জাহিদ হাসান
প্রকাশ : ৮ জুলাই ২০২৬ বিকাল ০৩:১২:১৯
বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য বেবিচকের ফ্রি শাটল সার্ভিস চালু
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগত ও প্রস্থানকারী যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বিনামূল্যে শাটল সার্ভিস চালু করেছে।
বুধবার (৮ জুলাই) বিমানবন্দরের ক্যানোপির সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ, পিএসসি, জিডি(পি)।
বেবিচক জানায়, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনা এবং বেবিচক চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে সংস্থাটির অর্থায়নে পরিচালিত এই শাটল সার্ভিস বিমানবন্দর–বিমানবন্দর বাসস্ট্যান্ড, জসিমউদ্দিন মোড়–বিমানবন্দর রেলস্টেশন এবং কাওলা–বিমানবন্দর রুটে চলাচল করবে।
এর মাধ্যমে যাত্রীরা বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলগুলোর মধ্যে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দ্রুত, নিরাপদ ও আরামদায়কভাবে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক, নারী, শিশু, শারীরিকভাবে অসুবিধাগ্রস্ত যাত্রী এবং ভারী লাগেজ বহনকারীদের জন্য এই সেবা হবে অত্যন্ত কার্যকর।
বেবিচকের মতে, এই উদ্যোগ ব্যক্তিগত যানবাহনের ওপর নির্ভরতা কমাবে, বিমানবন্দর এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে এবং পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে যাত্রীসেবার সামগ্রিক মান উন্নয়নেও এটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ বলেন, দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, চলাচলে স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে বেবিচক ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন যুগোপযোগী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় চালু করা হয়েছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যের এই শাটল সার্ভিস।
তিনি আরও বলেন, এই সেবা যাত্রীদের সময় সাশ্রয়, নিরাপদ চলাচল এবং উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বেবিচক জানিয়েছে, ‘সম্মানিত যাত্রী সর্বাগ্রে’—এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ভবিষ্যতেও যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদানে জনকল্যাণমূলক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিভিন্ন অংশীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।