বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি.-এর উদ্যোগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সফটওয়্যার উদ্বোধন, কর্পোরেট মিলনমেলা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর পল্টনস্থ হোটেল ৭১-এ বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।অনুষ্ঠানে বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি.-এর পরিচালকবৃন্দ, ক্লাউড শেয়ারহোল্ডার, শেয়ারহোল্ডার, কর্মকর্তা, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন পর্যায়ের আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করবেন।অনুষ্ঠানে কোম্পানি ও প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে। এছাড়াও অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে কোম্পানির নতুন সফটওয়্যার উদ্বোধন করা হবে।এ সময় সম্মাননা প্রদান, বিভিন্ন চুক্তিপত্র হস্তান্তর এবং অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে কর্পোরেট মতবিনিময়ের আয়োজন থাকবে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অতিথিদের জন্য একটি মনোজ্ঞ ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি. কক্সবাজারের কলাতলীতে পরিকল্পিত একটি শরিয়াহসম্মত ও শেয়ারভিত্তিক হোটেল ও রিসোর্ট প্রকল্প।
১৩ ঘন্টা আগে
দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসে বিএনপি সরকার বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ বাবদ রেকর্ড ২০৪ কোটি ৭৬ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে।বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নেওয়া বিপুল অঙ্কের ঋণের বাড়তি পরিশোধের চাপের মধ্যেও বর্তমান সরকার নিয়মিতভাবে এই দায় পরিশোধ করে যাচ্ছে।চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে জুলাই পর্যন্ত পাঁচ মাসে পরিশোধ করা এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ যাবৎকালে কোনো পাঁচ মাসের ব্যবধানে বিদেশি ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে এটিই সর্বোচ্চ।গত বছরের একই সময়ে বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ১৮৯ কোটি ৭১ লাখ ডলার বা প্রায় ২৩ হাজার ৩১০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে এ সময়ে সরকারের ঋণ পরিশোধ বেড়েছে ১৫ কোটি ৪ লাখ ডলার বা প্রায় ১ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা।ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত ঋণের আসল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ১৩৫ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং সুদ বাবদ ৬৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার। এ সময়ে গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ৪১ কোটি ডলারের বিদেশি ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে সরকারকে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সরকারের সামনে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় পূর্ববর্তী সময়ে নেওয়া বিদেশি ঋণের ক্রমবর্ধমান কিস্তি পরিশোধ। তবে অর্থনৈতিক চাপ ও নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সরকার নিয়মিতভাবে বিদেশি ঋণ পরিশোধের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।সরকারের নীতিনির্ধারকদের মতে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বড় অবকাঠামো ও মেগা প্রকল্পের নামে নেওয়া বিপুল অঙ্কের বিদেশি ঋণের কিস্তি এখন পরিশোধযোগ্য হয়ে উঠেছে। এসব ঋণের একটি বড় অংশের অবকাশকাল শেষ হওয়ায় বর্তমান সরকারের সময়েই আসল ও সুদ পরিশোধের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার অবকাঠামো ও মেগা প্রকল্পের নামে ব্যাপকভাবে ঋণ নিয়েছে। কিন্তু এসব ঋণ নেওয়ার সময় প্রকল্পের ‘ভ্যালু ফর মানি’ বা অর্থের বিপরীতে প্রত্যাশিত সুফল এবং ঋণের সুদের হার যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি।তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতেও ক্যাপাসিটি চার্জসহ বিভিন্ন কারণে বিপুল আর্থিক দায় ও ভর্তুকির বোঝা তৈরি হয়েছে। এখন আগের সরকারের রেখে যাওয়া এসব দায় বর্তমান সরকারকে সামলাতে হচ্ছে।তিতুমীর বলেন, ‘আমরা একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছি। তারপরও সরকার অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়মিতভাবে এসব দায় পরিশোধ করে যাচ্ছে।’আগের সরকার যত্রতত্র ঋণ নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর ঋণের বোঝা রেখে গেছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা তিতুমীর বলেন, বর্তমান সরকার দেশি বা বিদেশি যেকোনো ধরনের ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।তিনি বলেন, ‘আমরা বিনিয়োগ, বিশেষ করে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে গতিশীলতা বাড়ানোর জন্য ঋণের ব্যবহারকে গুরুত্ব দিচ্ছি। ঋণ নিলে তার বিপরীতে কী রিটার্ন আসবে এবং কতটা কর্মসংস্থান তৈরি হবে, সেগুলো বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।’বর্তমান সরকারের ঋণনীতিতে শুধু অর্থ সংগ্রহ নয়, বরং ঋণের অর্থ কোথায় ব্যয় হবে এবং সেই বিনিয়োগ থেকে অর্থনৈতিক সুফল কতটা পাওয়া যাবে, সেটিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ একের পর এক বেড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ২৬৭ কোটি ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে ৩৩৭ কোটি ডলার এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪০৯ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই পরিমাণ আরও বেড়ে ৪৪৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, বিদেশি ঋণ পরিশোধের বর্তমান চাপ মূলত সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে নেওয়া ঋণের কারণে নয়, বরং আগের বছরগুলোতে নেওয়া বড় অঙ্কের প্রকল্প ঋণের কিস্তি এখন পরিশোধযোগ্য হয়ে ওঠায় সরকারের দায় বেড়েছে।আগের দেড় দশকে নেওয়া বিভিন্ন বড় অবকাঠামো ও মেগা প্রকল্পের অনেকগুলোর অবকাশকাল বা গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়েছে। ফলে একই সময়ে আসল ও সুদ পরিশোধের চাপ বেড়েছে।এ পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার একদিকে পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের দায় নিয়মিত পরিশোধ করছে, অন্যদিকে নতুন ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রকল্পের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা, অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা, বিনিয়োগের প্রত্যাশিত সুফল এবং ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বিবেচনায় নিচ্ছে।সরকারের নীতিনির্ধারগণ মনে করছেন, নিয়মিত ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী ও ঋণদাতাদের কাছে দেশের দায় পরিশোধের সক্ষমতা এবং আর্থিক বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে।
