ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

অনলাইন বেটিং ও অর্থপাচার চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

অনলাইন বেটিং ও অর্থপাচার চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার


অনলাইন বেটিং (জুয়া) পরিচালনা, অবৈধ অর্থ লেনদেন ও বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে সংঘবদ্ধ চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে খুলনা জেলার খানজাহান আলী ও খালিশপুর থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—খুলনার যোগীপোল এলাকার মো. রাকিবুল ইসলাম (৩০), তেরখাদার আরিফুল ইসলাম আরজু (২৬), দৌলতপুর এলাকার শেখ সাকির আহম্মেদ এবং খালিশপুরের মিয়ানুল ইসলাম অয়ন (২৯)।সিআইডি জানায়, সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) সাইবার মনিটরিং সেলের নিয়মিত অনলাইন মনিটরিংয়ে দেশে ও বিদেশে অবস্থানকারী একটি সংঘবদ্ধ চক্রের অনলাইন বেটিং ও জুয়া কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বেটিং সাইটের বিজ্ঞাপন প্রচার করে সাধারণ মানুষকে জুয়ায় প্রলুব্ধ করা হতো।তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানান, এসব সাইটে অংশ নিতে ব্যবহারকারীদের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ জমা দিতে বলা হতো। পরে জমা করা অর্থের সমপরিমাণ ই-মানি বা বেট মানি ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে যুক্ত করা হতো।সিআইডির দাবি, চক্রটি অবৈধ লেনদেনের জন্য বিভিন্ন এলাকার এমএফএস এজেন্ট নম্বর ও ব্যাংক হিসাব সংগ্রহ করে টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন যোগাযোগমাধ্যমে বেটিং সাইট পরিচালনাকারীদের কাছে পাঠাত। এসব নম্বর ও হিসাব বেটিং সাইটে প্রদর্শনের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যবহারকারীরা সেখানে অর্থ লেনদেন করতেন।সংগৃহীত অর্থ থেকে এজেন্টরা কমিশন রেখে বাকি টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করত। পরে বাইন্যান্সের মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তর করে বিদেশে পাচার করা হতো বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানতে পেরেছে সিআইডি।এ ঘটনায় সিআইডির পক্ষ থেকে পল্টন থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলায় জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।সিআইডি জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চক্রটির সদস্যদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা অনলাইন বেটিং ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।রিমান্ডের আবেদনসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। চক্রটির মূলহোতাসহ দেশি-বিদেশি অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

৩ দিন আগে

ট্রাস্টের নামে কয়েক'শ কোটি টাকা আত্মসাত: শেখ হাসিনা ও রেহানার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ট্রাস্টের নামে কয়েক'শ কোটি টাকা আত্মসাত: শেখ হাসিনা ও রেহানার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা


৪১টি তফসিলি ব্যাংকের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) ফান্ড থেকে 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট'-এর নামে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক (বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-১) মো. ইসমাইল হোসেন মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা প্রযোজ্য করা হয়েছে।দুদক সচিব সাইদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট'-এর সভাপতি এবং শেখ রেহানা সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিবন্ধিত একটি ট্রাস্ট সম্পত্তির দলিলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টিদের মধ্যে শেখ হাসিনা আজীবন সভাপতি এবং তার অনুপস্থিতিতে শেখ রেহানা সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন—এমন তথ্যও এজাহারে রয়েছে।দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া ৪১টি ব্যাংকের তথ্য ও নথি পর্যালোচনার বরাত দিয়ে এজাহারে বলা হয়, নজরুল ইসলাম মজুমদার বিএবির সভাপতি থাকাকালে নির্বাহী কমিটির সভার আলোচ্যসূচিতে না থাকা সত্ত্বেও 'বিবিধ' আলোচনায় ট্রাস্টকে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ দেওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন। পরে নির্বাহী কমিটির বিভিন্ন সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এসব সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হয় এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয় বলে দুদকের এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। দুদক বলছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০০৮ সালের সিএসআর -সংক্রান্ত নির্দেশনা এবং ২০২২ সালের 'পলিসি গাইডলাইনস অন করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি ফর ব্যাংকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল ইন্সটিটিউশন'-এ সিএসআর অর্থ ব্যয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হলেও ট্রাস্টটিতে এ ধরনের অর্থ দেওয়ার কোনো নির্দেশনা নেই।এজাহারে আরও বলা হয়, সরেজমিন পরিদর্শনে ট্রাস্টের ঠিকানায় দাপ্তরিক কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর অনুমোদন নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।দুদকের অভিযোগ, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ করে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করেছেন। এছাড়া, তদন্তকালে ঘটনার সঙ্গে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

