তরুণ প্রজন্মের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি তাদের পরবর্তী সি-সিরিজের স্মার্টফোন সি১০০এক্স উন্মোচন করতে যাচ্ছে। স্মার্টফোনের দীর্ঘস্থায়ী অভিজ্ঞতা নিশ্চিতের ধারাবাহিকতায় এবারও অসাধারণ ব্যাটারি ব্যাকআপ ও পারফরম্যান্স দিবে এমন ডিভাইস নিয়ে আসছে ব্র্যান্ডটি।সারাদিন স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল এমন ব্যবহারকারীদের জন্যে তৈরি এ ডিভাইসে সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি, ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা ও ৭ বছরের ব্যটারি হেলথ নিশ্চিত করা হয়েছে; যা এই প্রাইস সেগমেন্টের মধ্যে ব্যাটারি এনড্যুরেন্সের মানদণ্ডকে আরও ওপরে নিয়ে গেছে। রিয়েলমির ল্যাব টেস্ট অনুযায়ী একবার পূর্ণ চার্জে স্মার্টফোনটি ৬০ ঘন্টা পর্যন্ত কল, ২১ ঘন্টা পর্যন্ত ইউটিউব স্ট্রিমিং, ২৭ ঘন্টা পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার, ১৩ ঘন্টা পর্যন্ত ফ্রি ফায়ার গেমপ্লে ও ৮০৯ ঘন্টা পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই টাইম দিতে সক্ষম। এই সুবিধা রিয়েলমি সি১০০এক্স-কে পড়াশোনা, কাজ, বিনোদন, ভ্রমণ ও গেমিংয়ের জন্য অনন্য করে তুলেছে।অনবদ্য এই ব্যাটারি পারফরম্যান্স ছাড়াও, আসন্ন সি-সিরিজ ডিভাইসে ১২০ হার্জ আলট্রা-স্মুথ এইচডি ডিসপ্লে, ফ্লিকার-ফ্রি ডিসি ডিমিং ও ৬.৮ ইঞ্চি লার্জ ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিনোদনের ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। একইসাথে, এতে ৩০০% আলট্রাবুম সাউন্ড ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই প্রাইস রেঞ্জের ডিভাইসে স্মুথ ভিউইং ও গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।তরুণ প্রজন্মের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের অবস্থানকে আরও জোরদার করতে এবং নতুন স্মার্টফোন সি১০০এক্স আরও সহজলভ্য করতে শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় অফারের ঘোষণা দিয়েছে রিয়েলমি। ০৭ আগস্ট থেকে শুরু এই অফারে, দেশজুড়ে স্বীকৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দারাজে রেজিস্ট্রেশন করার মাধ্যমে রিয়েলমি সি১০০এক্স কেনায় ফ্ল্যাট ২,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন। এই অফার পেতে শিক্ষার্থীদের একটি ভ্যালিড স্টুডেন্ট আইডি ও সেলফি, একটি সচল বাংলাদেশি মোবাইল নম্বর ও তথ্য দিয়ে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করতে হবে। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রত্যেক উপযুক্ত শিক্ষার্থী একটি করে ডিসকাউন্ট কুপন পাবেন। কুপনটি ১০ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।
১ দিন আগে
● 'হেলথ এক্সপ্রেস' ক্যাম্পেইনটি স্বাস্থ্যসেবায় পিছিয়ে থাকা অঞ্চলগুলোতে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর সচেতনতা বৃদ্ধি করবে।● এই কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হবে বগুড়া থেকে এবং পরবর্তী তিন মাসে বাংলাদেশের ২০টিরও বেশি জেলায় পরিচালিত হবে।বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান উইপ্রো জিই হেলথকেয়ার ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ নামে একটি নতুন স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের তৃতীয় ও চতুর্থ স্তরের শহরগুলোতে, যেখানে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো ও প্রযুক্তির ঘাটতি রয়েছে, সেখানে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই কর্মসূচি মানুষের হাতের নাগালে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেবে এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রোগীর সেবার মানকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এই ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ এর আওতায় কার্যকর যন্ত্রপাতির সরাসরি প্রদর্শনী ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে, যার মাধ্যমে চিকিৎসকরা উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হতে পারবেন। যা রোগ নির্ণয়ের নিখুঁততা বাড়াবে এবং ক্লিনিক্যাল কার্যক্রমকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে সাহায্য করবে।