বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬ বিকাল ০৫:১৩:৫৩
সরকারি বৃত্তি পরীক্ষায় বাহুবলের ১০৩ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীও বৃত্তি পায়নি, অভিভাবকদের ক্ষোভ
অভিভাবকদের দাবি, উপজেলার কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বৃত্তি না পাওয়ায় স্থানীয় প্রাথমিক শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের অভিযোগ, বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত ও কার্যকর একাডেমিক তদারকির অভাব রয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় নজরদারি ও মনিটরিং যথাযথভাবে করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা।
একাধিক অভিভাবক বলেন, "শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও একজনও বৃত্তি না পাওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। এটি উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি সতর্কবার্তা। শিক্ষার মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।"
রাউদগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন অভিভাবক সালাম মিয়া বলেন, "আমার সন্তান বৃত্তি পাবে—এই আশা নিয়ে অনেক কষ্ট করে তাকে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিয়েছিলাম। কিন্তু সে বৃত্তি পায়নি। আমার মনে হয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঠিকভাবে পড়াশোনা হয় না। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কোনো দিন স্কুলে এসেছেন বলে দেখিনি। শুনেছি, কোনো স্কুলে গেলেও ছবি তুলে আর চা-বিস্কুট খেয়েই চলে আসেন।"
তবে সালাম মিয়ার এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা দ্রুত বৃত্তি না পাওয়ার কারণ অনুসন্ধান, শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত একাডেমিক তদারকি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।