জনবল দিয়েই হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তবে ভবিষ্যতে সুষ্ঠু সেবা প্রদানের স্বার্থে হাসপাতালের ক্যানসার সেন্টারসহ অন্যান্য অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নতুন পদ সৃষ্টি করা হবে।
শয্যা সংখ্যা ৬০০ বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।