রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৬ রাত ০৯:৫১:৩১
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে রামপালে দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রামপালে আয়োজিত আলোচনা সভায় তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বক্তারা বলেন, একটি সুস্থ, সচেতন ও পরিকল্পিত সমাজ গঠনে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের বিকল্প নেই।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১১টায় রামপাল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে ‘একান্তের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মিজ তামান্না ফেরদৌসি বলেন, জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, সম্পদে পরিণত করতে হলে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান এবং কার্যকর পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির সমন্বিত বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। তিনি একটি সুস্থ, সচেতন ও পরিকল্পিত সমাজ গঠনে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি) ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. শাহরিয়ার শামীম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের মূল লক্ষ্য জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা এবং পরিকল্পিত পরিবার গঠনে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা। সরকারের এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুকান্ত কুমার পাল, রামপাল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত বিশ্বাস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায়, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইনসাদ ইবনে আমিন এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মিজ কানিজ ফাতেমা (সেফা)।
বক্তারা জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম আরও জোরদার করা এবং একটি সুস্থ, সচেতন ও পরিকল্পিত সমাজ গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।