জামায়াতের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর গার্লস হাইস্কুল মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন।২১ মার্চ শনিবার সকাল ৮টায় মিরপুর ৬০ ফিট সংলগ্ন মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠের ঈদ জামাতে তিনি অংশ নেন।ঈদ জামাতে অংশ নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, হিংসা বিদ্বেষ ভুলে নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। দেশ গঠনে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান।তিনি বলেন, দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য জীবন গঠন করতে হবে। তবেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব।ঈদযাত্রায় ভাড়া কেলেঙ্কারি নিয়ে জাতি হিসেবে লজ্জিত বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির।জামায়াত আমির বলেন, ঈদ আসে খুশির বার্তা নিয়ে। আর ঈদে নাড়ির টানে বাড়িতে ছুটে যান শহর-নগরে থাকা মানুষজন। ঈদযাত্রায় অতীতেও বিভিন্ন সময় অনেক সমস্যা ছিল। এবার আরও বেশি মাত্রায় হয়েছে। এতে আমরা লজ্জিত। পরিবর্তিত বাংলাদেশে এটা হওয়া উচিত ছিল না। ভাড়া নিয়ে যে কেলেঙ্কারি হয়েছে এবং সরকারের মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট বিভাগ একেক সময় একেকটা কথা বলায় জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত। জানি না তারা লজ্জিত বা অনুতপ্ত কিনা। শফিকুর রহমান বলেন, স্বল্প আয়ের মানুষরাই বেশিরভাগ গ্রামে যান। সারা বছর একটু একটু করে সামান্য টাকা জমান তারা। সেই টাকাটাই যদি ভাড়ায় সব শেষ হয়ে যায়, তাহলে ঈদের আনন্দেই তো ম্লান হয়ে যায়। তারা কষ্টের মধ্যে পড়ে যান। এটা অমানবিক ও একটা মানবতাবিরোধী অপরাধ। গোটা জাতির সঙ্গে যা করা করেছে, নিঃসন্দেহে ভালো কাজ করেনি। আমরা এটার নিন্দা জানাই। তাদের উচিত ছিল এই ঈদের যাত্রাটাকে আরামদায়ক ও স্বস্তিদায়ক করা। তারা করতে পারেননি, বরং ব্যর্থ হয়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ-আহতদের স্মরণ করে তিনি বলেন, আজকের এই দিনটি মুসলিম উম্মার জন্য আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে একটা নিয়ামত। এটা জুলাই পরিবর্তনের পর দ্বিতীয় ঈদুল ফিতর। গত বছর আমরা একটা ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছি। আমরা যাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই বাংলাদেশ পেয়েছি, তাদের কাছে আমাদের একটা দায়বদ্ধতা রয়েছে। শহীদ, আহত ও জুলাইযোদ্ধা তথা নির্বিশেষে বাংলাদেশের মুক্তিকামী সব মানুষের কাছে। এ সময় দেশবাসীসহ প্রবাসীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান তিনি।
১ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ। তারা ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) হওয়া এই ফোনালাপের তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক, ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও পারিবারিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করতে পাকিস্তানের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আশ্বস্ত করেন। উভয় নেতা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন এবং মতপার্থক্য ও বিরোধ নিরসনে সংলাপ ও কূটনৈতিক পথ অনুসরণ করার আহ্বান জানান। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার অভিন্ন উদ্দেশ্য পূরণে আগামী দিনগুলিতে একযোগে কাজ করার ব্যাপারে উভয় নেতা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
২ ঘন্টা আগে
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামজের দ্বিতীয় জামাত সম্পন্ন হয়েছে। ২১ মার্চ শনিবার সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকি নদভী। নামাজ শেষে জাতির কল্যাণে দীর্ঘ সময়ের মোনাজাত ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমানের ইমামতিতে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় জামাতে কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন এবং নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দ্বিতীয় জামাত শেষে দোয়া ও মোনাজাতে আল্লাহর কাছে গুনাহ থেকে মাফ চাওয়া ছাড়াও দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণ কামনা করা হয়। দেশের উপর যেসব বালা-মুসিবত রয়েছে, তা থেকে বেঁচে থাকতে মহান আল্লাহর রহমত প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া মোনাজাতে রমজান মাসের রোজা ও অন্যান্য এবাদত যাতে আল্লাহ কবুলের জন্য আল্লাহর কাছে আর্তি জানানো হয়। মৃত আত্মীয়-স্বজনদের জন্যও জান্নাত কামনা করা হয় মোনাজাতে। এ সময় মুসল্লির অনেকেই চোখের জলে নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে দেখা গেছে। মোনাজাতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নিপীড়িত মুসলমানদের হেফাজতের জন্যও দোয়া করা হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ঈদের পরবর্তী জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টা, ১০টা এবং ১০টা ৪৫ মিনিটে। তৃতীয় জামাতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেন, চতুর্থ জামাতে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী এবং পঞ্চম ও শেষ জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন।এছাড়া বিকল্প ইমাম হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মাওলানা শহীদুল ইসলাম প্রস্তুত থাকবেন।
২ ঘন্টা আগে
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে একসঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩৬ বছর পর এক অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হলো জাতীয় ঈদগাহ ময়দান।২১ মার্চ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় ঈদগাহে ইমামতি করেছেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। জাতীয় ঈদগাহে এবার রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ প্রায় ৩৩০ জন ভিআইপি এবং প্রায় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ সাধারণ মুসল্লির জন্য নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নারীদের জন্য রাখা হয়েছিল পৃথক পর্দার ব্যবস্থা।ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে সকাল ৯টা, সকাল ১০টা ও ১০টা ৪৫ মিনিটে আরও ৩টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া দুই সিটি করপোরেশনের এলাকাভিত্তিক মসজিদগুলোতেও ঈদের নামাজ আদায় হবে।
৩ ঘন্টা আগে