নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৬ সকাল ১০:৩৮:০৮
বিশ্বকাপ: টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিতে এমবাপ্পের ফ্রান্স
বিশ্বকাপে ব্যর্থতার গ্লানির অনুভূতি কি রকম হতে কিলিয়ান এমবাপ্পের সেটি এখনো জানা হয়নি।প্রথম বিশ্বকাপ খেলেছেন মাত্র ১৮ বছর বয়সে। পেলের রেকর্ড ভেঙ্গে প্রথম বিশ্বকাপে করেছিলেন বাজিমাত। এরপর সময় যত গড়িয়েছে, ধীরে ধীরে ফরাসি ফরোয়ার্ড নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। এ নিয়ে খেলছেন তিনটি বিশ্বকাপ।প্রতি বিশ্বকাপে নিজে তো সফল বটেই, দলকেও প্রতিবার তুলেছেন সেমিফাইনালে।কোয়ার্টার ফাইনালে প্রত্যাশিতভাবেই মরক্কো কোন প্রতিরোধ করতে পারেনি দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফরাসিদের সামনে।
বৃহস্পতিবার উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ২-০ গোলে জিতল দিদিয়ে দেশমের দল। তাদের দ্বিতীয় গোলটি করেন উসমান দেম্বেলে।
ম্যাচের শুরু থেকে এমবাপ্পেদের দাপট ছিল স্পষ্ট। রক্ষণ সামলাতে মরিয়া আফ্রিকার দল মরক্কো ২৮ মিনিটে পেনাল্টি দিয়ে দেয়। এমবাপ্পেকে থামাতে বক্সে ফাউল করে বসেন মাজরাউই। পেনাল্টির বাঁশি বাজানো রেফারিকে ভিএআর চেক করে পাকা সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
স্পটকিক থেকে বিশ্বকাপে নিজের গোল সংখ্যা বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ হারান এমবাপ্পে।তবে ৬০ মিনিটে আর এমবাপ্পেকে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। শরীরের ঝাঁকুনিতে বক্স থাকা মরক্কান ফুটবলাররা অল্প জায়গা ছাড়তে বাধ্য করেন। নিঁখুত শট নিয়ে বাঁ প্রান্ত জালে বল পাঠিয়ে দেন এই রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকার।
মরক্কোর গোলের মুখ খোলা ফ্রান্স দ্বিতীয় গোলটি করতে বেশিক্ষণ সময় নেননি। বরং ছয় মিনিট পরই উসমান ডেম্বেলে দারুণ এক ফিনিশিংয়ে জালে বল পাঠিয়ে দেন। গোলরক্ষক বনোর শটটি ফেরানোর সুযোগ ছিল। তিনি লাফিয়েও ছিলেন। কিন্তু কাজ হয়নি। ফ্রান্স ২-০ গোলে লিড নেওয়ার পর বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন আক্রমণের শিকার কিলিয়ান এমবাপ্পে।
এই জয়ে টুর্নামেন্টে টানা ছয় ম্যাচ জিতল ফ্রান্স। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে নকআউট—সব মিলিয়ে দারুণ ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে দেশমের দল। শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়েকে হারানোর পর এবার মরক্কোকেও বিদায় করে শেষ চারে পৌঁছাল তারা।