মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের প্রভাব বিশ্ব আর্থিক ও জ্বালানি বাজারে ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম হু হু করে বেড়ে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। ডলারের দরপতন এবং মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন কমে যাওয়ায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীরা।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১.৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১২৪.৮৯ ডলারে পৌঁছায়। লেনদেনের শুরুতেই দাম বেড়ে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ১৪৬.৬৩ ডলারে উঠে যায়, যা গত ২০ অক্টোবরের পর সর্বোচ্চ। এর আগে গতকাল বুধবারও স্বর্ণের দামে ৩.৪ শতাংশের বড় উল্লম্ফন ঘটেছিল, যা গত ১৯ আগস্টের পর এক দিনে সবচেয়ে বড় বৃদ্ধি।একই সময়ে আগামী ডিসেম্বর ডেলিভারির জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচার ১.৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩৫.৪০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।বাজার বিশ্লেষক সংস্থা এক্সএস ডটকমের মার্কেট অ্যানালিস্ট লিন ট্রান জানান, মার্কিন ডলারের দুর্বলতা এবং ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বা ফলন কমে যাওয়ার কারণে স্বর্ণের দাম পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ ৪ হাজার ডলারের মনস্তাত্ত্বিক স্তর অতিক্রম করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, যদি বিনিয়োগের এই ধারা এবং বন্ডের বাজার স্থিতিশীল থাকে, তবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ২০০ ডলার ছুঁয়ে ৪ হাজার ৪০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।আন্তর্জাতিক ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান সিটি এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমিত হলে আগামী ৩ মাসের মধ্যে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৫০০ ডলারের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যেতে পারে।অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট সিলভারের দাম ০.৮ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৫২.৬৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১.২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৫১৪.২০ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২.২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৬.৮৩ ডলারে পৌঁছেছে।
১৩ মিনিট আগে
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি, শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি ও অর্থায়নের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীসহ ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব ও জব্দের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তালিকায় দেশের ১২টি শিল্পগোষ্ঠী এবং এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিচালক ও অন্য ব্যক্তিরা রয়েছেন। তাঁদের অর্থ পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির কাজে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংস্থাটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ও আয়কর গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব শনাক্ত ও জব্দ করার পাশাপাশি লেনদেনের বিস্তারিত বিবরণ চাওয়া হয়েছে।তালিকায় রয়েছেন বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বেসরকারি বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও সিপাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা টিপু মুনশি, এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুস সালাম মুর্শেদী, রেনেসাঁ গ্রুপের মালিক ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং হামিদ গ্রুপের মালিক ও সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।এ ছাড়া সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও ফেবিয়ান গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা তাজুল ইসলাম, তুসুকা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়জুর রহমান বাদল, ওয়েল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সালাম, নিপা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরী, অ্যাক্সিস নিটওয়্যারস লিমিটেডের পরিচালক জাহিদ আহমেদ টুলু, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম মোশাররফ হোসেন এবং গিভেন্সি গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুমা খাতুন লিপার নাম রয়েছে।তালিকায় আরও রয়েছেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ এবং শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলম। এ ছাড়া জাহাঙ্গীর আলমের সহযোগী মাহবুবুর রহমান জুয়েল, স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মী কামাল গাজী ও শুভ নামে এক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এনবিআর সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ৩৪ ব্যক্তি ও ৩৪ পরিবারের ব্যাংক হিসাব জব্দের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরে তালিকায় আরও নাম যুক্ত হয়। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে ২০৪ হয়েছে। তাঁদের অনেকের ব্যাংক হিসাব এরই মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বা অন্য সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেও জব্দ করা হয়েছে। তালিকা প্রতিদিন হালনাগাদ করা হচ্ছে।এর আগে মঙ্গলবার এনবিআরের এক অনুষ্ঠানে সংস্থাটির চেয়ারম্যান আহসান হাবিব কিছু ব্যক্তি ও পরিবারের ব্যাংক হিসাব জব্দের উদ্যোগের কথা জানান। তিনি বলেন, বিশেষ একটি কারণে সিআইসি ও আয়কর গোয়েন্দা বিভাগ ৩৪ ব্যক্তি ও ৩৪ পরিবারের ব্যাংক হিসাব জব্দ করছে।