৩ দিন আগে

আসিফ মাহমুদের দায়িত্বকালে নিয়োগ-বদলির নথি চেয়েছে দুদক

আসিফ মাহমুদের দায়িত্বকালে নিয়োগ-বদলির নথি চেয়েছে দুদক


অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনকালে তার অধীনস্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলির যাবতীয় তথ্য ও নথি চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে ৩৮ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান ও বাতিল এবং পদায়নসংক্রান্ত নথিও চাওয়া হয়েছে।দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের দলনেতা মো. জাহিদ কালামের সই করা এ-সংক্রান্ত চিঠি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চাওয়া তথ্য ও রেকর্ডপত্র দুদকে পাঠাতে বলা হয়েছে।দুদকের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন।চিঠিতে বলা হয়, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে।অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঁচ ধরনের তথ্য ও নথি চেয়েছে দুদক। এর মধ্যে রয়েছে আসিফ মাহমুদ দায়িত্ব পালনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিসংক্রান্ত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র।এ ছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ৭ মে ও ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিলের স্মারকের ভিত্তিতে বদলিসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত অনুলিপি চাওয়া হয়েছে।দুদকের চিঠিতে তিনটি স্মারকের ভিত্তিতে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান ও বাতিল এবং পদায়নসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত অনুলিপিও চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠপর্যায়ের কয়েকজন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথির সত্যায়িত অনুলিপি চেয়েছে অনুসন্ধান দল।দুদকের চাওয়া নথির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ও সহায়ক রেকর্ডপত্রও পাঠাতে বলা হয়েছে মন্ত্রণালয়কে।এর আগে, গতকাল বুধবার আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরুর কথা জানায় দুদক। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পদোন্নতি-বদলির ক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহণ এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দরপত্র ও কেনাকাটায় অনিয়ম।দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়নের জন্য ৭৬ লাখ টাকা, ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য ১ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং পদোন্নতির পর পছন্দমতো পদায়নের জন্য আরও প্রায় ২ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের বিশেষ দল কাজ করছে।তবে আসিফ মাহমুদ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার বিষয়ে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। গতকাল রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

৪ দিন আগে

ফলের চালানে ১৬ কেজি স্বর্ণ, শাহজালালের কার্গো নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

