দেশের ছয়টি সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া নিয়ে সরকারি সিদ্ধান্তকে ‘বিনাভোটের মেয়র’আখ্যায়িত করে এর কড়া সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ব্যাপারে নিজের মন্তব্য তুলে ধরেন। আসিফ লিখেছেন, শহরগুলোতে ভোটের সমীকরণ দেখে নির্বাচন দেওয়ার সাহস পাচ্ছে না সরকারি দল। যারা ইন্টেরিম সরকারকে সকাল-বিকাল ‘বিনাভোটের সরকার’ বলে সমালোচনা করে, তারাই এখন বিভিন্ন স্থানে বিনাভোটের মেয়র দিচ্ছে।’পোস্টের শেষাংশে তিনি ব্যঙ্গ করে লেখেন, সামনে হয়তো বিনাভোটের উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরও দেখা যাবে।এর আগে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে ছয় সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান মো. আব্দুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হন মো. শফিকুল ইসলাম খান। খুলনা সিটি করপোরেশনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সিলেট সিটি করপোরেশনে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মো. সাখাওয়াত হোসেন খান এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মো. শওকত হোসেন সরকারকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
৮ ঘন্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ। শপথ নিয়েছেন জনগণের ভোটে নির্বাচিত এমপি-মন্ত্রীরা। এখন চলছে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তুতি। বিভিন্ন দলে চলছে নারী প্রার্থী বাছাই ও মনোনয়ন প্রক্রিয়া।এমনকি সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে মনোনয়ন নিয়ে ইতোমধ্যে জামায়াত-এনসিপি জোটে আলোচনা চলছে। নির্বাচনে এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। আসন অনুপাতে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে দলটি পাবে ৩৫টি। এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি ও জোটগতভাবে ১৩টি আসন পেতে পারে। এ বিষয়ে জামায়াতের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা জানান, নারী এমপি মনোনয়নে অঞ্চল, অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীলতা বিবেচনা করা হবে। যেসব অঞ্চলে জামায়াতের এমপি নেই সেখান থেকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। আবার আগে যারা সংরক্ষিত নারী আসনে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদেরও প্রাধান্য দেওয়া হবে। এছাড়া জামায়াতের মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক দায়িত্বশীল নেতৃত্ব থেকে ১১ জনকে বাছাই করা হবে।তারা জানান, ক্ষেত্র বিশেষে দলের অভ্যন্তরে পেশাজীবী নারীদেরও বিবেচনা করবে জামায়াত। সম্প্রতি ঘোষিত দলটির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে ৮৯ সদস্যের মধ্যে ২১ জন নারী আছেন। মূলত সেখান থেকেই ১১ জনের অধিকাংশকে মনোনীত করা হবে।এদিকে জামায়াতে ইসলামীর নারী প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন- কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. আমিনা বেগম রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য শাহান আরা বেগম এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি ব্যারিস্টার সাবিকুন্নাহার মুন্নী। এছাড়াও সাঈদা রুম্মান, খন্দকার আয়েশা খাতুন, ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি, রাবেয়া খানম, ডা. শিরিন আক্তার রুনা, তানহা আজমি, নার্গিস খান, কানিজ ফাতেমা, সেলিনা আক্তার ও আয়েশা সিদ্দিকা পারভীনের নাম আলোচনায় রয়েছে।ডা. আমিনা বেগম জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রী। এর আগে, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ছিলেন তিনি । এছাড়াও সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা জামায়াতের নায়েবে আমিরের স্ত্রী ডা. হাবিবা চৌধুরীও আলোচনায় আছেন।অন্যদিকে জোটগতভাবে মনোনীত করা হলে আরও দুটি নারী আসন পেতে পারে জামায়াত জোট। এ দুটি এনসিপির নারী নেত্রীরা পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মনিরা শারমীন ও এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু আলোচনায় আছেন বলে উল্লেখ করেন তারা।জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল বলেন, আমরা এখনো সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের প্রক্রিয়া আরম্ভ করিনি। আমরা অতীতে যাদের মনোনয়ন দিয়েছি, তারা অত্যন্ত যোগ্যতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। সেই দিকটাও আমরা বিবেচনা করবো। এখন আমরা প্রধান বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্বের পরিধি অনেক জানিয়ে তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে সবচেয়ে যোগ্য মানুষদের বাছাই করা হবে, যারা সংসদে ও সংসদের বাইরে দেশের মানুষ বিশেষ করে নারী সমাজের জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারবে।জামায়াতের দলীয় নারী নেতৃত্বের বাইরে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হবে কি না এ প্রশ্নের জবাবে জোবায়ের বলেন, আমাদের সেই চিন্তা আছে। বিভিন্ন পেশায় যেসব নারী জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।
