দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন এবং ডেকো লেগ্যাসি গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ও দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় খাদ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানি ডেকো ফুডস লিমিটেড একটি কৌশলগত পার্টনারশিপ করেছে। চুক্তির আওতায়, উন্নত কানেক্টিভিটি ও ডিজিটাল এন্টারপ্রাইজ সলিউশনের মাধ্যমে ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করতে একসাথে কাজ করবে তারা।গ্রামীণফোনের ডিজিটাল কানেক্টিভিটি ও এন্টারপ্রাইজ সলিউশন ব্যবহার করে ডেকো ফুডস তাদের পরিচালন দক্ষতা বাড়ানো, দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ব্যবসায়িক লক্ষ্য নির্ধারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে উৎপাদন খাতের ডিজিটাল রূপান্তরে ভূমিকা রাখতে রাখবে।সম্প্রতি উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান এবং ডেকো লেগ্যাসি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কল্পন হোসেন এই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেন।এ সময় গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) ড. আসিফ নাইমুর রশীদ, হেড অব ইমার্জিং অ্যাকাউন্টস এস.এম. জাহাদুল আরেফিন, হেড অব পিপিও মো. মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া, হেড অফ প্রাইম অ্যাকাউন্টস অরবিদ চৌধুরী, হেড অব ইমার্জিং ঢাকা নর্থ সৌগত বিশ্বাস, স্ট্র্যাটেজিক অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার হাসান হাফিজুর রহমান এবং স্ট্র্যাটেজিক অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মো. আশরাফ-উজ্জামান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। ডেকো ফুডসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) এ.কে.এম. জাবেদ, হেড অব মার্কেটিং মো. নেয়ামুল কাদের, হেড অব সেলস সৈয়দ আবরার আহমেদ, হেড অব এইচআর মো. জহিরুল ইসলাম, হেড অব অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স মো. জাহিদুল হক এবং হেড অব সাপ্লাই চেইন মো. বজলুর রহমান।গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “গ্রামীণফোনে আমরা অনুধাবন করি যে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন ডিজিটাল রূপান্তরকে গ্রহণ করছে, তেমনি দক্ষতা ও দীর্ঘমেয়াদী প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে নির্ভরযোগ্য কানেক্টিভিটি ও উন্নত এন্টারপ্রাইজ সলিউশনও অপরিহার্য হয়ে উঠছে। এই পার্টনারশিপ প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও স্মার্ট পরিচালন ব্যবস্থা গড়ে তোলার এক যৌথ আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন; যা বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় নিরাপদ ও স্মার্ট ভবিষ্যত গড়তে অবদান রাখার পাশাপাশি অধিকতর গতিশীলতা, উৎপাদনশীলতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক।”ডেকো লেগ্যাসি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কল্পন হোসেন বলেন, "উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি কৌশলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। গ্রামীণফোনের সাথে পার্টনারশিপের মাধ্যমে আধুনিক ডিজিটাল সলিউশনস ব্যবহার করে পরিচালন সক্ষমতা বাড়ানো, দক্ষতা উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত মান নিশ্চিত করতে চাই আমরা।"
১৪ ঘন্টা আগে
তরুণ প্রজন্মের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি, আবারও সি-সিরিজ স্মার্টফোনের লাইনআপে ব্যাটারি পারফরম্যান্সে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রিয়েলমি সবসময়ই দীর্ঘস্থায়ী স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গুঞ্জন রয়েছে, এই প্রতিশ্রুতি থেকেই তাদের আসন্ন ডিভাইসে সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের টাইটান ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। সারাদিন নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার নিশ্চিত করার পাশাপাশি, এটি ব্যবহারকারীদের ব্যাটারি ফুরিয়ে যাওয়ার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত রাখবে।সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল থাকা ব্যবহারকারীদের কথা চিন্তা করে আসন্ন এই সি-সিরিজ ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইসটি প্রতিদিনের কাজ, পড়াশোনা, ভ্রমণ, বিনোদন ও গেমিংয়ের ক্ষেত্রে অনন্য অভিজ্ঞতা দিবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি পারফরম্যান্স ছাড়াও, স্মার্টফোনটিতে আলট্রা স্মুথ ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিং, কন্টেন্ট স্ট্রিমিং বা দ্রুতগতির মোবাইল গেমস উপভোগ করার ক্ষেত্রে প্রাণবন্ত অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।