ফলের চালানে ১৬ কেজি স্বর্ণ, শাহজালালের কার্গো নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ফলের চালানের কাঠের পাটাতনের ভেতর বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৬ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্গো শাখার নিরাপত্তা, পণ্য ছাড়করণ প্রক্রিয়া ও অভ্যন্তরীণ তদারকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ কীভাবে বিদেশ থেকে আসা ফলের চালানের সঙ্গে কার্গো ভিলেজ পর্যন্ত পৌঁছাল, চালানটি কোন কোন ধাপ অতিক্রম করেছে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর নজরদারি কতটা কার্যকর ছিল—এসব বিষয় এখন তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।ফলের চালানের পাটাতনে ১৬ কেজি স্বর্ণমামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, গত ১৯ জুলাই ২০২৬ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিমানবন্দরের বর্তমান আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সের গেট ৮(এ)-এর অভ্যন্তরে বিজিএমইএ শেডের পেছনে সন্দেহজনক একটি ফলের চালান শনাক্ত করা হয়। পরে চালানটি স্ক্যান ও ইনভেন্টরির জন্য কাস্টমস হাউস, ঢাকার অধীন এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটের গেট-৯ এলাকায় নেওয়া হয়।প্রথম দফায় ফলের চালানের মধ্যে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। তবে চালানটি যে কাঠের সমতল পাটাতনের ওপর রাখা ছিল, সেটি নিয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পাটাতনটি স্ক্যানিং মেশিনে পরীক্ষা করলে এর ভেতরে স্বর্ণসদৃশ ধাতব বস্তুর অস্তিত্বের প্রাথমিক আলামত পাওয়া যায়।এরপর বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে কাঠের পাটাতন খুলে হলুদ রঙের স্কচটেপে মোড়ানো ১৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বারের ওজন এক কেজি করে। অর্থাৎ মোট ১৬ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার হয়। জব্দ তালিকায় বারগুলোর গায়ে সিরিয়াল নম্বর এবং কয়েকটির গায়ে ‘KILO’ লেখা থাকার কথাও উল্লেখ রয়েছে।পরবর্তীতে স্বর্ণ পরীক্ষক দি নিউ ইসলাম জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী মো. মাহফুজুল ইসলাম বারগুলোর ওজন ও বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করে প্রত্যয়ন দেন। ওই প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে স্বর্ণগুলো জব্দ করা হয়।সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, স্বর্ণের বারগুলো ফলের চালানের কাঠামোর মধ্যে লুকানো ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস চালানটি শনাক্ত করে স্বর্ণ উদ্ধার করে। কার্গো এলাকায় স্ক্যানিং মেশিন স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে স্বর্ণ চোরাচালানে কাস্টমসের কোনো কর্মকর্তা জড়িত নন বলে দাবি করেন ওই কর্মকর্তা।নিরাপত্তা নিয়ে কী বলছে বেবিচককার্গো ভিলেজের নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো দুর্বলতা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ বিভাগের মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ বলেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয় কর্তৃপক্ষের নজরদারির মধ্যে রয়েছে।কার্গো ভিলেজের নিরাপত্তা দুর্বল—এমন অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেন, সেখানে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা রয়েছে।তবে ১৬ কেজির মতো বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ফলের চালানের কাঠের পাটাতনের ভেতরে লুকিয়ে কার্গো এলাকায় পৌঁছানোর ঘটনা বিদ্যমান নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।আমদানিকারকসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলামামলার নথি অনুযায়ী, স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান Food Link-এর স্বত্বাধিকারী মো. গোলাম মোস্তফাকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।চালানটি খালাসের জন্য ASYCUDA World System-এ A. RAZZAQUE TRADING নামের একটি সিএন্ডএফ এজেন্টকে ট্যাগ করা ছিল। সংশ্লিষ্ট এয়ারওয়ে বিলের নথিতে FASTRACK CARGO SOLUTIONS LTD. নামের একটি ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার প্রতিষ্ঠানের তথ্যও পাওয়া যায়।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নথি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট মাস্টার ও হাউস এয়ারওয়ে বিলের মাধ্যমে আমদানি করা পণ্য ১৯ জুলাই ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একজন সিনিয়র এক্সিকিউটিভের কাছে ডেলিভারি দেওয়া হয়।মামলার নথিতে আরও বলা হয়েছে, সন্দেহজনক চালানটির প্রাথমিক কার্যক্রমের সময় সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্টের প্রতিনিধি হিসেবে একজন কাস্টমস সরকার উপস্থিত ছিলেন। ওই সময়ের কার্যক্রম বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিরাপত্তা প্রতিনিধির বডি ক্যামেরায় ধারণ করা হয়।অভিযান ও জব্দ প্রক্রিয়ার ভিডিও ফুটেজও বডি ক্যামেরায় ধারণ করা হয় এবং পরে চাহিদার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পেনড্রাইভে সরবরাহ করা হয়েছে বলে কাস্টমসের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।ফলে চালানটি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর কারা এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন এবং কার্গো ভিলেজে প্রবেশ থেকে স্বর্ণ শনাক্ত হওয়া পর্যন্ত এটি কী কী নিরাপত্তা ও ছাড়করণ ধাপ অতিক্রম করেছে—এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত উদ্ধার ৬০ কেজির বেশি স্বর্ণকাস্টমসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোট ৬০ কেজি ১৮৭ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধারের এই তথ্য চোরাচালানের প্রবণতা এবং বিমানবন্দরের কার্গো নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে একাধিক বড় চালান শনাক্ত হওয়ার পর পণ্য পরীক্ষা, স্ক্যানিং সক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।