নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:৪৬:৩০
তৃতীয় নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে ইংল্যান্ডের জয়
দুই দলই সেমিফাইনাল হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে।তৃতীয় স্থান নিয়ে তাই আগ্রহ ছিলনা কারও।তবে সেই অনাগ্রহের ম্যাচেই গোলের বন্যা বসিয়ে দিল ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। ১০ গোলের 'খ্যাপাটে' ম্যাচে অবশ্য শেষ হাসি টমাস টুখেলের শিষ্যদের।
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করল ইংলিশরা।এই ম্যাচ নিয়ে দুই দলের কারও তেমন আগ্রহ ছিল না। ফ্রান্স কোচ দিদিয়ে দেশঁ নিজেই সেটা স্বীকার করেছিলেন। সেমিফাইনালে হেরে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভাঙার পরই এই ম্যাচে নামতে হয় দলগুলোকে। তবে মাঠের লড়াইয়ে আগ্রহের কোনো কমতি দেখা যায়নি।
ম্যাচ শুরুর মাত্র আড়াই মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ফ্রান্সের দেজিরে দুয়ের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে আক্রমণে ওঠেন ডেকলান রাইস। তার শট গিয়ে জড়ায় জালে।
বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় দ্রুততম গোলের কীর্তি গড়লেন রাইস, দুই মিনিট ১৪ সেকেন্ডে। দেশটির দ্রুততম গোলের রেকর্ড ব্রায়ান রবসনের, ১৯৮২ আসরে ফ্রান্সের বিপক্ষেই ২৮ সেকেন্ডে।
এরপর একে একে স্কোরকার্ডে নাম লেখান কোনসা ও সাকা। ১৮ মিনিটে কোনসা এবং ৩৭ ও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে জোড়া গোল পূর্ণ করেন সাকা। বিরতির আগেই ইংল্যান্ড ৪-০ গোলে এগিয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই একাদশে তিনটি পরিবর্তন আনেন ফ্রান্সের কোচ। ফলও পান। ৪৮ মিনিটে আসরে নিজের নবম গোলটি করে ব্যবধান কমান এমবাপ্পে।
৫৪ ব্যবধানে গোল করেন বদলি নামা বারকোলা। ৬৬ মিনিটে আবারও বল জালে পাঠান এমবাপ্পে, যা আসরে তার দশম গোল। আর এই গোলই তাকে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসন দিয়েছে।International Sports
ম্যাচে তখন উত্তেজনা তুঙ্গে। প্রথমার্ধে ৪ গোল হজম করা ফ্রান্স ৩ গোল ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচে ফিরে আসে।কিন্তু ৮৭ মিনিটে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। স্পটকিকে হ্যাটট্রিক পূর্ন করে আবারও ব্যবধান বাড়ান সাকা।যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে দেম্বেলে আসরে তার ষষ্ঠ গোলটি করে আবারও ব্যবধান কমান। কিন্তু বদলি নামা জুড বেলিংহ্যাম ৯৮ মিনিটে ফ্রান্সের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকেন। এটি আসরে তার সপ্তম গোল।
আর তাতেই ১৯৬৬ সালে একমাত্র শিরোপা জয়ের পর, বিশ্বকাপে সেরা সাফল্য নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড। আগে দুইবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে হেরেছিল তারা- ১৯৯০ সালে ইতালির বিপক্ষে ও ২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়ার।