২ দিন আগে
গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী জরুন এলাকায় অবস্থিত কেয়া গ্রুপের নীট কম্পোজিট ডিভিশন, স্পিনিং ডিভিশন, কটন ডিভিশন ও কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেডের ৬১৩ জন শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কারখানার মূল ফটকে ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের নামের তালিকা সাঁটিয়ে দেওয়া হয়। আজ সকাল থেকেই কারখানার মূল ফটকে এসে শ্রমিকরা ভীড় করছেন। এসময় শ্রমিকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ লক্ষ করা যায়।কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয় ব্যাংকিং জটিলতা, গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না পারায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নতা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ততার কারণে ফ্যাক্টরীর উৎপাদন ও প্রশাসনিক খরচ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ সকল সেকশন/বিভাগ এবং ডিভিশন থেকে কিছু পদ বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।এরই পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ২০ মোতাবেক ফ্যাক্টরীর অতিরিক্ত শ্রমিক ও কর্মচারীদের আগামী ০৮/০৯/২০২৬ইং তারিখ থেকে ছাঁটাই করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।ওই নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয় বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ২০ মোতাবেক আইনানুগ পাওনাদি পরিশোধ করা হবে।উল্লেখ্য থাকে যে, ভবিষ্যতে ফ্যাক্টরীতে পুনরায় নতুন কর্মী নিয়োগের প্রয়োজন হলে, শ্রম আইনের ধারা ২১ অনুযায়ী এই ছাঁটাইকৃত দক্ষ শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হবে।সর্বোপরি ফ্যাক্টরীর এই সংকটকালীন মুহূর্তে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য কর্তৃপক্ষ সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছে।যে সকল শ্রমিক, কর্মচারীদের চাকরি বহাল রয়েছে তারা লে-অফ নোটিশের আওতাভুক্ত থাকবেন এবং আইন অনুযায়ী লে-অফ বেনিফিটের সকল সুবিধা পাবেন। যাদের চাকুরী এই ছাঁটাই প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত আছেন, তাদের নামের তালিকা এবং পদবী এই নোটিশের সাথে সংযুক্ত করা হলো। এ বিষয়ে মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন,ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে শ্রমও আইন অনুযায়ী সকল পাওনাদি পরিশোধ করা হবে। গাজীপুর শিল্প পুলিশ -২ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন,কেয়া গ্রুপের কিছু শ্রমিক ছাঁটাই এর নোটিশ পাঠিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কারখানার মূল ফটকে শিল্প পুলিশের পাশাপাশি জিএমপি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উল্লেখ্য গত ৬ জুন ২০২৬ ইং তারিখ থেকে ব্যাংকিং জটিলতা, গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না পারায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণ দেখিয়ে কারখানা টি অদ্যবধি পর্যন্ত লে- অফ বর্ধিত রয়েছে।
২ দিন আগে
রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এলফ লুব্রিক্যান্টসের বার্ষিক ডিলার সম্মেলন ‘এলফ ডিলার মিট ২০২৬’। বাংলাদেশে এলফের পরিবেশক প্রতিষ্ঠান এশিয়ান পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের আয়োজনে এ সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন এলাকার ডিলার, ব্যবসায়িক অংশীদার, প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং প্রিন্সিপাল প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।সম্মেলনে দেশের লুব্রিক্যান্টস বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি, ব্যবসার সম্ভাবনা এবং ডিলারদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাংলাদেশে এলফের বাজার আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ডিলারদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়টি আলোচনায় আসে।এশিয়ান পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের পরিচালক কোসুকে ইয়োশিদা বলেন, বাংলাদেশে এলফের ব্যবসা এগিয়ে নিতে ডিলারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজারের পরিবর্তন ও গ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ডিলারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।“বাংলাদেশে এলফের অগ্রযাত্রায় আমাদের ডিলাররা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি তখনই সম্ভব, যখন আমরা আমাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে একসঙ্গে এগিয়ে যাই, বাজারকে আরও ভালোভাবে বুঝি এবং গ্রাহকদের জন্য ধারাবাহিকভাবে মূল্য সৃষ্টি করি,” বলেন কোসুকে ইয়োশিদা।এশিয়ান পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) সিরাজুল মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে এলফের ব্যবসা সম্প্রসারণের আরও সুযোগ রয়েছে। ডিলারদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার পাশাপাশি বাজারে ব্র্যান্ডটির উপস্থিতি শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।“আমাদের প্রতিটি কার্যক্রমের মাধ্যমে বাস্তব ও পরিমাপযোগ্য ব্যবসায়িক প্রভাব তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। ডিলারদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে এবং বাজারে এলফের উপস্থিতি শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্র্যান্ডটির আরও বড় প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে,” বলেন সেরাজুল মাহমুদ চৌধুরী।সম্মেলনে এশিয়ান পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের হেড অব সেলস ডিলার সম্পর্ক, বাজার সম্প্রসারণ এবং বিক্রয় বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। কয়েকজন ডিলারও তাঁদের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা এবং এলফের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।পরে সেরা পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ শীর্ষস্থানীয় ডিলার ও বিক্রয়কর্মীদের পুরস্কৃত করা হয়। আয়োজকেরা জানান, ডিলার, ওয়ার্কশপ, রিটেইলার ও গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি বাজারের চাহিদা বুঝে ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই এ আয়োজন।
৩ দিন আগে