বগুড়া দিয়ে যাত্রা শুরু হওয়া এই কর্মসূচি আগামী তিন মাসে এই ক্যাম্পেইনটি দেশের ২০টিরও বেশি জেলায় পৌঁছাবে। এই প্রচারণার অংশ হিসেবে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ার তাদের সর্বাধুনিক আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি ইন্টারঅ্যাকটিভ প্রোডাক্ট ডেমো এবং শিক্ষামূলক সেশনের আয়োজন করবে। একইসঙ্গে, এটি চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করে স্বাস্থ্যসেবা খাতের মূল চ্যালেঞ্জ ও তার সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করবে। উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের আল্ট্রাসাউন্ড বিভাগের বিজনেস হেড অনুপ কুমার রামচন্দ্রন বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি একটি অধিকার। ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের বিশেষজ্ঞরা সরাসরি মাঠপর্যায়ের চিকিৎসকদের সাথে সম্পৃক্ত হতে পারবেন, যার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত এলাকাগুলোতে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। আধুনিক আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাথমিক ধাপে রোগ নির্ণয়ের সুবিধা তুলে ধরে আমরা চিকিৎসকদের সক্ষমতা বাড়াতে চাই। একই সাথে আমাদের লক্ষ্য স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসম্মত চিকিৎসাসেবা সবার জন্য সহজলভ্য করা। রোগীর সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে আমরা চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও সঠিক জ্ঞান দিয়ে সাহায্য করছি। এর মাধ্যমে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা’ বাস্তবায়নে আমাদের যে লক্ষ্য, তা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।”এই উদ্যোগটি স্বাস্থ্যপ্রযুক্তির আধুনিকীকরণ এবং শিক্ষা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা জোরদার করার ক্ষেত্রে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতিরই বহিঃপ্রকাশ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চিকিৎসকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে এই উদ্যোগ আধুনিক ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তির প্রসার ঘটাতে এবং একটি বৈষম্যহীন ও সমতাভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা খাত গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে।
১ দিন আগে
গেমার ও কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য দেশের বাজারে নতুন গিগাবাইট জিও২৭কিউ২৪এ গেমিং মনিটর এনেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গিগাবাইট। ২৭ ইঞ্চির এই কিউডি-ওএলইডি মনিটরের দাম রাখা হয়েছে ৬৩ হাজার টাকা। এতে রয়েছে কিউএইচডি (২,৫৬০×১,৪৪০) রেজল্যুশন, ২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং ০.০৩ মিলিসেকেন্ড রেসপন্স টাইম।মনিটরটিতে ব্যবহৃত হয়েছে স্যামসাংয়ের কিউডি-ওএলইডি প্যানেল, যা ৯৯ শতাংশ ডিসিআই-পি৩ রঙের পরিসর সাপোর্ট করে এবং ১.০৭ বিলিয়ন রঙ প্রদর্শনে সক্ষম। ফলে ছবি ও ভিডিওতে আরও বাস্তবসম্মত রঙ, গভীর কনট্রাস্ট এবং উন্নত ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি এতে রয়েছে এইচডিআর১০ সমর্থন এবং প্রায় ১৫ লাখ:১ কনট্রাস্ট রেশিও।গেমিংয়ের জন্য মনিটরটিতে যুক্ত করা হয়েছে এআই ব্ল্যাক ইকুয়ালাইজার, আল্ট্রা ক্লিয়ার মোশন, ওএলইডি ভিআরআর অ্যান্টি-ফ্লিকার এবং ট্যাকটিক্যাল সুইচ ২.০ প্রযুক্তি। এসব ফিচার দ্রুতগতির গেমে আরও মসৃণ অভিজ্ঞতা এবং প্রতিযোগিতামূলক খেলায় ভালো ভিজিবিলিটি নিশ্চিত করবে।সংযোগ সুবিধার জন্য রয়েছে দুটি এইচডিএমআই ২.১, একটি ডিসপ্লেপোর্ট ১.৪ এবং একটি হেডফোন জ্যাক। ফলে গেমিং পিসি, প্লেস্টেশন ৫ কিংবা এক্সবক্স সিরিজ এক্সের মতো ডিভাইস সহজেই সংযুক্ত করা যাবে।গিগাবাইট বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানান, মনিটরটির স্ট্যান্ডে সামনে-পেছনে কাত করা, ডান-বামে ঘোরানো এবং ৯০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে খাড়াভাবে ব্যবহার করার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া ভেসা (VESA) ১০০×১০০ মাউন্ট সমর্থন থাকায় এটি দেয়ালেও স্থাপন করা যাবে।গিগাবাইট বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান বলেন, ‘জিও২৭কিউ২৪এ মনিটরটি এমন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি, যারা ই-স্পোর্টস গেমিং, ভিডিও সম্পাদনা, গ্রাফিক্স ডিজাইন কিংবা প্রিমিয়াম ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা চান। কিউডি-ওএলইডি ডিসপ্লে, ২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং দ্রুত রেসপন্স টাইমের সমন্বয়ে এটি প্রিমিয়াম গেমিং মনিটরের বাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে।’