দেশের অন্যতম ফ্যাশন ব্র্যান্ড মাইক্লোর বহুল প্রতীক্ষিত গ্র্যান্ড র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) সাভার নিউ মার্কেটের সেন্টার পয়েন্ট প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।মাইক্লোর ১৮তম স্টোর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এক মাসব্যাপী দেশের বিভিন্ন আউটলেটে নির্দিষ্ট পরিমাণ কেনাকাটার বিপরীতে গ্রাহকদের র্যাফেল ড্র কুপন প্রদান করা হয়। দেশব্যাপী পরিচালিত এ কর্মসূচিতে ক্রেতাদের ব্যাপক সাড়া ও ইতিবাচক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।অনুষ্ঠানে অতিথি, গ্রাহক এবং অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।গ্র্যান্ড র্যাফেল ড্র-এ প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি সুজুকি জিক্সার এসএফ মোটরসাইকেল জিতেছেন মানিকগঞ্জের কাজী আফজাল। দ্বিতীয় পুরস্কার ৪৩ ইঞ্চি স্মার্ট টেলিভিশন জিতেছেন মগবাজারের সাবাহ এবং তৃতীয় পুরস্কার মাইক্রোওয়েভ ওভেন পেয়েছেন ধানমন্ডির মাহেদী হাসান।এছাড়া ৩ হাজার টাকা মূল্যের ভাউচার জিতেছেন আরও সাতজন সৌভাগ্যবান অংশগ্রহণকারী। তারা হলেন— কানিজ ফাতেমা (পল্লবী), নিপা আক্তার (নরসিংদী), প্রণয় সাহা (মিরপুর), সৃষ্টি (ধানমন্ডি), আলপা ইয়াসমিন (রাজা বাজার), রানা (গাজীপুর) এবং সুমাইয়া (সাউথ গোরান)।অনুষ্ঠানে মাইক্লোর জেনারেল ম্যানেজার ও প্রোডাকশন অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের প্রধান দিন ইসলাম, অ্যাকাউন্টস, ফাইন্যান্স ও সেলস বিভাগের প্রধান কাউসার কামরুল হাসান, মার্কেটিং বিভাগের প্রধান ইয়াসির সাবাব ছাড়াও সাভার নিউ মার্কেট দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, মার্কেট কর্তৃপক্ষ, গ্রাহক এবং র্যাফেল ক্যাম্পেইনের কুপনধারীরা উপস্থিত ছিলেন।বিজয়ীদের নাম ঘোষণার পর উপস্থিত অতিথি ও দর্শকরা তাদের অভিনন্দন জানান। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।মাইক্লো কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রাহকদের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের কারণেই এ ক্যাম্পেইন সফল হয়েছে। ১৮তম স্টোর উদ্বোধনকে স্মরণীয় করে তুলতেই বিশেষ এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। ভবিষ্যতেও গ্রাহকদের জন্য নতুন ও আকর্ষণীয় আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।উল্লেখ্য, মাইক্লোর ১৮তম স্টোর উদ্বোধন উপলক্ষে পরিচালিত এক মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইন দেশের সব মাইক্লো স্টোরে একযোগে পরিচালিত হয়। গ্র্যান্ড র্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
৭ মিনিট আগে
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের চন্দননগর এলাকায় একটি কবরস্থান-সংলগ্ন ঝোপ থেকে মারিয়া (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রীর খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।রোববার (২১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চন্দননগর এলাকার কবরস্থান-সংলগ্ন ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।নিহত মারিয়া সিংগাইর উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সে শায়েস্তা ইউনিয়নের লক্ষীপুর দেওয়ানবাড়ি এলাকার প্রবাসী মিজানের মেয়ে।পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুন বিদ্যালয়ের টিফিন বিরতির সময় একটি শ্রেণিকক্ষে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফের সঙ্গে মারিয়ার আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ ওঠে। বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে বিষয়টি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ডেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উভয় শিক্ষার্থীকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) প্রদান করে।এরপর মারিয়া বাড়িতে নিজের মোবাইল ফোন রেখে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।রোববার বিকেলে চন্দননগর এলাকার একটি ঝোপে মারিয়ার মরদেহের বিচ্ছিন্ন অংশ এবং তার স্কুলব্যাগ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, “মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে।”তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১ ঘন্টা আগে
