রাঙামাটির সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে- তা জানতে চেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।তিনি এই ইস্যুতে সরকারকে ‘ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের’ পেছনে না দৌড়িয়ে সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতেও বলেন।সরকারের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সময় থাকতে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, ‘রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে? ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না দৌড়িয়ে সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।‘সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই। সময় থাকতে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’
১ দিন আগে
হেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে ‘সমমনা ইসলামী দল’ নামে কওমিভিত্তিক সাতটি দলের নতুন একটি রাজনৈতিক জোট গঠন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে মাখযানুল উলূম মাদরাসায় দলগুলোর বৈঠক শেষে এ জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে।নতুন এই জোটে থাকা ৭টি দল হলো- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান সময় সংবাদকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এখন থেকে এই ৭টি ইসলামি দল একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে একমত হয়েছে।অন্য জোটে থাকা দলগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে যেসব দল অন্য জোটে আছে, তারা সেই জোট ছেড়ে ‘সমমনা ইসলামী দল’ রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে আসার ব্যাপারে একমত হয়েছে।’আগামী ৫ ডিসেম্বর সাত দলের পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান হেফাজতে ইসলামের এই মহাসচিব।মূলত আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নেয়ার লক্ষ্যেই গেল কয়েক মাস ধরে এই জোট গঠনের প্রক্রিয়া চলছিল। সবশেষ জাতীয় নির্বাচনে কওমি ধারার দলগুলো বিএনপি ও জামায়াত জোটে যুক্ত হলেও, এবার দলীয় প্রতীকবিহীন স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত একক প্রার্থী দেয়ার ঘোষণা দেয়। এরপরই স্থানীয় নির্বাচনে একসঙ্গে লড়তে হেফাজতে ইসলামের মধ্যস্থতায় নতুন এই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করল কওমিপন্থি দলগুলো।
১ দিন আগে
আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দলের একটি অংশ দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে অভিযোগ তুলেছেন তার জবাবে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ভুল রাজনীতি করে বিএনপি সরকারই আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ করে দিচ্ছে।পরওয়ার বলেন, ‘দেশটাকে অরাজকতা, অস্থিরতার আগুনের মধ্যে ঠেলে দেবেন না। দেশে অশান্তি তৈরি করে, রাজপথকে উত্তপ্ত করার দিকে ঠেলে দিয়ে, আপনারাই ভুল রাজনীতি করে আওয়ামী লীগকে এখানে ইন করার সুযোগ করে দিচ্ছেন।’আজ বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।এর আগের দিন মঙ্গলবার রাজশাহীর এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের একটি অংশ মিলে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বাইরে থেকে আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দলকে অর্থ দিচ্ছে, আর সেই দল দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য জানানো হয়।বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, রাজনৈতিক অপরিপক্বতা ও অদূরদর্শী নেতৃত্ব থেকে সরে না আসায় সাত মাসেই সরকার লেজেগোবরে অবস্থায় পড়েছে। সরকার বিরোধী দলের ওপর নিজেদের অপকর্মের দায় চাপানোর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।গোলাম পরওয়ার বলেন, বিরোধী দলের দায়িত্ব সরকারের অপকর্ম ও দলীয়করণ জাতির সামনে তুলে ধরা। এসবের সমালোচনা করলেই অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এ ধরনের আচরণ ফ্যাসিবাদের পথ।তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যেভাবে বিরোধীদের রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হতো, বর্তমান সরকারও একই পথে হাঁটছে। সরকার বিরোধী দলের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে।গোলাম পরওয়ার বলেন, শ্রমিক অসন্তোষ ও শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার জন্য বিরোধী দলকে দায়ী না করে সরকারের উচিত মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা।তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিরোধী দল কর্মসূচি পালন করলেও এখন পর্যন্ত হরতাল-অবরোধ করেনি, গাড়িতে আগুন দেয়নি বা ভাঙচুর চালায়নি। দেশকে অস্থিতিশীল হতে না দেওয়ার স্বার্থেই তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে।গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষের ‘হ্যাঁ’ ভোটের রায় মেনে নিয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান গোলাম পরওয়ার।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজার রহমান ইরান। এতে ১১-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া পথে তৃতীয় দফার লংমার্চে অংশ নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।
১ দিন আগে
আমার বাংলাদেশ (এবি পার্টি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে এবি পার্টির একটি প্রতিনিধিদল আজ ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বাসুদেব ধর ও মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উপদেষ্টা কাজল দেবসহ কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তাঁকে স্বাগত জানান।মজিবুর রহমান মঞ্জু কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে তাদেরকে দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান। পুজার অনুষ্ঠান মঞ্চে এসময় তিনি উপস্থিত ভক্তবৃন্দের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যকালে তিনি বলেন, ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির মানুষ হিংসা-বিদ্বেষ ও বিভেদ ছড়ানোর চেষ্টা করে। অথচ কোনো ধর্মই মানুষকে হিংসা, হানাহানি কিংবা অন্যকে হেয় করতে শেখায় না। ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয়, সৎ কর্মের ভিত্তিতে ঐক্য ও রাষ্ট্রের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, আমরা যে যার ধর্মের অনুসারী হই না কেন, বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের সবার অধিকার সমান ও অভিন্ন। প্রকৃত ধার্মিক ব্যক্তি কখনো হিংসা-হানাহানি কিংবা অন্যকে হেয় প্রতিপন্ন করাকে সমর্থন করতে পারেন না। যারা ধর্মকে ব্যবহার করে বিভেদ সৃষ্টি করে, তারা দেশ ও জাতির শত্রু। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি কিংবা উত্তেজনা সৃষ্টির মতো কর্মকাণ্ডে কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির উৎসাহ দেওয়া উচিত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল, সংবেদনশীল ও সহিষ্ণু আচরণ করতে হবে।মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন এবি পার্টির নীতি হলো; ‘ধর্ম যার, উৎসব তার; কিন্তু রাষ্ট্র সবার’ এই মূল্যবোধ ধারণ করে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বাসুদেব ধর এবি পার্টির শুভেচ্ছার প্রতিউত্তরে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি নেতৃবৃন্দের সাফল্য কামনা করেন। পরে এবি পার্টির প্রতিনিধিদল ঢাকেশ্বরী মন্দিরের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় গণফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত রায় চৌধুরী পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি সম্পাদক তাপসী ঘোষ, প্রচার সম্পাদক বিণয় কুমার ঘোষ, অ্যাডভোকেট পিন্টু কুমার উপস্থিত ছিলেন। মন্ডপ পরিদর্শনকালে এবি পার্টির নেতৃবৃন্দ পুজা দেখতে আসা বাংলাদেশস্থ ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহ সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন ও কুশল বিনিময় করেন। এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে প্রতিনিধিদলে ছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রম সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার, মহানগর দক্ষিণের সদস্যসচিব বারকাজ নাসির আহমদ, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, রিপন মাহমুদ, সহকারী দপ্তর সম্পাদক মশিউর রহমান মিলু, জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিষয়ক সহসম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী, মো. ইব্রাহীম, মো. মাজহারুল ইসলাম ও মো. সাখাওয়াত হোসেন প্রমূখ।
২ দিন আগে