রাজধানীর উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত ‘তুলি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস’-এ অনধিকার প্রবেশ করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, মারধর ও জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়েছে।মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারনামীয় ২ নম্বর আসামি মো. আবুল খায়ের ওরফে খাইরুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মচারী আবুল কালাম আজাদ এখনো পলাতক রয়েছেন।মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ আগস্ট সকালে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠানের অফিসে প্রবেশ করে কর্মচারীদের মারধর করে এবং প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. নজরুল ইসলামকে আটকে রেখে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে নগদ ও বিকাশে মোট ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।অভিযুক্তরা যাওয়ার সময় একটি সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর এবং ডিভিআর নিয়ে যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে প্রায় ১৯ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।গত ৪ সেপ্টেম্বর উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় রুজু হওয়া মামলাটির তদন্ত করছেন থানার সাব-ইন্সপেক্টর মো. সাইফুল ইসলাম।তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
২০ ঘন্টা আগে
প্রতিবছর ১০ হাজার বৈধ শ্রমিক যাওয়ার সুযোগ আছে ইতালিতে। পরিবারসহ এই সংখ্যা ১২ হাজার বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রো সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।পরে সাংবাদিকদের সাথে প্রতিমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বহুসংখ্যক অবৈধ অভিবাসী আছে ইতালিতে। ইতালিতে অবস্থানরত আড়াই লাখ বাংলাদেশির প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই শরীয়তপুর ও মাদারীপুর অঞ্চলের। সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও ফরিদপুর অঞ্চলে যৌথ ওয়ার্কশপ আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে যারা আছে, তাদের বৈধ করার বিষয়ে আলোচনা হয়নি। আর দালালের মাধ্যমে যারা অবৈধভাবে যাচ্ছে, তাদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে।মালয়েশিয়ার শ্রমিক নেওয়া বিষয়ে তিনি বলেন, মালোয়েশিয়ার হাইকমিশনারকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে অনুরোধ করা হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সাল থেকে খাদ্য অপচয় রোধ ও ফুড সিকিউরিটিতে কাজ করা ইতালির মিলান শহরের মডেলে দেশটি বাংলাদেশেও কাজ করতে সম্মত হয়েছে। ইতালির সাথে মিল রেখে এক্ষেত্রে খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে বেছে নেওয়া হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, ভাষায় প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশগত ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে একমত হয়েছে দুই দেশ।বাংলাদেশি স্থপতিদের দক্ষতা বাড়াতে ইতালিতে প্রশিক্ষণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নির্দিষ্ট তালিকা পাঠালে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও স্থপতিদের এই সফরে পাঠানো হবে। দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির অংশ হিসেবে বাংলাদেশি কর্মী ও প্রশিক্ষকদের ইতালীয় ভাষা শেখাতে প্রতিনিধি পাঠাবে ইতালি। দেশের যেকোনো একটি ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের বলেন, আমরা বাণিজ্য, অভিবাসন, দুই দেশের শহরগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক (টুইনশিপ) নিয়ে আলোচনা করেছি। যদিও এটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ ছিল, তার পরেও ইতালি ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে কীভাবে একসাথে কাজ করা যায়, সে বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় স্বাভাবিকভাবেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ, তাই এই ধরনের মন্ত্রণালয়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে এবং সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি ও উৎসাহিত করতে ইতালি সবসময়ই আগ্রহী।
২৩ ঘন্টা আগে
দেশে ২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, সাক্ষরতা শুধু পড়তে, লিখতে ও গণনা করতে পারার মৌলিক সক্ষমতা নয়। এটি মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন, পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতা এবং টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের প্রতিপাদ্যে সাক্ষরতাকে কেবল পড়া, লেখা ও গণনার সক্ষমতা হিসেবে না দেখে মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন, পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতা এবং টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমান বাস্তবতায় একজন স্বাক্ষর মানুষ শুধু তথ্য পড়তে বা লিখতে সক্ষম হন না। তিনি তথ্য অনুধাবন ও বিশ্লেষণ করতে পারেন, প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নিজের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হন এবং শিক্ষা ও দক্ষতার মাধ্যমে নিজের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন।ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে সর্বজনীন, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার ব্যবস্থা এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। সেই সাংবিধানিক অঙ্গীকারকে ধারণ করে সরকার প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, জীবনদক্ষতা ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাক্ষরতা বিস্তারে গত কয়েক দশকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এই অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও একটি উল্লেখযোগ্য জনগোষ্ঠী কার্যকর সাক্ষরতা ও প্রয়োজনীয় দক্ষতার বাইরে রয়েছে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার সদর উপজেলায় ‘কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ (প্রাক-বৃত্তিমূলক পর্যায়)’ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে প্রতি জেলায় ৮০ জন করে মোট ৫ হাজার ১২০ জন ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়া কিশোর-কিশোরীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিটি কোর্সে ৪৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ১০০ ঘণ্টা কার্যকর সাক্ষরতা এবং ৩৬০ ঘণ্টা দক্ষতা প্রশিক্ষণ রয়েছে। প্রশিক্ষণটি বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামোর (বিএনকিউএফ) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হচ্ছে।তিনি বলেন, এই কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো শিক্ষা থেকে কর্মে উত্তরণের সুযোগ সৃষ্টি করা। ইতোমধ্যে বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় নিবন্ধিত ৪ হাজার ৩১২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪ হাজার ১৯৮ জন সক্ষম হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ হাজার ৮৮২ জন, অর্থাৎ ৯২ দশমিক ৪৭ শতাংশ সক্ষম শিক্ষার্থী কোনো না কোনো ধরনের কর্মসংস্থানের সংযোগ পেয়েছেন।প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬০৩ জন সরাসরি কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছেন, ৮৭৯ জন শোভন কাজে শিক্ষানবিশ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন, ১ হাজার ৩০৪ জন উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মে যুক্ত হয়েছেন এবং ৪৮৯ জন উদ্যোক্তা হওয়ার লক্ষ্যে পরামর্শকের অধীনে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করছেন। এ ছাড়া ৪৫৮ জন বাংলাদেশ জাতীয় যোগ্যতা কাঠামোর প্রথম স্তরে এবং ১০৪ জন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি (ভোকেশনাল) কার্যক্রমে ভর্তি হয়েছেন।ববি হাজ্জাজ বলেন, এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, সাক্ষরতার সঙ্গে যখন দক্ষতা যুক্ত হয়, তখন তা মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনে।সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার পরিধি আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ রয়েছে। বিকল্প শিক্ষা সুযোগ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলার নির্বাচিত ৬৪টি উপজেলায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী ১৯ হাজার ২০০ বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশু-কিশোরকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মৌলিক শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে আরও ১৯ হাজার ২০০ জন ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণকে জীবিকায়ন দক্ষতা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, দক্ষতাভিত্তিক সাক্ষরতা কার্যক্রম দেশের আরও ১৬টি জেলায় সম্প্রসারণ করে তিন বছরে ১ লাখ কিশোর-কিশোরীকে দক্ষতাভিত্তিক সাক্ষরতার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর চলমান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরেই বিশেষ কার্যক্রমের দ্বিতীয় ধাপে দেশের ৫০টি জেলায় আরও ৪ হাজার কিশোর-কিশোরীকে প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করার লক্ষ্যে ‘প্রত্যেকে একজনকে শেখাবে’ মডেলের আলোকে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতা ও কার্যকর সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ কর্মসূচির পাইলট পর্যায়ে ৪০টি জেলার ৪০টি উপজেলায় ৩৫ হাজার নিরক্ষর নারী-পুরুষকে প্রায়োগিক সাক্ষরতা দেওয়া হবে। পাইলট বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে মূল কর্মসূচির আওতায় ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৪৫ লাখ নিরক্ষর নারী ও পুরুষকে প্রায়োগিক সাক্ষরতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।ববি হাজ্জাজ বলেন, এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০৩১ সাল নাগাদ দেশের সাক্ষরতার হার ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করার ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্বব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমি গতকালই সেই আহ্বান জানিয়েছি- আমরা সংঘাত ও প্রতিশোধের এই ধরনের রাজনীতি দেখতে চাই না। অনেক হয়েছে। এখন একটা সমঝোতার রাজনীতি, গণতন্ত্রের রাজনীতি, সহনশীলতার রাজনীতি- গোটা দেশের মানুষের এটাই চাওয়া।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ভাতারমার ইক্ষু খামার এলাকায় ঠাকুরগাঁও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, ঠাকুরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল জেলায় একটি জাতীয় পর্যায়ের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের পরিপ্রেক্ষিতে সেই প্রত্যাশা পূরণের পথে আজকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।রাষ্ট্রপতি বলেন, আজকের এই আনন্দময় মুহূর্তে আমি পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তাঁর অশেষ রহমতে আজ ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হতে যাচ্ছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন পাওয়া গেছে। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জায়গাও নির্ধারণ করা হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গাটি শিল্প মন্ত্রণালয় ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেছে জানিয়ে রাষ্ট্রপতি সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও অবকাঠামোর নকশা তৈরি হবে এবং দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হবে। তিনি স্থানীয় জনগণের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টি দেখভাল ও সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজনৈতিক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমে বলেন, আমি এখন পলিটিক্যাল প্রশ্নের উত্তর দেব না।
১ দিন আগে