নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ০৭:০২:২২
নামিবিয়াকে উড়িয়ে সুপার এইটে পাকিস্তান
ইনিংসের শুরুটা অবশ্য ভালোই হয়েছিল। ওপেনার লরেন স্টিনক্যাম্প ও জান ফ্রাইলিঙ্ক ৩২ রানের জুটি গড়েন। ফ্রাইলিঙ্ক ১১ বলে ৯ রান করেন, যেখানে সালমান মির্জার বলে একটি চারও ছিল, পরে তিনি বোল্ড হন। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে জান নিকোল লফটি-ইটন ৫ রানে রানআউট হলে নামিবিয়ার চাপে পড়ে যায় দলটি। ৫.২ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৯-২।
স্টিনক্যাম্প ২২ বলে ২৩ রান (তিন চার ও একটি ছক্কা) করে মোহাম্মদ নওয়াজ-এর শিকার হন। অধিনায়ক গেরহার্ড ইরাসমাস মাত্র ৭ রান করে শাদাব খান-এর বলে আউট হন। অ্যালেক্সান্ডার বুসিং-ভলসেঙ্ক ২০ বলে ২০ রান করে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও শাদাবের দ্বিতীয় শিকার হন। ১২.৩ ওভারে নামিবিয়া ৭৯-৫ এ নেমে যায়।
উসমান তারিক এরপর জেজে স্মিট (৯) ও রুবেন ট্রাম্পেলমানকে শূন্য রানে আউট করে পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করেন। ১৩.৩ ওভারে নামিবিয়া ৮১-৭। শাদাব তার তৃতীয় উইকেট হিসেবে জেন গ্রিনকে (৭) ফেরান। তারিক আরও দুই উইকেট নিয়ে বার্নার্ড স্কোল্টজ (১) ও উইলেম মাইবার্গকে (৮) সাজঘরে পাঠান। এতে পাকিস্তানের বোলিং পারফরম্যান্স পূর্ণতা পায়।
ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান দারুণ সূচনা পায়। ওপেনার সাইম আইয়ুব ও সাহিবজাদা ফারহান শুরু থেকেই সাবলীল ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নেন। ৪০ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন জ্যাক ব্রাসেল, যখন সাইম ১২ বলে ১৪ রান করে আউট হন।
এরপর অধিনায়ক সালমান আলি আগা ফারহানের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়ে দলকে ১০০ পার করান। ফারহান দারুণ ফর্মে ছিলেন। চার-ছক্কায় তিনি তার দশম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক অর্ধশতক পূর্ণ করেন। আগা ২৩ বলে ৩৮ রান (তিন চার ও দুই ছক্কা) করে আবারও ব্রাসেলের শিকার হন। ১২.১ ওভারে পাকিস্তান ১০৭-২।
অবাক করা বিষয়, তিন নম্বরে বাবর আজম নামেননি; তার বদলে খাওয়াজা নাফায়কে পাঠানো হয়। তবে তিনি রানআউটের আগে ৫ রান করে ফেরেন, যা অধিনায়ক ইরাসমাসের শিকার। পরে শাদাব খান ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধীরগতির হলেও ফারহান ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে শতক করা দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে আহমেদ শেহজাদ-এর পাশে নাম লেখান। চতুর্থ উইকেটে শাদাব ও ফারহান ৫০ রানের জুটি গড়েন। শেষ পর্যন্ত ফারহান ৫৮ বলে অপরাজিত ১০০ রান করেন, যেখানে ছিল ১১টি চার ও চারটি ছক্কা। শাদাব ২২ বলে ৩৬ রান করেন, এক চার ও তিন ছক্কায়।