নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৯ মার্চ ২০২৬ বিকাল ০৫:৪৯:০১
কর্মক্ষেত্র ও জনসমক্ষে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: এডিসি তানিয়া সুলতানা
কর্মক্ষেত্র এবং জনসমক্ষে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) তানিয়া সুলতানা।
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সভাকক্ষে আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, সমাজে বিদ্যমান পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা ও বিভিন্ন সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে হবে। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র, সমাজ এবং পরিবার—সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি ও দি ফিন্যানসিয়াল এক্সপ্রেসের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট দৌলত আক্তার মালা, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রুবাইয়াৎ ফেরদৌস, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সহকারী পরিচালক ডা. নায়লা পারভিন এবং সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলী।
বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবস কেবল আনুষ্ঠানিক উদযাপনের বিষয় নয়; এটি নারীর মর্যাদা, সমঅধিকার এবং ক্ষমতায়নের বৈশ্বিক অঙ্গীকার। সামাজিক কুসংস্কার ও ‘স্টিগমা’র কারণে অনেক নারী প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই নারীর অধিকার কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে প্রয়োগ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা জরুরি।
তারা আরও বলেন, এমন একটি সমাজ গড়ে তোলার স্বপ্ন আমাদের দেখতে হবে যেখানে প্রতিটি নারী ভয়হীনভাবে তার প্রতিভা বিকাশ করতে পারবে এবং প্রতিটি কন্যাশিশু বৈষম্যমুক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠবে। নারীর অধিকার সুরক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়েই এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের কাউন্সিলর সুমাইয়া তিথির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেন্টার ম্যানেজার লায়লা ইয়াসমিন। এ সময় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কেস ম্যানেজার রোজিনা আক্তার।