নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৯ মার্চ ২০২৬ বিকাল ০৪:৩২:২৮
সারাদেশে ৩৭৫৬৭ জন নারী পাবেন ‘ফ্যামিলি কার্ড'
পাইলটিং পর্যায়ে সারা দেশে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ের অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাল্টিপারপাস হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, সমগ্র প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক মানের ভিত্তিতে সম্পন্ন করায় উপকারভোগী নির্বাচনে কোনোরূপ দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের অবকাশ নেই।
তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিতের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় অর্জনের বিষয়টি সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এরই অংশ হিসেবে পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
আগামীকাল (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় বনানীস্থ টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠ (কড়াইল বস্তিসংলগ্ন) এলাকায় প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের শুভ উদ্বোধন করবেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, পাইলটিং কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৩ সিটি কর্পোরেশন/ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, পাইলটিং পর্যায়ে সারা দেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে পাইলটিং পর্যায়ে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র সূচক মান নির্ণয়ের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে।
হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৫১ হাজার ৮০৫টি খানার (Household) তথ্য যাচাইয়ে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি খানার তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্য থেকে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।