পাবনা-ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন এক জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে চালু হচ্ছে। রেলপথ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ রেলওয়ের এ সংক্রান্ত প্রস্তাব গত ৪ নভেম্বর অনুমোদন করেছে।অনুমোদিত প্রস্তাবনা অনুযায়ী ৮০৮ নং ‘পাবনা প্রভাতী এক্সপ্রেস’ সকাল ৮টায় পাবনা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে এবং ঢাকা পৌঁছাবে বেলা ২টা ১০ মিনিটে। অন্যদিকে ৮০৭ নং ‘পাবনা গোধূলি এক্সপ্রেস’ বেলা ৩ টা ২৫ মিনিটে ঢাকা থেকে পাবনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং পাবনা পৌঁছাবে রাত ৯টা ২০ মিনিটে।ট্রেনটি আপ ও ডাউন উভয় পথে দাশুরিয়া, ঈশ্বরদী, চাটমোহর, বড়ালব্রিজ, উল্লাপাড়া, শহীদ মনসুর আলী, টাঙ্গাইল, জয়দেবপুর এবং ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। আগামী ১৯ নভেম্বর সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম পাবনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেন দুটি উদ্বোধনের মাধ্যমে ঢাকা-পাবনা-ঢাকা রুটে আন্তঃনগর ট্রেনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতিহারের সাথে সঙ্গতি রেখে সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে উক্ত ট্রেন চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। নতুন এই ট্রেন চালুর মধ্য দিয়ে ঢাকা-পাবনা রুটে আন্তঃনগর রেল যোগাযোগ সংযোজন হতে যাচ্ছে।
৪১ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রকৃত উপকারভোগী পরিবার শনাক্তকরণ, তথ্য সংগ্রহে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বজায় রাখা এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বুধবার (৪ নভেম্বর) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়।অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মিয়া বলেন, "একটি ভুল তথ্যের কারণে প্রকৃত উপকারভোগী তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারেন, আবার অযোগ্য কেউ সুবিধা নিতে পারেন। তাই তাড়াহুড়া বা অনুমাননির্ভর না হয়ে সরেজমিনে সতর্কতার সঙ্গে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।"উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সৌরভ রেজা শিহাব তাঁর বক্তব্যে সততা ও নিরপেক্ষতার ওপর জোর দিয়ে জানান, কোনো প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার না করে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করতে হবে এবং স্বজনপ্রীতি বা অনিয়মের কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না।অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রবেশন অফিসার ফারহানা নাসরিন, সহকারী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে ডিজিটাল উপায়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ৩৮ জন তথ্য সংগ্রহকারীর মাঝে ট্যাব বিতরণ করা হয়।
৪৪ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করেছেন।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী অনলাইনেও সারা দেশের ৫০৩টি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি’র দ্বিতীয় আসরেরও উদ্বোধন করেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং প্রতিযোগিতার ১০টি শ্রেণিতে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা স্টেডিয়ামে পৌঁছলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহফুজুল আলম খান প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।এ সময় গ্যালারিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াবিদরা প্রধানমন্ত্রীকে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান। শিশু-কিশোররা তাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে।প্রধানমন্ত্রী মাঠের ভেতর দিয়ে গ্যালারির কাছাকাছি গিয়ে শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের হাত নেড়ে তার শুভেচ্ছা জানান।‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশের শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এবারের প্রতিযোগিতায় আগের আটটি ইভেন্টের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভলিবল ও টেবিল টেনিস। ফলে, মোট ১০টি ক্রীড়া ইভেন্টে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে ক্ষুদে খেলোয়াড়রা। অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ থেকে ১৪ বছর।শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ, খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে গত ২ মে সিলেটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন করা হয়েছিল। দ্বিতীয় আসরে নতুন কুঁড়ির এই কর্মসূচিতে খুলনায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন প্রতিযোগী অনলাইনে নিবন্ধন করেছে।এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই ও তাদের বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে চায় সরকার।বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ক্রীড়া পরিদপ্তর এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।আশির দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র ধারাবাহিকতায় এবার ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
১ ঘন্টা আগে
দফায় দফায় জ্বালানি গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় উত্তর বাড্ডা ব্রিজের নিচে সমাবেশ শেষে মিছিলটি বের হয়। এতে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। মিছিলে শত শত নারী হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন।সমাবেশে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমরা রাজপথে নেমেছি। মানুষের আয় ও দ্রব্যমূল্যের মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য নেই। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়লেও সেই অনুপাতে মানুষের আয় বাড়ছে না। অবিলম্বে বাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।তিনি বলেন, শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি ন্যায্য। তাদের ওপর নির্যাতন, হয়রানি ও চাকরিচ্যুতি বন্ধ করে যথাসময়ে বেতন পরিশোধ করতে হবে। ন্যায্য আন্দোলনের নামে গাড়ি ভাঙচুর বা কারখানায় অগ্নিসংযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো তৃতীয় পক্ষ যেন শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান, মাহফুজুর রহমান, ইয়াসিন আরাফাত ও আতাউর রহমান সরকার। এ সময় জামাল উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদি, মাওলানা কুতুবউদ্দিন, ফজলে আহমেদ ও মিজানুর রহমান খানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাড্ডা ইউলুপের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
১ ঘন্টা আগে