৩৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ১৬ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্গো নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্গো শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, ঘুষ-চাঁদাবাজি, রোস্টার প্রভাবিত করা, পণ্য ছাড়করণে অনিয়ম এবং রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ সামনে এসেছে।সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, কার্গো শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো. মইনউদ্দিন লোটাস, কর্মী নম্বর পি-৩৬৭৩৯-এর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রটিতে ৩৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বাক্ষর রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, কার্গো শাখার সিএন্ডএফ এজেন্ট, রপ্তানি পণ্যের ফরওয়ার্ডার, হেলপার এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে নিয়মিত ঘুষ বা চাঁদা আদায় করা হতো। দাবিকৃত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে বদলি, চাকরিচ্যুতি কিংবা প্রশাসনিক হয়রানির ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে প্রমাণিত নয় এবং সংশ্লিষ্ট নথি, সাক্ষ্য ও তদন্তের মাধ্যমে এর সত্যতা যাচাই প্রয়োজন।চার শিপমেন্টের কাগজপত্র নিয়েও অভিযোগঅভিযোগকারীদের দাবি, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বরের একটি ঘটনায় চারটি শিপমেন্টের কাগজপত্র ও এক্সিট নম্বর নিয়ে অনিয়ম হয়েছিল। বিমান কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তদন্তে দায় নির্ধারণ করা হলেও পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়।এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট শিপমেন্টের নথি, এক্সিট রেকর্ড, ডেলিভারি তথ্য এবং তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই প্রয়োজন।১,৯২১ কেজি পণ্যের হদিস নিয়ে প্রশ্নঅভিযোগপত্রে চীন থেকে আমদানি করা ইলেকট্রনিক পণ্যের একটি চালান নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সেখানে এয়ারওয়ে বিল নম্বর ৭৮৪-৬৯২৫৩৩৬৫-এর অধীনে ৫৬ পিস, মোট ১ হাজার ৯২১ কেজি পণ্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগকারীদের দাবি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই ওই পণ্য সিএন্ডএফ এজেন্টের মাধ্যমে বের করে নেওয়া হয় এবং পরে পণ্যগুলোর হদিস পাওয়া যায়নি। এর ফলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও কাস্টমসের রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়।অভিযোগে এয়ারওয়ে বিল নম্বর ৬১৯-১০৭৭১৬৮১-এর অধীনে ১৩২ পিস এবং প্রায় ৩ হাজার ২৩৯ কেজি কার্গো পণ্য ছাড়করণ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে।অভিযোগকারীদের ভাষ্য, জাল কাগজপত্র ব্যবহার ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে ওই পণ্য ছাড় করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট সময়ে মইনউদ্দিন লোটাস ডেলিভারি গেটে দায়িত্বে ছিলেন।তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট এয়ারওয়ে বিল, ইনভয়েস, প্যাকিং লিস্ট, কাস্টমস ডকুমেন্ট, ডেলিভারি রেকর্ড, এক্সিট নম্বর এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।‘বকশিশ’ নেওয়ার বক্তব্যঅভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত বলে দাবি করা হাতে লেখা দুটি বক্তব্যেও কার্গোতে অতিরিক্ত কাজের বিনিময়ে টাকা পাওয়ার প্রসঙ্গ রয়েছে।মো. আলী-আশরাফুজ্জামান, জি-৫২৭৯৬-এর নামে থাকা একটি বক্তব্যে ২ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে সেটিকে কাজের বিনিময়ে ‘বকশিশ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে মোরশেদ ও আশরাফের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার কথাও উল্লেখ রয়েছে।অন্য একটি বক্তব্যে কার্গো হেলপার খোরশেদ আলম, জি-৫২৫০৯-এর নামে অতিরিক্ত কাজ, নাইট চেকিং ও মালামাল লোডিংয়ের সঙ্গে বকশিশ পাওয়ার কথা লেখা রয়েছে।রোস্টার ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়েও অভিযোগকার্গো বিভাগের রোস্টার প্রণয়ন ও দায়িত্ব বণ্টনের স্বচ্ছতা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একই কর্মকর্তা নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেকশনে বারবার দায়িত্ব পেয়েছেন এবং স্বাভাবিক রোটেশন অনুসরণ করা হয়নি। নিরাপত্তা বিভাগেও একই এলাকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে ধারাবাহিকভাবে দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।এ অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য অন্তত গত এক বছরের ডিউটি রোস্টার, সংশোধিত রোস্টার, উপস্থিতি রেজিস্টার এবং দায়িত্ব পরিবর্তনের অনুমোদনপত্র পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।যা বলছেন মইনউদ্দিন লোটাস ও বিমান কর্তৃপক্ষঅভিযোগের বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্গো শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো. মইনউদ্দিন লোটাসের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি অভিযোগগুলোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো জবাব দেননি।অন্যদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়গুলো যাচাই করছেন। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে মইনউদ্দিন লোটাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি আরও জানান, ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে এবং সেগুলো গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, ফলের চালানের কাঠের পাটাতনে ১৬ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনা শুধু একটি চোরাচালান মামলা হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। চালানটির প্রবেশ, সংরক্ষণ, হ্যান্ডলিং ও ছাড়করণ প্রক্রিয়ায় কারা দায়িত্বে ছিলেন, কোথায় নজরদারির ঘাটতি ছিল এবং কার্গো শাখাকে ঘিরে ওঠা অনিয়মের অভিযোগগুলোর সঙ্গে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার যোগসূত্র রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের নিরপেক্ষ ও নথিভিত্তিক তদন্ত এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