তিনি আরও জানান, স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড গিগাবাইটের একমাত্র অনুমোদিত পরিবেশক হিসেবে বাংলাদেশে মনিটরটি বাজারজাত করছে।প্রসঙ্গত-২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট থাকায় প্রতি সেকেন্ডে ২৪০ বার স্ক্রিনের ছবি হালনাগাদ হয়। ফলে দ্রুতগতির গেম, ভিডিও বা চলমান দৃশ্যে ছবির মসৃণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে, মোশন ব্লার ও স্ক্রিন টিয়ারিং কমে এবং প্রতিক্রিয়ার সময়ও দ্রুত হয়। বিশেষ করে ই-স্পোর্টস গেমারদের জন্য এটি প্রতিযোগিতামূলক গেমিংয়ে বাড়তি সুবিধা দেয়। একই সঙ্গে ভিডিও সম্পাদনা ও উচ্চ ফ্রেমরেটের কনটেন্ট দেখার ক্ষেত্রেও আরও স্বচ্ছ ও প্রাণবন্ত অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।
২ দিন আগে
দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন এবং ডেকো লেগ্যাসি গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ও দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় খাদ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানি ডেকো ফুডস লিমিটেড একটি কৌশলগত পার্টনারশিপ করেছে। চুক্তির আওতায়, উন্নত কানেক্টিভিটি ও ডিজিটাল এন্টারপ্রাইজ সলিউশনের মাধ্যমে ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করতে একসাথে কাজ করবে তারা।গ্রামীণফোনের ডিজিটাল কানেক্টিভিটি ও এন্টারপ্রাইজ সলিউশন ব্যবহার করে ডেকো ফুডস তাদের পরিচালন দক্ষতা বাড়ানো, দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ব্যবসায়িক লক্ষ্য নির্ধারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে উৎপাদন খাতের ডিজিটাল রূপান্তরে ভূমিকা রাখতে রাখবে।সম্প্রতি উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান এবং ডেকো লেগ্যাসি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কল্পন হোসেন এই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেন।এ সময় গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) ড. আসিফ নাইমুর রশীদ, হেড অব ইমার্জিং অ্যাকাউন্টস এস.এম. জাহাদুল আরেফিন, হেড অব পিপিও মো. মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া, হেড অফ প্রাইম অ্যাকাউন্টস অরবিদ চৌধুরী, হেড অব ইমার্জিং ঢাকা নর্থ সৌগত বিশ্বাস, স্ট্র্যাটেজিক অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার হাসান হাফিজুর রহমান এবং স্ট্র্যাটেজিক অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মো. আশরাফ-উজ্জামান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। ডেকো ফুডসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) এ.কে.এম. জাবেদ, হেড অব মার্কেটিং মো. নেয়ামুল কাদের, হেড অব সেলস সৈয়দ আবরার আহমেদ, হেড অব এইচআর মো. জহিরুল ইসলাম, হেড অব অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স মো. জাহিদুল হক এবং হেড অব সাপ্লাই চেইন মো. বজলুর রহমান।গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “গ্রামীণফোনে আমরা অনুধাবন করি যে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন ডিজিটাল রূপান্তরকে গ্রহণ করছে, তেমনি দক্ষতা ও দীর্ঘমেয়াদী প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে নির্ভরযোগ্য কানেক্টিভিটি ও উন্নত এন্টারপ্রাইজ সলিউশনও অপরিহার্য হয়ে উঠছে। এই পার্টনারশিপ প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও স্মার্ট পরিচালন ব্যবস্থা গড়ে তোলার এক যৌথ আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন; যা বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় নিরাপদ ও স্মার্ট ভবিষ্যত গড়তে অবদান রাখার পাশাপাশি অধিকতর গতিশীলতা, উৎপাদনশীলতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক।”ডেকো লেগ্যাসি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কল্পন হোসেন বলেন, "উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি কৌশলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। গ্রামীণফোনের সাথে পার্টনারশিপের মাধ্যমে আধুনিক ডিজিটাল সলিউশনস ব্যবহার করে পরিচালন সক্ষমতা বাড়ানো, দক্ষতা উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত মান নিশ্চিত করতে চাই আমরা।"
৩ দিন আগে