নিজের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদকে ‘অপপ্রচার’ আখ্যা দিয়ে গোপালগঞ্জে মানববন্ধন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। এ সময় তারা দাবি করেন, মোসারেফ হোসেন মোল্লা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং তাকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর।রোববার (২১ জুন) সকালে গোপালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন সদর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা। এতে শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে মোসারেফ হোসেন মোল্লাকে ‘মুক্তিযোদ্ধা নন’ উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা তাদের মতে অসম্পূর্ণ ও যাচাইবিহীন তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। তারা এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।বক্তারা দাবি করেন, মোসারেফ হোসেন মোল্লার মুক্তিযোদ্ধা নম্বর ০১৩৫০০০৫০৯৪ এবং লাল মুক্তিবার্তা নম্বর ১০৯০১০২৭৮। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত তালিকায় তার নাম রয়েছে। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সরকারি মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় ২ হাজার ১৬১ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে তার নাম ১৭১ নম্বরে রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।মানববন্ধনে আরও বলা হয়, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মোসারেফ হোসেন মোল্লা ও তার ছোট ভাই ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং পরে দেশে ফিরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। অথচ যথাযথ তথ্য যাচাই ছাড়া তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।এ সময় বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রাফিকুজ্জামান, বোরহান উদ্দিন শেখ, এনায়েত হোসেন, সবেদ আলী ভুইয়াসহ আরও অনেকে।মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টার কাছে চার দফা দাবি-সংবলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।উল্লেখ্য, মানববন্ধনে উত্থাপিত দাবিগুলো অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধাদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের।
১ ঘন্টা আগে
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দুই মেধাবী শিক্ষার্থী। আন্তর্জাতিক ‘গ্লোবাল এটমিক কুইজ’-এ কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রসাটমের আমন্ত্রণে ৮ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে রাশিয়া যাচ্ছেন তারা।গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘গ্লোবাল এটমিক কুইজ’-এর অনূর্ধ্ব-১৬ ক্যাটাগরিতে বিশ্বসেরাদের মধ্যে শীর্ষ তিনে স্থান করে নেয় মাত্র ১২ বছর বয়সী সিদ্ধা কর্মকার। এই অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে আগামী ২৩ জুন রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবে সে।সফরে সিদ্ধার সঙ্গে সুপারভাইজার হিসেবে থাকবেন তার বড় ভাই দুর্জয় কর্মকার। তিনি ১৮-২৫ বছর বয়সী ক্যাটাগরিতে বিশ্বব্যাপী শীর্ষ ১০০ জনের মধ্যে স্থান অর্জন করেছেন।সিদ্ধা কর্মকার ঈশ্বরদী পৌর এলাকার নূরমহল্লা এলাকার বাসিন্দা সমর কর্মকারের মেয়ে। সে ঈশ্বরদীর আর.এ.আর.এস. হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অন্যদিকে দুর্জয় কর্মকার পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্যসচিব।আগামী ২৬ জুন রাশিয়ার ঐতিহাসিক বিজ্ঞান নগরী ওবনিন্সকে অনুষ্ঠিতব্য ‘৪র্থ ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ নিউক্লিয়ার ফোরাম ওবনিন্সক নিউ’-এ বাংলাদেশ থেকে অংশ নেবেন এই দুই ভাই-বোন।উল্লেখ্য, ১৯৫৪ সালের ২৬ জুন রাশিয়ার ওবনিন্সক শহরেই বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের ফোরাম।ফোরামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ নেতৃত্বের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পাবে সিদ্ধা কর্মকার। পাশাপাশি পারমাণবিক শক্তির ভবিষ্যৎ, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা, বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও কর্মশালায় অংশ নেবে সে।আট দিনের সফরে ওবনিন্সকের ফোরাম শেষে তারা রাশিয়ার রাজধানী মস্কোও সফর করবেন। এ সময় রেড স্কয়ার, ক্রেমলিন, সেন্ট বেসিলস ক্যাথেড্রাল এবং ‘অ্যাটম’ প্যাভিলিয়নসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক স্থাপনা পরিদর্শনের কথা রয়েছে। আগামী ৩০ জুন তাদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে সিদ্ধা কর্মকার বলেন, “আন্তর্জাতিক এই বড় মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। গ্লোবাল এটমিক কুইজে অংশ নেওয়ার সময় এমন সাফল্য পাব, তা ভাবিনি। বিশ্বসেরাদের মধ্যে স্থান পাওয়া যেমন গর্বের, তেমনি রাশিয়ার ঐতিহাসিক বিজ্ঞান নগরী ওবনিন্সকে যাওয়ার সুযোগ আমার জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি।”সফরের সফল সমাপ্তি ও নিরাপদ যাত্রার জন্য সিদ্ধা ও দুর্জয় কর্মকার তাদের পরিবারসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছেন।
১ ঘন্টা আগে