নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০২:২২:০২
ব্রাজিল খেলবে কলকাতায়, সমর্থকদের দাবি বাংলাদেশে সফরের
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে আবারও পথচলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সমর্থকদের আরও কাছাকাছি পৌঁছানোর পরিকল্পনা নিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় দুটি প্রীতি ম্যাচের পাশাপাশি ভারতের কলকাতায়ও একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী অক্টোবরের শুরুতেই কলকাতার মাঠে দেখা যেতে পারে সেলেসাওদের।
দ্য মিন্ট এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম ‘ফিফা সুপার ডেট’-এ ব্রাজিল তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। এর মধ্যে দুটি ম্যাচের সূচি ইতোমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার টাউনসভিলে এবং ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রিসবেনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল।
এই দুটি ম্যাচের পর অক্টোবরের শুরুতে ভারতের কলকাতায় আরও একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সিবিএফ। এ নিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে ম্যাচটি কলকাতায় হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হলেও ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কোন দল হবে, তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।
সিবিএফের এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে এশিয়ায়, বিশেষ করে ভারত ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ব্রাজিলের বিপুল জনপ্রিয়তা। ২০২৬ বিশ্বকাপ চলাকালে ভারতজুড়ে হাজারো ব্রাজিল সমর্থকের উপস্থিতি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হলুদ-সবুজ জার্সিধারী ভক্তদের ছবি সংস্থাটির নজর কেড়েছে। এ কারণেই দক্ষিণ এশিয়ার সমর্থকদের সামনে জাতীয় দলকে খেলানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে চুক্তির কয়েকটি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলেই ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।
ব্রাজিলের এই সফর নতুন চালু হওয়া ‘ফিফা সুপার ডেট’ ক্যালেন্ডারের অংশ। ১৬ দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে প্রতিটি জাতীয় দল সর্বোচ্চ চারটি ম্যাচ অফিসিয়াল কিংবা প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন মহাদেশে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে ফিফা।
এদিকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে সিবিএফ। সংস্থাটি বলছে, ২০২৭ সাল থেকে ব্রাজিলের ভেতরেই আরও বেশি প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করা হবে। বিশেষ করে যেসব শহরে জাতীয় দলের ম্যাচ খুব কম হয়, সেসব অঞ্চলেও ব্রাজিলকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সমর্থকেরাও কাছ থেকে জাতীয় দলকে দেখার সুযোগ পান।