১৪ ঘন্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এখন দেশব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলো সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন। ইতোমধ্যে শপথ নিয়েছেন জনগণের ভোটে নির্বাচিত এমপি-মন্ত্রীরা। এই মুহূর্তে চলছে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর নারী প্রার্থী বাছাই ও মনোনয়ন প্রক্রিয়া।সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের অধিকাংশ পাবে বিএনপি। তবে সংরক্ষিত আসনে কাদের নিয়োগ দেওয়া হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছুই জানাননি দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় অফিসে সংরক্ষিত নারী আসন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা সংসদে সিদ্ধান্ত হবে। প্রার্থী মনোনয়নে ক্ষেত্রে তাদের জনগণ এবং দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে যারা দলের সঙ্গে আছেন তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের কিছু নিয়মকানুন আছে। কতগুলো মেয়াদ আছে, কতগুলো মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। সবগুলোকে একজায়গায় নিয়ে এসে সঠিক সময়ে নির্বাচন দিব। এই নির্বাচনকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।সংরক্ষিত নারী আসনের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা সংসদে সিদ্ধান্ত হবে। প্রার্থী মনোনয়নে ক্ষেত্রে তাদের জনগণ এবং দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে যারা দলের সঙ্গে আছেন তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিভিন্ন যায়গায় আওয়ামী লীগের অফিস খোলার বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা আমরা চাইনি। যেহেতু আইনগতভাবে বলা আছে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ সেভাবেই এদেরকে দেখা হবে।
১৫ ঘন্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি ও পরে মন্ত্রী হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপরে প্রথমবারের মতো ২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল।এ সময় দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের স্মৃতিবিজড়িত এই কার্যালয়ে আবেগপূর্ণ বক্তব্যে তিনি আগামী দিনের বাংলাদেশের রূপরেখা ও দলের অবস্থান তুলে ধরেন।বক্তব্যের শুরুতেই মির্জা ফখরুল নেতাকর্মীদের ত্যাগের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আপনাদের ভূমিকা নিঃসন্দেহে অতুলনীয়। ভবিষ্যতে যখনই গণতন্ত্রের সংগ্রামের ইতিহাস লেখা হবে, সেখানে আপনাদের এই অবদান স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে। নয়াপল্টন কার্যালয়কে তিনি গণতন্ত্র উত্তরণের সূতিকাগার হিসেবে অভিহিত করেন।প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম পথিকৃৎ। ৮৯-এর গণআন্দোলন থেকে শুরু করে ৯১-এর সরকার গঠন এবং পরবর্তী প্রতিটি আন্দোলনে তার আপসহীন নেতৃত্ব আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। এই কার্যালয়ের সামনে তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাগুলোই জনগণকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে শক্তি জুগিয়েছিল। তিনি মরহুমা নেত্রীর রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা এখন এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি আমাদের তরুণ নেতা, দলের চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দেশের মানুষের মধ্যে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন। তার কর্মপদ্ধতি প্রমাণ করে যে, তিনি দেশ পুনর্গঠনে কতটা নিবেদিত। আমরা বিশ্বাস করি, তার নেতৃত্বে সরকার সফল হবে এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লক্ষ্য অনুযায়ী একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সরকার সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া ও মেয়াদের বিষয়গুলো সমন্বয় করে সঠিক সময়েই নির্বাচন দেওয়া হবে। সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলের প্রতি আনুগত্য এবং জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে মূল যোগ্যতা হিসেবে দেখা হবে।দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের অফিস খোলার খবর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেহেতু আইনগতভাবে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তাই যেখানেই এমন তৎপরতা দেখা যাবে, তা কঠোরভাবে দমন করা হবে। আমরা এমন কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না।
১৭ ঘন্টা আগে