পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে আবারও পথচলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সমর্থকদের আরও কাছাকাছি পৌঁছানোর পরিকল্পনা নিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় দুটি প্রীতি ম্যাচের পাশাপাশি ভারতের কলকাতায়ও একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী অক্টোবরের শুরুতেই কলকাতার মাঠে দেখা যেতে পারে সেলেসাওদের।দ্য মিন্ট এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম ‘ফিফা সুপার ডেট’-এ ব্রাজিল তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। এর মধ্যে দুটি ম্যাচের সূচি ইতোমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার টাউনসভিলে এবং ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রিসবেনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল।এই দুটি ম্যাচের পর অক্টোবরের শুরুতে ভারতের কলকাতায় আরও একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সিবিএফ। এ নিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে ম্যাচটি কলকাতায় হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হলেও ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কোন দল হবে, তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।সিবিএফের এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে এশিয়ায়, বিশেষ করে ভারত ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ব্রাজিলের বিপুল জনপ্রিয়তা। ২০২৬ বিশ্বকাপ চলাকালে ভারতজুড়ে হাজারো ব্রাজিল সমর্থকের উপস্থিতি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হলুদ-সবুজ জার্সিধারী ভক্তদের ছবি সংস্থাটির নজর কেড়েছে। এ কারণেই দক্ষিণ এশিয়ার সমর্থকদের সামনে জাতীয় দলকে খেলানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে চুক্তির কয়েকটি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলেই ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।ব্রাজিলের এই সফর নতুন চালু হওয়া ‘ফিফা সুপার ডেট’ ক্যালেন্ডারের অংশ। ১৬ দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে প্রতিটি জাতীয় দল সর্বোচ্চ চারটি ম্যাচ অফিসিয়াল কিংবা প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন মহাদেশে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে ফিফা।এদিকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে সিবিএফ। সংস্থাটি বলছে, ২০২৭ সাল থেকে ব্রাজিলের ভেতরেই আরও বেশি প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করা হবে। বিশেষ করে যেসব শহরে জাতীয় দলের ম্যাচ খুব কম হয়, সেসব অঞ্চলেও ব্রাজিলকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সমর্থকেরাও কাছ থেকে জাতীয় দলকে দেখার সুযোগ পান।
৪৪ সেকেন্ড আগে
ভারতের মুম্বাইয়ের ২৭ বছর বয়সী মডেল ও থিয়েটারশিল্পী রিয়া আহির বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। শিক্ষাব্যবস্থার নানা অনিয়মের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভে পুলিশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করলে, তাদের মুক্তির দাবিতে তিনি নিদ্বির্ধায় পুলিশের ভ্যানের সামনে গিয়ে দাঁড়ান।সেই সাহসী অবস্থানের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনরা তাকে ‘সাহসী’ ও অকুতোভয় আখ্যা দিয়ে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ সম্পর্কে রিয়া জানান, তার বাবা-মা মেয়ের এই সাহসিকতায় ভীষণ খুশি হয়েছেন এবং তাকে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন।মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে জাতীয় মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার (NEET) প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পুলিশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে জোরপূর্বক পুলিশের ভ্যানে তোলে, যার মধ্যে নারী আন্দোলনকারীও ছিলেন।রিয়া আহির জানান, আটক হওয়া সেই ব্যক্তিদের কাউকেই তিনি ব্যক্তিগতভাবে চিনতেন না। তবে যেভাবে গাদাগাদি করে মানুষকে ভ্যানে তোলা হচ্ছিল, তা দেখে নাগরিক দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি চুপ থাকতে পারেননি। তিনি বলেন, ভ্যানে অনেককে তুলে দেওয়া দেখে তিনি এক নারীকে নামিয়ে আনার চেষ্টা করেন, কিন্তু পুলিশ বাধা দেয়। শেষ পর্যন্ত উপায় না দেখে তিনি চলন্ত ভ্যানের ঠিক সামনে গিয়ে দাঁড়ান এবং আটকে থাকা সবাইকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানান।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, রিয়া অবিচলভাবে পুলিশের ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন এবং সেখান থেকে সরে যেতে স্পষ্টভাবে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। রিয়ার অভিযোগ, তাকে ভয় দেখিয়ে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ভ্যানচালক বেশ কয়েকবার জোরে ইঞ্জিন চালিয়ে গাড়ি সামনে নেওয়ার ভয় দেখান, কিন্তু তিনি একচুলও নড়েননি।রিয়ার এই অদম্য অবস্থান দেখে অন্য আন্দোলনকারীরাও তার পাশে এসে কাঁধ মেলান। তীব্র প্রতিবাদ ও তোপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশ আটক ব্যক্তিদের শিবাজি পার্কেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।রিয়া জানান, এটিই ছিল তার জীবনের প্রথম কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ। ২১ জুলাই তিনি প্রথমবার শিবাজি পার্কে গিয়েছিলেন, কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর আগেই পুলিশ অনেককে আটক করায় তিনি পরদিন ২২ জুলাই আবার সেখানে যান। আর সেদিনই ঘটে যায় সেই অনাকাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত, যা তাকে এক লহমায় পরিচিত মুখ বানিয়ে তোলে। রিয়া বলেন, আন্দোলনটির অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে ওঠার কোনো পরিকল্পনা তার ছিল না; পুলিশি পদক্ষেপের মুখোমুখি হয়ে সে মুহূর্তে নিজের বিবেকের তাড়না থেকেই সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলেন।এমন বিপদের মুখেও সাহসের পরিচয় দেওয়া প্রসঙ্গে রিয়া জানান, তার পরিবারের সঙ্গে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর দীর্ঘ ও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তার বাবা ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশে (ITBP) দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যও প্রতিরক্ষাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। রিয়া মুচকি হেসে বলেন, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস হয়তো তাঁর রক্তেই প্রবাহিত হচ্ছিল।রিয়া মনে করেন, এই সংগ্রাম কেবল প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে নয়, বরং গোটা শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কারের পক্ষে। মনোবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শুরু করলেও পেশাগত ব্যাস্ততায় গ্র্যাজুয়েশন শেষ করতে পারেননি রিয়া। বর্তমানে তিনি মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা করছেন।নিজের পড়াশোনার অভিজ্ঞতা থেকে অভিযোগ তুলে রিয়া বলেন, নিয়মিত কোর্স ফি পরিশোধ করা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম প্রশাসনিক সহায়তা পাওয়া যায় না এবং সরকারি যোগাযোগের নম্বরগুলোতেও কেউ সাড়া দেয় না। তার ভাষায়, এটি শুধু বিশেষ একটি পরীক্ষার বিষয় নয়, পুরো ব্যবস্থার যে গলদ রয়েছে—এ আন্দোলন তারই এক সম্মিলিত প্রতিবাদ।প্রতিবাদের মুখ হয়ে ওঠার পাশাপাশি পেশাগত জীবনে রিয়া আহির প্রায় ১৩ বছর ধরে নিয়মিত হিন্দি থিয়েটারে যুক্ত রয়েছেন এবং দাপটের সাথে মডেলিং করছেন। এর বাইরে গত বছর তিনি ‘রিয়াসত’ নামে নিজস্ব একটি উদ্যোগ চালু করেন, যার মূল কাজ হলো স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পীদের তৈরি পণ্য সরাসরি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড প্রাডার কোলহাপুরি চপ্পলের নকশা বিতর্কের পর দেশের প্রান্তিক কারিগরদের কাজকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরার ভাবনা থেকেই এই সামাজিক উদ্যোগের জন্ম দেন তিনি।
৪ মিনিট আগে
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বেশ কিছুটা স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে নির্বাচনের পর পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে ভারত।শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। এ সময় মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ প্রত্যাশার কথা জানান।ব্রিফিংয়ে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশ ভারতে দুজন প্রেস কর্মকর্তা পাঠিয়েছে। অতীতে তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতবিদ্বেষী অবস্থান দেখা গিয়েছে। এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান কী?জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগের বিষয়ে আমাদের জানানো হয়েছে। আমরা আমাদের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে চাই। দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে এখানকার বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমরা উন্মুখ।’ব্রিফিংয়ে গৌতম লাহিড়ী নামের এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত শিগগিরই ঢাকা সফরে আসছেন। তিনি কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে জানিয়েছেন? তার সফরের উদ্দেশ্য কী হবে, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত রয়েছে কিনা?’জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সফর প্রসঙ্গে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।’
৭ মিনিট আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ল খেলাফত মজলিস।শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। রাজধানীর পুরানা পল্টনে মজলিস কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকবে। তবে ভবিষ্যতে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়োজন হলে বিষয়টি তারা বিবেচনা করবে।বৈঠক শেষে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।এর আগে, গত ১৩ জুন চট্টগ্রামে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশের পর খেলাফত মজলিস আনুষ্ঠানিকভাবে জোটকে জানিয়ে দেয়, ভবিষ্যতে কোনো সমাবেশের ব্যানার বা প্রচারণায় যেন দলের নাম কিংবা নেতাদের নাম ব্যবহার না করা হয়। পরে রংপুরের একটি সমাবেশে নাম ব্যবহার করা হলে আপত্তির মুখে তা প্রত্যাহার করা হয়। এরপর থেকে জোটের কোনো কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিসের নাম ব্যবহার করা হয়নি বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।এদিকে, আজ সকালে জোট ত্যাগের বিষয়ে কালবেলার সঙ্গে কথা বলেন খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমি। ফোনালাপে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে ১১ দলের একটা সমঝোতা হয়েছিল।আমরাও সেই সমঝোতায় ছিলাম। নির্বাচন-পরবর্তী ১১ দলের কিছু কর্মসূচিতেও আমাদের খানিকটা উপস্থিতি ছিল। কিন্তু বেশ কয়েকদিন ধরে আমরা ১১ দলের কোনো কর্মসূচিতে থাকছি না। বর্তমানে সে সমঝোতা নেই, আমরা এটাকে এখন আর কন্টিনিউও করতে চাইছি না। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।সম্প্রতি কওমি ঘরানার ইসলামি দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর উদ্যোগে কওমি ধারার কয়েকটি ইসলামি দলের নেতাদের বৈঠকের পর থেকেই ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।ইতোমধ্যে খেলাফত আন্দোলন ঘোষণা দিয়ে ১১ দলীয় ঐক্য ত্যাগ করেছে। এবার খেলাফত মজলিসও সে পথেই হাঁটল। তবে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এখনো জামায়াত নেতৃত্বাধীন এই ঐক্যে বহাল আছে।
৯ মিনিট আগে