আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬ বিকাল ০৫:২০:২২
‘আঙুল ট্রিগারে’, কিন্তু মূল লক্ষ্য ‘টেকসই শান্তি’: ইরান
ইরান ‘আঙুল ট্রিগারে’ রাখলেও, মনোযোগ ‘টেকসই শান্তি ও স্বার্থ-ভিত্তিক কূটনীতির’ ওপরই আছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সরকারি মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি।
সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহাজেরানি বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে ৪০ দিন ধরে লড়াই করেছি এবং এখনও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের অপেক্ষায় ট্রিগার হাতে ধরে আছি।’
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো স্থায়ী শান্তি এবং শহীদ নেতা (আয়াতুল্লাহ খামেনি) যেমনটি বলেছেন, আমরা সম্মান, প্রজ্ঞা ও উপযোগিতার এই তিনটি নীতি মেনে কূটনৈতিক বিষয়াদি পরিচালনা করি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইরানে ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলেও জানিয়েছেন মোহাজেরানি।
তার ভাষ্য, সরকারের লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটসহ সকল অবকাঠামোতে ‘ন্যায়সঙ্গত প্রবেশাধিকার’ নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইন্টারনেট ব্যবহারের অধিকারকে একটি নাগরিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিই এবং প্রেসিডেন্টেরও ঠিক একই মত। আমরা বৈষম্য ও অবিচারকে স্বীকৃতি দিই না এবং এর বিরোধিতা করি।’
মোহাজেরানি বলেন, ইন্টারনেট-বান্ধব নীতির লক্ষ্য হলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে উন্নত মানের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেয়া এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, ইনশাআল্লাহ, এই অবস্থাও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের লাখ লাখ মানুষ ৭৪ দিন ধরে প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতার শিকার হয়েছেন।
দেশটিতে কেবল সরকার-অনুমোদিত সাইটগুলোই ব্যবহার করা যাচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।