কসবা–আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬ বিকাল ০৫:১৯:২২
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে কসবার ঐতিহ্যবাহী কুটি বাজারে জমে ওঠেনি ঈদের কেনাকাটা
ঈদকে সামনে রেখে সাধারণত জমজমাট থাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কুটি বাজার। তবে এ বছর সেই চিরচেনা ব্যস্ততা এখনো দেখা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার (১০ মার্চ ২০২৬) বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের আর অল্প সময় বাকি থাকলেও ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম।
ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিবছর ঈদের অন্তত দুই সপ্তাহ আগে থেকেই কুটি বাজারে ক্রেতাদের ভিড় শুরু হয়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কেনাকাটায় ব্যস্ত থাকেন মানুষ। কিন্তু এবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকান খোলা থাকলেও প্রত্যাশিত বিক্রি হচ্ছে না।
বাজারের একাধিক বিক্রেতার দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কর্মরত থাকায় সেখানকার অস্থিরতার কারণে দেশে অর্থ পাঠানো কমে গেছে বলে ধারণা করছেন তারা। ফলে ঈদকে ঘিরে কেনাকাটায় আগের মতো উৎসাহ দেখা যাচ্ছে না।
বাজারের এক কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, “আগের বছরগুলোতে ঈদের দুই সপ্তাহ আগে থেকেই বাজারে মানুষের ভিড় লেগে থাকত। কিন্তু এবার ক্রেতা অনেক কম। বিক্রিও আশানুরূপ হচ্ছে না।”
আরেক ব্যবসায়ী জানান, “মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অনেক প্রবাসীর আয় কমেছে বা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব আমাদের বাজারেও পড়ছে।”
তবে অনেক ব্যবসায়ী এখনও আশাবাদী। তাদের মতে, ঈদের ঠিক আগের কয়েক দিনে বাজারে ক্রেতা বাড়তে পারে। শেষ সময়ে মানুষ কেনাকাটায় নামলে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতে পারে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কসবার ঐতিহ্যবাহী কুটি বাজার দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অন্যতম প্রধান ঈদের কেনাকাটার কেন্দ্র। কিন্তু এ বছর এখন পর্যন্ত সেই জমজমাট পরিবেশ চোখে পড়ছে না।