৪ দিন আগে

শাপলা চত্বরে গণহত্যা: ইনু-লতিফ সিদ্দিকীসহ ট্রাইব্যুনালে ১১ আসামি

শাপলা চত্বরে গণহত্যা: ইনু-লতিফ সিদ্দিকীসহ ট্রাইব্যুনালে ১১ আসামি

৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:২৭:৪১

শাহজালাল বিমানবন্দরে উড়োজাহাজের আসনের নিচে মিলল ২০ কোটি টাকার স্বর্ণ

শাহজালাল বিমানবন্দরে উড়োজাহাজের আসনের নিচে মিলল ২০ কোটি টাকার স্বর্ণ

৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:২১:১৭

বিদিশার আপিল জামিন নামঞ্জুর করলেন আদালত

বিদিশার আপিল জামিন নামঞ্জুর করলেন আদালত

২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:১৩:২৫

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:০৮:০১

ট্রাকচালক হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ২৪ সেপ্টেম্বর

ট্রাকচালক হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ২৪ সেপ্টেম্বর

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:৩৮:৪৩

হিটুর ফাঁসি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আমার মনে শান্তি নেই: আছিয়ার মা

হিটুর ফাঁসি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আমার মনে শান্তি নেই: আছিয়ার মা

৩১ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০২:৫৩:১৬

উত্তরায় সোয়া কোটি টাকা লুট: ক্লুলেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে ডিএমপির উত্তরা বিভাগের  ডিসিসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিশেষ পুরস্কার প্রদান

উত্তরায় সোয়া কোটি টাকা লুট: ক্লুলেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে ডিএমপির উত্তরা বিভাগের ডিসিসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিশেষ পুরস্কার প্রদান

৩১ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০১:৪৭:২৩

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

৩১ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০১:৪১:৪৪

আবুল কালাম আযাদের আপিলের সিদ্ধান্ত ৭ সেপ্টেম্বর

আবুল কালাম আযাদের আপিলের সিদ্ধান্ত ৭ সেপ্টেম্বর

৩১ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১১:১৮:০৫

ধামরাইয়ে চুরির অপবাদে পিটিয়ে হত্যা, কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার ১

ধামরাইয়ে চুরির অপবাদে পিটিয়ে হত্যা, কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার ১

২৭ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০২:৩৩:২৫

সালমান শাহ হত্যা: খলনায়ক ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

সালমান শাহ হত্যা: খলনায়ক ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

২৭ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০২:১০:০১

1–15 / মোট 178টি সংবাদ | পৃষ্ঠা 1 / 12
শিরোনাম
হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু এক চার্জে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলবে ভিমোটোর নতুন এই ইলেকট্রিক স্কুটার ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৩১৪ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘এলফ ডিলার মিট’ সেরা ডিলার ও বিক্রয়কর্মীদের পুরস্কার বৈধভাবে বছরে ১০ হাজার শ্রমিক ইতালিতে যাওয়ার সুযোগ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ওয়াকিটকি ক্রয়ে দুর্নীতি, অনুসন্ধানে দুদক প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার সিফাতের জামিন নামঞ্জুর অগ্ন্যুৎপাতের প্রভাবে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দরে লাখো যাত্রী আটকা ২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৬–৯০ শতাংশে নিতে চায় সরকার : ববি হাজ্জাজ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢুকে পড়া যুবক রিমান্ডে এখন দেশের মানুষের চাওয়া সমঝোতার রাজনীতি: রাষ্ট্রপতি এসআই আলতাফ হত্যায় ‘মূলহোতা’ আপনসহ গ্রেফতার ৪ আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জন নিহত হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু এক চার্জে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলবে ভিমোটোর নতুন এই ইলেকট্রিক স্কুটার ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৩১৪ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘এলফ ডিলার মিট’ সেরা ডিলার ও বিক্রয়কর্মীদের পুরস্কার বৈধভাবে বছরে ১০ হাজার শ্রমিক ইতালিতে যাওয়ার সুযোগ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ওয়াকিটকি ক্রয়ে দুর্নীতি, অনুসন্ধানে দুদক প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার সিফাতের জামিন নামঞ্জুর অগ্ন্যুৎপাতের প্রভাবে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দরে লাখো যাত্রী আটকা ২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৬–৯০ শতাংশে নিতে চায় সরকার : ববি হাজ্জাজ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢুকে পড়া যুবক রিমান্ডে এখন দেশের মানুষের চাওয়া সমঝোতার রাজনীতি: রাষ্ট্রপতি এসআই আলতাফ হত্যায় ‘মূলহোতা’ আপনসহ গ্রেফতার ৪ আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জন নিহত