সম্প্রতি সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পোশাক খাতের চলমান অস্থিরতার পেছনে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের ইন্ধন রয়েছে। এ কাজে কিছু শিল্পমালিকও জড়িত বলে সরকারের কাছে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির নেত্রী সামান্তা শারমিন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের এক ফেসবুক পোস্টে দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে দল ছাড়ার কারণ ও এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নিজের আপত্তিগুলো তুলে ধরেন। জুলাই অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সামান্তা শারমিন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এনসিপি ঘোষিত নতুন কমিটিতে তাকে শুধু যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রাখা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে এনসিপির এই নেত্রীর পদাবনতি হয়েছে বলা যায়। পদত্যাগের কারণ জানিয়ে সামান্তা শারমিন বলেন, আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির জোট গঠনের প্রশ্নে একটা আলাদা অবস্থান নিয়েছিলাম। আমি বলেছিলাম জামায়াত ইসলামী নীতিগত বা কৌশলগত কোন ক্ষেত্রেই মিত্র হওয়ার যোগ্য না এবং তাদের সাথে জোট করার জন্য এনসিপিকে কঠিন মূল্য চুকাতে হবে। তিনি বলেন, গত ১১ মাস যাবত আমার রাজনৈতিক বোঝাপড়া অনুযায়ী এনসিপির অতীত কর্মকান্ড বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে যখনই সুযোগ পেয়েছি তখনই দলের বিভিন্ন পর্যায়ে লিখিত অভিযোগ ও প্রস্তাব প্রদান এবং তর্ক-বিতর্ক বা আলাপ-আলোচনা করেছি। দলের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে হতাশা জানিয়ে সামান্তা শারমিন বলেন, আজ প্রায় এক বছরের এই সংগ্রামের ইতি ঘোষণা করলাম কারণ এনসিপির পক্ষে তার দলের প্রারম্ভের মূল্যবোধের প্রতি আর আন্তরিক হওয়া সম্ভব বলে মনে করি না। জামায়াতের সঙ্গে জোটের বিরোধিতার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রকৃত অর্থে সংস্কারের রাজনীতি ধারণ করে না। সংগঠনটির দার্শনিক ভিত্তি ও প্রস্তাবিত রাষ্ট্রপ্রকল্প গণতান্ত্রিক রাষ্টপ্রকল্প নয়। তিনি আরও বলেন, এনসিপি যখন জামায়াতকে সংস্কারের পথে বন্ধু মনে করেছে তখন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, যারা স্বভাবজাত কারণেই উদার, গণতান্ত্রিক, যারা সংস্কারের প্রকৃত শক্তি, তারা সংস্কারের রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।২০২৬ সালের নির্বাচন নিয়ে নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরে সামান্তা শারমিন বলেন, এনসিপির সুযোগ ছিল ঐকমত্য কমিশন, নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের ব্যর্থতা ইত্যাদির পরেও যারা এই পুরোনো ব্যবস্থাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে চায় তাদের সাথে জোট করা অথবা একা হলেও একটা রাজনৈতিক নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এই কাজটি করতে পারলে এখনকার ফলাফলের চেয়ে আরো ভালো ফলাফল পেতে পারতো এনসিপি।তিনি বলেন, কিন্তু এনসিপি ইতিহাসের এই শিক্ষাকে গুরুত্ব না দিয়ে 'বড়' রাজনৈতিক দলের লেজুড় হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে এনসিপির নিজস্ব রাজনীতি আর অভ্যুত্থানোত্তর নতুন রাজনীতির সম্ভাবনাকে নিঃশেষ করেছে।গণঅভ্যুত্থানে নারীদের ভূমিকা ও অধিকার প্রসঙ্গে সামান্তা শারমিন বলেন, কিন্তু এনসিপি সেই পথ বেছে নেয়নি বরং দলটির ভূমিকা নারীবিরোধী রক্ষণশীল রাজনৈতিক প্রবণতার সঙ্গে মিলে গেছে। এর মধ্য দিয়ে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের বৈষম্যবিরোধী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্রের অবনমন ঘটেছে।তিনি বলেন, এনসিপি ভবিষ্যতের বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীদের এগিয়ে আসার যে সম্ভাবনা গণঅভ্যুত্থান তৈরি করেছিল, তা ধারণ করতে চায়নি। বরং পুরোনো দলগুলোর মতোই নারীদের কোণঠাসা করেছে, তাঁদের প্রতিবাদকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি এবং পুরুষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সামান্তা শারমিন বলেন, দলের কাউন্সিল না করে পুনরায় আহবায়ক কমিটি 'রিস্ট্রাকচার' দলের অভ্যন্তরের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যেই প্রবণতা পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আছে। বিরোধীমতকে দমন করার পুরোনো প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছে এনসিপি।নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আজ নানা বিভাজনের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অথচ অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ছিল এমন একটি রাজনৈতিক স্বপ্ন ও সম্ভাবনা তৈরি করা, যা মানুষকে পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড় করাবে না বরং ভিন্নমত, ভিন্ন বিশ্বাস ও ভিন্ন পরিচয় সত্ত্বেও একটি অভিন্ন জাতীয় আকাঙ্ক্ষার জায়গায় ঐক্যবদ্ধ করবে। বিবৃতির শেষাংশে সামান্তা শারমিন বলেন, আমি এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, কাজ করতে অংগীকারাবদ্ধ যারা আমার সাথে এবিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করতে চান সকলকে আহবান করছি, যোগাযোগ করুন। আমি আপনাদেরকে সাথে নিয়েই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ তৈরির প্রকল্পকে এগিয়ে নিতে চাই।
৫৩ মিনিট আগে
পাবনা-ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন এক জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে চালু হচ্ছে। রেলপথ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ রেলওয়ের এ সংক্রান্ত প্রস্তাব গত ৪ নভেম্বর অনুমোদন করেছে।অনুমোদিত প্রস্তাবনা অনুযায়ী ৮০৮ নং ‘পাবনা প্রভাতী এক্সপ্রেস’ সকাল ৮টায় পাবনা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে এবং ঢাকা পৌঁছাবে বেলা ২টা ১০ মিনিটে। অন্যদিকে ৮০৭ নং ‘পাবনা গোধূলি এক্সপ্রেস’ বেলা ৩ টা ২৫ মিনিটে ঢাকা থেকে পাবনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং পাবনা পৌঁছাবে রাত ৯টা ২০ মিনিটে।ট্রেনটি আপ ও ডাউন উভয় পথে দাশুরিয়া, ঈশ্বরদী, চাটমোহর, বড়ালব্রিজ, উল্লাপাড়া, শহীদ মনসুর আলী, টাঙ্গাইল, জয়দেবপুর এবং ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। আগামী ১৯ নভেম্বর সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম পাবনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেন দুটি উদ্বোধনের মাধ্যমে ঢাকা-পাবনা-ঢাকা রুটে আন্তঃনগর ট্রেনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতিহারের সাথে সঙ্গতি রেখে সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে উক্ত ট্রেন চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। নতুন এই ট্রেন চালুর মধ্য দিয়ে ঢাকা-পাবনা রুটে আন্তঃনগর রেল যোগাযোগ সংযোজন হতে যাচ্ছে।
১ ঘন্টা আগে