শক্তিশালী এই ব্যাটারির সাথে তালমেলাতে ডিভাইসটিতে ৪৫ ওয়াট পর্যন্ত ফাস্ট চার্জিং সুবিধা রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ব্যবহারকারীদের দ্রুততম সময়ে চার্জ করে প্রতিদিনের কাজ চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেবে। পাশাপাশি, ডিভাইসটিতে এই সেগমেন্টের সবচেয়ে টেকসই ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। সাত বছর পর্যন্ত ব্যবহার করার পরও ডিভাইসটিতে ৮০ শতাংশের বেশি ব্যাটারি হেলথ থাকবে, যা দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স ও ব্যবহারকারীদের দীর্ঘমেয়াদী মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করবে।প্রতিদিনের কাজ সম্পন্ন করার জন্য তৈরি এই স্মার্টফোনে মিলিটারি-গ্রেড শক রেজিজট্যান্স ব্যবহার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্ভরযোগ্য স্থায়িত্বের পাশাপাশি, এতে আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিজট্যান্স রেটিং ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে, যা হঠাৎ হাত থেকে পড়ে যাওয়ার কারণে ক্ষয়ক্ষতি, পানির ছিটা ও প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে সক্ষম।এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসলেও রিয়েলমির আসন্ন উন্মোচনকে ঘিরে ব্যবহারকারীদের মাঝে উদ্দীপনা ক্রমশ বাড়ছে।
১ দিন আগে
দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ আন্তর্জাতিক ফুটবল আসর টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বের দলবিন্যাস চূড়ান্ত হয়েছে। ভুটানের থিম্পুতে অনুষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক ড্র অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করল। সাফ অর্ডিনারি কংগ্রেস ২০২৬-এর পর আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন (সাফ), ফিফা ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সাফের সাতটি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনেরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।আনুষ্ঠানিক ড্র পরিচালনা করেন দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাট্টেল, ভুটান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি দাশো উগেন সেচুপ এবং টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পনসর টেকনো মোবাইল বাংলাদেশের প্রতিনিধি ও আইস্মার্টু টেকনোলজি বিডি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক। তাঁদের অংশগ্রহণ টুর্নামেন্টের আয়োজক, ড্র অনুষ্ঠানের স্বাগতিক ফেডারেশন এবং টাইটেল স্পনসরের মধ্যকার সমন্বিত সহযোগিতার প্রতিফলন ঘটায়।আনুষ্ঠানিক ড্রয়ের ফল অনুযায়ী, স্বাগতিক বাংলাদেশ গ্রুপ ‘এ’-তে নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও ভুটানের সঙ্গে খেলবে। গ্রুপ ‘বি’-তে রয়েছে ভারত, মালদ্বীপ ও পাকিস্তান। তবে নেপালের অংশগ্রহণ ফিফার অনুমোদনসাপেক্ষ।আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬। আনুষ্ঠানিক ড্র সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার এই প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল আসরের মঞ্চ এখন প্রস্তুত।এ উপলক্ষে বাংলাদেশে টেকনো মোবাইলের কার্যক্রম পরিচালনাকারী ‘আই স্মার্ট ইউ’ টেকনোলজি বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক বলেন: “টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬-এর যাত্রায় আনুষ্ঠানিক ড্র একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। গ্রুপ চূড়ান্ত হওয়ায় প্রতিটি অংশগ্রহণকারী দল এখন আরও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি এগিয়ে নিতে পারবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলপ্রেমীরাও প্রতিযোগিতাটি ঘিরে নতুন করে প্রত্যাশা শুরু করতে পারবেন। টাইটেল স্পনসর হিসেবে টেকনো এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে সাফকে সহযোগিতা করতে পেরে গর্বিত, যা ক্রীড়া নৈপুণ্য উদ্যাপন করবে, আঞ্চলিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ফুটবলের শক্তিতে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।” গ্রুপ চূড়ান্ত হওয়ার পর অংশগ্রহণকারী দেশগুলো এখন টুর্নামেন্টের জন্য তাদের শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু করবে। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতাকে ঘিরে দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে আগ্রহ ও উত্তেজনা আরও বাড়বে।টাইটেল স্পনসর হিসেবে টেকনো দক্ষিণ এশিয়ায় ফুটবলের ধারাবাহিক বিকাশে সহযোগিতা এবং খেলোয়াড়, সমর্থক ও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য স্মরণীয় চ্যাম্পিয়নশিপ অভিজ্ঞতা তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২ দিন আগে
সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল স্টোরিটেলিং নিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সহযোগিতায় “টিকটক মাস্টারক্লাস অন জার্নালিজম অ্যান্ড ডিজিটাল স্টোরিটেলিং” শীর্ষক দুই দিনের একটি বিশেষ ওয়ার্কশপ আয়োজন করে টিকটক। নর্থ সাউথ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এই ওয়ার্কশপে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক, এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটররা অংশ নেন। এই আয়োজনে ছিল আলোচনা, টিকটক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের প্রশিক্ষণ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য একটি জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেলের নিউজরুম পরিদর্শনের সুযোগ।সংবাদ প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলভাবে টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার, ব্যাখ্যামূলক ভিডিও, জনসচেতনতামূলক এবং তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট তৈরির বিষয়গুলো এতে উঠে আসে। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া কেন্দ্রিক সাংবাদিকতা, দর্শকের সাথে সংযোগ, তথ্য যাচাই, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং নৈতিকভাবে কনটেন্ট তৈরির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারেন শিক্ষার্থীরা। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, “আমাদের মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সাথে টিকটক এমন একটি আয়োজন করায় আমরা আনন্দিত। এটি আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে এবং সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম ও ডিজিটাল যোগাযোগে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে বলে আমি মনে করি।”ওয়ার্কশপের প্রথম দিন বক্তব্য দেন মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হারিসুর রহমান, স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস-এর ডিন ড. মো. রিজওয়ানুল ইসলাম এবং উপাচার্য ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী। এছাড়া, ‘ভবিষ্যতের সাংবাদিকতা কেমন হবে?’ শিরোনামের একটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ড. মো. হারিসুর রহমান, টিকটকের ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি লিড আসমা আনজুম, বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারান পারিহার। এই আলোচনায় ভবিষ্যতের সাংবাদিকতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব, নির্ভরযোগ্য কনটেন্টের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।ড. মো. হারিসুর রহমান বলেন, “সাংবাদিকতার পড়াশুনা এখন আর শুধু প্রচলিত রিপোর্টিং ও যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের শুধু নিউজরুমের জন্য নয়, মিডিয়া, কমিউনিকেশন এবং তথ্য ভিত্তিক কনটেন্ট তৈরির জন্যও প্রস্তুত করা।"ওয়ার্কশপের দ্বিতীয় দিনে নিউজরুম ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। যমুনা টেলিভিশনে গবেষক এবং নর্দান ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মো. জাহিদ হোসেন খান, সংবাদ বা কনটেন্টের বিষয়বস্তু নির্বাচন, তথ্য যাচাই, সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সাংবাদিকতার সামাজিক প্রভাব এবং ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকতার পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া, ‘ম্যাজিক রাজিক’ নামে পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাশিক মোহতাসিন, এবং সাবা চৌধুরী কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কনটেন্ট তৈরি, দর্শক তৈরি, ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ এবং এই পেশার আরও দিকগুলো তারা তুলে ধরেন।টিকটকের এপ্যাক ও মেটাপিএসএইই অঞ্চলের ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি অ্যান্ড টেক কমিউনিকেশন লিড, ইমাদ জাফরের সাথে গণমাধ্যম, সাংবাদিকতা ও ক্যারিয়ার সম্পর্কে একটি আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। ডিজিটাল মিডিয়া এবং গণমাধ্যমে সফল হতে কী কী দক্ষতা ও মানসিকতা দরকার, সেটিও উঠে আসে। ইমাদ জাফর বলেন, "মানুষ নতুন আইডিয়া জানতে, শিখতে এবং নতুন গল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে টিকটক ব্যবহার করছে। এই মাস্টারক্লাসের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের এমন দক্ষতা শেখাতে চেয়েছি, যেন তারা সাংবাদিকতার মূল নীতি, নির্ভুলতা, তথ্য যাচাই, জবাবদিহি এবং জনস্বার্থ মেনে সৃজনশীল ও দায়িত্বশীলভাবে শর্ট ভিডিও তৈরি করতে পারে।” এই ওয়ার্কশপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ডিজিটাল স্টোরিটেলিং প্রতিযোগিতা। এতে অংশগ্রহণকারীরা #growwithtiktok এবং #nsu হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে নিজেদের ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বিষয় নিয়ে শর্ট ভিডিও তৈরি করেন। সেরা তিনটি কনটেন্টকে এতে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সমাপনী বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য ড. নাসার ইউ. আহমেদ। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীরা একটি জাতীয় টিভির নিউজরুম ঘুরে দেখার সুযোগ পান। সেখানে তাঁরা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন এবং সংবাদ সংগ্রহ, প্রযোজনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়া বোঝার সুযোগ পায়।
৫ দিন আগে